1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
  2. masud@dailysobujbangladesh.com : Md. Masud : Md. Masud

September 20, 2021, 7:37 pm ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
হাওড় ভ্রমণে ঢাকা বিভাগ সাংবাদিক ফোরাম কাতারে এসএম সাগরের জমজমাট মাদক ব্যবসা, ঝুঁকিতে অভিবাসন খাত জয়পুরহাটে র‌্যাবের অভিযানে রিভলবার ৪ রাউন্ড গুলি ও গাঁজাসহ ৪ জন আটক গ্রাম বাংলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ভেষজ গুণসম্পন্ন কাঁটা মান্দা গাছ ঢাকা শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যানের হয়রানী বিপাকে শত শত স্কুল অ্যান্ড কলেজ ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রধানমন্ত্রীর ছয় দফা প্রস্তাব হারুনর রশিদ মুন্না ভাই এর ভালোবাসা ছাড়া কিছুই চাই না -বোরহান বেপারি ইভ্যালির চেয়ারম্যান-এমডিকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে প্রধান মন্ত্রীর প্রতি আমার শতভাগ আস্থা রয়েছে -মোঃ মনিরুল ইসলাম তালুকদার মনির! সোনারগাঁওয়ে প্রতারক মহসিন কবিরাজ কবিরাজির নামে ভন্ডামি
‘ভূতুড়ে’ পত্রিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

‘ভূতুড়ে’ পত্রিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক॥
ইতোমধ্যে ১০০টি পত্রিকার ডিক্লেরেশন বাতিলের জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, গত দুই বছরে প্রায় সাড়ে ৪০০ পত্রিকা একটি কপিও ডিএফপিতে জমা দেয়নি। এসব পত্রিকাগুলো ভূতুড়ে পত্রিকা। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজ মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ‘সাংবাদিকতায় বঙ্গবন্ধু’ শিরোনামে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

হাছান মাহমুদ বলেন, ভূতুড়ে পত্রিকাগুলো সাংবাদিকদের কোনো বেতন দেয় না। তারা আইডি কার্ড বিতরণ করে। এসব সাংবাদিকরা চাঁদাবাজির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। যার কারণে সাংবাদিক সমাজের ওপর বদনাম হয়।

তিনি বলেন, অনলাইন গণমাধ্যম এখন বাস্তবতা। যে কারণে সরকার অনলাইন গণমাধ্যমের নিবন্ধনের কাজ করছে। ইতোমধ্যেই পাঁচ হাজারেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে খোঁজ-খবর নিয়ে আমরা মাত্র ১৫০টি অনলাইনকে নিবন্ধন দিয়েছি। একসঙ্গে যেসব অনলাইন ভিন্ন উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে সেগুলো বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাকশালের সময়ে চারটি পত্রিকা বাদে অন্যান্য পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়া প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, সে সময় কোনো সাংবাদিক বেকার হয়নি। তাদের বিভিন্ন জায়গায় চাকরি দেওয়া হয়েছে। যারা চাকরি পাননি, তাদের তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে টাকা দেওয়া হতো।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সাংবাদিকবান্ধব নেতা ছিলেন। বঙ্গবন্ধুকেও সাংবাদিকরা অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়েছিলেন। যে কারণে বঙ্গবন্ধুর দর্শন ছড়িয়ে দেওয়া খুব সহজ হয়েছিল।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশের সাংবাদিকদের জন্য যা করেছেন তা অন্য কেউ করেননি। সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে হাজার হাজার সাংবাদিক উপকৃত হচ্ছেন। সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট এখন সাংবাদিকদের ভরসার স্থানে পরিণত হয়েছে। করোনাকালে এখান থেকে যে সহযোগিতা করা হয়েছে, তা অন্য কোনো দেশের সাংবাদিকদের করা হয়নি। এখন সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, যোগ করেন মন্ত্রী।

হাছান মাহমুদ বলেন, দেশের, রাষ্ট্রের বিকাশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের বিকাশের স্বার্থে গণমাধ্যমের বিকাশ যেমন প্রয়োজন- তেমনি সাংবাদিকদের নীতি-নৈতিকতার বিকাশ হওয়া প্রয়োজন। সাংবাদিকদের প্রচুর সমিতি হয়েছে। এটা নিয়ে সাংবাদিক সমাজকে ভাবতে হবে। এটা রাষ্ট্রের কাজ না, সাংবাদিক নেতারা এ বিষয়ে ভাববেন।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানীর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি শফিকুল করিম, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021