1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
আওয়ামী লীগ কখনো স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি হতে পারে না’ - দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । রাত ১২:০৩ ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
আওয়ামী লীগ কখনো স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি হতে পারে না’

আওয়ামী লীগ কখনো স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি হতে পারে না’

আওয়ামী লীগ কখনো স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান।

তিনি বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন বিভাগের জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হচ্ছে। আপনাদের কাছে পক্ষপাতিত্ব কথা মনে হতে পারে তারপরও বলছি, ঢাকা হচ্ছে বাংলাদেশের রাজধানী। ঢাকার কথায় বাংলাদেশ উঠে-বসে। ঢাকার কথায় পরিবর্তন আসে, ঢাকার কথায় নতুনত্ব আসে। আমি মনে করছি; আপনারা মতবিনিময় সভা থেকে এমন প্রতিজ্ঞা নিয়ে যাবেন যে, বাংলাদেশে রাজনীতিতে আগামী দিনে যে পরিবর্তন আসবে সেই লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। কারণ অনির্বাচিত ক্ষমতাসীনরা মুখে বলে তারা স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তি। অথচ তারাই করেছে একদলীয় বাকশাল। তারা যে মডেল তৈরি করেছে যেখানে কাউকে কথা বলতে দেয় না। তাহলে কীভাবে তারা স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি হল সেই প্রশ্ন কি আমরা আজকে করতে পারি না।’

বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মঈন খান।

তিনি বলেন, ‘পথে ঘাটে আমরা যখন কথা বলার সুযোগ পাব তখনেই বলব-আওয়ামী লীগ কখনো স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি হতে পারে না। ৭১ সালে তাদের কী ভূমিকা ছিল? সেই ২৫ মার্চের কালো রাত্রে যখন হায়েনার মতো পাকিস্তান বাহিনী ঝাপিয়ে পড়েছিল তাদের ভুমিকা কী ছিল? তাদের ভূমিকা ছিল একটি পলায়ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকা। তারা পালিয়ে গিয়েছিল। কাপুরুষের মতো সীমানা টপকে অন্য জায়গায় আশ্রয় নিয়েছিল। আর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বুক ফুলিয়ে দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি পাকিস্তানিদের ভয় পাননি।’

মঈন খান বলেন, ‘আমাদের একটা বিশেষ এজেন্ডা আছে। আমরা যেভাবে আন্দোলন করছি সেই আন্দোলন অবশ্যই সফল হবে। মতবিনিময় সভায় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্দেশনা দেবেন, আপনারাও খোলা মন নিয়ে পরামর্শ দেবেন। কীভাবে আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারকে অপসারণ করে গণতান্ত্রিক একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারব। যেভাবে বাংলাদেশে জিয়াউর রহমান গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। যেভাবে খালেদা জিয়া এই দেশে সংসদীয় পদ্বতি পুনপ্রতিষ্ঠা করে ছিলেন।

সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধিদের শৃঙ্খলাবোধ রাখার আহ্বান করে তিনি বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শুধুমাত্র তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের গুরুত্ব দেননি; একইসঙ্গে তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন তৃণমূল পর্যায়ে যারা আপনারা জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন, অতীতে করেছেন।

তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে যে আজকে সরকার মিথ্যা ইতিহাস লিখে পাঠদান করাচ্ছে। আমাদের সেটা প্রতিহত করতে হবে। সত্যিকার ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে হবে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে আপানারা সচেতনভাবে সেই দায়িত্ব পালন করবেন। আমি পর্দায় দেখতে পাচ্ছি আমাদের নেতা তারেক রহমানকে, আমার মনে হচ্ছে না তিনি সুদূর ৫ হাজার মাইল দূরে আছেন। মনে হয় তিনি আমাদের সঙ্গে পাশেই আছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021
ভাষা পরিবর্তন করুন »