1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
আপন ভাতিজাকে দুর্ধর্ষ অপরাধী বানাতে মরিয়া উপকমিশনার (কাস্টমস) মোঃ জাহিদুল ইসলাম হাই - দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । সকাল ৯:৩৬ ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক ‘মহান শহিদ দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালন পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ থানার সন্ধ্যা নদীর ভাংগন ঠেকানো যাচ্ছে না ইট ভাটার কারনে দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের পর সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবু হেনা মোস্তাফার বদলি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুমন সিংহের বিরুদ্ধে ব্যাপক দূর্ণীতির অভিযোগ তিতাস গ্যাস আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি নিয়ে মিথ্যাচার ইউনিয়ন আ’লীগের পদের বসেই বিপুল অর্থবৃত্তের মালিক জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র বুড়িচং উপজেলা কমিটি গঠন রিকশা এমদাদ বাহিনীর তাণ্ডবে অতিষ্ঠ বাড্ডাবাসী, থানায় মামলা আবুল মোল্লার বাড়িতে ভয়াবহ ডাকাতি ! শহর সমাজসেবা কার্যালয়-১,ঢাকা কর্তৃক বাস্তবায়িত কার্যক্রম সমূহ জোরদার করন” শীর্ষক সেমিনার
আপন ভাতিজাকে দুর্ধর্ষ অপরাধী বানাতে মরিয়া উপকমিশনার (কাস্টমস) মোঃ জাহিদুল ইসলাম হাই

আপন ভাতিজাকে দুর্ধর্ষ অপরাধী বানাতে মরিয়া উপকমিশনার (কাস্টমস) মোঃ জাহিদুল ইসলাম হাই

স্টাফ রিপোর্টারঃ

আপন ভাতিজাকে দুর্ধর্ষ অপরাধী বানাতে মরিয়া উপকমিশনার (কাস্টমস) মোঃ জাহিদুল ইসলাম হাইপাবনার কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের ডেপুটি কমিশনার ও বিভাগীয় কর্মকর্তা, পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার মৃত হাজী মো. রিয়াজুল ইসলামের চতুর্থ পুত্র মো. জাহিদুল ইসলাম হাই (২৯তম বিসিএস, কাস্টমস, ০১৭১২৯২২৪৩৪) তার আপন বড় ভাইয়ের একমাত্র পুত্রের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে বলে জানিয়েছেন ভাতিজা প্রভাষক মো. হাসিনুর রহমান (০১৭১৫২৩৪২০৪)। তিনি রাজধানীর একটি স্বনামধন্য কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক হিসাবে কর্মরত আছেন।
এই কাস্টমস কর্মকর্তার ২০১৮ সালে দুদকের তদন্তে মাত্র ৬ বছরের চাকরি জীবনের শতাধিক দলিলের তথ্য বেরিয়ে এসেছিল । এছাড়াও দেশের মূলধারার বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও টেলিভিশনে তার দুর্নীতির বিষয়ে প্রতিবেদন ও খবর প্রকাশিত হয়েছে। তাছাড়া সরকারী ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহণ করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আসছেন।

কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, রাজশাহী এর সাবেক  উপকমিশনার বর্তমানে কাস্টমস একাডেমি চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক র্মোঃ জাহিদুল ইসলাম, রাজস্ব কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুল ইসলাম ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মোঃ মামুনুর রহমান এর সমন্বিত টিম রাজস্ব আহরণের নামে স্থানীয় শিল্প ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ভ্যাটের মামলা, জেল, জরিমানার ভয় দেখিয়ে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা উৎকোচ গ্রহণ ও আত্মসাৎ সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ৭ জানুয়ারি ২০২১ তারিখের ০৩.০৭৩.০২৭.০৮.০০.০০১.২০১৮-০৫ নম্বর পত্রের সুত্রে প্রাপ্ত দাখিলকৃত অভিযোগসমূহ তদন্ত করার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ২৩ মে ২০২১ তারিখের ২৭৬ নম্বর স্মারকের মাধ্যমে তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযোগসমূহ তদন্তের প্রাক্রিয়া শুরু করে। কমিটিকে ২১ কার্মদিবসের মধ্যে এই তদন্ত কাজ শেষ করার কথা বলা হলেও জাহিদুল ইসলাম তার বিরুদ্দে আনীত অভিযোগের জবাব দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চেয়েছেন।

এমনকি মায়ের নামে থাকা সম্পত্তি বাগিয়ে নিতে তিনি নিজের ভাইকে জেল পর্যন্ত খাটিয়েছেন। জাহিদুল ইসলাম হাই প্রতারণার মাধ্যমে অন্য ১১ জন ভাইবোনকে ফাঁকি দিয়ে ভাঙ্গুড়া পৌরশহরের প্রাণকেন্দ্রের সরকারি হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন ১৮.৫ শতাংশ জমির উপর নির্মিত ৩৫টি দোকানসহ হাজী মার্কেটের জমি নিজের নামে লিখে নেন। ছেলে জাহিদুলের বিরুদ্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উক্ত জমির দলিল বাতিলের মামলাও দায়ের করেছিলেন তার মা (পাবনার ভাঙ্গুড়ার সহকারী জজ আদালতে দায়েরকৃত সিআর মামলা নম্বর: ২৮/২০১২)। জাহিদুল ইসলাম তার মাকে হুমকি-ধামকি দিয়ে নিজের সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য করান।
মো. হাসিনুর রহমান জানান, তার চাচা জাহিদুল ইসলাম নানাবিধ সময়ে বিভিন্ন দূর্নীতির মাধ্যমে অজস্র নগদ অর্থ এবং অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছে। চাকরি জীবনের কয়েক বছরের ভিতরই শতাধিক দলিলে প্রায় দুইশত বিঘা জমির মালিকও হয়েছেন তিনি।

তার চাচা সবসময় কোন না কোনভাবে পরিবারের কতৃত্ব ফলাতে চান। এই প্রভাষকের দাদী এবং বাবার একটা যৌথ ব্যাংক একাউন্ট আছে (হিসাবের নাম: মোছাঃ শামসুননাহার ও মোঃ শামসুল ইসলাম (আহমেদ শরীফ), হিসাব নম্বর: ৪১০৬-১০০০-১১৫৯৮, সোনালী ব্যাংক লি., ভাঙ্গুড়া বাজার শাখা)। দাদী তার চাচার বাসায় থাকতেন। এই সুযোগে তিনি দাদীর কাছ থেকে চেক নিয়ে এবং তার বাবার স্বাক্ষর নকল করে ২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সালে তিনটি চেকের মাধ্যমে ব্যাংক হিসাব থেকে একটি বড় অংকের অর্থ তুলে নেন। এই টাকা তোলার বিষয়ে তার চাচাকে বলা হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে যান। বাবা এর কোন সমাধান ও উপায় না পেয়ে চাচার বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে একটি চেক জালিয়াতির মামলা দায়ের করেন। যার পিটিশন মামলা নম্বর ১৮/১৮ (ভাঙ্গুড়া) পাবনা,দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ১০৯/৪০৬/৪২০/৪৬৮/৪৭১ ধারায় মোঃ জাহিদুল ইসলাম হাই, মোঃ শাহিনুর রহমান শাহীন (সুমন), মোঃ রিয়াদ বিশ্বাস-কে আসামিভুক্ত করা হয় যা পিবিআই, পাবনা তদন্তে মামলার প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে আমলী আদালত ভাঙ্গুড়া, পাবনা বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করেছেন এবং এই মামলায় জাহিদুল ইসলামসহ তিনজনই সাজার আশঙ্কায় হাসিনুর রহমানকে দুর্র্ধষ অপরাধী বানাতে মরিয়া।
মিথ্যা মামলায় ভুক্তভোগী এই প্রভাষক আরও জানান, একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে চাচা জাহিদুল ইসলাম পাবনায় উপকমিশনার (কাস্টমস) হিসেবে কর্মরত থাকার সুযোগে বাদী হয়ে তার নামে বাংলা বিড়ি কোম্পানিতে নকল ব্যান্ডরোল সরবরাহকারী হিসাবে তাকে আসামি করেন। এটি জি আর ফৌজদারি মামলার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে মিথ্যা আসামি করা হয়। যার ধারা ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন এর ২৫-এ তৎসহ ২৫৯/২৬০ পেনালকোড। এই একই মামলা পরপর পাবনা জেলায় মোট চারটি থানায় দায়ের করা হয়েছে। যার- পাবনার আতাইকুলা থানার মামলা নম্বর-২, তাং ১১.০৩.২০২০। পাবনার সদর থানার মামলা নম্বর-৩০, তাং ১২.০৩.২০২০। পাবনার সুজানগর থানার মামলা নম্বর-৭, তাং ১৩.০৩.২০২০। পাবনার ফরিদপুর থানার মামলা নম্বর-৬, তাং১৪.০৩.২০২০। পুলিশি তদন্তে হাসিনুর রহমানকে উল্লিখিত চারটি মামলা হতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে অব্যাহতি (FRT) প্রদান করে।
হাসিনুর রহমান আরও জানান, কোন সময়ই তিনি বাংলা বিড়ির সঙ্গে চাকুরি বা অন্য কোনও ভাবে জড়িত ছিলেন না। এ ছাড়াও গাজিপুরের জয়দেবপুর থানায় ৩০০ গ্রাম গাঁজা বিক্রির কথা উল্লেখ করে ২০১৮ সালে মামলা করা হয়। মামলা নম্বর-১৩, তাং ১২-১০-১৮ ইং। এই মামলাটি তাঁর আপন চাচা পারিবারিক শত্রুতার কারণে হিংসার বশবর্তী হয়ে পুলিশকে ভুল তথ্য দিয়ে প্রভাবিত করে দায়ের করেন বলে তিনি মনে করেন। পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এই মামলা হতেও হাসিনুর রহমানকে অব্যাহতি(FRT)দেওয়া হয়েছে। এযাবত হাসিনুর রহমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোট ৬টি মামলা হতে পুলিশ তদন্তে অব্যাহতি (FRT) দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে চাচা জাহিদুল ইসলাম নিজের ভাগ্নে শাহিদুর রহমান সাগরকে বাদী সাজিয়ে পাবনার ভাঙ্গুড়া থানায় হুমকির মামলা দায়ের করান, যার নম্বর ৩৮, তাং ২৩-০৭-২০১৮। এই শাহিদুর রহমান সাগর জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী সোহেলী পারভীন এর মালিকানাধীন Gen20 Solution নামের প্রতিষ্ঠানের উত্তরা, ঢাকা অফিসে কর্মরত। কাস্টমস কর্মকর্তা জাহিদুলের অবৈধ টাকার আশীর্বাদে ভাগ্নে মো. শাহিদুর রহমান সাগর, মো. শাহিনুর রহমান শাহিন, মো. রিয়াদ বিশ্বাস, বোন আরিফা ইসলাম, শ্বশুর অবসরপ্রাপ্ত স্কুল মাস্টার চাটমহর থানার হরিপুর গ্রামের মো. আলাউদ্দিন এবং স্ত্রী সোহেলী পারভীন অগাধ টাকার মালিক হয়েছেন।
মাদক, নকল ব্যান্ডরোল ও হুমকির মামলা দায়ের করে হাসিনুর রহমানকে অপরাধী প্রমাণ করেতে ব্যর্থ হয়ে তিনি নিজ উপজেলার কিছু মানুষের যোগসাজোসে হাসিনুর রহমানকে প্রতারক হিসেবে প্রমাণ করতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন।
এসমস্ত মিথ্যা মামলায় তার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে হাসিনুর রহমান জানান। এবিষয়ে তর মন্তব্য্য জানার জন্য মুঠফোনে কল দিলে প্রতিবেদকের পরিচয় পেয়েই মিটিংএ আছেন বলে ফোন কেটে দেন, পরে পাবনার এক সাংবাদিক দিয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021
ভাষা পরিবর্তন করুন »