1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
খানাখন্দে ভরা রাস্তায় দুর্ভোগ চরমে - দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

২৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । রাত ১০:০৯ ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
গণপূর্তের ইএম কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফের ভুয়া বিল ও কমিশন বাণিজ্য কার বলে বলিয়ান এলজিইডির বাবু নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আনসার এবং দালালদের চলছে প্রকাশ্যে ঘুষ বাণিজ্য  বেনাপোল কাস্টমস কর্মকর্তা এসি নুরের অবাধ ঘুষ বাণিজ্য গুচ্ছের পছন্দক্রমে সর্বোচ্চ আবেদন জবিতে টঙ্গীর মাদক সম্রাজ্ঞী আরফিনার বিলাসবহুল বাড়ী-গাড়ী রেখে থাকেন বস্তিতে! শরীয়তপুরে কিশোরীকে অপহরণের পর গনধর্ষণ বেনাপোল কাস্টমসে ফুলমিয়া নাজমুল সিন্ডিকেটের ডিএম ফাইলে অবাধ ঘুষ বাণিজ্য নারীঘটিত কারন দেখিয়ে জবির ইমামকে অব্যাহতি, শিক্ষার্থীরা বলছে সাজানো নাটক মিটফোর্ডের জিনসিন জামান এখন ইমপেক্স ল্যাবরেটরীজ (আয়) এর গর্বিত মালিক
খানাখন্দে ভরা রাস্তায় দুর্ভোগ চরমে

খানাখন্দে ভরা রাস্তায় দুর্ভোগ চরমে

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সংস্কারের অভাবে কুমিল্লা মেঘনা উপজেলার ভাটেরচর হইতে ৯.৫০ কিলোমিটার মেঘনা উপজেলা বিশ্বরোড, মানিকারচর বাজার হইতে পাড়ারবন ব্রিজের ৭ কিলোমিটার, দিদার মেম্বার মোড় হইতে ৫.৫০ কিলোমিটার আলিপুর, মানিকাচর বাজার হইতে ৬.৫০ কিলোমিটার রামপুর বাজার সড়কগুলোর বেহাল দশা হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন অংশে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক জায়গায় দেখা গেছে কার্পেটিং ও ইট উঠে গিয়ে মাটি বের হয়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। পথচারী ও গাড়ির যাত্রীদের দুর্ভোগ পৌঁছেছে চরমে। প্রায় তিন বছর আগে থেকেই অধিকাংশ সড়ক চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান, ইঞ্জিনচালিত যানবাহন ও ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে। এই রাস্তাগুলো দিয়ে প্রায় ছয়টি থানার (মেঘনা, হোমনা, তিতাস, বাঞ্ছারামপুর, চান্দিনা, নবীনগর) লাখেরও বেশি যানবাহন চলাচল করে। তবে দুর্ঘটনা এড়াতে যানবাহন চলে ধীরগতিতে।

এ সময় কয়েকজন অটো ড্রাইভারের সাথে কথা বললে তারা জানান, রাস্তায় অনেক খানাখন্দ থাকায় প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। এ রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে অনেকেই। অনেক সময় রিকশায় বা অটোতে রোগী নিয়ে হাসপাতালে গেলে তাদের অবস্থা আরও করুণ হয়ে পড়ে। ভাঙ্গাচুরা রাস্তায় চালাতে গিয়ে প্রায়ই নাটবল্টু খুলে পড়ে যায়। ফলে সারাদিন ব্যাটারি চালিত অটো চালিয়ে যা রোজকার করি, তার একটা অংশ মেরামতেই শেষ হয়ে যায়। ২০ মিনিটের রাস্তা যেতে সময় লাগে ৪০-৪৫ মিনিট।

একজন পথচারীর কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনুপযোগী সড়কগুলোর কারণে কৃষিপণ্য বাজারে নিয়ে যেতে এবং কোমলমতি শিশুদের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় যেতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। জনস্বার্থে সড়কটি সংস্কার করা অতি জরুরি হয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলার প্রকৌশলী মো. অহিদুল ইসলাম সিকদার দৈনিক সবুজ বাংলাদেশকে বলেন, বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) পাঁচ থেকে ছয়টি রাস্তা সংস্কারের টেন্ডার ওপেন করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021
ভাষা পরিবর্তন করুন »