1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
ঘুর্নিঝড় মোখা : বেড়িবাঁধ না থাকায় দুশ্চিন্তায় বাসিন্দারা - দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

২৬শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । সকাল ৯:৩৮ ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
শার্শায় মিটার ‘রিডিং’ না দেখেই অফিসে বসে করা হচ্ছে বিদ্যুৎ বিল,গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভ বাংলাদেশ সংবাদপত্র শিল্প পরিষদের ৮ম সভা অনুষ্ঠিত: সংবাদপত্র শিল্প টিকিয়ে রাখতে প্রধানমন্ত্রীর  সহযোগিতা কামনা ভেজাল কোম্পানীর ভেজাল বাণিজ্যে স্বাস্থ্যসেবায় হুমকি  পত্রিকার প্যাডে সুইসাইড নোটসহ নদীতে মিলল যুবকের অর্ধগলিত লাশ ঢাকাস্থ ভোলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আহসান কামরুল, সম্পাদক জিয়াউর রহমান জমি দখল করতে না পারায় ইমরান কর্তৃক খালেদ আল মামুনের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার  প্রবেশন সুবিধা পেল জবি শিক্ষার্থী তিথি কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের হিসাব রক্ষক শত কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনে, দুদকে অভিযোগ লেগুনা ড্রাইভার সোহেল ৩ থানায় গড়ে তুলেছে বিশাল এক সন্ত্রাসী বাহিনী যশোরে শীর্ষ সন্ত্রাসী জনপ্রতিনিধি দ্বারা খুন-১ আহত-১
ঘুর্নিঝড় মোখা : বেড়িবাঁধ না থাকায় দুশ্চিন্তায় বাসিন্দারা

ঘুর্নিঝড় মোখা : বেড়িবাঁধ না থাকায় দুশ্চিন্তায় বাসিন্দারা

 

মোসা:হাফসা আক্তার।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ উপকুলে আঘাত হানবে এমন খবরে আতংকিত দক্ষিনের জেলা ঝালকাঠির নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের।জেলার রাজাপুর এবং কাঠালিয়া উপজেলার বিষখালী নদীর তীরে বড় একটি অংশে বেড়িবাঁধ না থাকায় দুশ্চিন্তার ভাজ পরেছে ঐ অঞ্চলের বাসিন্দাদের কপালে।
শনিবার (১৩মে) সকাল থেকে এ অঞ্চলে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে।প্রতিটি উপজেলায় রেডক্রিসেন্ট কর্মীরা সতর্কতামুলক মাইকিং শুরু করেছে।তবে জেলার নদীগুলোর পানি এখনো স্বাভাবিক রয়েছে।

রাজাপুর উপজেলার চর পালট এলাকা এবং কাঠালিয়া উপজেলার বিষখালী নদীর তীরে বেরীবাঁধ না থাকায় বিগত দিনও ঐ অঞ্চলের গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছিলো।আর তাই ঘুর্নিঝড় “মোখা” আঘাত হানার খবরে বেরীবাঁধহীন এলাকার মানুষেরা বেশি আতংকিত।

এদিকে ঘুর্নিঝড় চলাকাকালীণ সময়ে মানুষের জানমালের নিরাপত্ত্বা দিতে এবং ঝড় পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় করনীয় সম্পর্কে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি সভা করেছেন বলে জানা গেছে।তবে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের এসব সভাকে আনুষ্ঠানিকই বলছেন নিম্মাঞ্চলের বাসিন্দারা।
কাঠালিয়ার লঞ্চ ঘাট এবং রাজাপুরের চরপালট গ্রামের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘প্রতি বছর ঘুর্নিঝড় আসলেই শুনি ডিসি এবং ইউএনও স্যারেরা মিটিং করে।কিন্তু ঝড়ের পরে আমাদের খোজ তারা নেয়না।পক্ষে ভোট না দেয়া ভোটারদের ঠিকমতো ত্রানও দেয়না চেয়ারম্যান মেম্বাররা।’
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন থেকে গনমাধ্যমকে জানানো হয়েছে, জেলার ৪ উপজেলার ৬১টি স্থায়ী সাইক্লোন শেল্টার সহ ৩৬৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।সংকেত বাড়ার সাথে সাথে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার জন্য সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান এবং স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দেশ দেয়া রয়েছে।এছাড়া সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারিদেরে কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।প্রয়োজনীয় নগদ অর্থ, চাল, শুকনো খাবার ও ঢেউটিন মজুদ রাখা হয়েছে।’
সিভিল সার্জন এইচ এম জহিরুল ইসলাম জানিয়েছে, জেলা সদরে দুটি এবং সকল উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ১ টি করে মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021
ভাষা পরিবর্তন করুন »