1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
চার বছরেও শেষ হয়নি তদন্ত ঠিকানা জালিয়াতি করে ১৯ বছর সরকারী চাকুরী করছেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা! - দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

২৬শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । সকাল ৮:১৬ ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
শার্শায় মিটার ‘রিডিং’ না দেখেই অফিসে বসে করা হচ্ছে বিদ্যুৎ বিল,গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভ বাংলাদেশ সংবাদপত্র শিল্প পরিষদের ৮ম সভা অনুষ্ঠিত: সংবাদপত্র শিল্প টিকিয়ে রাখতে প্রধানমন্ত্রীর  সহযোগিতা কামনা ভেজাল কোম্পানীর ভেজাল বাণিজ্যে স্বাস্থ্যসেবায় হুমকি  পত্রিকার প্যাডে সুইসাইড নোটসহ নদীতে মিলল যুবকের অর্ধগলিত লাশ ঢাকাস্থ ভোলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আহসান কামরুল, সম্পাদক জিয়াউর রহমান জমি দখল করতে না পারায় ইমরান কর্তৃক খালেদ আল মামুনের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার  প্রবেশন সুবিধা পেল জবি শিক্ষার্থী তিথি কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের হিসাব রক্ষক শত কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনে, দুদকে অভিযোগ লেগুনা ড্রাইভার সোহেল ৩ থানায় গড়ে তুলেছে বিশাল এক সন্ত্রাসী বাহিনী যশোরে শীর্ষ সন্ত্রাসী জনপ্রতিনিধি দ্বারা খুন-১ আহত-১
চার বছরেও শেষ হয়নি তদন্ত ঠিকানা জালিয়াতি করে ১৯ বছর সরকারী চাকুরী করছেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা!

চার বছরেও শেষ হয়নি তদন্ত ঠিকানা জালিয়াতি করে ১৯ বছর সরকারী চাকুরী করছেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা!

স্টাফ রিপোর্টারঃ
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী পদে ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে সরকারি চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মিন্টু খান নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্তাবলী পূরণ না করে ও ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে চাকরি নিয়েছেন মিন্টু খান।
ঢাকা জেলার বাসিন্দা না হয়েও নিয়েছেন ঢাকা জেলার ঠিকানায় চাকরি। ২০২২ সালের ৩০ আগস্ট কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর করা অভিযোগ পত্রে অভিযোগকারী মহসিন সিরাজ উল্লেখ করেন, ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর দুনীতি দমন কমিশন ও একই বছরের ২৪ নভেম্বর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মিন্টু খানের ভূয়া ঠিকানা ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে বেআইনি ভাবে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের সুষ্ঠ তদন্তের দাবি করেন।
মিন্টু খান ২০০৪ সালের ১২ আগস্ট উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে প্রথম চাকরিতে যোগদান করেন। কিন্তু তার উল্লেখিত ঠিকানায় তার কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। ২০২২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর কৃষি মন্ত্রণালয় সম্প্রসারণ-৪ বিভাগ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করে। এর আগে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর মিন্টু খানসহ ৩ জনের মিথ্যা তথ্য দিয়ে সরকারি চাকরিতে যোগদান সংলক্রান্ত অভিযোগের বিষয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর তথ্য চাই দুনীতি দমন কমিশন। সে সময় বিষয় টি মহাপরিচালকের দপ্তর হয়ে অতিরিক্ত পরিচালক পরে তা উপ-পরিচালক (লিসাসা) দপ্তরে এসে তদন্তের গতি হারিয়ে ফেলে। এখন পযন্ত সেই তদন্ত আলোর মুখ দেখেনি।
২০১৯ সালে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনে তথ্য গোপন করে ভূয়া ঠিকানা ব্যবহার করে ৩ ব্যক্তি বহাল তবিয়তে আছেন মর্মে মো: নাজিম উদ্দীনের পক্ষে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী এম শাখাওয়াত হোসেন অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নিকট ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন। এই তিন জনের একজন হলেন মিন্টু খান। বাকি দুইজন এখন অবসরে আছেন বলে জানা যায়। লিগ্যাল নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে সে সময় তাদের যাবতীয় রেকর্ড পাত্রাদির সত্যায়িত কপি প্রদানের জন্য বলা হলেও তারা সেই সকল সত্যায়িত ফটোকপি কতৃপক্ষের নিকট জমা দেননি বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মিন্টু খান বলেন, এ ধরনের অভিযোগ এর আগেও করা হয়েছিল যার কোন সত্যতা নেই । এটা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে করা হয়েছে। খামারবাড়িতে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কারণে কে বা কাহারা এগুলো করছে।
২০১৯ ও ২০২২ সালের কৃষি মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে লিগ্যাল ও সাপোর্ট সার্ভিসেস উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম বলেন, তদন্ত চলমান কোন বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না তবে যদি কেউ ঠিকানা জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি নিয়ে থাকে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021
ভাষা পরিবর্তন করুন »