1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
জবি সাংবাদিককে  মারলেন ছাত্রলীগ নেতা - দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

২২শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । সন্ধ্যা ৬:০৬ ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
বটিয়াঘাটার মাখঝানুল উলুম নুরানী ও মহিলা মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করায় চাকরিচ্যুত হলো এক শিক্ষিকা  বিএমইটির ১১ স্মার্ট কার্ড জালিয়াতি: বিদেশ যেতে না পেরে দুর্ভোগে কর্মীরা কেরানীগঞ্জ প্রেসক্লাবে সভাপতি আব্দুল গনী সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪৪ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোটের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্টিত মাদারীপুরে প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা দুই সহকারী সমাজসেবা অফিসারের পকেটে যমুনা লাইফের গ্রাহক প্রতারণায় ‘জড়িতরা’ কে কোথায় মেয়র বলে কথা: একাধিক পত্রিকায় পৌরসভার দুর্নীতি ও ভূমিদুস্যতার সংবাদ প্রকাশিত হলেও নিরব প্রশাসন বাংলাদেশে উদ্বোধন হলো টাটা মটরস-এর ‘টাটা যোদ্ধা ঔষধ প্রশাসনের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের প্রত্যাক্ষ মদদে ইউনানী, আয়ুর্বেদিক কোম্পানির প্রাণঘাতী ঔষধে বাজার সয়লাব স্নাতকের মেধা তালিকায় তৃতীয় স্থানে অবন্তীকা
জবি সাংবাদিককে  মারলেন ছাত্রলীগ নেতা

জবি সাংবাদিককে  মারলেন ছাত্রলীগ নেতা

উম্মে রাহনুমা, জবি প্রতিনিধি:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মিনহাজুল ইসলামকে ক্যাম্পাসে গাড়ির হর্ণ না শোনায় চড়-থাপ্পড় দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে । এ ঘটনায় বুধবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর একটি অভিযোগ দিয়েছেন ওই শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮তম ব্যাচের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ও ঢাকা রিপোর্ট ২৪.কম এ কর্মরত সাংবাদিক এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য।

লিখিত অভিযোগে ওই শিক্ষার্থী উল্লেখ করেন, বুধবার বেলা দেড়টায় আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১নং (মেইন) গেট দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার সময় পিছন থেকে বাইকের হর্ণ দেন পরাগ হোসেন। হর্ণ শুনতে না পাওয়ায় আমাকে ডেকে নিয়ে গালে চড়-থাপ্পর মারেন এবং গালাগালি শুরু করেন তিনি। এসময় পরাগ হোসেন আমাকে সবার সামনে ক্ষমা চাইতে বলেন জোরপূর্বক। কিন্তু ক্ষমা না চাওয়ায় পুনরায় পরাগ আমাকে চড়-থাপ্পর ও কিল-ঘুষি মারেন। এমন ঘটনায় আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি। বর্তমানে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পরাগ হোসেন বলেন, আমি বাইক নিয়ে যাওয়ার সময় হর্ণ দিয়েছি কিন্তু সে হর্ণ শুনেনি। তাই গাড়ি থেকে নেমে কোন ব্যাচ জিজ্ঞেস করে জাস্ট দুইটা থাপ্পর দিয়েছি।
কোন শিক্ষার্থীর গায়ে হাত তোলার অধিকার আছে কিনা এই প্রশ্ন করা হলে তিনি ফোন কেটে দেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. মিনহাজুল ইসলাম বলেন, আমাকে অন্যায়ভাবে চড়-থাপ্পড় মারা হয়েছে। উল্টো আমাকেই সরি বলার জন্য জোর করেছেন। আমি সরি না বলায় আমাকে কলার ধরে বাইকে উঠিয়ে গণিত ভবনের ওইদিকে নিয়ে যান তিনি। আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন,’অভিযোগ পাইছি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021
ভাষা পরিবর্তন করুন »