1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
জমি নিয়ে বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ঘরের টিভি ভাঙচুর - দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । সকাল ৬:৪২ ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ থানার সন্ধ্যা নদীর ভাংগন ঠেকানো যাচ্ছে না ইট ভাটার কারনে দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের পর সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবু হেনা মোস্তাফার বদলি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুমন সিংহের বিরুদ্ধে ব্যাপক দূর্ণীতির অভিযোগ তিতাস গ্যাস আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি নিয়ে মিথ্যাচার ইউনিয়ন আ’লীগের পদের বসেই বিপুল অর্থবৃত্তের মালিক জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র বুড়িচং উপজেলা কমিটি গঠন রিকশা এমদাদ বাহিনীর তাণ্ডবে অতিষ্ঠ বাড্ডাবাসী, থানায় মামলা আবুল মোল্লার বাড়িতে ভয়াবহ ডাকাতি ! শহর সমাজসেবা কার্যালয়-১,ঢাকা কর্তৃক বাস্তবায়িত কার্যক্রম সমূহ জোরদার করন” শীর্ষক সেমিনার ইউনিক হাসপাতালে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে মারধর ও হয়রানির শিকার সাংবাদিক
জমি নিয়ে বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ঘরের টিভি ভাঙচুর

জমি নিয়ে বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ঘরের টিভি ভাঙচুর

গাজীপুর প্রতিনিধিঃ

গাজীপুরের শ্রীপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মিনারা আক্তার নামে এক নারীর বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীদের বাধা দেওয়ায় তারা গৃহকর্মীসহ তার পরিবারের সদস্যদের পিটিয়ে আহত করে। এ সময় তারা বসতঘরের আসবাবপত্র, টেলিভিশনসহ ঘরে থাকা অন্যান্য জিনিসপত্র ভাঙচুর করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংঙ্কার লুটে নিয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৮টায় শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা (১ নং সিঅ্যান্ডবি) পশ্চিমপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গৃহকর্মী বাদী হয়ে বুধবার পাঁচ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০/১৫ জনকে অভিযুক্ত করে শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযুক্তরা হলেন- একই এলাকার মৃত ইসমাইলের ছেলে মনির হোসেন, ইজ্জতপুর গ্রামের নূর ইসলাম, রাসেল, মনির হোসেনের ছেলে মিনহাজ ও মেহেদীসহ তাদের অজ্ঞাত ১০/১৫ জন সহযোগী।

আহতরা হলেন- মিনারা (৪৫), তার স্বামী আমির হোসেন (৫৩), ছেলে ফাহাদ মিয়া (২১) ও ফয়সাল আহামেদ ফাহিম (১২)। তারা স্থানীয় বাজার থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

গৃহকর্মী মিনারা আক্তার ও থানায় করা লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, অভিযুক্ত মনির হোসেনের কাছ থেকে বসতবাড়িসহ জমি কিনেছে তিনি। ওই ভিটার ঘরের পশ্চিম পাশের ঘরের নিচে অভিযুক্তের সেপটিক ট্যাংক ছিল। জমি কেনার পর অভিযুক্তকে ওই ট্যাংক ব্যবহার না করতে ও সরিয়ে নিতে বলেন। সেপটিক ট্যাংক সরিয়ে নেওয়ার কথা বলে টালবাহানা শুরু করেন। মঙ্গলবার রাত ৮টায় তিনি সেপটিক ট্যাংক বন্ধ করার কাজ করেন।

তিনি দাবি করেন, এ সময় মনির হোসেন, নূর ইসলাম, রাসেল, মিনহাজ ও মেহেদীসহ তাদের ১০/১৫ সহযোগী দা, লাঠি, লোহার রড নিয়ে বসতবাড়িতে প্রবেশ করে কাজে বাধা দেন। প্রতিবাদ করলে গৃহকর্মী, তার স্বামী আমির হোসেনসহ তার দুই ছেলেকে পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় তারা বসতঘরে প্রবেশ করে ঘরের ওয়ারড্রপ, শোকেস, কেবিনেট, স্টিলের আলমারি ও দুইটি টিভি ভাঙচুর করে। এ সময় তারা ছয় লাখ টাকা এবং দেড় ভরি স্বর্ণালংঙ্কার লুটে নেয়। তারা যাওয়ার সময় বসতবাড়ির টিন, দুই হাজার লিটারের পানির ট্যাংকি ও অন্যান্য আসবাবপত্র কুপিয়ে ভাঙচুর করে।

এই বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মনির হোসেনের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।

শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ মাধ্যমে খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021
ভাষা পরিবর্তন করুন »