1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
পূর্ব তিমুরের মতো খ্রিষ্টান দেশ বানানোর চক্রান্ত চলছে! - দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । রাত ৮:৪৪ ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
পূর্ব তিমুরের মতো খ্রিষ্টান দেশ বানানোর চক্রান্ত চলছে!

পূর্ব তিমুরের মতো খ্রিষ্টান দেশ বানানোর চক্রান্ত চলছে!

মাওঃ মুফতি আব্দুল মাজিদ:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত শিরোনামে বাংলা ট্রিবিউন একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে ২৩ মে ২০২৪, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের একটি অংশ নিয়ে পূর্ব তিমুরের মতো খ্রিষ্টান দেশ বানানোর চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ করেছেন খোদ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া বাংলাদেশে এয়ার বেজ বানানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে কোন দেশ এই প্রস্তাব দিয়েছে, সেটি উল্লেখ করেননি প্রধানমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ১৪ দলীয় জোটের এক বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা তিনি বলেন, আমার যুদ্ধ ঘরে-বাইরে সব জায়গায়। ওই অবস্থায় আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে ছেড়ে দিলাম। চক্রান্ত এখনও আছে। পূর্ব তিমুরের মতো বাংলাদেশের একটি অংশ নিয়ে… তারপরে চট্টগ্রাম, মিয়ানমার এখানে একটা খ্রিষ্টান দেশ বানাবে, বঙ্গোপসাগরে একটা ঘাঁটি করবে। তার কারণ বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য চলে। এ জায়গাটার ওপর অনেকেরই নজর। সেটা আমি হতে দিচ্ছি না। এটাও আমার একটা অপরাধ। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ চেয়ার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর থেকে যে আশঙ্কা ও বিপদের কথা শোনানো হচ্ছে সে বিষয়ে ১২ বছর আগে এই আশঙ্কা ও ব্যথা অন্তরে লালন করে হজরত মাওঃ মুফতী আব্দুল মাজিদ (দাঃ বাঃ) তিনি একটা কলাম লিখেছিলেন মাসিক আল কাউসারে। তার একটি ক্ষুদ্র অংশ প্রয়াস দেশবাসীর সতর্কতায় তুলে ধরেন এই বিজ্ঞ ইসলামী চিন্তাবিদ। তিনি মাসিক আল কাউসারে দেশের মানচিত্রের অখন্ডতা রক্ষা বিষয়ে চমকপ্রদ তথ্য দেন। এছারা মাসিক আল কাউসার
বর্ষ: ০৮, সংখ্যা: ০৫ মে-২০১২
তুলে ধরেন পার্বত্য চট্টগ্রাম ষড়যন্ত্রের অন্যরুপ, দানবীয় খ্রিস্টানদের আগ্রাসী মিশন ও কাদিয়ানীদের মধ্যে আছে পিতা-পুত্রের গভীর সম্বন্ধ বলে উল্লেখ করেন। ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব তিমুর এবং দক্ষিণ সুদানের ন্যায় প্ল্যান করে স্বাধীনতা আন্দোলনের ডাক দিয়ে তারপর পশ্চিমা দুনিয়ার মাধ্যমে গণভোট চাপিয়ে দুইটি পৃথক খ্রিস্টান রাষ্ট্র বানানোর ঘটনা তো আমাদের চোখের সামনেই ঘটল। আফসোস করা ছাড়া ঐসব অঞ্চলের জনগণ আর কী করতে পেরেছে? আমরাও কি এমন একটি অসাড় আফসোসের দিকে যাচ্ছি? বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাগুলোকে নিয়ে এমন একটি ষড়যন্ত্রের হুঁশিয়ারি কিছুদিন পূর্বে সেনাদপ্তর থেকে দেওয়া হয়েছিল। (সাপ্তাহিক সোনার বাংলা, ১৫ এপ্রিল ২০১১) গত বছরের আগস্ট মাসের বিভিন্ন তারিখে বেশ কয়েকটি দৈনিক পত্রিকাতে এ বিষয়ক প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। উপজাতিদের সাথে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী ছাড়া আর কেউ থাকে না। তাদের অভিজ্ঞতাই বাস্তব অভিজ্ঞতা। এরই সাথে দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা খ্রিস্টানদেরকে পার্বত্য জেলাগুলোতে নিয়ে সংখ্যাগুরু বানানো হচ্ছে, যা পূর্ব তিমুরে হয়েছিল। এভাবে গণভোটে বিজয়ের ক্ষেত্রও তৈরি করা হচ্ছে। মাওঃ মুফতি আব্দুল মাজিদ এখানে তাদের ওয়েবসাইটের একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন-১৮৮১ সালে বাংলাদেশে খ্রিস্টানদের অনুপাত ছিল প্রতি ৬০০০ জনে ১ জন। ২০০০ সালে তা দাঁড়ায় ১১ জনে ১ জন। ২০১৫ সাল নাগাদ এই অনুপাত ৩/১ নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে তারা কাজ করছে। সময় খুব দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। এরপর হয়তো সচেতন হওয়ারও সময় থাকবে না। প্রিয় দেশবাসী দ্বীনদরদী ভাই বোন ও বন্ধুরা। মাঃ মুফতি আব্দুল মাজিদ বলেন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আপনাদের শেয়ার করতে চাই, এবং যারা আমাকে ভালবাসেন আসুন একটি ভাল কাজে অংশগ্রহন করি। আপনাদের সহযোগিতা কামনা করি। আপনাদের ক্ষুদ্র সহযোগিতা ইসলামের জন্য অনেক গুরুত্ব বয়ে আনবে। সেই সাতে হাজার হাজার শিশু পাবে ইসলামের দ্বীনি শিক্ষা, পাশাপাশি তারা পাবে সঠিক জীবন ব্যবস্থা। প্রকৃত মানুষ হিসাবে নিজেকে গড়ে তোলার একটি মোক্ষম রাস্তা তারা খুজে পাবে। বিষয়টি একান্তভাবে গুরুত্ব দিয়ে প্রখ্যত আলেমে দ্বীন হজরত মাওঃ মুফতি আব্দুল মাজিদ (দাঃ মাঃ) খতীব লৈহেরটেক জামে মসজিদ হাতে নেন মহৎ উদ্যোগ তিনি সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ইলমে দ্বীন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছেন। দেশবাসী আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি আপনার একটু সামান্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে সদকায়ে জারিয়ায় অংশ গ্রহন করুন। আপনার সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতায় এসব শিশুরা সু শিক্ষায় শিক্ষিত হবে। বাংলাদেশের ছিন্নমূল মানুষের জন্য সহজ একটি ঠিকানা হচ্ছে বস্তি । বস্তি গুলো এক করুণ পরিস্থিতির শিকার । দুটো ভয়াবহ সমস্যা এখানে কাজ করছে একটা হচ্ছে খ্রিস্টান মিশনারিরা এ বস্তির বাচ্চাদের ঈমান হরণ করে খ্রিস্টান বানানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত । দ্বিতীয় হচ্ছে মাদক সহ সমাজ ধ্বংসের বিভিন্ন উপকরণের সহজলভ্যতা। যে কারণে তাদের ঈমানের হেফাজত ও সামাজের সুরক্ষার জন্য বস্তির বাচ্চাদেরকে নিয়ে ঈমানী মেহনতের কোন বিকল্প নেই । তাই আমরা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়বস্তি মহাখালী কড়াইল টিএনটি বস্তি। এখানে ৫০ হাজার বাচ্চা দীন ও ঈমানের আলো থেকে বঞ্চিত । আল্লাহর মেহেরবানীতে আমরা ছিন্নমূল বস্তির শিশুদের কে নিয়ে কোরআন শিক্ষা ও ঈমানী মেহনতের কাজ শুরু করেছি । গাইবান্ধা জেলায় কুড়িগ্রাম এর সীমান্তে ২৬ টা ফ্যামিলি খ্রিস্টান হয়ে যায়। সেখানে আল্লাহর রহমতে আমাদের ধারাবাহিক দাওয়াতি মেহনতের মাধ্যমে ওরা আবার ইসলামে ফিরে এসেছে । সেখানে আমাদের দিনব্যাপী ফ্রী চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম চলেছে। যাতে মুসলমানরা খ্রিস্টানদের থেকে চিকিৎসা না নেয়। আপনাদের কাছে দোয়া চাই, আল্লাহতাআলা এ যাত্রা অব্যাহত রাখেন, কবুল করেন ওদের ঈমানের হেফাজত করেন ইতিমধ্যে বস্তির মধ্যে তেরটি প্রাইভেট স্কুলে আমরা কোরআনী বক্তব্য চালু করেছি আল্লাহর মেহেরবানীতে এর বাইরে দশটি মক্তব চালু আছে এ ব্যাপারে আপনাদের কাছে দোয়া ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করি । যাতে করে বস্তির বাচ্চাগুলোকে সমাজ ধ্বংসকারীর জায়গায় সমাজ বিনির্মাণকারী বলে আমরা তৈরি করতে পারি । আর মুসলমানের সন্তান মুসলমানিত্ব নিয়ে যাতে কবরে যেতে পারে। সেই প্রচেষ্টা…
লেখকঃ
বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ
মাওঃ মুফতি আব্দুল মাজিদ
(দাঃ বাঃ) খতীব লৈহেরট্যাক জামে মসজিদ। ঢাকা

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021
ভাষা পরিবর্তন করুন »