1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
বিআইডবিøউটিএ’র কর্মচারি নূর আলম একই অফিসে ১৬ বছর - দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

১৬ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । সকাল ১০:৫১ ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
গণপূর্ত অধিদপ্তরের মহা দূর্নীতিবাজ ডিপ্লোমা মাহাবুব আবার ঢাকা মেট্রো ডিভিশনে! ৫ দিন বন্ধের পর আবার সচল বেনাপোল বন্দর টঙ্গীতে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর উপর হামলা: তদন্তে গিয়ে সিসিটিভি আবদার করলো পুলিশ! ঋণ খেলাপী রতন চন্দ্রকে কালবের পরিচালক পদ থেকে অপসারন দাবি ডেলিগেটদের খিলক্ষেত এলাকার সাধারণ জনগনের আস্থাভাজন ওসি হুমায়ুন কবির মানিক নগরে জুয়াড় আস্তানা থেকে ১৬ জুয়ারীদের আটক করছে পুলিশ কোরানের পাখিদের নিয়ে চন্দনাইশ প্রেস ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল চেক জালিয়াতির মামলায় সিএনএন বাংলা টিভির শাহীন আল মামুন গ্রেফতার রমজানেও কালব রিসোর্টে আগষ্টিন-রতন-রোমেলের ভেজাল মদের কারবার! নকলা ইউএনও’র বিরুদ্ধে তথ্য কমিশন কর্তৃক গৃহীত সুপারিশের বিরুদ্ধে গণস্বাক্ষরসহ প্রতিবাদ
বিআইডবিøউটিএ’র কর্মচারি নূর আলম একই অফিসে ১৬ বছর

বিআইডবিøউটিএ’র কর্মচারি নূর আলম একই অফিসে ১৬ বছর

স্টাফ রিপোটারঃ

দীর্ঘ ১৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে একই কর্মস্থলে অফিস করছেন সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন (বিআইডবিøউটিএ) এক কর্মচারি। অভিযোগ রয়েছে, খন্দকার নূরে আলম নামে এই কর্মচারি বিগত ২০০৬ সালের ১১ জুলাই বিআইডবিøউটিএ’তে নিম্মমান সহকারী হিসেব ক্রয় ও সংরক্ষণ বিভাগে যোগদান করেন। সেই থেকে তিনি প্রতিষ্ঠানটির মতিঝিলের প্রধান কার্যালয় অফিস করছেন। পরে অবশ্য পদ পরিবর্তন হয়ে টাইপিষ্ট কাম কম্পিউটার পদে পদোন্নতি পান। দীর্ঘ বছর একই কর্মস্থলে থাকায় তিনি কাউকে পরোয়া করছেন না। বলে বেড়াচ্ছেন, এখানে চেয়ারম্যান বদল হয়, কর্মকর্তা বদল হয় কিন্তু নূরে আলম থেকেই যায়। তার একচ্ছত্র দাপটে কর্মকর্তাও অনেক ক্ষেত্রে অসহায়। কর্মচারি হবার কারনে তিনি ইউনিয়নের সঙ্গেও সম্পৃক্ত। ইউনিয়ন নেতারাও তাকে কদর করে চলেন অজানা আতঙ্কে।
নূরে আলমের গ্রামের বাড়ী টাইঙ্গাল জেলার নাগরপুর উপজেলায়। একেবারেই নিম্ম মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। অথচ অফিসের ফাইল গায়েব, তথ্য পাচার, কর্মচারিদের হুমকি দিয়ে সুবিধা আদায় সর্বপরি চাকরির আড়ালে ঠিকাদারি ব্যবসাসহ পেশায় অনৈতিক পন্থায় তিনি আজ অঢেল সম্পদের মালিক। সরকারি চাকুরির বিধান মতে, কোন কর্মচারি একই স্থানে টানা ৩ বছরের বেশি চাকুরি করার সুযোগ নেই। কিন্তু নূরে আলম কোন এক অজানা রহস্যে একই অফিসে কর্মজীবনের অধিকাংশ সময় পার করে চলেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, ইউনিয়নের প্রভাব দেখিয়ে কাগজপত্র ঠিক নাই এমন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে তিনি তালিকাভুক্তি করিয়ে থাকেন মোটা অঙ্কের সুবিধা নিয়ে। অফিসের একাধিক কর্মকর্তাকেও তিনি অবৈধ সুবিধা পাইয়ে দিতে সহযোগিতা করেন। যে কারনে ওইসব অসাধু কর্মকর্তারাও অনৈতিক সুবিধা পেয়ে নূরে আলমকে প্রত্যক্ষ ও পরাক্ষভাবে সাপোর্ট করে যাচ্ছেন। নূরে আলমের গ্রামের এক ঠিকারদারী প্রতিষ্ঠান আছে। যেটার স্বত্তাধিকারি একজন নারী। অফিস সময় শেষে ওই নারীকে নিয়ে নিজের দপ্তরে ডেকে একান্তে সময় কাটান বলে অভিযোগ করেছেন বিআইডবিøউটিএ’র একাধিক স্টাফ। তারা বলেন, অনেক সময় আপত্তিকর কিছু চোখে পড়লেও প্রতিবাদের কোনো সুযোগ নেই। কারন নূরে আলমের এতটাই দাপট কেউ প্রতিবাদ করলে উল্টো অভিযোগকারিকেই হেনস্তা হতে হবে। ওই নারীকে নিয়ে নূরে আলম বিভিন্ন দপ্তরে কাজের জন্য তদবির করে বেড়ান। কাজের টাকা দু’জনেই ভাগাভাগি করে নেন। এসব অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে নূরে আলম বলেন, একাধারে ১৬ বছর ধরে একই কর্মস্থলে কাজ করছি বিষয়টা ঠিক এমন নয়। মাঝে দু’একবার এদিকে সেদিক যেতে হয়েছে। নারী প্রসঙ্গ, ঠিকাদারি কাজসহ অন্য অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসব শুনে আপনার কি লাভ হবে। উপরে অভিযোগ দিয়েও কিছু হবেনা। তার চেয়ে বরং আসুন আমরা একটা চা চক্রে মিলিত হই।
তবে এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বিআইডবিøউটিএর’ চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেককে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া য়ায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021
ভাষা পরিবর্তন করুন »