1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
মাদ্রাসায় ছাত্র বলাৎকারে পুলিশ সাংবাদিক অবরুদ্ধ - দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

২৬শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । সকাল ৮:৫০ ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
শার্শায় মিটার ‘রিডিং’ না দেখেই অফিসে বসে করা হচ্ছে বিদ্যুৎ বিল,গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভ বাংলাদেশ সংবাদপত্র শিল্প পরিষদের ৮ম সভা অনুষ্ঠিত: সংবাদপত্র শিল্প টিকিয়ে রাখতে প্রধানমন্ত্রীর  সহযোগিতা কামনা ভেজাল কোম্পানীর ভেজাল বাণিজ্যে স্বাস্থ্যসেবায় হুমকি  পত্রিকার প্যাডে সুইসাইড নোটসহ নদীতে মিলল যুবকের অর্ধগলিত লাশ ঢাকাস্থ ভোলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আহসান কামরুল, সম্পাদক জিয়াউর রহমান জমি দখল করতে না পারায় ইমরান কর্তৃক খালেদ আল মামুনের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার  প্রবেশন সুবিধা পেল জবি শিক্ষার্থী তিথি কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের হিসাব রক্ষক শত কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনে, দুদকে অভিযোগ লেগুনা ড্রাইভার সোহেল ৩ থানায় গড়ে তুলেছে বিশাল এক সন্ত্রাসী বাহিনী যশোরে শীর্ষ সন্ত্রাসী জনপ্রতিনিধি দ্বারা খুন-১ আহত-১
মাদ্রাসায় ছাত্র বলাৎকারে পুলিশ সাংবাদিক অবরুদ্ধ

মাদ্রাসায় ছাত্র বলাৎকারে পুলিশ সাংবাদিক অবরুদ্ধ

মোহাম্মদ মাসুদ :

চট্টগ্রাম নগরীর শুলকবহর মাদ্রাসায় ছাত্র বলাৎকারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।মাদ্রাসায় ছাত্র বলাৎকারের জেরে পুলিশ সাংবাদিক অবরুদ্ধ। বলাৎকারের শিকার শুলকবহর জামিয়া মাদানিয়া মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র মোঃ নজরুল ইসলামের (১১) পিতা মোঃ মুছার নগরীর পাঁচলাইশ থানায় করা সাধারণ ডায়েরি ও মুঠো ফোনে আলাপে জানা যায়।
২৩সেপ্টেম্বর শনিবার মাদ্রাসায় ছাত্র বলাৎকারের অভিযোগে প্রশাসন সাংবাদিকসহ গনমাধ্যম কর্মীদের ও অভিভাবক’কে ঘটনাস্থলে প্রবেশ ও ছবি,ভিডিও ধারনের অজুহাতে সাংবাদিক ও পুলিশের উপর জুতা,ইট নিক্ষেপ করেছে।এসময় ধারনকৃত ছবি,ভিডিও ডিলেট করানো’সহ পুলিশ,সাংবাদিককে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।

ছাত্ররা,ধারনকৃত ছবি,ভিডিও ডিলেট করানো হয়।এবং কিছু পুলিশ,সাংবাদিককে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।
বিগত ১১ আগষ্ট শুক্রবার আমার ছেলে নজরুল ইসলাম ওই মাদ্রাসার শিক্ষক আবুল কাশেম কর্তৃক বলাৎকারের শিকার হয়। এই বিষয়টি মাদ্রাসা পরিচালক,শিক্ষক পরিচালক ও তৎকালীন পাঁচলাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ নেজাম উদ্দিনের মাধ্যমে মাদ্রাসার সম্মান রক্ষার্থে অভিযোগ করেও প্রত্যাহার পূর্বক বিষয়টি সুরাহা হয় এবং অভিযুক্ত শিক্ষক থানায় অপরাধ শিকার করায়।শিক্ষককে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কার করা হয়।

২৩সেপ্টেম্বর শনিবার ওই মাদ্রাসার অপর শিক্ষক আব্দুল্লাহ আমার ছেলে নজরুল ইসলামের ক্লাস শিক্ষক না হয়েও তাকে ডেকে নিয়ে পূর্বের ঘটনার জানতে চাপাচাপি করে এবং ভিডিও ধারণ করে। এবং সেই ভিডিও মাদ্রাসা পরিচালক মাওলানা হারুন কে দেখান পরবর্তীতে মাদ্রাসা পরিচালক আমাকে মাদ্রাসায় ডেকে নিয়ে যায় এবং বলেন আপনার ছেলের সাথে কোন ধরনের ঘটনা অতিতে ঘটেনি বলে আপনার ছেলে বলছে ভিডিও স্বীকারোক্তিতে।

তখন আমি বললাম আগের ঘটনাটি আপনারা মাদ্রাসার সম্মানের স্বার্থে কাউকে না জানাতে এই বিষয়ে বাড়াবাড়ি না করতে জানিয়েছেন বিধায় ২/৩ হাজার ছাত্র ও দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বদনাম না রঠানোর জন্য, সুনাম রক্ষার্থে গোপন রাখতে বলেছিলেন সেই হিসেবে আমার ছেলেকে কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে আমি এ বিষয়ে কোন কিছু কাউকে না বলতে বলি।

এখন আপনারা যদি এইসব নিয়ে পুনরায় ঘাটাঘাটি করেন তাহলে তো আমাকে ছেলের পড়ালেখা বন্ধ করে আইনের আশ্রয় নিতে হবে। পরবর্তীতে মাদ্রাসা পরিচালক শিক্ষক আব্দুল্লাহকে তিরষ্কার করে এই বিষয়ে আর কোন ধরনের ঝামেলায় না জড়াতে নিষেধ করেন। পরবর্তীতে গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় আমি ছেলেকে বাসায় নিয়ে আসি এবং শনিবার ২৩শে সেপ্টেম্বর পুনরায় সকালের দিকে বড় ছেলে শহীদুল ইসলামের মাধ্যমে মাদ্রাসায় পাঠিয়ে দিই।

মাদ্রাসা থেকে ফিরে আমার বড় ছেলে আমাকে জানায় ছোট ভাই নজরুলের খাওয়া,দাওয়ার নিয়মম বন্ধ করে দেওয়া হইছে মাদ্রাসায়। তখন আমি এ বিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষক পরিচালক তৈয়ব শাহ’র নিকট ফোনে জানতে চাইলে তিনি নাজেম হুজুরের সাথে কথা বলতে বলেন। উক্ত হুজুরের নাম্বার নিয়ে কথা বলতে চাইলে উনি বিকেলে যোগাযোগ করতে বলেন। আবার ফোন করে বলেন রাতে এশার নামাজের পর দেখা করতে। পরবর্তীতে আমি মাদ্রাসায় গিয়ে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোন হুজুররা এর সদুত্তর দিতে পারেননা। তৎক্ষণাৎ আমি মাদ্রাসা থেকে বাহিরে আসার সময় অভিযোগে উল্লেখিত হুজুর আবদুল্লাহ আমাকে ডেকে বলেন আপনার ছেলেকে মাদ্রাসা থেকে সরিয়ে নিন আপনিও এলাকায় ছেড়ে চলে যান নয়তো আপনাদের সমস্যা হবে।

পরিস্থিতি সুবিধা মনে নাহওয়ায় আমি তাৎক্ষণিক পাঁচলাইশ থানায় গিয়ে বিষয়টি অফিসার ইনচার্জ সন্তোষ চাকমাকে পূর্বের বর্তমান বিষয়গুলো বিস্তারিত বলি। ওই সময় আমার নিকট হতে তিনি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিচালক তৈয়ব শাহ’র নাম্বার নিয়ে ফোনে কথা বলে থানা দেখা করতে বলেন কিন্তু ওই সময় অপরপ্রান্ত থেকে তৈয়ব শাহ থানায় আসতে অপারগতা প্রকাশ করলে। আমি উনার পরামর্শ একটি সাধারণ ডায়েরি করি। তখন বিষয়টি থানার অফিসার্স ইনচার্জের নির্দেশে থানার এসআই নুরুল আলম মিয়া আমাকে সাথে নিয়ে মাদ্রাসায় উপস্থিত হলে অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ হুজুর কে ডাকলে তিনি সামনে আসতে কথা বলতে অপারগতা জানান এবং মাদ্রাসা পরিচালকের নির্দেশ ছাড়া কোন কথা বলা যাবেনা বলে এড়িয়ে যান।

ওই সময়ে বেশ কিছু গনমাধ্যম কর্মীরা ঘটনাস্থলে প্রবেশ করে বিষয়টি নিয়ে জানতে চায়লে,ছবি তুলতে গেলে, শিক্ষকদের উপস্থিতিতে মাদ্রাসা এলাকায় জুতা নিয়ে প্রবেশ ও ছবি তুলার কারনে জুতা,ইট নিক্ষেপ করতে থাকে একপর্যায়ে পুলিশ ও সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করে রাখে। বিষয়টি থানাকে অবহিত করলে থানা থেকে অতিরিক্ত আইন শৃংখলা বাহিনীর লোক এসে আমাকে’সহ পুলিশ ও সাংবাদিকদের উদ্ধার করে।

এই বিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষক পরিচালক তৈয়ব শাহ’র সাথে মুঠোফোনে কথা বলতে চায়লে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন।
এ বিষয়ে পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার চাকমা তিনি জানান, মাদ্রাসা ছাত্রের পিতা থানায় এসে বিস্তারিত জানালে একটি অভিযোগ করতে বলি। পরবর্তীতে অভিযোগের ভিত্তিতে থানা থেকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কয়েকজনকে ডাকলে তারা না আসার কারণে। এস আই নুরুল আলম মিয়াকে বাদীর সাথে দিয়ে ঘটনাস্থলে পাঠায়।

বিষয়টি জানতে পেরে পরবর্তীতে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠিয়ে অবরুদ্ধদের নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়। মাদ্রাসা পরিচালক ঢাকায় অবস্থান করায় এই বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। মাদ্রাসা পরিচালক ঢাকা থেকে ফিরলে এই বিষয়ে মাদ্রাসা কতৃপক্ষের সাথে বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করবো।

ঘটনাস্থলে জুতা পরিহিত অবস্থায় গনমাধ্যম কর্মীরা প্রবেশ ও ছবি,ভিডিও ধারনের অজুহাতে সাংবাদিক ও পুলিশের উপর জুতা,ইট নিক্ষেপ করেছে ছাত্ররা,ধারনকৃত ছবি,ভিডিও ডিলেট করানো হয়।এবং কিছু পুলিশ,সাংবাদিককে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021
ভাষা পরিবর্তন করুন »