1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
মিথ্যা মামলার আতঙ্কে আজম পরিবার - দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

১লা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । রাত ১২:১৫ ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ এর সাংবাদিক মোঃ আলম আর নেই জমে উঠবে উপজেলা নির্বাচন সাংবাদিক নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিকতায় আপনার জীবন নিরাপদতো ? সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ১০৮ বার ওয়াসার পিপিআই প্রকল্প লুটপাটের মুলহোতা হাসিবুল হাসান নির্দোষ দাবি করেছেন! ঘরে বসে ইনকাম করতে গিয়ে উল্টো লাখ টাকা হারালেন তরুণ! সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বি.করিমের বিরুদ্ধে দখলবাজী ও হয়রানির অভিযোগ মানিকনগরে সমাজ কল্যাণ সোসাইটি উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক ‘মহান শহিদ দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালন পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ থানার সন্ধ্যা নদীর ভাংগন ঠেকানো যাচ্ছে না ইট ভাটার কারনে
মিথ্যা মামলার আতঙ্কে আজম পরিবার

মিথ্যা মামলার আতঙ্কে আজম পরিবার

স্টাফ রিপোর্টারঃ

নিরেট সাদা মনের মানুষ, সদালাপী, মিষ্টভাষী, পরোপকারী একজন দ্বীনের পথের মানুষ গোপালগঞ্জ জেলার ডুমদিয়া গ্রামের আজম আলী খাঁন।
এই মানুষটার পিছু ছাড়ছে না মিথ্যা হয়রানি মুলক মামলা। ব্যাঙের ছাতার মতো হুটহাট করে গজিয়ে ওঠে বিভিন্ন জেলায় মিথ্যা বানোয়াট মামলা। যে জেলায় কখনো আজম আলীর পা পড়িনি সেই জেলার কনো এক থানার মামলার আসামি হয়। তখন হতাশ নিশ্চুপ হওয়া ছাড়া কনো উপায় থাকে না। শুধু আজম আলী না তার পরিবারের সদস্যদেরও জড়ানো হয় এই মামলায়। ৬০ বছরের আজম আলী খান হন ধর্ষণ মামলার আসামি। মামলা আতঙ্কে দিনপাত করে আজম পরিবার।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়,তানজিলা হক উর্মি নামের একজন মেয়ের সাথে আজম আলী খানের ভাগ্নে হাবিবুর রহমান ইবাদতের সাথে বিয়ে হয়। উর্মির উগ্রস্বভাব, বেপরোয়া জীবন যাপন,উচ্ছৃঙ্খল আচার-আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে ইবাদতের পরিবার, আত্মীয়স্বজনরা। সন্তাদের দিকে তাকিয়ে, পারিবারিক মর্যাদার কথা ভেবে সবকিছু সহ্য করে নেন নীরবে। ইবাদতের এই নীরবতাকে দূর্বলতা ভেবে আরও উগ্র হয়ে ওঠে তানজিলা হক উর্মি। কিছু বলতে গেলেই তার পুলিশ মামার ভয়ভীতি দেখান।
উপায়ন্তর না পেয়ে ০৩/০২/২০১৯ তারিখে হাবিবুর রহমান ইবাদত শরিয়ত ও নোটারী মারফত তানজিলা হক উর্মিকে তালাক দেন।উর্মিকে তালাক দেয়ার পর থেকেই গায়েবি মামলার আসামি হচ্ছে আজম পরিবার।
উর্মি ও হাবিবের যখন তালাক হয়, সেসময় ইবাদতের মামা আজম আলী খান স্বপরিবারে সৌদি ছিলেন। আজম আলী বাংলাদেশে আসেন ২০১৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারী।
এই বিষয়ে আজম আলীর কাছে জানতে চাইলে। তিনি বলেন, উর্মির মামা অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ রফিকুল ইসলাম শিমুল। মুলত তিনিই এই গায়েবি মামলার জনক। আমাদের উপর হুমকি ধামকি চাপ প্রয়োগ করে তার তালাক হওয়া ভাগ্নীকে আমার ভাগ্নের ঘরে দিতে চায়। যা কখনোই সম্ভব না। তালাকের পর ধানমন্ডি থানায় মামলা, মামলা নং ২। বাড্ডা থানায় মামলা, মামলা নং ৪১। রাজশাহীতে মামলা, মামলা নং ২৭/২০২০ (রাজপাড়া) এভাবে মিথ্যা হয়রানি মুলক মামলা দিয়ে।
আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও অর্থনৈতিক ভাবে খাটো করার জন্য এই ধরনের ঘৃণিত কাজ করে যাচ্ছে অ্যাডিশনাল ডিআইজি রফিকুল ইসলাম শিমুল। এসব স্বার্থ লোভী পুলিশ কর্মকর্তার জন্য পুলিশের মান ক্ষুন্ন হচ্ছে।আমি এর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করছি। অ্যাডিশনাল ডিআইজি রফিকুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে নানা সময় অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। আমি তার কাছ থেকে এধরণের ঘৃণিত কাজ আশা করি না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021
ভাষা পরিবর্তন করুন »