1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
মেঘনায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১ জন ও আহত ১০ - দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । সকাল ৮:২৪ ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
মেঘনায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১ জন ও আহত ১০

মেঘনায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১ জন ও আহত ১০

মো.আনোয়ার হোসেন, মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১ জন ও কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে বলে জানা যায়। আহতদের মধ্যে কয়েকজন নারায়ণগঞ্জ এর সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে এবং আশংঙ্কাজনক কয়েকজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। নিহত ব্যক্তি নলচর গ্রামের আক্কাস মেম্বারের ছেলে ও বর্তমান চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুম কবির এর ছোট ভাই নিজাম সরকার নিহত (৩৫)।নিজাম সরকার মেঘনা চালিভাঙ্গা ইউনিয়নআওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সংগ্রামী সভাপতি ছিলেন। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. খন্দকার আশফাকুজ্জামান।

সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩) সকাল আনুমানিক ৮.৩০ ঘটিকার সময় উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নস্থ নলচর, ফরাজি কান্দি ও চালিভাঙ্গা এই তিন গ্রামের আ’লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে মেঘনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আহতরা হলেন, স্থানীয় টিটু (৩০), রমজান (৩৫), ইব্রাহীম (২৮), শাকিল (২২), খালেদ হাসান (১৯), দেলোয়ার (৩২), আনিছ সরকার (২৫), সুমন (২৪), হানিফ (৪৫) ও ওয়াসিম (৩৫)।

জানা গেছে, গত দুইদিন ধরেই থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে । এতে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। গত দুই দিনের জের ধরে স্থানীয় সানাউল্লাহ গ্রুপ ও কাইয়ুম গ্রুপ আবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে৷ এ সময় দুই গ্রুপের লোকেরাই টেঁটা বল্লম ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষকে হামলা করে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সানাউল্লাহ গ্রুপ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির সমর্থিত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের একটি অংশ। অপর দিকে জেলা পরিষদ সদস্য কাইয়ুম হোসেনের নেতৃত্বে আছে আওয়ামী লীগের আরও একটি অংশ। যা কাইয়ুম গ্রুপ নামে স্থানীয়ভাবে পরিচিত।

এ বিষয়ে চালিভঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির জানান, বিগত কয়েক মাস ধরেই এই দ্বিধাদ্বন্দ্ব লেগে আছে। একাধিকবার মিমাংসা করা হলেও জেলা পরিষদের সদস্য কায়ুম গ্রুপ খুব বেশি তৎপর ছিলো। তারই নেতৃত্বে কয়েকজন ছেলে – ফেলে দিয়ে অন্তত ১০ জনকে আহত করে এবং ১ জনকে নিহত করে।

এ ব্যাপারে কায়ুমের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, দুইদিন ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ চলছিল। গতকাল একটা মামলা দায়ের করেছি আমরা। আমাদের গ্রেফতার তৎপরতা চলছিল। এরইমধ্যে আজ সকালে আবার সংঘর্ষ হয়। এতে ১ জন নিহত হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021
ভাষা পরিবর্তন করুন »