1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
মেঘনায় এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলছে সার্টিফিকেট বানিজ্য - দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

২২শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । সন্ধ্যা ৬:১১ ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
বটিয়াঘাটার মাখঝানুল উলুম নুরানী ও মহিলা মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করায় চাকরিচ্যুত হলো এক শিক্ষিকা  বিএমইটির ১১ স্মার্ট কার্ড জালিয়াতি: বিদেশ যেতে না পেরে দুর্ভোগে কর্মীরা কেরানীগঞ্জ প্রেসক্লাবে সভাপতি আব্দুল গনী সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪৪ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোটের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্টিত মাদারীপুরে প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা দুই সহকারী সমাজসেবা অফিসারের পকেটে যমুনা লাইফের গ্রাহক প্রতারণায় ‘জড়িতরা’ কে কোথায় মেয়র বলে কথা: একাধিক পত্রিকায় পৌরসভার দুর্নীতি ও ভূমিদুস্যতার সংবাদ প্রকাশিত হলেও নিরব প্রশাসন বাংলাদেশে উদ্বোধন হলো টাটা মটরস-এর ‘টাটা যোদ্ধা ঔষধ প্রশাসনের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের প্রত্যাক্ষ মদদে ইউনানী, আয়ুর্বেদিক কোম্পানির প্রাণঘাতী ঔষধে বাজার সয়লাব স্নাতকের মেধা তালিকায় তৃতীয় স্থানে অবন্তীকা
মেঘনায় এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলছে সার্টিফিকেট বানিজ্য

মেঘনায় এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলছে সার্টিফিকেট বানিজ্য

স্টাফ রিপোর্টারঃ
কুমিল্লা মেঘনা উপজেলার মুজাফফর আলী হাই স্কুল এন্ড কলেজের নামে প্রসংশাপত্র, সার্টিফিকেট ও মার্কশীট বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, আমি ২০২১ সালে এসএসসি পাশ করেছি। কিন্তু সাংসারিক জীবনে চলে আসার কারণে আমি পড়াশোনা স্থগিত করে দেই। যার ফলে এতদিন সার্টিফিকেট স্কুল থেকে উঠাইনি। আমি আবার পড়াশোনা করব, তাই আমার সার্টিফিকেট প্রয়োজন। সেজন্য সার্টিফিকেট দুইশত টাকা দিয়ে উঠিয়ে নিয়ে আসি। কিন্তু ভুল করে মার্কশীট উঠাতে মনে না থাকার কারণে পরবর্তীতে আমার মা ও ছোট বোনকে মার্কশীট উঠানোর জন্য ঐ স্কুলে পাঠাই। মার্কশীট উঠাতে গেলে আমার মায়ের কাছে তারা পাঁচশত টাকা চায়। আমার মা কাকুতি মিনতি করে তিনশত টাকা দিয়ে মার্কশীট উঠিয়ে নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রিন্সিপাল আব্দুর রউফ মুঠোফোনে অস্বীকার করে বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সার্টিফিকেট বা মার্কশীট বাবদ কোনো টাকা-পয়সা নেই না। তবে প্রসংশাপত্র দেওয়ার সময় কিছু টাকা নেই। অন্য প্রতিষ্ঠানেও নেয় তাই আমরাও নেই।
উপজেলার উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম ফারুক বলেন, প্রসংশাপত্র, সার্টিফিকেট বা মার্কশীট উঠাতে কোনো সরকারি ফি দেওয়া লাগে না। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাবেয়া আক্তার ভোরের কাগজকে বলেন, আমি বিষয়টি শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021
ভাষা পরিবর্তন করুন »