1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
মেঘনায় এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সচিব বরাবর অভিযোগ - দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

২৬শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । সকাল ৯:৪৮ ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
শার্শায় মিটার ‘রিডিং’ না দেখেই অফিসে বসে করা হচ্ছে বিদ্যুৎ বিল,গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভ বাংলাদেশ সংবাদপত্র শিল্প পরিষদের ৮ম সভা অনুষ্ঠিত: সংবাদপত্র শিল্প টিকিয়ে রাখতে প্রধানমন্ত্রীর  সহযোগিতা কামনা ভেজাল কোম্পানীর ভেজাল বাণিজ্যে স্বাস্থ্যসেবায় হুমকি  পত্রিকার প্যাডে সুইসাইড নোটসহ নদীতে মিলল যুবকের অর্ধগলিত লাশ ঢাকাস্থ ভোলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আহসান কামরুল, সম্পাদক জিয়াউর রহমান জমি দখল করতে না পারায় ইমরান কর্তৃক খালেদ আল মামুনের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার  প্রবেশন সুবিধা পেল জবি শিক্ষার্থী তিথি কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের হিসাব রক্ষক শত কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনে, দুদকে অভিযোগ লেগুনা ড্রাইভার সোহেল ৩ থানায় গড়ে তুলেছে বিশাল এক সন্ত্রাসী বাহিনী যশোরে শীর্ষ সন্ত্রাসী জনপ্রতিনিধি দ্বারা খুন-১ আহত-১
মেঘনায় এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সচিব বরাবর অভিযোগ

মেঘনায় এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সচিব বরাবর অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লা মেঘনা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লিটন চন্দ্র দে- এর বিরুদ্ধে এক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, উপজেলার ঠাকুরকান্দি গ্রামের মৃত হাজ্বী নায়েব আলীর ছেলে মো. আবুল কাশেম (ইটালি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর তার বিরুদ্ধে গত (৩০ মে,২০২৩) মঙ্গলবার এ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে তিনি বলেন, আমার এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয় হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার কথা শুনে আমি গত (২৫ মে,২০২৪) বৃহস্পতিবার আমার নিজ বাড়ি ঠাকুরকান্দি হতে বিকাল ৩:৫০টার সময় সিএনজি করে তুলাতুলী কাচারীকান্দি গ্রামে পৌঁছাই। তখন বিকাল ৪:২৫ মিনিট। কিন্তু গ্রামের পূর্ব পাশে পাকা রাস্তায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্যার আমাকে ডাকেন। আমি তখন গাড়ি থেকে নেমে এসে স্যারের সামনে যাই এবং সম্মানের সাথে কথা বলি। আমি বললাম, স্যার আমাকে কেন ডাকলেন? তিনি বললেন, আপনি কোথায় যাবেন? আমি বললাম, অসুস্থ রোগী দেখতে যাবো। স্যার বললেন, যেতে পারবেন না। তখন আমি বললাম, যেতে না পারলে বাসায় চলে যাই। তখন স্যার বললেন, আপনি কোথাও যেতে পারবেন না। আপনি ৩ হাজার টাকা দিয়ে যান। আমি বললাম, কিসের টাকা? তিনি বললেন, জরিমানার টাকা। তখন আমি আইনকে শ্রদ্ধা করে ৩ হাজার টাকা দিয়ে দেই। কিন্তু আমাকে রিসিট প্রদান করা হয় পাঁচশত টাকার। যাহার বাংলাদেশ ফরম নং ১২১, সিলিপ নং ৯১৮৭২০, যাহাতে স্বাক্ষর করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লিটন চন্দ্র দে। আমি তখন বললাম, দিলাম তিন হাজার টাকা আর রিসিট কেন পাঁচশত টাকার? প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে ৬ মাসের জেল দেওয়ার হুমকি দেন এবং আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করেন। আমি আর উপায় না পেয়ে উল্লেখ্য স্থান ত্যাগ করি।

এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লিটন চন্দ্র দে বিষয়টি অস্বীকার করে ভোরের কাগজকে বলেন, ঐদিন চন্দনপুর ইউপি উপ-নির্বাচন হয়েছিলো। তাই আমি সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী জরিমানা করেছি। তবে আমার নামে আনিত অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021
ভাষা পরিবর্তন করুন »