1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
  2. dailysobujbangladesh@gmail.com : Admin ID : Admin ID
  3. uch.khalil@gmail.com : Md. Ibrahim Khalil Molla : Md. Ibrahim Khalil Molla
  4. masud@dailysobujbangladesh.com : Md. Masud : Md. Masud
সন্দ্বীপে একযুগ ধরে প্রক্সি শিক্ষিকা নিয়োগ দিয়ে বেতনভাতার সুবিধা নিচ্ছে চেয়ারম্যানের 'স্ত্রী'! - দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

৫ই জুন, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ । রাত ২:০৫ ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
মৃতপ্রায় অসুস্থ বৃদ্ধাকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেন গোসাইরহাটের ইউএনও মেঘনায় এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সচিব বরাবর অভিযোগ তারাকান্দায় আ.লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ,আহত-২০ দুর্নীতির অভিযোগে মহাপরিচালক বদলী: পিডির অব্যাহতির আবেদন: ফাওজিয়ার ফটোশপ টেম্পারিং: ডিপিডি ও এপিডিদের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ: নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের লাইটহাউজ নির্মাণ প্রকল্পে হচ্ছে কী? গাজীপুরের মতোই সকল নির্বাচন সুষ্ঠু করবে (ইসি) পিছিয়ে পড়ে থাকা নারীদের স্বাবলম্বী করতে নায়িকা আন্নার উদ্যোগ সোনারগাঁয়ে স্কুল ছাত্রের উপর হামলা ,আটক-১ আমিনপুরে বিকে ফাউন্ডেশন ও বাহারুন্নেছা পাবলিক লাইব্রেরির ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন মাগুরায় এসব হচ্ছে কী? পরপর ৪ সাংবাদিকের ওপর বর্বর হামলা! কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার যুবক দালালের খপ্পরে পড়ে দেশে ফেরত নিঃস্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার
সন্দ্বীপে একযুগ ধরে প্রক্সি শিক্ষিকা নিয়োগ দিয়ে বেতনভাতার সুবিধা নিচ্ছে চেয়ারম্যানের ‘স্ত্রী’!

সন্দ্বীপে একযুগ ধরে প্রক্সি শিক্ষিকা নিয়োগ দিয়ে বেতনভাতার সুবিধা নিচ্ছে চেয়ারম্যানের ‘স্ত্রী’!

 

সন্দ্বীপ, (চট্রগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

“নিজেরা থাকেন চট্রগ্রাম শহরে , স্কুল চালান ‘প্রক্সি শিক্ষিকা’ দিয়ে। নিজের খেয়াল খুশি মতো মাসে দুই-একদিন বিদ্যালয়ে যান শিক্ষিকা । তার পরিবর্তে ক্লাস নিতে রেখেছেন একজন প্রক্সি শিক্ষিকা। বিগত ১২-১৪ বছর যাবত এমনই ঘটনা ঘটে আসছে চট্রগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলা মাইটভাঙ্গা ইউনিয়নের মধ্য মাইটভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এসব অনিয়মের অভিযোগ করা হয়েছে উক্ত বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা কিশোয়ারা সুলতানা সুমি’র বিরুদ্ধে।

অভিযোগ উঠেছে, স্কুলটিতে সরকারিভাবে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষিকা না পড়িয়ে তিনি থাকেন শহরে। আর দীর্ঘ ১২বছর স্কুল চালান প্রক্সি শিক্ষিকা জমিলা বেগম কে দিয়ে। এতে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মধ্য মাইটভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই ঘরে বসে বেতন ভাতা সহ ভোগ করে আসছেন অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা এই শিক্ষিকা। স্কুলে নিয়মিত না এসে ‘অন্য’কে দিয়ে এভাবে ক্লাস করানোয় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, এই শিক্ষিকার বাড়ি মাইটভাঙ্গা ইউনিয়ন (৮) নং ওর্য়াডে, তিনি একই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের সহধর্মিনী। শিক্ষিকার স্বামী প্রভাবশালী হওয়ায় এই বিষয় নিয়ে মুখ খুলছেন না প্রধান শিক্ষক সহ অন্যান্যরা । তিনি নিয়মিত স্কুলে না আসায় দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রক্সি শিক্ষিকা দিয়ে স্কুলের কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন বাকি শিক্ষকরা। বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা অফিসের দূরত্ব হওয়ার কারণে সেখানে শিক্ষা অফিস বা প্রশাসনের তেমন নজরদারি না থাকায় এমন সুযোগ নিচ্ছেন তারা। এ বিষয়ে তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি স্থানীয়দের।

সরেজমিনে গিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবকের সাথে কথা বললে তারা জানায়, ‘বহুবার বলা হয়েছে শিক্ষকদের, তারা নিজেদের মতো করে স্কুল চালাচ্ছেন। শহর থেকে দূরে বলে এখানে দেখার কেউ নেই। আমাদের শিশুরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শিক্ষকরা আমাদের কথা শোনেন না। ভাড়াটিয়া শিক্ষিকা দিয়ে বাচ্চাদের লেখাপড়া করাচ্ছে । কী শিক্ষা পাচ্ছে ওরা, একবার ভাবেন। বহুদিন আগে শহর থেকে একবার অফিসাররা আসছিল, তারপর আর খোঁজ নিতে আসেনি কেউ।’

এই বিষয়ে প্রক্সি শিক্ষিকা জমিলা বেগমের কাছে জানতে চেয়ে একাধিকবার তার মুঠোফোনে কল করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

প্রক্সি শিক্ষক দিয়ে ক্লাস নেওয়ার বিষয় জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেন, আমি একটু ব্যস্ত আছি, আমি আপনাকে এই বিষয় নিয়ে মোবাইলে কথা বলতে পারবো না, আপনি কোথায় আছেন সরাসরি দেখা করেন। প্রক্সি শিক্ষিকা দিয়ে ক্লাস নেওয়ার কথা টি তিনি এড়িয়ে যান এবং পরে কল দেবে বলে ফোনের লাইন কেঁটে দেন। এরপর একাধিকবার কল করেও ওনাকে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার খোরশেদ আলম বলেন : বিষয়টি আমরা অভিযোগ পেয়েছি, আমাদের সহকারী শিক্ষা অফিসার কে তদন্তর দায়িত্বে দিয়েছি , তিনি আরও বলেন তদন্তে প্রামাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রক্সি শিক্ষক দিয়ে ক্লাস নেওয়ার কোনও সুযোগ নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021
ভাষা পরিবর্তন করুন »