তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
আনিস আলমগীর ও অভিনেত্রী শাওনসহ চারজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড চেয়ে প্রসিকিউশনের আপিল আজ পেয়াজের সরবরাহ বাড়াতে আমদানির অনুমতি আরও বাড়ালো ডলারসহ বৈদেশিক মুদ্রার আজকের বিনিময় হার এশিয়ার জন্য ট্রাম্পের নতুন নীতি  ঢাকায় পৌঁছেছে হাদিকে নিতে আসা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রস্তুত প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে এনজিও কর্মকর্তার চাঁদাবাজি উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রামগড়ে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে আলোচনা সভা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত বিসিবির আচরণে তামিমের ক্ষোভ নিরাপদ মা ও সুস্থ শিশুর জন্য গর্ভকালীন পরিচর্যা আবহাওয়া অফিসের শীত নিয়ে নতুন বার্তা তারেক রহমানকে যেভাবে সংবর্ধনা জানাবে বিএনপি হাদিকে হামলায় আরো ২ জন গ্রেফতার ইসলাম ধর্মে বুদ্ধিজীবীদের যে সম্মান দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে পুলিশ এআইইউবির ২৩ তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত সংস্কৃতি মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে: কাদের গনি চৌধুরী শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ কম্বোডিয়ায় নতুন করে হামলা থাইল্যান্ডের বিদ্যা সিনহা মিম নতুন সিনেমায় ১৪ ডিসেম্বর: স্বর্ণের ভরি কত? শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন শাহজাদপুরে হাজী রফিকুলের MMH ও MNH অবৈধ ইট ভাটা চলছে ২০ বছর সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুরে নলুয়াতে তাঁবুর ঘরে মাদক ও জুয়ার আঁধারী আসর মেসির সাথে কারিনার সাক্ষাৎ ঘিরে তুমুল আলোচনা রোনালদোকে দেখা যেতে পারে হলিউডের সিনেমায় জাতিসংঘ মহাসচিবের কড়া বার্তা ট্রাইব্যুনালে হাজির ১৫ সেনা কর্মকর্তা বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে সাংবাদিকের ওপর হামলা পোস্টাল ব্যালটে ভোট শান্তিরক্ষীদের নিহতের ঘটনায় জামায়াত আমিরের শোক ট্রাকের ধাক্কায় হোটেল কর্মচারী নিহত দেশকে নেতৃত্বহীন করতে হাদির ওপর হামলা সামনে আরও হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে হাদির ওপর হামলায় মোটরসাইকেল মালিক গ্রেফতার শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা ১৪ ডিসেম্বর: বুদ্ধিজীবী হত্যার শোকাবহ দিবস আগামীকাল প্রধান বিচারপতির বিদায়ি অভিভাষণ ১১ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এনসিপি নেতাকে বাঁচাতে গিয়ে পুলিশ আহত অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-টু শাহীন শিক্ষা পরিবারের শিক্ষার্থীদের স্মৃতিমিলন জেসিআই বাংলাদেশের নতুন প্রেসিডেন্ট দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারানোর দুঃসহ বেদনার দিন ১৪ ই ডিসেম্বর শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছাবে নতুন বই

বিচারপতিকে এজলাসে ডিম ছুড়ে মারলেন আইনজীবীরা

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী মামলার রায়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করার জেরে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালকে তার নিজ এজলাস কক্ষে ডিম ছুঁড়ে মেরেছেন একদল আইনজীবী। এক পর্যায়ে ওই বিচারপতি এজলাস ছেড়ে নেমে যেতে বাধ্য হন।

বুধবার বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি কাজী ওয়ালিউল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী আইনজীবীরা জানান, দুপুরের পর ওই বেঞ্চে বিচারকাজ চলছিল। এ সময় একদল আইনজীবী এজলাস কক্ষে প্রবেশ করেন। তারা ডায়াসের সামনে গিয়ে বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালকে উদ্দেশ্য করে বলেন- আপনি একজন বিচারপতি হয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করেছেন। আপনি এখনও যদি ওই চিন্তাভাবনা পোষণ করেন, তাহলে আপনার বিচারকাজ পরিচালনার অধিকার নাই।

তারা আরো বলেন, এক পর্যায়ে আইনজীবীদের মধ্যে কেউ একজন বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালকে লক্ষ্য করে ডিম ছুঁড়ে মারেন। তবে ছুঁড়ে মারা ডিম বিচারপতির আসনের সামনে থাকা ডেস্কে লাগে। এ সময় কয়েকজন আইনজীবী হইচই করতে থাকেন। এ অবস্থায় বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি কাজী ওয়ালিউল ইসলাম এজলাস ছেড়ে নেমে খাস কামরায় চলে যান।

জানা গেছে, ২০১৬ সালে ষোড়শ সংশোধনী মামলার রায়ে বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল তার পর্যবেক্ষণের একাংশে বলেন, ‘মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বাকবাকুম করে ক্ষমতা নিয়ে নিলেন, তথা রাষ্ট্রপতির পদ দখল করলেন। একবারও ভাবলেন না, তিনি একজন সরকারি কর্মচারী। সরকারি কর্মচারী হয়ে কিভাবে তিনি রুলস ভঙ্গ করেন। ভাবলেন না তার শপথের কথা। ভাবলেন না, তিনি দেশকে রক্ষা করতে প্রয়োজনে মৃত্যুকে বরণ করার শপথ নিয়েছিলেন। ভাবলেন না, তিনি এবং তারা ব্যর্থ হয়েছিলেন দেশের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে রক্ষা করতে। ভাবলেন না, তিনি এবং তারা ব্যর্থ হয়েছেন জাতীয় চার নেতাকে রক্ষা করতে। জনগণ আশ্চর্য হয়ে দেখলো— মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান দেশের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকারী এবং জাতীয় চার নেতার হত্যাকারীদের দোসর হয়ে তাদের রক্তাক্ত হাতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সম্পূর্ণ বেআইনি এবং অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদ দখল করলো। যাকে এক কথায় বলা যায় বন্দুক ঠেকিয়ে জনগণের প্রতিষ্ঠান দখল।’

রায়ে আরো বলা হয়, ‘আমরা জানি, ডাকাতরা সংঘবদ্ধভাবে ডাকাতি করে। ডাকাতদের যে নেতৃত্ব দেয়— তাকে ডাকাত সর্দার বলে। ডাকাতি করার সময়ে ডাকাতরা বাড়িটি বা ঘরটি কিছু সময়ের জন্য অস্ত্রের মুখে দখল করে এবং মূল্যবান দ্রব্যাদি লুণ্ঠন করে। বিচারপতি আবু সাইদ চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান গংরা দেশে নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকা সত্ত্বেও অস্ত্র এবং অবৈধ কলমের খোচায় নির্বাচিত জাতীয় সংসদকে ভেঙে ডাকাতদের মতো অবৈধভাবে জোরপূর্বক জনগণের ক্ষমতা ডাকাতি করে দখল করেন। যে বিচার বিভাগ এবং এর বিচারকদের ওপর আইনগত দায়িত্ব ছিল সাংবিধানের সামান্যতম বিচ্যুতিকে রক্ষা করা, সংরক্ষণ করা এবং নিরাপত্তা প্রদান করা— সেই বিচার বিভাগ এবং এর তৎকালীন বিচারকরা সংবিধানকে এক কথায় হত্যা করলেন, জনগণের রায় ডাকাতি করে জনগণের নির্বাচিত সংসদকে বাতিল করলেন।’

‘অপরদিকে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান একজন সরকারী কর্মচারী হয়েও আর্মি রুলস ভঙ্গ করে জনগণের রায়ে নির্বাচিত জাতীয় সংসদকে হত্যা করে, দেশের সংবিধানকে হত্যা করে, অস্ত্রের মুখে অন্যায়ভাবে অসৎভাবে হত্যাকারীদের দোসর হয়ে জনগণকে চরম অবজ্ঞা করে, ক্ষমতা দখল করেন। একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়ে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী তথা স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার, আলবদর, আল-শামস এবং জামায়াতে ইসলামীকে এদেশে পুনর্বাসন করেন। তাদের রাজনীতি করার অধিকার দেন। তাদের নাগরিকত্ব দেন (যে নাগরিকত্বকে আমাদের তথাকথিত জামায়াতি এবং স্বাধীনতাবিরোধী মানসিকতার বিচারকরা বৈধ বলেন)। তিনি স্বাধীনতাবিরোধী এবং মানবতাবিরোধী অপরাধীদের সংসদ সদস্য করেন এবং তাদের মন্ত্রী বানিয়ে, তাদের গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা দিয়ে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের সঙ্গে এবং দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের সঙ্গে বেইমানি করেন। এরপরেও কি বাংলাদেশের জনগণ মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযোদ্ধা বলতে পারে?’

‘মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান শুধু জাতির পিতা ও তার পরিবারের এবং জাতীয় চার নেতা হত্যাকারীদের শুধু দোসরই হননি, বরং তিনি জাতির পিতা ও তার পরিবারের হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করেছেন রাষ্ট্রদূত, সংসদ সদস্য ইত্যাদি বানিয়ে। তিনি আরও জঘন্য যে কাজটি করেন— তা হলো তিনি জনগণের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি জাতির পিতা ও তার পরিবারের হত্যাকারীদের হত্যার বিচার বন্ধ করে দায়মুক্তি আইন প্রণয়ন করেন। অর্থাৎ তিনি জাতির পিতা ও তার পরিবারের হত্যাকে এই দায়মুক্তি আইন দ্বারা সমর্থন দিয়ে প্রমাণ করেন তিনিও জাতির পিতা ও তার পরিবারের হত্যাকারী এবং জাতীয় চার নেতার হত্যাকারীদেরই একজন বলেও রায়ে বলা হয়েছে।’

সবা:স:সু-২২১/২৪

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

জেনেভা ক্যাম্পের ‘মাদক সম্রাট’ চুয়া সেলিম গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টারঃ রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের শীর্ষ মাদক কারবারি সেলিম আশরাফি ওরফে চুয়া সেলিমকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। বৃহস্পতিবার (৯ জানয়ারি) রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাব জানায়, গত ৫ আগস্টের পর মাদক কারবারি চুয়া সেলিম ও বুনিয়া সোহেলের দ্বন্দ্বের জেরেই ক্যাম্পে ৭ জন খুন হন। এসব খুনের মামলার অন্যতম আসামি চুয়া সেলিম। কিছু দিন আগে তার প্রতিদ্বন্দ্বি বুনিয়া সোহেলকে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারের পর অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় চুয়া সেলিমকে ল্যাবএইড হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হবে বলে জানিয়ে র‌্যাব।   সবা:স:জু- ৭২০/২৫

আরও পড়ুন
language Change