তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় ফেরি-লঞ্চ চলাচল বন্ধ শান্তার ফাইল পার করতে রাজউকের ‘গোপন মিশন’ কোরবানি ঈদকে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারিরা জাতীয় পার্টি সংসদ নির্বাচনে ব্যয় করেছে ৫ লাখ টাকা নাটোরে পেঁপে চাষের আধুনিক পদ্ধতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ঢাকা-৭-এর গ্যাস সংকট নিরসনে তিতাস কার্যালয়ে বৈঠক শিরোপা জয়ের অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হলো রোনালদোর ইসরায়েলের গুপ্তচরকে ফাঁসিতে ঝোলাল ইরান অনুমোদন পেলো পদ্মা ব্যারাজ শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিচার শুরু ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা ‎মোংলার চিলা ইউনিয়ন পরিষদে জেলেদের মাঝে ৮০ কেজি করে চাল বিতরণ সম্পন্ন‎ তালতলীতে অপমৃত্যুর নাটক ভেঙে হত্যা মামলা,এজাহারের নির্দেশ তেল চুরি করে শত কোটি টাকার মালিক ডিএস মাহবুব, চাকরি যায় মিটারম্যান সবুজের বরগুনায় মারপিটে স্মৃতিশক্তি হারান এক নারী বিএনপি নেতার ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল শেরপুরের নকলায় খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন নাটোরে অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে অভিযান দীঘিনালায় আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনার উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত ভোলাহাটে গ্রামপুলিশ নজরুল অবসরে! ওসি দিলেন সম্বর্ধনা! ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও টিকা দিল চীন ভোলাহাটে বসতবাড়ীর ৪টি ঘরে আগুন সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু আজ ​পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাক্টরসহ আটক ঢাকায় বজ্রবৃষ্টির আভাস জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য হলেন দৈনিক সবুজ বাংলাদেশের সম্পাদক মোহাম্মাদ মাসুদ ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু আজ ঈদ উপলক্ষে দোকান-শপিংমল খোলার নতুন সময় নির্ধারণ ঈদে ট্রেনের টিকিট বিক্রি নিয়ে রেলওয়ের জরুরি বার্তা বিশ্বরেকর্ড হাতছাড়া করলেন শান্ত রংপুরে ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী আটক হরমুজ প্রণালি যুদ্ধাঞ্চলে পরিণত হয়েছে মামলা ও বিতর্কের মধ্যেই পদোন্নতি পেতে দৌড়ঝাপ, ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন বঞ্চিতরা কাজিপুরে বোরো ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভোগান্তি চরমে: কর্মস্থল ফেলে লাপাত্তা চিকিৎসক, ক্ষুব্ধ রোগীরা টিস্যুবক্স নিক্ষেপ ইস্যু: অপপ্রচারের প্রতিবাদে শরীয়তপুর প্রেস ক্লাবের নিন্দা প্রকাশ কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে মৃৎশিল্প     কেশবপুরে পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের মানববন্ধন সুন্দরবনের ডাকাত বাহিনীর প্রধান মেজ জাহাঙ্গীর অ স্ত্রসহ আটক বিজিবি’র অভিযান ৪৬ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ উদ্ধার​ সংবাদপত্রের আস্থা পুনরুদ্ধারে কাজ করবে এশিয়াপোস্ট: উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ড. আসিফ মিজান চাঁপাইনবাবগঞ্জে হতদরিদ্রদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ সুন্দরবনের দুটি হরিণ উদ্ধার করেছেন বন রক্ষীরা ১৪ বছর পর জমির মালিকানা ফিরিয়ে দিল প্রশাসন শেরপুরে ভূসির বস্তায় ১০৮ বোতল বিদেশি মদ সহ তিনজনকে আটক পাচারকালে আটক ৮ হাজার লিটার জ্বালানি তেল ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনে স্থানান্তর ময়নাতদন্তে উঠে এলো গাজীপুরে ৫ হত্যার ভয়াবহ চিত্র গণপূর্তে তৈমুর আলমকে ঘিরে ‘প্রভাব বলয়’ ও দুর্নীতির অভিযোগ ডুয়েটে ভর্তির আবেদন শুরু আজ

‘হস্তক্ষেপে’ সড়ক সংস্কারে দেরি

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার: 

অক্টোবর মাসের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সব সড়কের খানাখন্দ ও গর্ত ভরাটের কাজ শেষ করার কথা ছিল। গত ১৩ অক্টোবর ঢাকা দক্ষিণ সিটির জনসংযোগ শাখা থেকে গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে এই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রতিশ্রুতি কাগুজে দলিল হিসেবেই থেকে গেছে। নভেম্বর পেরিয়ে ডিসেম্বরেরও দুই সপ্তাহ পার হতে চলেছে। প্রয়োজনীয় মেরামত না করায় বেশির ভাগ সড়কের অবস্থা আগের চেয়ে খারাপ হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটির আওতাধীন এলাকায় ১ হাজার ৬৫৬ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। দক্ষিণ সিটির প্রকৌশল বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত বর্ষায় ২১৪ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া দক্ষিণ সিটির আওতাধীন এলাকায় ২৩১ কিলোমিটার ফুটপাত রয়েছে। এর মধ্যে গত বর্ষায় ২৭ কিলোমিটার ফুটপাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জরুরিভিত্তিতে সড়ক সংস্কার ও মেরামতের উদ্যোগ নেয় প্রকৌশল বিভাগ। সিদ্ধান্ত হয়, অক্টোবরের মধ্যে ভাঙচোরা সব সড়ক ঠিক করা হবে। নভেম্বরেই এর সুফল পাবেন নগরবাসী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা গেল, সিটি করপোরেশনের দেওয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়িত হয়নি।

ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের সংখ্যা অনেক বেশি, যে কারণে সময় লাগছে। এর মধ্যে কিছু সড়ক মেরামতের কাজ হয়েছে।

সড়কের দুরবস্থা ঠিক করতে তাঁরা অনেক আগেই উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু ঠিকাদার নিয়োগসহ দরপত্র প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে তাঁরা কাজ শুরু করতে পারেননি। আগের সব ঠিকাদার ছিলেন আওয়ামী লীগের। গণ–অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের ওই ঠিকাদারদের সিটি করপোরেশনে আর আসছেন না।

পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নতুন ঠিকাদার খুঁজতে হচ্ছে। সড়ক সংস্কারের কাজ পেতে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা পরিচয়ে অনেকে করপোরেশনে আসছেন। তাঁদের অনেকে নিয়ম ভেঙে ঠিকাদারি কাজ পেতে চাপ দিচ্ছেন। যাঁরা আসছেন, তাঁদের বেশির ভাগের এ ধরনের ঠিকাদারি কাজের অভিজ্ঞতা নেই। দেখা যাচ্ছে, কোনো এলাকার একটি সড়কের সংস্কারকাজ পেতে চাইছেন ১০–১২ জন। এসব কারণে সড়ক সংস্কারের পুরো প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে। তবে কিছু সড়কের সংস্কার কাজ হয়েছে।

সিটি করপোরেশনের কাজ পেতে দলের নেতা–কর্মীদের চাপের বিষয়টি সম্পর্কে তাঁরা অবগত নন। সেবামূলক কাজ যাতে ঠিকমতো হয়, এই কাজে হস্তক্ষেপ কাম্য নয়। বিএনপির পরিচয় দিয়ে কেউ চাপ প্রয়োগ করে থাকলে এবং বিষয়টি সিটি করপোরেশন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হলে তাঁরা দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেবেন।

তাঁদের এলাকা শ্যামপুর–কদমতলীর রাস্তার অবস্থা খুব খারাপ। দক্ষিণ সিটির উচিত রাস্তা সংস্কারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।

কোথাও গর্ত, কোথাও পিচ উঠে গেছে

প্রায় প্রতিটি সড়কের কোথাও পিচঢালাই উঠে গেছে, কোথাও বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। সঙ্গে ধুলার যন্ত্রণা তো রয়েছেই।

এর মধ্যে বেশি খারাপ অবস্থা দয়াগঞ্জ মোড় থেকে ধোলাইখাল বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত। দুই কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের বেশির ভাগ জায়গায় পিচঢালাই উঠে বড়-ছোট গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি সড়কে প্রচুর ধুলা উড়ছে। এই সড়কের যাত্রাবাড়ীর খালপাড় এলাকায় গতকাল বিকেলে কথা হয় দুজন রিকশাচালকের সঙ্গে। যাত্রাবাড়ী এলাকার সব রাস্তাই খারাপ।

ইত্তেফাক মোড়েও সড়কের পিচঢালাই উঠে যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ইত্তেফাক মোড় পেরিয়ে দয়াগঞ্জ থেকে জুরাইন রেলগেটের দিকে যাওয়ার সড়কের অবস্থাও বেহাল। একই অবস্থা জুরাইনের পাশের মীরহাজীরবাগের মাদ্রাসা সড়কের। এই সড়কের জায়গায় জায়গায় গর্ত।

সায়দাবাদ মোড় থেকে যাত্রাবাড়ীর দিকে যাওয়া পথে উত্তর যাত্রাবাড়ী এলাকার সড়কেও ছোট–বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে আছে। সায়দাবাদের পাশে গোলাপবাগ মাঠের দক্ষিণ দিকের সড়কের অবস্থাও বেহাল। আবার গোলাপবাগ মোড় থেকে মুদগা মেডিকেল কলেজ পর্যন্ত দুই দশমিক তিন কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের মাঝবরাবর অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়ে আছে। মানুষের ভোগান্তি কমাতে এই সড়কের টিটিপাড়া অংশে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের সামনের কিছু অংশ ইট বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, খিলগাঁও এলাকার রাস্তা বেশি খারাপ। ভাঙাচোড়া সড়কে চলার কারণে কিছুদিন পরপর গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্র নষ্ট হয়ে যায়।

দক্ষিণ সিটির খিলগাঁও উড়ালসড়কেও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক জায়গায় পিচ উঠে গেছে। মতিঝিলের পাশে গোপীবাগ এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারের সামনের সড়কের সংস্কারকাজ শেষ না করে ফেলে রাখা হয়েছে। এতে ওই পথে যান চলাচল বন্ধ হয়ে আছে। দেড় বছরের বেশি সময় এই সড়কে গাড়ি চলতে পারছে না। কাজে ধীরগতির কারণে মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে প্রায় সাত বছর আগে নতুন যুক্ত হওয়া ওয়ার্ডগুলোর সড়কের অবস্থাও ভালো নয়। স্টাফ কোয়ার্টার থেকে সারুলিয়া বাজার যাওয়ার সড়কটির অবস্থা খুবই খারাপ। এই সড়কের বেশির ভাগ অংশে খানাখন্দে ভরা।

ওয়ার্ডে কাউন্সিলর না থাকায় অলিগলির সড়কের প্রকৃত চিত্র সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে এসে পৌঁছাচ্ছে না বলে মনে করেন লালবাগ এলাকার বাসিন্দারা। তিনি বলেন, লালবাগ-আজিমপুরের মূল সড়কের অবস্থা ভালো। তবে অলিগলির রাস্তার অবস্থা খারাপ।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এখন চলছে অস্থায়ী প্রশাসক দিয়ে। দক্ষিণ সিটিতে ওয়ার্ড আছে ৭৫টি, উত্তর সিটিতে ওয়ার্ড আছে ৫৪টি। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রথমে মেয়র এবং পরে কাউন্সিলরদেরও অপসারণ করা হয়। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সিটি করপোরেশনের অনেক নাগরিক সেবা বিলম্বিত হচ্ছে।

সড়ক মেরামতের বিষয়টি সিটি করপোরেশের নিয়মিত কাজের অংশ। বিভিন্ন এলাকায় সড়কের বেহালের কারণে মানুষ বিরক্ত–ক্ষুব্ধ। সড়ক সংস্কারের বিষয়টি সব সময় সিটি করপোরেশনের অগ্রাধিকারে থাকা উচিত। এই কাজে সময়ক্ষেপণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

সবা:স:জু- ৩৪২/২৪

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

পৃথিবীতে যেভাবে ঘটেছিল প্রথম হত্যাকাণ্ড

ডেস্ক রিপোর্ট: পৃথিবীতে প্রথম হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল আদিপিতা হজরত আদম (আ.)-এর দুই সন্তান হাবিল ও কাবিলের মাধ্যমে। হাবিল কাবিল দুই ভাই ছিলেন। কাবিল ছিলেন বড়, হাবিল ছিলেন ছোট। এই দুই ভাই দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিলেন। সমাধানের জন্য তারা কোরবানির আয়োজন করেন। তাদের মধ্যে হাবিলের কোরবানী কবুল করেন আল্লহ তায়ালা আর কাবিলেরটি গ্রহণ হয়নি আল্লাহর দরবারে। এই ঘটনাকে নিজের জন্য লজ্জা ও অপমানজনক মনে করেন কাবিল। লজ্জা থেকে বাঁচতে প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে নিজের ভাইকে হত্যা করেন কাবিল। হাবিল কাবিল এই দুই ভাইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণ কী ছিল তা কোরআন-হাদিসে সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়নি। বেশির ভাগ ঐতিহাসিক এর পেছনে নারীঘটিত কারণ বর্ণনা করেন। এর ওপর ভিত্তি করে বলা হয়, ইতিহাসের প্রথম হত্যাকাণ্ডের পেছনে আছে একজন নারী। তবে গবেষক আলেমদের অনেকেই নারীঘটিত বিষয়টিকে ভিত্তিহীন বলেছেন। আল্লামা

আরও পড়ুন
language Change