তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
মালামাল আত্মসাৎ করার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন বসতবাড়ি উচ্ছেদ করে জোরপূর্বক দখল শিক্ষার উদ্দেশ্য শিশুকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় পোষ্য কোটা বাতিলের দাবি ইআবি’র অধীনে সারাদেশে ফাজিল (অনার্স) পরীক্ষা শুরু আইনে অনুমোদিত টাকার বাইরে এক টাকা খরচ করবনা বাহারুলকে বরখাস্তের দাবিতে আইনজীবীর চিঠি অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন ২০২৫ নিজ বাড়িতেই কিশোরদের ডাকাতির নাটক বিজিবির অভিযানে আটক - ২ হাসিনা ভারতে থাকবে কিনা তাঁকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে বন্যপ্রাণী রক্ষায় নতুন প্রজন্মের ভূমিকা অনস্বীকার্য সিএমপির সব থানার ওসি রদবদল সরকারি কর্মচারীদের নতুন ৫ দাবি এলো ‘এই অবেলায়-২’ ভর্তুকি দিয়েই চিনিকল চালানো সম্ভব না: আদিলুর আইজিপি বাহারুলের বরখাস্ত চেয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে আবেদন বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের নতুন কোচ নিয়োগ তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি মেডিকেল বোর্ড সবুজ সংকেত দিলেই ঢাকায় আসবে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সিলেটে জামায়াতসহ ৮ দলের বিভাগীয় সমাবেশ পোস্টাল ব্যালট অ্যাপে প্রবাসীদের নিবন্ধন ছাড়াল লাফিয়ে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম একান্ত সাক্ষাৎকারে মাহবুবুর রহমান শাহীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলো হাজার টন গম ছাত্রশক্তির নেত্রীকে বিয়ে করলেন হান্নান মাসউদ ময়মনসিংহ মেডিকেলের কেনাকাটা ৩৪ কোটি টাকা তছরুপের পাঁয়তারা পাকিস্তান আফগানিস্তান সীমান্তে গোলাগুলি খালেদা জিয়ার বন্ধ হয়েছে রক্তক্ষরণ নারায়ণগঞ্জে মার্কেটে আগুন গ্যাস লিকেজে ভয়াবহ বিস্ফোরণ সীমান্তে ভারতীয় গরু চোরাকারবারি আটক বিএসএফের নিকট অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হস্তান্তর করল বিজিবি রামগড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত - ১ পুলিশের বিরুদ্ধে আসামীদের গ্রেফতারে শৈথিল্যের অভিযোগ বিজিবির অভিযানে অবৈধ মালামাল জব্দ সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা বিজিবির উদ্যোগে লাশ দেখতে পেল বাংলাদেশীরা জনস্বাস্থ্য পেশার সম্ভাবনা নিয়ে আইএসইউতে সেমিনার হচ্ছে আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর জার্মানি নারী ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজক খালেদা জিয়ার অসুস্থতার জন্য হাসিনা দায়ী ভাঙায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত - ৪ আজ যত দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ খুবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৮ ডিসেম্বর সারাদেশে কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা ক্ষমতা বাড়ল পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের হাসিনাকে ফেরাতে ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে না ভারত হাসপাতালে এসে পৌঁছেছেন জুবাইদা রহমান ঢাকা ১৮ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর

শহীদ ও আহতদের আর্থিক সহায়তায় 

স্টাফ রিপোর্টার:

জুলাই বিপ্লবে শহীদ ও আহতদের পরিবারে আর্থিক সহায়তা প্রদান কার্যক্রম ধীরগতিতে চলছে। একই সঙ্গে শহীদদের পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসন কিভাবে হবে, বিষয়টি এখনো পরিষ্কার নয়। জুলাই বিপ্লবে শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের পরিবার ও আহতদের সঙ্গে কথা বলে এমনটি জানা গেছে।

জুলাই বিপ্লবে হতাহত ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের পুনর্বাসনে গড়া হয়েছে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন।

এই সংস্থা থেকে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে দৃশ্যমান হবে বলেও জানানো হয়। কিন্তু এখনো এ ব্যাপারে স্পষ্টভাবে কিছু দেখা যাচ্ছে না।

জুলাই বিপ্লবে রাজধানীর উত্তরায় গুলিতে ডান হাত হারিয়েছেন আকিকুল ইসলাম। ছয় ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট আকিকুল বাবা ও মাকে নিয়ে আগারগাঁওয়ে থাকেন।

উত্তরায় সেলসম্যান হিসেবে কাজ করতেন। পরিবারের হাল ধরতে বিদেশে কাজের উদ্দেশ্যে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে ডান হাত হারিয়ে এখন তিনি কাজে অক্ষম।

বিশেষ করে আহতরা পিছিয়ে। সরকার হয়তো বাকিদের দ্রুত এ সহায়তা দেবে। তবে অনেকের জন্য সময়টা লম্বা হয়ে গেছে।’

আর্থিক সহযোগিতার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একটি অঙ্গের মূল্য কখনো এক বা দুই লাখ টাকা হতে পারে না। আহতরা এমন অবস্থায় আছেন যে তাঁদের চিকিৎসায় হয়তো আরো চার-পাঁচ বছর সময় লেগে যাবে।

বেশির ভাগই হয়তো আর কর্মজীবনে ফিরতে পারবেন না। ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁরা চিন্তিত। এখন মূল প্রয়োজন সরকারঘোষিত পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা। কিভাবে এই পুনর্বাসন করা হবে, এ বিষয়টি এখনো কারো জানা নেই। এটা নিয়েই সবার মধ্যে হতাশা কাজ করছে। সরকার বলছে করে দেবে (পুনর্বাসন), তবে কী করবে, বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে সংঘটিত হয় ‘জুলাই বিপ্লব’। সংগঠনটির দাবি, এই আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন অন্তত এক হাজার ৪২৩ জন। একই সময় আহতের সংখ্যা ২২ হাজার। যদিও এ নিয়ে সরকার এখনো কোনো পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করতে পারেনি। তবে নিহত ও আহতদের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে গড়ে তোলা হয়েছে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’।

নরসিংদীর বাসিন্দা তৌহিদ উদ্দিন ভূঞার (৩৬) স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে আর মাকে নিয়ে টানাপড়েনের সংসার। স্থানীয় পর্যায়ে কাপড়ের ব্যবসা করে সন্তানদের পড়ালেখা ও সংসার খরচ চালিয়ে আসছিলেন তিনি। জুলাই বিপ্লবে অংশ নিয়ে গত ১৯ জুলাই নরসিংদী জেলগেট মোড়ে ছররা গুলিতে দুই চোখের দৃষ্টি হারান। দীর্ঘ পাঁচ মাস চিকিৎসা নেওয়ার পরও কোনো চোখে আলো ফেরেনি তাঁর। ফলে ব্যবসা বা কাজ করার ক্ষমতা হারিয়ে এখন বেকার। এখন পরিবারের খরচ মেটাতে গিয়ে ঋণে জর্জরিত তৌহিদের পরিবার।

মুঠোফোনে তৌহিদ উদ্দিন বলেন ‘আহত হওয়ার চেয়ে আন্দোলনে মরে গেলেও ভালো হতো। উন্নত চিকিৎসা পেলে হয়তো আবার কাজে ফিরে যেতে পারতাম। পরিবারের হাল ধরতাম। আমার সঙ্গে পরিবারের সবার এখন মরণদশা।’

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে আর্থিক সহযোগিতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শুনেছি সরকার আর্থিক সহযোগিতা করবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ খোঁজও নেয়নি। যারা আমার মতো পুরোপুরি কর্মক্ষমতা হারিয়েছে, তাদের পরিবার কিভাবে চলবে?’

রাজধানীর উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরে গত ১৯ জুলাই আন্দোলনে নেমে দুই চোখে ছররা গুলিতে আহত হয়েছেন মো. দেলোয়ার হুসেন (৪৫)। মা, স্ত্রী ও তিন কন্যাসন্তান নিয়ে তিনি উত্তরার দেওয়ানবাড়ি এলাকায় বাস করেন। টাইলসের দোকানে কাজ করে সংসার চালাতেন তিনি।

দেলোয়ার হুসেন মুঠোফোনে বলেন, ‘উন্নত চিকিৎসার অভাবে এক চোখ এখনো অন্ধকার। সেই চোখের ব্যথায় অন্য চোখেও ঝাপসা দেখি। জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে প্রায় এক লাখ টাকা পেয়েছি। তবে দীর্ঘ পাঁচ মাস বেকার থাকায় যে ঋণ হয়েছে, তা পরিশোধ করতেই এই অর্থ চলে যাবে। আমার আর্থিক সহযোগিতার প্রয়োজন নেই। উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে দুই চোখ ফিরে পেতে চাই। আবার কর্মজীবনে ফিরে সংসারের হাল ধরতে চাই।’

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মপরিকল্পনার মধ্যে ছিল শহীদ ও আহতদের নির্ভুল এবং সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করা। আহতদের ইউনিক আইডি কার্ড দিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেশে বা বিদেশে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া। আহতদের আর্থিক সহযোগিতা সর্বোচ্চ এক লাখ থেকে বাড়িয়ে তিন লাখ টাকা করা।

পুনর্বাসনের কর্মপরিকল্পনায় ছিল আহতদের যাঁরা দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, তাঁদের পছন্দ, আগ্রহ, সামর্থ্য ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া। যাঁরা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, কোনো কাজ করতে পারবেন না, তাঁদের আজীবন ভাতা দেওয়া। শহীদ বা কর্মক্ষম ব্যক্তির পরিবারের একজন সদস্যের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। এ লক্ষ্যে অর্থনৈতিক বা সামাজিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গঠনের উদ্যোগ নেওয়া। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এসব কার্যক্রম দৃশ্যমান হবে বলেও জানানো হয়।

এ বিষয়ে জানতে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের দায়িত্বে থাকা একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টার করে তা সম্ভব হয়নি।

সবা:স:জু- ৪৪৫/২৪

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ভিয়েতনামে বাংলাদেশিদের জন্য ই-পাসপোর্ট সেবা চালু

সবুজ বাংলাদেশ ডেস্ক: দেশের ৪৮তম মিশন হিসেবে ভিয়েতনামে ই-পাসপোর্ট সেবা চালু করেছে সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাস। শুক্রবার (২২ নভেম্বর) রাজধানী হ্যানয়ে দূতাবাস প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ভিয়েতনামে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ লুৎফর রহমান। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়ে বলা হয়, এ কর্মসূচির আওতায় আবেদনকারীরা ৫ বছর বা ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন পাওয়ার এক মাসের মধ্যে ই-পাসপোর্ট সরবরাহ করা সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানে অভিবাসন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের দল দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেন। ই-পাসপোর্ট আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে উপস্থিত বাংলাদেশিদের ধারণা দেন ঢাকা থেকে আসা অভিবাসন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের উপপরিচালক আল-আমিন মৃধা। তিনি সরকারের ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের ওপর নির্মিত একটি তথ্যচিত্র দেখান। রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ লুৎফর রহমান বলেন, এ কার্যক্রম চালু করার ফলে এখন থেকে ভিয়েতনাম ও লাওসে

আরও পড়ুন
language Change