তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
এনসিপির মনোনয়ন পেলেন জাতীয় পার্টির উপদেষ্টা সংসদ ও গণভোটের তপশিল ঘোষণা আজ উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মাহফুজ ও আসিফ বাংলা একাডেমিতে আজ থেকে শুরু ‘বিজয় বইমেলা খালেদা জিয়ার আসনে এনসিপির প্রার্থী মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যায় গৃহকর্মী গ্রেফতার কুমিল্লায় এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী দোসরদের সাথে পারলেন না ! রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সিইসির সাক্ষাৎ শেষে, যেকোনো সময় তফসিল ঘোষণা এনসিপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা আরাধ্যাকে নিয়ে টানাটানি শাকিব নির্ভরতা 'সুসংবাদ নয়': অপু বিশ্বাস বিপিএল কাঁপাতে আসছেন দুই সুন্দরী আ.লীগকে কত শতাংশ মানুষ নির্বাচনে চান না,জানা গেল জরিপে বিএনপির আসন বণ্টন শিগগিরই তফসিলের পরে সমাবেশ–আন্দোলন করতে হবে অনুমতি নিয়ে তথ্য জালিয়াতি করে ভুয়া ঠিকানায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি ইমারত পরিদর্শক সাত্তারের বিরুদ্ধে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ বিজিবির উদ্যোগে লাশ দেখতে পেল ভারতীয়রা বুধবার সন্ধ্যায় বা বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণা আজকের স্বর্ণের দাম আইপিএলের নিলামে ৭ বাংলাদেশি ক্রিকেটার মোহাম্মদপুরে মা মেয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশ যা জানালো ভারত কানাডার ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ২০২৬ফুটবল বিশ্বকাপে নতুন নিয়ম বিএনপি বেশি আসনে জিতবে বলে মনে করছে ৬৬ শতাংশ মানুষ আবারো ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ আজ বেগম রোকেয়া দিবস হাসিনাসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গুমের মামলায় শুনানি আজ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় আজ সাক্ষ্য দেবেন হাসনাত আবদুল্লাহ রামগড়ে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত বরুড়ায় হানাদার মুক্ত দিবস পালিত ভারতীয় চোরাই মোবাইলসহ আটক - ১ প্রতারনার ফাঁদে ফেলে কোটি টাকা আত্মসাৎ সব অপরাধ বন্ধের ম্যাজিক আমার কাছে নেই রাজনৈতিক চাহিদা থাকলে অবৈধ আয় বন্ধ হবে না এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন ইসির সঙ্গে বৈঠকে জামায়াতে ইসলামী আত্মপ্রকাশ করল নতুন রাজনৈতিক জোট আন্দোলনের ঘোষণা ৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের থাইল্যান্ড কম্বোডিয়া সীমান্তে ফের উত্তেজনা ‘বিগ বস ১৯’শেষ হলো,কত টাকা পেলেন বিজয়ী? আজকের স্বর্ণের দাম চাঁদাবাজদের নির্মূল না করা পর্যন্ত লড়াই চলবে: হাসনাত নির্বাচনে বাড়ল ভোট গ্রহনের সময় এক সপ্তাহে ১৯ হাজারের বেশি প্রবাসী গ্রেফতার নিজ বাড়ি থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার নির্বাচনের তফসিল ডিসেম্বরের যেকোনো দিন সাংবাদিক শওকত মাহমুদ গ্রেফতার ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ম্যাচ কবে-কখন?

জনভোগান্তি সৃষ্টি করবেন না : আকতার হোসেন

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ভ্যাট ও শুল্ক বৃদ্ধির কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আকতার হোসেন। শনিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আকতার হোসেন বলেন, ‘ভ্যাট, শুল্ক বৃদ্ধির অধ্যাদেশ এবং টিসিবির ট্রাক সেল কর্মসূচি বন্ধের কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়বে। সব কিছু সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে।

অবৈধ সরকারের আইএফের কারণে বর্তমান সরকার ভ্যাট বৃদ্ধি করেছে। আমরা হুঁশিয়ারি দিতে চাই, এমন কোনো কাজ করবেন না যা জনগণের ভোগান্তি তৈরি করে।’

এ সময় অবিলম্বে ভ্যাট ও শুল্ক বৃদ্ধির অধ্যাদেশ প্রত্যাহার এবং টিসিবির ট্রাক সেল কর্মসূচি চালু করার দাবি জানান তিনি।

কলরেট-ইন্টারনেট-মিষ্টিতে বাড়ল ভ্যাট, ক্ষোভ বাড়ছে মানুষেরকলরেট-ইন্টারনেট-মিষ্টিতে বাড়ল ভ্যাট, ক্ষোভ বাড়ছে মানুষের সাম্প্রতিক সময়ে সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও সেই তুলনায় আয় বাড়েনি মানুষের।

এরমধ্যে টিসিবির ট্রাক সেল কর্মসূচি বন্ধ এবং শতাধিক পণ্যে শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ এবং মধ্যবিত্তরা পড়েছেন শঙ্কায়।

নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আকতার হোসেন বলেন, ‘শ্বেতপত্রে নানা জায়গায় দুর্নীতি ও বিদেশে টাকা পাচার হওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।

পাচার হওয়া সমস্ত টাকা দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে। বাহাত্তরের সংবিধান নিয়ে কিছু রাজনৈতিক দলের অতিভক্তি আছে। নির্বাচিত সরকার ছাড়া সংস্কার সম্ভব নয়, এমন কথায় আমরা একমত নই।’

 

সবা:স:জু- ৭৩৮/২৫

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে আরও ৩৩ প্রাণহানি

সবুজ বাংলাদেশ ডেস্ক: ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় সর্বশেষ মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) একদিনে নিহত হয়েছেন আরও ৩৩ জন। সেই সঙ্গে আহত হয়েছেন ১৩৪ জন। বুধবার (২৭ নভেম্বর) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মঙ্গলবারের হতাহতের ঘটনার গাজায় মোট নিহত ও আহতের সংখ্যা পৌঁছেছে যথাক্রমে ৪৪ হাজার ২৮২ জনে এবং ১ লাখ ৪ হাজার ৮৮০ জনে। তবে নিহত ও আহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও জনবলের অভাবে তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া ইসরায়েলি হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ধ্বংস হওয়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজার হাজার

আরও পড়ুন
language Change