তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
আগামীকাল প্রধান বিচারপতির বিদায়ি অভিভাষণ ১১ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এনসিপি নেতাকে বাঁচাতে গিয়ে পুলিশ আহত অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-টু শাহীন শিক্ষা পরিবারের শিক্ষার্থীদের স্মৃতিমিলন জেসিআই বাংলাদেশের নতুন প্রেসিডেন্ট দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারানোর দুঃসহ বেদনার দিন ১৪ ই ডিসেম্বর শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছাবে নতুন বই সৌদিতে আলিয়াকে বিশেষ সম্মাননা ঘরে ঢুকে নারীকে কুপিয়ে হত্যা মেসিকে না দেখতে পেয়ে ভারতীয়দের ক্ষোভ বাংলাদেশি জাহাজ জব্দ করল ইরান মনোনয়ন দাখিলে প্রার্থীদের যা যা করনীয় : ইসি হাদির পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রধান উপদেষ্টার জামায়াতে যোগ দিলেন বিএনপির সাবেক এমপি মিয়ানমারের গুলির শব্দে কাঁপছে টেকনাফ ছিনতাইকারীর কবলে ইডেনের ছাত্রী ইরানের নোবেলজয়ী নার্গিস গ্রেফতার রেকর্ড উচ্চতায় রুপার দাম অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ফখরুলের আহ্বান মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে এনসিপি কেরানীগঞ্জে আগুন, উদ্ধার ৪৫ জাল সনদ নিয়ে বহাল সোনালী লাইফের রফিকুল, হতে চান পূর্ণাঙ্গ সিইও মানিকছড়িতে ভুমি দখলের অভিযোগে মামলা চোরাকারবারির বিরুদ্ধে সক্রিয় ভুমিকা রাখছে বিজিবি শেরপুরে ৩ ইটভাটায় ৯ লাখ টাকা জরিমানা হাদিকে গুলির ঘটনায় তারেক রহমানের নিন্দা ওসমান হাদির অস্ত্রোপচারের সময় প্রচুর রক্তক্ষরণ ওসমান হাদির অবস্থা আশঙ্কাজনক মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব এর ২০২৫-২৬ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি দেড় যুগ পর ২০২৪ এর বিজয় দিবস ছিল ‘শৃঙ্খলমুক্ত’ তরুণদের ভাবনায় বিজয়ের মাস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা স্বামীসহ গৃহকর্মীর রিমান্ড মঞ্জুর ৪২ ফুট গভীরেও সন্ধান মেলেনি সাজিদের খাসজমি দখল করে চলাচলের পথ বন্ধের অভিযোগ জনগণকে হ্যাঁ-না ভোট বোঝানো বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্য সচিব মিডল্যান্ড ব্যাংকের শেয়ার কারসাজি ১৯৭১ সাল আমাদের অস্তিত্ব: মির্জা ফখরুল এই নির্বাচনের লড়াই, সবচেয়ে কঠিন লড়াই শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে ফার্মগেটে সড়ক অবরোধ হাজার কোটি টাকা পাচার বেক্সিমকোর হিউম্যান রাইটস্ পীস অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ পদক পেয়েছেন ইব্রাহিম হোসেন ট্রাম্প গোল্ড ভিসা চালু করল যুক্তরাষ্ট্র এনসিপির মনোনয়ন পেলেন জাতীয় পার্টির উপদেষ্টা সংসদ ও গণভোটের তপশিল ঘোষণা আজ বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় চোরাইমাল জব্দ ডিবির এসআইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রস্রাব চেপে রাখলেই বড় বিপদ

পাঠক সংখ্যা
638

অনলাইন ডেস্ক:

কাজের প্রয়োজনে রাস্তায় বের হলে বা কোনো কাজের চাপে অনেকেই প্রস্রাব আটকে রাখেন। কিন্তু এটি অভ্যাসে পরিণত হলেই বড় বিপদ হতে পারে! এতে মূত্রনালিতে উপস্থিত ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা।

মানবদেহের মূত্রথলির ধারণক্ষমতা খুবই কম জানিয়ে চিকিৎসকেরা বলছেন, একজন সুস্থ পূর্ণবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে মূত্রাশয়ে ২০০ মিলিলিটার পরিমাণ প্রস্রাব জমা হলেই ত্যাগ করার প্রয়োজন অনুভূত হয়। সুস্থ অবস্থায় মূত্রাশয় ৩৫০ থেকে ৫৫০ মিলিলিটার প্রস্রাব ধরে রাখতে সক্ষম। তবে মূত্রাশয় অধিক পরিমাণ প্রস্রাব ধরে রাখতে সক্ষম হলেও দীর্ঘ সময় তা ধরে রাখা শরীরের পক্ষে মোটেও ভালো নয়।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দ বাজারের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্রাব ধরে রাখার অভ্যাস করলে মূত্রাশয়ের পেশি ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে। দেখা দিতে পারে আরও নানা সমস্যা।

দীর্ঘদিন ধরে এই অভ্যাস থেকে গেলে, সেখান থেকে ৩টি জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। কী ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে জেনে রাখুন-

মূত্রনালি এবং থলির সংক্রমণ

দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব আটকে রাখলে মূত্রনালি এবং মূত্রথলিতে সংক্রমণ হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, প্রস্রাব আটকে রাখলে মূত্রথলির মধ্যে ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যায় দ্বিগুণ গতিতে বাড়তে থাকে। এরপর মূত্রথলি, মূত্রনালি হয়ে সংক্রমণ কিডনি পর্যন্ত ছড়াতে খুব বেশি সময় লাগে না।

মূত্রথলির পেশি শিথিল হয়ে পড়ে

মূত্রাশয় অনেকটা বেলুনের মতো। সেখানে প্রস্রাব জমতে শুরু করলে তা আকারে বড় হয়ে ফুলতে শুরু করে। প্রস্রাব করলে সেটি আবার সঙ্কুচিত হয়ে যায়। ক্রমাগত প্রস্রাব আটকে রাখলে মূত্রাশয় এমন পর্যায়ে পৌঁছোয়, তা আর স্বাভাবিক আকারে ফিরতে পারে না। সহজভাবে বললে পেশির সংকোচন এবং প্রসারণ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রস্রাব ধরে রাখতে সমস্যা হয়। হাঁচি, কাশি বা ঝাঁকুনির কারণে মূত্রাশয়ে চাপ পড়লে প্রস্রাব বেরিয়ে আসতে পারে।

কিডনিতে পাথর জমতে পারে

প্রস্রাব আটকে রাখলেই সেখান থেকে বাড়ে কিডনিতে পাথর হওয়ার আশঙ্কা। দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব না করলে শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বের হতে পারে না, দেহের ভেতরেই জমতে শুরু করে। আর কিডনির ভেতরে বর্জ্য পদার্থ জমে কঠিন হয়ে যায়। কিডনিতে পাথর তৈরি হলে তা থেকে ব্যথা, সংক্রমণ কিংবা রক্তপাতের মতো গুরুতর সমস্যা শুরু হয়। পাথরগুলো খুব বড় হয়ে গেলে অপসারণের জন্য অস্ত্রোপচারও করাতে হতে পারে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

গাইবান্ধায় এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

গাইবান্ধায় এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর পৌর শহরের ৬নং ওয়ার্ডের নুরপুর গ্রামে এসএসসি পরীক্ষায় এক বিষয়ে ফেল করায় আত্মহত্যা করেছেন এক শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে নিজ বাড়িতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই শিক্ষার্থী। নিহত শিক্ষার্থী লাবণ্য আক্তার নুরপুর গ্রামের আশরাফুল আলমের (শিক্ষক) মেয়ে এবং পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত পলাশবাড়ী পিয়ারী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে লাবণ্য আক্তার তার নিজ বাড়ির একটি রুমে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। এসময় তার মা-বাবা বাড়ির আঙিনাতেই বসেছিল। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন
language Change