তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
বরগুনায় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নৌ বাহিনী প্রধানের মতবিনিময় নির্বাচনে ভোট জালিয়াতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই মির্জা ফখরুল রোহিঙ্গারা ক্যাম্প থেকে ভোটের দিন বের হতে পারবে না ইসি স্বাধীনতা যুদ্ধে ভূমিকার জন্য জামায়াতকে ক্ষমা চাইতে বললেন সালাহউদ্দিন ৩ লাখ ৮০ হাজার প্রবাসীর ভোট এলো দেশে ৮ ফেব্রুয়ারি নয়াপল্টনে তারেক রহমানের শেষ নির্বাচনী জনসভা ন্যূনতম সদস্য রেখে সর্বোচ্চ সেনা মাঠে লক্ষ্য ভোটারদের আস্থা ৬ কোটি ৪৪ লাখ রুপিতে লাহোর কালান্দার্সে মোস্তাফিজ ফের মা হচ্ছেন বুবলী! যে কারণে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন শ্রদ্ধা কাপুর আশুলিয়ায় ৬ লাশ পোড়ানো মামলায় সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বেহেশত দোজখ দিতে পারব না বিএনপি চায় জনগণের মুখে হাসি ফুটুক বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক পোশাকশিল্পের সংকট কাটাতে আর্থিক সহায়তা চাইল বিজিএমইএ বিদেশি পিস্তল ও গোলাবারুদসহ দুই যুবক আটক ঢাকায় পুুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি নির্বাচনে ভোটাররা মার্কা দেখে নয়, প্রার্থী দেখে ভোট দেবেন : রুমিন ফারহানা ছুটির দিনে মেট্রোরেল চলবে কি না জানাল কর্তৃপক্ষ নির্বাচন শেষে দ্রুত দায়িত্ব হস্তান্তর করবে অন্তর্বর্তী সরকার বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম আশুলিয়ায় ৬ লাশ পোড়ানো মামলার রায় আজ গুম বন্ধ হলেও চলছে গণগ্রেফতার ও জামিন না দেওয়ার চর্চা সাতরাস্তা মোড়ে শিক্ষার্থীদের অবরোধ চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত করার অঙ্গীকার হামিদুর রহমান হামিদের জাপানে অস্বাভাবিক তুষারপাত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০ ইনকিলাব মঞ্চ জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে পুতিনের কাছে খামেনির ব্যক্তিগত বার্তা বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম দারুণ মন্তব্য করলেন শাকিব খানকে নিয়ে সিয়াম নাহিদের রিট খারিজ বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই ছাগলকাণ্ডের মতিউর ও তার পরিবারের সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ আবহাওয়া নিয়ে যে বার্তা দিল অধিদপ্তর আনুষ্ঠানিক অভিযোগে মুখোমুখি কামরুল মেনন শবেবরাতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল মুস্তাফিজ বিতর্কে বিসিসিআইকে দায়ী করলেন আইসিসির সাবেক কর্মকর্তা শবে বরাতের করণীয়-বর্জনীয় কী? ভারতের পণ্যে শুল্ক ছাড় দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বাজারে আসছে নতুন ১০ টাকা আসল নকল যাচাই করবেন যেভাবে নাটোরে অস্ত্র তৈরির কারখানা, আগ্নেয়াস্ত্রসহ যুবক আটক প্রাইভেটকারের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু শিশুদের পাশে ডা. জুবাইদা রহমান ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ শবে বরাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ প্রার্থনা প্রধান উপদেষ্টার ১৯৭১ সালেই প্রমাণ হয়েছে মা-বোনদের জন্য এদের দরদ নেই কুমিল্লা নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত কোথায় কি হয়ে যায়, সব দোষ মির্জা আব্বাসের? রামগড়ে নুর ইসলাম শামীমের গণসংযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক নির্বাচনে অপতৎপরতা কঠোর হস্তে দমন করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার প্লট দুর্নীতি মামলায়, হাসিনা-টিউলিপ ও আজমিনা-ববির কারাদণ্ড

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পিএস কান্ড!

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:
বিগত ২৫ বছরে বাংলাদেশের দুইজন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন একজন বেগম খালেদা জিয়া তিনি এই ২৫ বছরে পাঁচ বছর, আরেক জন শেখ হাসিনা দীর্ঘ ১৬ বছর তাও আবার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতা ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
এই দুই প্রধানমন্ত্রীর দুইজন পিএস ছিলেন। একজন জনাব এ এইচ এম নুরুল ইসলাম বা এন আই ইসলাম অপর জন নজরুল ইসলাম খান বা এন আই খান নামেই সমাধিক পরিচিত। দুইজনের নামের প্রথম অংশে যেমন অদ্ভুত মিল ষড়যন্ত্র ও বিপক্ষের লোকজনের স্বার্থ রক্ষায়ও ছিল তেমনি ভিষন মিল। নামে শেষে যেটুকু অমিল আছে কাজের ক্ষেত্রে ছিল না কোন অমিল। এন আই খান বিপরীত মেরুর লোকজনকে কিভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তা তার এলাকার তথা যশোর মনিরামপুরের প্রাক্তন এমপি জনাব টিপু সুলতান ও মি. স্বপন ভট্টাচার্য হারে হারে টের পেয়েছেন। তবে অমিলের মধ্যে আছে ব্যক্তি স্বার্থ। জনাব এন আই খান মানিকগঞ্জ শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থাকাকালীন সময়ে এলাকার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নিজের আয়ত্তে খুবই কম দামে ২০ একর জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর পিএস হিসেবে জমিতে যাওয়ার জন্য রাস্তা করিয়ে নিয়েছেন যা এখন কৃষি নিবাস রিসোর্ট নামে বিদ্যমান (ছবি সংযুক্ত) । ধানমন্ডির তিন নম্বর রোডে ৯৮ লক্ষ টাকায় একটি ফ্লাট ক্রয় করেন। ভালুকায় উদ্দীপণ কে দিয়ে কুমিরের খামার ক্রয়ের পূর্বে খামারের চতুর্দিকের জমি বায়না করে রেখেছিলেন তিনি। লন্ডনেও বাড়ি কিনেছেন মি. খান যেখানে তার ছোট মেয়ে বসবাস করে পড়ালেখা করেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে পালিয়ে গিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে নিজে থাকছেন সেখানে। উত্তরায় তৃতীয় ফেজের তার নামের পাচ কাঠার প্লটটি পরিবর্তন করে দুই নম্বর সেক্টরে সবচেয়ে দামি জায়গা মাসকাট প্লাজার সাথে দশ কাঠার বাণিজ্যিক পল্ট নিয়ে আট তলা বিল্ডিং করে কোটি কোটি টাকার দোকান তৈরি করে রেখেছেন।
অপরদিকে জনাব এ এইচ এম নুরুল ইসলাম বা এন আই ইসলামের ষড়যন্ত্র ও কাজের পদ্ধতি খুবই জটিল এবং দুর্বোধ্য। (২৪ শের যোদ্ধা অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট, লেখক ও চিকিৎসক পিনাকী ভট্টাচার্যের মতে ফাইল চোরা নুরুল ইসলাম ভিডিও ফুটেজ আছে)
২০০১-২০০৬ সালে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন জনাব এন আই ইসলাম। আর তারপরেই ষড়যন্ত্র শুরু করার প্রক্রিয়ায় একটি বেনামি দরখাস্তের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত না করেই বিএনপির জনাব তারেক রহমান ও প্রায়ত মন্ত্রী জনাব আবদুল মান্নান ভূঁইয়াসহ কয়েকজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়ে প্রথমবার আলোচনায় আসেন তিনি। অভিযোগটি ছিল প্রধানমন্ত্রীর কাছে অথচ প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত না করেই তা তদন্তে পাঠানো এবং সিডিতে অফিস ডকুমেন্ট ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাচারের অভিযোগে বরখাস্ত হন তিনি। এরপর ২০০৭ সালে ১৯ ফেব্রুয়ারী দৈনিক ‘প্রথম আলো’তে প্রদান করেন একটি সাক্ষাৎকার শিরোনাম ‘দ্বিতীয় মেয়েদে খালেদা জিয়া বেপরোয়া হয়ে পড়েন’। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে বিএনপির মত একটি বৃহৎ ও জনপ্রিয় দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সম্পর্কে একটি বিভ্রান্তিকর বানোয়াট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়েছিলেন ওই সাক্ষাৎকারে। তার এই সাক্ষাৎকার প্রথম পাতায় লাল কালিতে বড় অক্ষরে ছাপা হয়। (কপি সংযুক্ত)
জনাব এন আই ইসলামের ওই সাক্ষাৎকার ইংরেজিতে পরের দিন অনুবাদ করে প্রকাশ করে ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য ডেইলি স্টার (কপি সংযুক্ত) । প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের তৈরি বয়ান তৎকালীন জোট সরকার ও জিয়া পরিবারকে হেও প্রতিপন্ন ও অজনপ্রিয় করার জন্য যা কিছু বলা যায় সবই তিনি বলেছেন । ১/১১ সরকারের পর হাসিনা তথা আওয়ামিলীগ সরকার গঠনের সহযোগী হিসেবে ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোর ভূমিকা কি ছিল তা এখন সকলের কাছে দিবালোকের মতো পরিষ্কার।
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যাক্তিবর্গদের জনস্বার্থে ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ছাড়া অনেক বিষয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করতে হয় যা চাকরি বিধিমালারই অংশ। তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই একজন সরকারি কর্মচারী যে কিনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন তার দ্বারা এই ধরনের বয়ান তৈরি সহয়তা করা ও বিনা অনুমতিতে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ যা ছিল ষড়যন্ত্রের একটি অংশ ।
কেন এই বিশ্বাস ভঙ্গ অপতথ্য প্রচার ও ষড়যন্ত্র ? ওইযে এন আই খান, প্রথমেই যে বলেছিলাম এন আই খানের কথা যিনি ছিলেন তৎকালীন প্রথমে বিরোধী দলীয় নেত্রী পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সচিব তার কাজ ছিল ষড়যন্ত্র করে বিশ্বাসযোগ্য থাকা এবং নিজের স্বার্থ হাসিল করা আর এনআই ইসলামের কাজ ষড়যন্ত্র করে অনুগত থাকার ভান করা এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য পাচার করে তা জনসম্মুখে অপপ্রচার করা, এই জন্যেই এনআই ইসলামের সাথে ছিল জনাব এনআই খানের দারুন সখ্যতা। আর এই সখ্যতার ফলে অত্যন্ত কুচক্রী কটুচাল ও ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিয়ে অন্যভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সিডি কপি আকারে নথিচুরি করার মাধ্যমে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মহানুভতার কারণে জেলে যেতে হয় নাই জনাব এন আই ইসলাম কে ।
তবে এসকল অপকর্মের কারনে তাকে জনস্বার্থে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়, যা ছিল গুরু পাপের লঘুদণ্ড,উল্টো হাইকোর্ট বেঞ্চে সরকারের বিরুদ্ধে রিট পিটিশন দাখিল করেন জনাব এন আই ইসলাম।
বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক ও বিচারপতি মো. মমতাজ উদ্দিন আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ এন আই ইসলামের দায়ের করা রিট আবেদনের ওপর চুড়ান্ত শুনানি গ্রহণ করে মহামান্য আদালত রায় ঘোষনা করেন,
রায়ে বলা হয়, জনস্বার্থে সরকার কোন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দিতে পারে। কিন্তু নুরুল ইসলামকে জনস্বার্থে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়নি। তাকে অসহনীয় চাপে রাখার জন্য অবসর দেওয়া হয়েছে। তাই তাকে অবসর প্রদানের আদেশ অবৈধ। (তথ্যসূত্র; 13 May 2009 বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
কি বুঝলেন পাঠক/দর্শক এই রায়ের বিচারক কে ছিলেন? জি পাঠক/দর্শক বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক ও বিচারপতি মো. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ যারা কিনা আওয়ামী ফ্যাসিস্টের সবচাইতে বড় দোসর। শেখ হাসিনার একান্ত সচিব, এন আই খান, বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক (পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতি ও আইন কমিশনের চেয়ারম্যান) ও বিচারপতি মো. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ এনারা ছিলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনার অত্যন্ত বিশ্বস্ত আস্থাভাজন ও প্রিয়জন। তাহলে বেগম খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব হিসাবে নিয়োগ পাওয়া জনাব এ এইচ এম নূরুল ইসলাম আসলে কার এজেন্ডা বাস্তবায়নে নিয়জিত ছিলেন?
শুধু পত্রিকায় নেতিবাচক বক্তব্য প্রদান করেই ক্ষ্যান্ত হননি জনাব ইসলাম সেই সময় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে মনের মাধুরী মিসিয়ে অসৎ উদ্দেশে জবানবন্দি দিয়ে আবাও প্রামান দিলেন তিনি ছিলেন লোক চক্ষুর আড়ালে ফ্যাসিস্ট হাসিনার একান্ত বিশ্বস্ত সৈনিক। ফলশ্রুতিতে খালেদা জিয়া ও তার বড় সন্তান তারেক রহমান এর দুর্নীতির মিথ্যা অভিযোগে সাজা সর্বোপরি খালেদা জিয়ার কারাবাস। যদিও বর্তমান সময়ে তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেয়ে প্রমাণিত হয়েছে সেই সকল সাজা ছিল সম্পূর্ণ অবৈধ অন্যায় ও প্রতিহিংসা মূলক।
অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির স্বল্পভাষী, প্রতারক, বিশ্বাস ভঙ্গকারী কুচক্রি শ্রেণির চরিত্রের ন্যায় আচরণ কারি এই এন আই ইসলাম বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক পার্টি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুন্নকরা ও জিয়া পরিবার দুর্নীতিগ্রস্ত প্রমানের জন্য যেমন সদা তৎপর ছিলেন এখনো তার ব্যতিক্রম নয়।
২০০১ থেকে ২০০৬ সালে দ্বিতীয় দফায় বিএনপি সরকার গঠনের পর অনেক ভালো কাজ যেমন করেছে ঠিক তেমনি কিছু ভুল ভ্রান্তিও থাকতে পারে যেমনটা সব সরকারেরই থাকে। আর ভুল ভ্রান্তি ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে মিথ্যার সংমিশ্রণে ককটেল বানিয়ে প্রচার প্রকাশ করাই ছিল নূরুল ইসলামের প্রধান এজেন্ডা।
অপতথ্য প্রচারের মাধ্যমে তৎকালীন বিএনপি সরকারকে অজনপ্রিয় করার বয়ান তৈরির ব্যাপারেও প্রথম ও প্রধান ভূমিকা রাখেন এই নুরুল ইসলাম। অথচ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল টিআইবির দুর্নীতির এই রিপোর্টটি ছিল বিএনপি সরকারকে আগের ১৯৯৬ থেকে ২০০০ আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির একটা আংশিক রিপোর্ট। (কপি সংযুক্ত)
জনাব ইসলামের এই সকল কার্যক্রমে আমাদের বলতে দ্বিধা নেই তিনি মহা ধূরন্ধর সুচারু বুদ্ধিমত্তার অধিকারী অত্যন্ত চালাক মানুষ। ফ্যাসিস্ট হাসিনার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বিশ্বস্ত উনুচর ষড়যন্ত্রকারী এই এন আই ইসলাম, বর্তমানে ড. ইউনুস সরকারের অনুপ্রবেশ করেছেন অত্যন্ত সৎ ও ন্যায়পরায়ণ কর্মকর্তা লেবাস ধারন করে। আর পুরষ্কার হিসাবে বাগিয়ে নিয়েছেন বিশাল পদ, একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড (জিটিসিএল) এর বোর্ড চেয়ারম্যান। হাজার হাজার কোটি টাকার লেনদেনের পাশাপাশি শিল্পক্ষেত্রে গ্যাস সরবরাহের প্রধান নিয়ন্ত্রণকারী এই প্রতিষ্ঠানে তিনি কি ভূমিকা পালন করছেন তা স্রষ্টা জানেন। । সাথে পেয়েছেন তিন মাসের জন্য উদ্দীপন নামক এনজিওর প্রশাসক হিসাবে নির্বাচন করে কমিটির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করার দায়িত্ব। উদ্দীপনের প্রশাসক হিসাবে তিনি ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়ে ফেলেছেন ঠিক আগের মতই আর তার এই ষড়যন্ত্রের প্রধান সহযোগী সেই এন আই খান।
জনাব এন আই ইসলাম প্রশাসক হিসাবে নিয়োগের পুর্বে উদ্দীপনের পরিচালনা পর্ষদের বোর্ড চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন ৩২ নম্বরের কিউরেটর ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর ২৪ শের ছাত্র হত্যা মামলার পলাতক আসামী জনাব এনআই খান।
উদ্দীপনের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক বোর্ড চেয়ারম্যান কুখ্যাত এনআই খান পালিয়ে গেলে সমাজসেবা অধিদপ্তর তথা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ প্রদান করেন এ এইচ এম নূরুল ইসলাম কে (কপি সংযুক্ত)। দৈনিক কালবেলার যে রিপোর্টের ভিত্তিতে ,(কপি সংযুক্ত) এবং যে চারটি এজেন্ডা বাস্তবায়নের নিমিত্বে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগের প্রদান করা হয় জনাব ইসলাম কে সেগুলো ;
ক) সর্বশেষ নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির নিকট থেকে সরাসরি দায়িত্বভার গ্রহণ; খ) স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ রেজিস্ট্রেশন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৬১, বিধিমালা ১৯৬২ এবং সংস্থার অনুমোদিত গঠনতন্ত্র মোতাবেক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। গ) অনুমোদিত গঠনতন্ত্রের আলোকে বিধি মোতাবেক আগামী ৯০ (নবাই) দিনের মধ্যে সংস্থার কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্নকরণ; ঘ) নির্বাচন ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্নকরণসহ বিধি মোতাবেক সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির নিকট দায়িত্বভার হস্তান্তরকরণ;
তিনি এই চারটি এজেন্ডার ধারেকাছেও না গিয়ে শুরু করেন নতুন ষড়যন্ত্র। পালিয়ে যাওয়ার পূর্বে কুখ্যাত এন আই খান যাদের সহযোগিতায় উদ্দীপনে যে অরজগতা বিশৃঙ্খলা তথা মব জাস্টিস সৃষ্টিকারি মনির হোসেন এন্ড গং তারাই আবার মিস্টার ইসলামের সহযোগী হিসেবে তার চারিদিকে পরিবেষ্টিত হয়।
অর্থাৎ মি: ইসলাম এবং মি: খান দুজনেই আবারো পুরনো যোগগাযগের সুত্রে শুরু করেছেন নতুন ষড়যন্ত্র। যেহেতু উদ্দীপন একটি মাইক্রো ফিন্যান্স ইনস্টিটিউশন, এখানে লক্ষ লক্ষ টাকা লেনদেন হয় আর এ সকল টাকা অধিকাংশই এখন মনির হোসেন ও তার গং দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ফলে দিন দিন বেড়েই চলছে খেলাপি ঋণ। আর ঋণের নামেই তসরুপ হচ্ছে এখান থেকে লাখ লাখ টাকা যা কিনা এন আই ইসলামের অব্যবস্থাপনার কারণে হচ্ছে তাই তিনি কোন ভাবেই দ্বায় এড়াতে পারবেন না। (তথ্যসূত্র; উদ্দীপনের ওয়েব সাইট)
জনাব মনির হোসেন এন্ড গং মব জাস্টিস সৃষ্টি করে উদ্দীপনের প্রধান নির্বাহীকে জোর করে পদত্যাগ করিয়েছেন (ভিডিও ফুটেজ আছে) এবং উদ্দীপনের পরিচালনা পর্ষদ ছাড়া নিজেরাই সংগঠন পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছেন ,জনাব এন আই ইসলাম প্রশাসকের সামগ্রিক দায়িত্ব নিয়ে তাদেরকে শাস্তি না দিয়ে বরংচ তিনি তাদের নিয়েই শুরু করলেন নতুন ষড়যন্ত্র। তাহলো বিভিন্ন উন্নয়নমূলক অলাভ জনক কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া । যেমন স্বাস্থ্য সেবা বন্ধ করা, উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড ঋণ প্রদান ছাড়াও গ্রামের মানুষের গরীব দুঃখী মানুষের উপকার হয় তেমন পদক্ষেপ, প্রকৃতি ও পরিবেশের উন্নতিতে সহায়ক, দেশের উন্নতি কর্মসংস্থান সৃষ্টি শিক্ষা বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপ ইত্যাদি বন্ধ করা যাতে উদ্দীপনের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়। তার প্রধান দায়িত্ব পরিচালনা পর্ষদ গঠনের জন্য নির্বাচন দেওয়া তার কিছুই করেন নাই এর ফলে ৯০ দিনের মধ্যে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব সম্পাদনের যে নিয়োগ সময়সীমা বেধে দেওয়া হয়েছিল তা আবারো ৬০ দিনের জন্য বর্ধিত করা হয়। (কপি সংযুক্ত)।
কিন্তু বর্ধিত ৬০ দিন শেষ হবে এ মাসেই, তবুও নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা এখনো করা হয় নাই । ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে কাজেই ষড়যন্ত্রকারী এন আই খান লন্ডনে বসে কোন ষড়যন্ত্র জাল আাঁটছেন তা হয়তো সময়ন্তে জানা যাবে। জনাব এন আই ইসলাম জিটিসিএল এর গতি প্রকৃতিতে কি কি ফন্দি করছেন তাও হয়তো জানা যাবে তবে উদ্দীপণ নামক এনজিওটিতে নির্বাচনের এর মাধ্যমে কমিটি গঠন না করার ফন্দিফিকি এখন খুবই স্পষ্ট। তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন করার দায়িত্ব থাকলেও কোন উদ্যোগ নেননি তিনি। পরে আরো দুই মাস সময় বর্ধিত করা হলেও নির্বাচনের নাম গন্ধ নাই। একটি অনির্বাচিত কমিটির মাধ্যমে কিভাবে এটি কার দখলে দিতে চাচ্ছেন সেটি দেখার অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে।
কারন বর্তমানে জনপ্রিয় ইউনু সরকারকে ব্যর্থ দেখানোর ক্ষেত্রেই দুই জনই এক সাথে কাজ করে যাচ্ছেন ফ্যাসিস্ট সহযোগী মিস্টার খান এবং বিএনপি বিদ্বেষী মিস্টার ইসলাম, যেহেতু একে অপরের সহযোগী মিত্র তাই সুকৌশলে ইউনুস সরকারকে সর্বক্ষেত্রে ব্যর্থতায় পর্যাবসিত করার লক্ষ্যে একটি ঘৃণ্য প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন বলেই তাদের এই সকল কর্মকান্ডে প্রতিয়মান হয়। দুই এন আই যেখানেই যাক না কেন ষড়যন্ত্র করবেই।
এখন দেখার বিষয় বর্তমান ইউনুস সরকার ও বাংলাদেশের জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপি, ফ্যাসিস্ট সহযোগী ষড়যন্ত্রকারী অত্যন্ত ঘৃণিত কর্মকান্ডের কান্ডারি এ এইচ এম নূরুল ইসলাম এবং পলাতক নজরুল ইসলাম খানের ব্যাপারে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে!

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

খায়রুল হকের জামিন শুনানিতে আইনজীবীদের হাতাহাতি

ডেস্ক রিপোর্ট: সাবেক প্রধান বিচারপতি ও আইন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান এ বি এম খায়রুল হকের বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা মামলা বাতিল এবং জামিনের আবেদনের শুনানি চলাকালে হাইকোর্টে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে হাইকোর্ট আগামী রোববার শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন। সোমবার (১১ আগস্ট) বিচারপতি মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। গত জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ১৮ জুলাই রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আলাউদ্দিন গত ৬ জুলাই যাত্রাবাড়ী থানায় শেখ হাসিনাসহ ৪৬৭ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। এই মামলায় খায়রুল হককেও আসামি করা হয়। পরে গত ২৪ জুলাই সকালে ধানমন্ডির

আরও পড়ুন
language Change