তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
আমিনুলের ‘সাম্রাজ্য’: ১২ বছরে নিম্নবিত্ত থেকে শতকোটিপতি হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সিঙ্গাপুরের পথে আনিস আলমগীর ও অভিনেত্রী শাওনসহ চারজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড চেয়ে প্রসিকিউশনের আপিল আজ পেয়াজের সরবরাহ বাড়াতে আমদানির অনুমতি আরও বাড়ালো ডলারসহ বৈদেশিক মুদ্রার আজকের বিনিময় হার এশিয়ার জন্য ট্রাম্পের নতুন নীতি  ঢাকায় পৌঁছেছে হাদিকে নিতে আসা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রস্তুত প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে এনজিও কর্মকর্তার চাঁদাবাজি উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রামগড়ে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে আলোচনা সভা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত বিসিবির আচরণে তামিমের ক্ষোভ নিরাপদ মা ও সুস্থ শিশুর জন্য গর্ভকালীন পরিচর্যা আবহাওয়া অফিসের শীত নিয়ে নতুন বার্তা তারেক রহমানকে যেভাবে সংবর্ধনা জানাবে বিএনপি হাদিকে হামলায় আরো ২ জন গ্রেফতার ইসলাম ধর্মে বুদ্ধিজীবীদের যে সম্মান দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে পুলিশ এআইইউবির ২৩ তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত সংস্কৃতি মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে: কাদের গনি চৌধুরী শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ কম্বোডিয়ায় নতুন করে হামলা থাইল্যান্ডের বিদ্যা সিনহা মিম নতুন সিনেমায় ১৪ ডিসেম্বর: স্বর্ণের ভরি কত? শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন শাহজাদপুরে হাজী রফিকুলের MMH ও MNH অবৈধ ইট ভাটা চলছে ২০ বছর সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুরে নলুয়াতে তাঁবুর ঘরে মাদক ও জুয়ার আঁধারী আসর মেসির সাথে কারিনার সাক্ষাৎ ঘিরে তুমুল আলোচনা রোনালদোকে দেখা যেতে পারে হলিউডের সিনেমায় জাতিসংঘ মহাসচিবের কড়া বার্তা ট্রাইব্যুনালে হাজির ১৫ সেনা কর্মকর্তা বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে সাংবাদিকের ওপর হামলা পোস্টাল ব্যালটে ভোট শান্তিরক্ষীদের নিহতের ঘটনায় জামায়াত আমিরের শোক ট্রাকের ধাক্কায় হোটেল কর্মচারী নিহত দেশকে নেতৃত্বহীন করতে হাদির ওপর হামলা সামনে আরও হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে হাদির ওপর হামলায় মোটরসাইকেল মালিক গ্রেফতার শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা ১৪ ডিসেম্বর: বুদ্ধিজীবী হত্যার শোকাবহ দিবস আগামীকাল প্রধান বিচারপতির বিদায়ি অভিভাষণ ১১ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এনসিপি নেতাকে বাঁচাতে গিয়ে পুলিশ আহত অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-টু শাহীন শিক্ষা পরিবারের শিক্ষার্থীদের স্মৃতিমিলন জেসিআই বাংলাদেশের নতুন প্রেসিডেন্ট

লিঙ্গ পরিবর্তন করতে গিয়ে দিল্লিতে গ্রেপ্তার ৫ বাংলাদেশি

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:

দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরী মেট্রো স্টেশনের কাছ থেকে এই ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। দিল্লি পুলিশ যে বাংলাদেশি নাগরিকদের গ্রেপ্তার করেছে, তারা সকলেই অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং নাম বদলে থাকছিলেন বলে পুলিশের অভিযোগ।

পুলিশ জানিয়েছে, আটক সকলেই দিল্লিতে হরমোনাল ট্রিটমেন্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। কিছুদিনের মধ্যে তাদের লিঙ্গ পরিবর্তনের সার্জারিও হওয়ার কথা ছিল। বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে দিল্লি পুলিশের একটি স্পেশাল টিম ওই অঞ্চলে কয়েকদিন ধরে নজর রাখে ওই ব্যক্তিদের উপর। শেষ পর্যন্ত তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর ওই ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, তাদের কাছে পাসপোর্ট, ভিসা কিছুই নেই। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত তারা পার করে এজেন্টের সাহায্যে। সেখান থেকে তারা দিল্লি এসে পৌঁছায়। দিল্লিতে তারা লিঙ্গ পরিবর্তনের চিকিৎসা করাচ্ছিলেন।

পুলিশের দাবি, নিজেদের পরিচয় গোপন করার জন্যই ওই লিঙ্গ পরিবর্তনের কথা ভাবছিলেন তারা। এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে।

আটক ব্যক্তিদের পরিচয় পুলিশ জানিয়েছে, যে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের নাম- মোহাম্মাদ শাকিদুল, তিনি শেরপুরের বাসিন্দা। মোহাম্মাদ দুলাল আখতার ওরফে হাজরা বিবি, তিনি জামালপুরের বাসিন্দা। মহম্মদ আমিরুল ইসলাম ওরফে মোনিকা, তিনি ঢাকার বাসিন্দা। মহম্মদ মাহির ওরফে মাহি, তিনি টাঙ্গাইলের বাসিন্দা। সাদ্দাম হুসেন ওরফে রুবিনা, তিনি দিনাজপুরের বাসিন্দা। প্রত্যেকেই হরমোনাল থেরাপি করাচ্ছিলেন। লিঙ্গ পরিবর্তনের প্রাথমিক সার্জারিও শুরু হয়েছিল।

পুলিশ জানিয়েছে, এদের প্রত্যেকের কাছ থেকেই জাল পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে। এই পরিচয়পত্র দেওয়ার কাজ করে ভারতের কিছু চক্র। বস্তুত, গত মার্চ মাসে দিল্লিতে অভিযান চালিয়ে এমন বেশ কিছু চক্রের হদিস পেয়েছে পুলিশ।

দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার অঙ্কিত চৌহান জানিয়েছেন, দিল্লির এই চক্র অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভারতে প্রবেশ করানো থেকে শুরু করে তাদের হাতে জাল পরিচয়পত্র তুলে দেওয়া পর্যন্ত সমস্ত কাজ করে। তাদের থাকার ব্যবস্থাও করে দেয় তারা। বড় অংকের অর্থের বিনিময়ে এই কাজ করা হয়।

মার্চে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার মধ্যে মহম্মদ মইনুদ্দিন বলে এক ব্যক্তি আছে। দিল্লিতে একটি কম্পিউটারের দোকান চালাতো সে। ওই দোকানেই জাল পরিচয়পত্র বানানো হতো। তার দোকান থেকে জাল জন্মের পরিচয়পত্র, আধারকার্ড, খালি ভোটার কার্ডের ফরম্যাট পাওয়া গেছে। ওই জাল পরিচয়পত্র দেখিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা ভারতে নানা কাজে যুক্ত হতো বলে দাবি করেছেন ডেপুটি কমিশনার।

উল্লেখ্য, মার্চ মাসে আট বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকেও গ্রেপ্তার করেছিল দিল্লি পুলিশ। তারা প্রত্যেকেই জাল পরিচয়পত্র দেখিয়ে দিল্লির বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করছিলেন। অনলাইন খাবার ডেলিভারির কাজের সঙ্গেও তারা যুক্ত হয়েছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

দিল্লি পুলিশের আরেক অফিসার জানিয়েছেন, মইনুদ্দিন একা নন, তিনি একটি চক্রের অংশ। দেশজুড়ে একটি বড় চক্র গড়ে উঠেছে বলে তার দাবি। ইতিমধ্যেই পুলিশের বিশেষ দল ওই চক্রের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সাংবাদিক আশিস গুপ্ত জানিয়েছেন, এমন চক্র হঠাৎ গড়ে উঠেছে এমন নয়। সীমান্ত অঞ্চলগুলিতে অবৈধ অনুপ্রবেশের এমন বহু চক্র কাজ করে। বিএসএফ-এর দায়িত্ব সীমান্তেই ওই চক্রগুলিকে ধরা।

আশিসের অভিযোগ, সীমান্তের ওই চক্রগুলির হাত অনেক লম্বা। তাদের রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক যোগাযোগ আছে। ফলে কখনোই তাদের সকলকে ধরা হয় না। ওই চক্রের হাত ধরেই দিল্লি, বেঙ্গালুরুর মতো শহরে ছোট ছোট এজেন্সি তৈরি হয়েছে বলে আশিসের অভিযোগ।

ফরেনার রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের এক অফিসার জানিয়েছেন, গত কয়েক মাসে ছয়জন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আরো চারজনকে পাঠানোর চেষ্টা চলছে।

তবে তার বক্তব্য, যত মানুষ গ্রেপ্তার হন, তার খুব কম অংশকেই ডিপোর্ট করা সম্ভব হয়। কারণ, ডিপোর্ট করার জন্য দুই দেশের মধ্যে বিস্তর কাগজপত্র দেওয়ানেওয়া করতে হয়। সব সময় তা সম্ভব হয় না। এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া।

এদিকে চলতি সপ্তাহে যে রূপান্তরকামী বাংলাদেশিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তারা সত্যিই রূপান্তরকামী, নাকি পরিচয় বদলের জন্য তারা একাজ করছিলেন, তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, রুপান্তরকামী বলেই তারা চিকিৎসার জন্য ভারতে এসেছিলেন। স্রেফ পরিচয় বদলের জন্য লিঙ্গ পরিবর্তনের সার্জারি করা সহজ কাজ নয়।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

এখনো ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা যায়নি: ড. ইউনূস

স্টাফ রিপোর্টার: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে আইনের শাসন থাকবে, মানুষের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত হবে এবং একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে এখনো ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা যায়নি। দীর্ঘদিন ধরে এদেশের মানুষকে তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। দুর্নীতি, লুটপাটতন্ত্র ও গুম-খুনের রাজত্ব চালিয়ে দেশে একটি ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে সব বীর শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধান উপদেষ্টা। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তিনি বলেন, তাদের আত্মত্যাগের কারণে আমরা একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার স্বপ্ন দেখার

আরও পড়ুন
language Change