তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
কথিত প্রাচীন কয়েন ও সীমানা পিলার প্রতারণার মুলহোতা আহাদুল ইসলাম দুলাল গণভোটের প্রচারে অংশ নেওয়া সমাজসেবা কর্মকর্তাকে শোকজ টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসন ঝিনাইগাতীতে অবকাশ স্বপ্ন কৃষি সমবায় সমিতির বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত গুইমারায় বিভিন্ন দল থেকে শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান ফকিরবাজার আল-মদিনা নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসায় হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ী প্রদান ও বার্ষিক মাহফিল অনুষ্ঠি... শহীদ হাদি হত্যা মামলায় নতুন মোড় বিপিএল নিয়ে বিসিবির কড়া হুঁশিয়ারি মুক্তি প্রতিক্ষায় দৃশ্যম-৩ রাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু শুক্রবার আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু নির্বাচনে আ'লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন রিজওয়ানা হাসান খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা ইসির সীমানা অনুযায়ী পাবনার দুটি আসনে ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন ১১ দলীয় সমঝোতা নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের নতুন বার্তা ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইসরায়েল ইরানের পক্ষে কঠোর অবস্থান সৌদি আরবের সায়েন্সল্যাবে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ আজও বাংলাদেশে সমকামীরা ছড়াচ্ছে এইডসের জীবাণু শেখ হাসিনার আমৃত্যু কারাদণ্ডের মামলা আপিলের কার্যতালিকায় শিপিং করপোরেশনকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধরে রাখতে হবে শেরপুর-২ আসনে এবি পার্টির প্রার্থী আব্দুল্লাহ বাদশার মনোনয়ন জমা সাতক্ষীরায় সেনাবাহিনীর অভিযানে মাদক কারবারি আটক নালিতাবাড়ীতে সার দোকান মনিটরিং কার্যক্রম খাগড়াছড়িতে ইয়াকুব আলী চৌধুরীকে হত্যার চেষ্টায় সিএইচটির নিন্দা ঝিনাইগাতীতে বন বিভাগের অভিযানে অবৈধ যানবাহন আটক বিশিষ্টজনদের সঙ্গে মাওলানা আব্দুল খালেক এর সাক্ষাৎ খাগড়াছড়িতে নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গণভোটের প্রচারণা সোনাকাটায় পুনরায় চালু বন্ধ থাকা সেতুর কাজ এইডস’র কবলে হাজারো মানুষ ইমারত পরিদর্শক আল নাঈম মুরাদের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ স্থগিত ১১ দলের ‘আসন সমঝোতার’ সংবাদ সম্মেলন আমি চোখ ফেরাতে পারছি না : সাফা কবির ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন: প্রধান উপদেষ্টা সাবেক দুদক কমিশনার জহুরুল হক দম্পতিকে জিজ্ঞাসাবাদ গ্যাস সংকটের মধ্যেই ফের তিতাসের লাইনে লিকেজ ‘অপারেশন সিঁদুর এখনও চলমান’, পাকিস্তানকে ভারতের সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি লুটপাটের রাজা আফজাল হোসেন এখন রেলের দায়িত্বে রাজউকের ইমারত পরিদর্শক বিটুর নকশা-নোটিশের আড়ালে দুর্নীতি নির্বাচন নিয়ে মার্কিন কূটনীতিকদের যে বার্তা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা ‘টক্সিক’ নিয়ে বির্তক, ভাইরাল যশের পুরনো মন্তব্য ডিপিডিসির প্রকৌশলী স্বৈরাচার হেলালের ঘুষ-সিন্ডিকেটের ইসিতে পঞ্চম দিনের আপিল শুনানি চলছে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে এমপি প্রার্থী ইকুরিয়া বিআরটিএতে দালাল-সিন্ডিকেটের দাপট আলী রীয়াজের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সদস্যদের সাক্ষাৎ বিকেলে আসন সমঝোতা নিয়ে ঘোষণা দেবে ১১ দল আ'লীগের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান গার্মেন্টস শ্রমিকদের রহস্যজনক অসুস্থতা, শতাধিক হাসপাতালে

শিক্ষক থেকে অবসরে যাওয়ার পরে ফলের বাগান করে সাবলম্বি নিরন্জন রায়

পাঠক সংখ্যা
638

মন্জুরুল ইসলাম (মনু) দেবীগঞ্জ পঞ্চগড় ।
পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক নিরন্জন রায় । মিশ্র ফলের বাগান করে প্রতি বছর ২৫-৩০ লাক্ষ টাকা আয় করেছেন। দেবীগঞ্জ উপজেলার ৮নং দন্ডপাল ইউনিয়নের ২নং ওর্য়াডের প্রধানাবাদ শশান কালি গ্রামে ১৮ একর জমিতে তিনি গড়ে তুলেছেন দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের মিশ্র ফলের বাগান। এর পাশাপাশি বিভিন্ন ফলের চারা বিক্রি করে তিনি আয় করেছেন লাখ টাকারও বেশি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সফল কৃষক নিরন্জন রায় কালিগঞ্জ সুকাতু প্রধান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন অবসরে আসার পরে তিনি এ বাগান তৈরি করেন ।
কাশ্মীরি কুল চাষের মাধ্যমে তার এই বাগান করা শুরু। এ কাজে প্রায় ৫-৬জনের মতো নারী-পুরুষ কাজ করছেন। নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের পাশাপাশি তাদেরও কর্মসংস্থান হয়েছে।
মিশ্র এই ফল বাগান থেকে লাক্ষ টাকা আয় করে রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। নিরন্জন রায় এই মিশ্র বাগানে এখন প্রায় সাড়ে ৬ হাজার বিভিন্ন জাতের দেশি-বিদেশি ফলের গাছ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মালটা, লিচু,আম,নটকন,কলা,জলপাই,আমরা,কুল বরাই,আমলকি,বেল,আনারস,কাঁঠাল,পেয়ারা,মেওয়া,তাল,চালতা,ডেরাগন,তেজপাতা, পেঁপে, ভ্যানিলা ,সুপারি সহ আরও অন্যান্য ফলের গাছ রয়েছে।
তার এই মিশ্র ফলের বাগানে রয়েছে দেশী বিদেশি প্রজাতির সুমিষ্ট অনেক ফল এর মধ্যে অন্যতম বারি-১, মালটা, ব্যানানা সহ বিভিন্ন প্রজাতির আম গাছ রয়েছে তার এই বাগানে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ফলের বাগান তৈরির পাশাপাশি নিরন্জন রায়ের বাগানে তিনি বিভিন্ন গাছের চারাও তৈরি করছেন। গত বছরে তিনি হাজারও চারা বিক্রি করে আয় করেছেন অনেক টাকা।
এরপর চলতি বছরে কুল, পেয়ারা, আম, লেবু,সুপারি,লিচু,কলা, মাল্টা, ফল ও হাজার চারা বিক্রি করে আয় করেছেন ২৫-৩০ লক্ষ টাকা।
নিরন্জন রায় এই ফলের বাগান করার সিধান্ত নিয়ে ছিলেন যে শিক্ষকতা পেশা থেকে অবসরে যাওয়ার পরে কৃষিতে মনোনিবেশ করে তিনি তার নিজের ১৮ একর জমিতে গড়ে তোলেন এই বাগান। তৎকালীন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার পরামর্শে তিনি বাগানে মালটা, কুল, আম,মালটা ও পেয়ারার চারা লাগিয়ে একটি মিশ্র বাগান গড়ে তোলার কাজ শুরু করেন। অনেক বছরের বাগানে এখন দেশি-বিদেশি বিভিন্ন রকমের ফলের গাছ শোভা পাচ্ছে তার বাগানে।
শুরুর বছরে তিনি তার এই মিশ্র ফলের বাগানের বিভিন্ন ফলজ গাছ লাগিয়েছিলেন। তাতেই বাজিমাত করেন। প্রথম বছরে তিনি কুল,আম,লিচু ,কলা অন্যান্য থেকেই আয় করেন লাখ টাকা। শুরুর বছরে বাগানে বিভিন্ন গাছ রোপণ ও অন্যান্য খরচ বাবদ দিয়েই তার আয় থাকেন কয়েক লাক্ষ টাকা ।
লাখ টাকা লাভের মুখ দেখে পরের বছর তিনি বাগানের পরিসর আরও বাড়িয়ে নেন।
এখন তার বাগানের আয়তন ১৮ একর। দেবীগঞ্জ উপজেলায় আম,লিচু ,মালটা ও কুলের বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ তিনিই প্রথম শুরু করেছেন। এরপর এই কুল , মালটার কলম করে তিনি নিজেরোপন করেও ছড়িয়ে দিয়েছেন নিজ জেলা উপজেলা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।
নিরন্জন রায় বাগানের পরিচর্যায় তিনি বিভিন্ন জৈব সার, এবং তার নিজে তৈরি কেচো সার ও সামান্য পরিমাণ রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করেন। তার মতে, কৃষিকাজের মধ্যে এক ধরনের প্রশান্তি রয়েছে। এই কাজে পরিশ্রম করতে পারলে সুফল পাওয়া যায়।
নিরন্জন রায়ের ছেলে এ্যাভোকেট অরুণ রায় জানান আমি ছোট থেকে দেখছি আমার বাবা এই বাগানে সব সময় থাকে তার যেন এই গাছ গাছালি সঙ্গে একটি সম্পর্ক হয়ে গিয়েছে। আর এই বাগানের আয় থেকে আমাকে পড়াশোনা করিয়েছেন।
নিরঞ্জন রায় বলেন সারা বছরই বাগানের ভিতরে উপযোগী কিছু না কিছু থাকেই বর্তমানে বাগানে থোকায় থোকায় মালটা ঝুলছে অল্প দিনের মধ্যেই বিক্রয় শুরু হবে ।এসব মালটা বিক্রি করলে আশা করছি অনেক লাভবান হওয়াযাবে।

নিরন্জন রায় আরো বলেন জাতীর জনক বঙ্গবন্দু তার এক ভাষনে বলেছিলেন দেশের একইনচি জমি খালি(ফাকা)রাখা যাবেনা সেই ভাষন আমার এখনো মনে প্রেরনা যোগায় সেই ভাষনের কথাগুলি তিলে তিলে পালন করার চেষ্টাকরছি ।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

চাকরিচ্যুত দেড় হাজার পুলিশ ফিরে পাচ্ছেন চাকরি

স্টাফ রিপোর্টার: আওয়ামী লীগের আমলে চাকরিচ্যুত ১ হাজার ৫২২ পুলিশ সদস্য ফিরে পেতে যাচ্ছেন তাদের চাকরি। নেওয়া হচ্ছে আপিল ট্রাইব্যুনালে জেতার পর চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যদের চাকরিতে পুনর্বহালে ব্যবস্থা। আজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া ও জনসংযোগ) ইনামুল হক সাগর। জানা গেছে, বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন কারণে চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যদের চাকরিতে পুনর্বহালসংক্রান্ত ১ হাজার ৫২২টি আবেদন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে গৃহীত হয়েছে। আবেদনকারীদের মধ্যে ১ হাজার ২৫ জন কনস্টেবল, ৭৯ জন নায়েক, ১৮০ জন এএসআই বা এটিএসআই, ২০০ জন এসআই বা সার্জেন্ট বা টিএসআই, ১০ জন ইন্সপেক্টর এবং ২৮ জন নন-পুলিশ সদস্য। চাকরি হারানো পুলিশ সদস্যদের চাকরিতে পুনর্বহালসংক্রান্ত আবেদন পর্যালোচনার জন্য গত বছরের আগস্টে একজন ডিআইজির নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি ইতোমধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন

আরও পড়ুন
language Change