তারিখ লোড হচ্ছে...

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁতশিল্পকে বিশ্বমানে রূপান্তরই সরকারের লক্ষ্য: মন্ত্রী ইকবাল হাসান টুকু পালিত হচ্ছে মরহুম মির্জা মোরাদুজ্জামানের ৩১তম মৃত্যুবার্ষিকী ইজারা নিয়েও তাহিরপুরের ফাজিলপুর ঘাটের সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ার অভিযোগ চুপিসারে বিয়ে সারলেন অভিনেত্রী জেনিফার উইনগেট ফিটনেসহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ সব যানবাহন দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিল নিয়ে উত্তেজনা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সফিউদ্দিন আহম্মেদ সেন্টু চাঁদাবাজির অভিযোগ ঝিনাইগাতী ক্ষুদ্র বণিক সমবায় লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত অবশেষে জিয়াউর রহমানের পলাতক খুনিকে গ্রেফতার তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে চায় না ইংল্যান্ড-ফ্রান্স ২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না এসএসসি পরীক্ষার ফল ফারুয়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াতে ইসলামী, দ্রুত পুনর্বাসনের আহ্বান কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’র সভাপতি সাঈদ, সম্পাদক জসিম কেশবপুরে ভূয়া আয়কর কর্মকর্তা আটক ইরানিদের সড়কপথে ভ্রমণ এড়ানোর আহ্বান, নতুন হামলার আশঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আজ ১৮ জুলাই: রাজপথে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, নতুন মোড় নেয় আন্দোলন সুন্দরবনের অজগর লোকালয় উদ্ধার করে বনে অবমুক্ত করেন বনবিভাগ বিশ্বকাপ ফুটবল, অর্থনীতির মাঠে কে জিতল, কে হারল নলডাঙ্গায় জুলাই শহীদদের স্বরণে আলোচনা সভা ও শ্রমিকদের মাঝে খাবার বিতরণ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে এস্কাফ সিরাপ ও ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ জনদুর্ভোগ এড়াতে কালভার্টের দাবি ছোট তালতলী গ্রামবাসীর বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় আগুন, দগ্ধ ১০ আমতলীতে মিথ্যা মামলা, ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি মাদক ব্যবসায়ীদের ছাড় নয়, অপরাধী আমার ভাই হলেও ধরবেন: প্রতিমন্ত্রী জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উদযাপনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ‎বাগেরহাটে নিজ ঘর থেকে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার গলাচিপায় উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত জিপে লুকিয়ে ৮০ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার ভোলাহাটে কৃষক কার্ড বিতরণের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন রামগড়ে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্যনিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর কৃষির নতুন দিগন্ত বাঁশখালীতে বন্যার্তদের পাশে ছাত্রদল নেতা আফজাল রহমান, ৩০০ পরিবার পেল ত্রাণ ঢাকায় এবার মনোরেল করতে চায় সরকার ৬০ বছর পর বিশ্বকাপে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা গলাচিপায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে যুবদল নেতা ইখতিয়ার রহমান কবির নলডাঙ্গায় সারবোঝাই ট্রাক উল্টে দুর্ঘটনা, চালক-হেলপার অক্ষত প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে শেরপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন বরগুনায় কৃষক স্মার্ট কার্ড বিষয়ক প্রশিক্ষণ মির্জা মোরাদুজ্জামানের ৩১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত জলাবদ্ধতায় ঘরেই নবজাতকসহ প্রসূতির মৃত্যু কেশবপুরে অবহেলিত নবজাতক প্রসূতির পাশে ইউএনও ৯ ঘণ্টা আত্মগোপন, অবশেষে গ্রামবাসীর হাতে আটক দুই গরু চোর রাঙামাটি সদর হাসপাতালে প্রথমবার চালু হলো কলপোস্কোপি সেবা বাজেট অধিবেশন শেষ ২৬ কার্যদিবসে, ১০ বিল পাস জুলাই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান: রাষ্ট্রপতির ধরাছোঁয়ার বাইরে প্রধান বনরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী এনআইবির মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে ক্রয় অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ কেশবপুরে দিন দুপুরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের মোল্লাপাড়া গ্রাম থেকে ২ শত পিস ইয়াবাসহ ৩ জন আটক

মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর যেন টাকা বানানোর মেশিন-সকালে ঘুষ দিলে বিকালে পোস্টিং!

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টারঃ

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর যেন টাকা বানানোর মেশিনে পরিণত হয়েছে। চলছে বদলি ও প্রশিক্ষণের নামে রমরমা বাণিজ্য। সকালে টাকা দিলে বিকালেই মেলে পোস্টিং। অবশ্য এর জন্য দিতে হয় আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা ঘুষ। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের সাবেক এক মহাপরিচালকের সময় গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর—এই তিন মাসেই প্রায় ৪ হাজার নার্স বিভিন্ন হাসপাতালে বদলি হয়েছেন।

নজিরবিহীন ও অস্বাভাবিক এই বদলি শেষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় স্থগিত করে। এর আগেই সিন্ডিকেট কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। বদলি করা হয়েছিল এমন কয়েক জন নার্সের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পুরো প্রক্রিয়াটিই নিয়ন্ত্রণ করেছে একটি ‘সিন্ডিকেট’। তার অন্যতম হোতা জামাল উদ্দিন, পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তার আত্মীয়। কোনো বদলি ঘুষ ছাড়া সম্ভব হয় না। অনেক মেয়ে প্রয়োজনে বদলির আবেদন করেছেন। মাসের পর মাস করেন অপেক্ষা। বদলির বিষয়ে অধিদপ্তরে খোঁজ নিতে গেলে মিলেছে দুর্ব্যবহার ও হয়রানি। এমনও হয়েছে আনসার গেট থেকে তাদের তাড়িয়ে দিয়েছে।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের এমন আচরণে নার্সরা ক্ষুব্ধ। ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, প্রতিটি বদলিতে দালালের শরণাপন্ন হতে বাধ্য করা হতো। তাদের দিতে হয়েছে আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা। প্রতিবাদ করলেই পদেপদে হয়রানি করা হয়।

এসব বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধানের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দুর্নীতি-অনিয়মের তথ্য যাতে ফাঁস না হয় সেজন্য দুই জন সিনিয়র স্টাফ নার্সকে নিজ খরচে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়ার জন্য শিক্ষা ছুটি দিয়ে লন্ডনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, এই ব্যয়বহুল প্রশিক্ষণের টাকা কোথায় পেলেন তারা। একসময় যাদের সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হতো।

ঐ দুই জনের একজন হলেন এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পিএ। যিনি জাতীয় হূদেরাগ ইনস্টিটিউট থেকে এসেছেন। অন্যজন এসেছেন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে। তারা দুই জনই সিন্ডিকেটের সদস্য। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে এরা টাকা পাঠিয়ে দিয়ে সংকেত দিত। তখন নিচ থেকে ফাইল দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে চলে যেত।

আরেক জন আছেন ময়মনসিংহ নার্সিং কলেজের ইনস্ট্রাক্টর (নিজ বেতন)। তাকে সংযুক্তি দেওয়া হয় অধিদপ্তরে। এর বাইরেও তাকে সংযুক্তি দেওয়া হয় মুগদার নিয়েনারে। তিনি সব প্রশিক্ষণ এবং নার্সিং কলেজ ও ইনস্টিটিউটের অবকাঠামো নির্মাণকাজ করতেন। তিনি জামাল নিয়ন্ত্রিত সিন্ডিকেটের হোতা। এই সিন্ডিকেটের বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় নেটওয়ার্ক রয়েছে। নার্সরা নেটওয়ার্কের বাইরে গিয়ে বদলি হতে পারে না। তাই বাধ্য হয়ে এই নেটওয়ার্কে আসতে হতো।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিক্ষা ছুটি দিয়ে ঐ দুই সিনিয়র স্টাফ নার্সকে বিদেশে পাঠানো হয়েছে মূলত অবৈধ উপায়ে অর্জন করা কোটি কোটি টাকা পাচারের উদ্দেশ্যে। অপর দিকে সিন্ডিকেটের লেনদেনর তথ্য যেন ফাঁস না হয়। তাদের মাধ্যমে মূলত বদলি বাণিজ্যের লেনদেন হতো। ‘শিক্ষা ছুটিতে যাওয়া’ দুই জনের একজন চাকরিতে যোগদান করেন ২০১৬ সালে, আরেক জন ২০১৮ সালে।

এই দুই জনকে গ্রেফতার করলে সব তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে জানান নার্স নেতারা। তারা প্রশ্ন রাখেন, সিনিয়র স্টাফ নার্স হয়ে তারা এত টাকা পেলেন কোথায়?

অধিদপ্তরের আরেক জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা চলতেন একজন নার্স নেতার কথায়। উনি যখন অধিদপ্তরে যোগদান করেন কিছু জানতেন না। এই সুযোগে ঐ নার্স তাকে ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। একসময় জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা ঐ নার্স নেতা বর্তমান সরকারের আমলেও দোর্দণ্ড প্রতাপে চলছেন। ইতিমধ্যে তিনি চলে গেছেন অবসরে।

অধিদপ্তর হওয়ার আগে যখন পরিদপ্তর ছিল তখন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে চলেছে প্রতিষ্ঠানটি । তখনো কিছু সমস্যা ছিল। তার কারণ ছিল মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তা। তারা কিছু সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতেন, যা নার্সদের পেশার পরিপন্থি। উচ্চতর ডিগ্রিধারী নার্স ও সিনিয়র স্টাফ নার্সদের এক কাতারে মিলিয়ে ফেলতেন তারা। অথচ বিশ্বের অনেকে দেশে উচ্চতর ডিগ্রিধারী নার্সরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে নার্সিং সেক্টরকে এগিয়ে নিচ্ছেন। দেশ-বিদেশ থেকে উচ্চতর ডিগ্রিধারী প্রায় ১ হাজার নার্স বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর এন্ট্রি পয়েন্টে দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা এবং নার্সিং পরিদপ্তরকে অধিদপ্তর করেন। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নার্সিং পেশাকে নিয়ে যেতেই তিনি এই সংস্কার করেছিলেন। কিন্তু এটা চিকিত্সা বিজ্ঞানের একটি সাব-স্পেশালাইজড বিভাগ হলেও নন মেডিক্যাল পার্সন দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করায় একটা হ-য-ব-র-ল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তারা শুধু নিয়োগ বদলি নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। অথচ সারা পৃথিবীতে সাব-স্পেশালাইজড বিভাগগুলো এই বিভাগের অভিজ্ঞদের দিয়েই পরিচালিত হয়। চিকিত্সা বিজ্ঞানের সকল সংগঠনগুলো একই ধরনের অভিযোগ করে আসছিল।

তবে সত্ মানুষও দায়িত্ব পালন করেছেন নার্সিং অধিদপ্তরে। মহাপরিচালকের দায়িত্ব নিয়ে এমন একজন অতিরিক্ত সচিব এসেছিলেন মাত্র কয়েক মাসের জন্য। মন্ত্রণালয় থেকে তাকে আবার দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে নানা বাধা পাওয়ায় তিনি ঐ পদে আর ফিরতে রাজি হননি। সততার কারণে তার পদোন্নতিও হয়নি। তিনি কোন দল করেন না, নিরপেক্ষ ও সত্ মানুষ হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা অবসরে গেছেন। তাকে বিদায় জানানোর জন্য নার্সদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে বড় গিফট তাকে দেওয়া হয়। এর বিনিময়ে একজন নার্সিং কলেজের প্রিন্সিপাল হয়েছেন। নার্সিং কাউন্সিল আছে ঠিকই, কিন্তু কাজের কাজ করেন না। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তারাও প্রশিক্ষণের নামে বাণিজ্য চালিয়ে আসছেন। নার্সিং অধিদপ্তরের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণের নামে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ আসছে। সত্যিকারের প্রশিক্ষণ তো হয়ই না। দুদকের সাবেক এক চেয়ারম্যান প্রায়ই বলতেন, সচিবালয়ে দুর্নীতি বন্ধ না হলে তার অধীনস্থ দপ্তর-পরিদপ্তর দুর্নীতিমুক্ত হবে না।

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার আশীর্বাদে নার্স বদলি বাণিজ্য করে মো. জামাল উদ্দিন কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, এক সময় তিনি ছিলেন নিম্নবিত্ত। এখন তিনি গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কুষ্টিয়া সদরের ইন্দিরা মোড়ে স্ত্রী শাকিরুন নেসার নামে কিনেছেন জমি। কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার কমলাপুরের নিজ গ্রাম দুধকুমড়ায় প্রায় মোটা অঙ্কের টাকায় তৈরি করেছেন আলিশান বাড়ি। এর পাশেই ‘বিশ্বাসবাড়ী’ নামে আরেকটি বাড়ি নির্মাণও করছেন জামাল বলে জানিয়েছেন গ্রামবাসী।

এ ব্যাপারে মো. জামাল উদ্দিন বলেন। তিনি বলেন, আমি কোন সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত না। আমি প্রতিহিংসার শিকার। দুদকের অনুসন্ধানে ব্যাংক থেকে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের যে তথ্য আসছে—এ প্রসঙ্গে জামাল বলেন, আমি ব্যবসা করি এবং ব্যাংকের সঙ্গে লেদদেন করতে হয়।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

৪ জাহাজ সয়াবিন তেল আমদানি, লুকানো তেল বাজারে ফিরলো বেশি দামে

স্টাফ রিপোর্টার:  ব্রাজিল–আর্জেন্টিনা থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে অপরিশোধিত সয়াবিন তেল নিয়ে এসেছে চারটি জাহাজ। জাহাজগুলো এমন সময় বন্দরে এলো, যখন বাজারে বোতলজাত সয়াবিনের সংকট চলছে। এদিকে সোমবার (৯ ডিসেম্বর) এই তেল সংকটের মধ্যে সয়াবিন তেলের দাম লিটারে আট টাকা বাড়িয়ে পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার।  ব্যবসায়ীরা জানান, সরবরাহ বাড়ায় বাজারে বোতলজাত সয়াবিনের যে সাময়িক সংকট চলছে- তা কেটে যাবে। সয়াবিন তেলের দাম সমন্বয় করায় রোজার আগে আমদানি আরও বাড়বে বলে জানান তারা। চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার এমটি আরডমোর শায়ানি ও এমটি ডাম্বলডোর নামে দুই জাহাজে বন্দরে আনা হয়েছে ২১ হাজার ৫০০ টন সয়াবিন তেল। মঙ্গলবার বন্দর জলসীমায় পৌঁছেছে এমটি সানি ভিক্টরি ও এমটি জিঙ্গা থ্রেশার নামের আরও দুটি জাহাজ। এই দুই জাহাজে রয়েছে ৩০ হাজার ৬০০ টন সয়াবিন তেল। এর মধ্যে এমটি

আরও পড়ুন
language Change