তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
তথ্য জালিয়াতি করে ভুয়া ঠিকানায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি ইমারত পরিদর্শক সাত্তারের বিরুদ্ধে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ বিজিবির উদ্যোগে লাশ দেখতে পেল ভারতীয়রা বুধবার সন্ধ্যায় বা বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণা আজকের স্বর্ণের দাম আইপিএলের নিলামে ৭ বাংলাদেশি ক্রিকেটার মোহাম্মদপুরে মা মেয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশ যা জানালো ভারত কানাডার ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ২০২৬ফুটবল বিশ্বকাপে নতুন নিয়ম বিএনপি বেশি আসনে জিতবে বলে মনে করছে ৬৬ শতাংশ মানুষ আবারো ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ আজ বেগম রোকেয়া দিবস হাসিনাসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গুমের মামলায় শুনানি আজ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় আজ সাক্ষ্য দেবেন হাসনাত আবদুল্লাহ রামগড়ে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত বরুড়ায় হানাদার মুক্ত দিবস পালিত ভারতীয় চোরাই মোবাইলসহ আটক - ১ প্রতারনার ফাঁদে ফেলে কোটি টাকা আত্মসাৎ সব অপরাধ বন্ধের ম্যাজিক আমার কাছে নেই রাজনৈতিক চাহিদা থাকলে অবৈধ আয় বন্ধ হবে না এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন ইসির সঙ্গে বৈঠকে জামায়াতে ইসলামী আত্মপ্রকাশ করল নতুন রাজনৈতিক জোট আন্দোলনের ঘোষণা ৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের থাইল্যান্ড কম্বোডিয়া সীমান্তে ফের উত্তেজনা ‘বিগ বস ১৯’শেষ হলো,কত টাকা পেলেন বিজয়ী? আজকের স্বর্ণের দাম চাঁদাবাজদের নির্মূল না করা পর্যন্ত লড়াই চলবে: হাসনাত নির্বাচনে বাড়ল ভোট গ্রহনের সময় এক সপ্তাহে ১৯ হাজারের বেশি প্রবাসী গ্রেফতার নিজ বাড়ি থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার নির্বাচনের তফসিল ডিসেম্বরের যেকোনো দিন সাংবাদিক শওকত মাহমুদ গ্রেফতার ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ম্যাচ কবে-কখন? ট্রাইব্যুনালে হত্যা মামলায় সালমান-আনিসুল জামায়াত বিএনপির সাথে সমঝোতা দেখছে এনসিপি প্রকাশ্যে শুভ ঐশীর প্রেমময় চুমুকাণ্ড পেঁয়াজ আমদানিতে অনুমোদন দিল সরকার গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের লাশ উত্তোলন শুরু ধর্মের নামে দেশে বিভাজনের চেষ্টা চলছে যমুনা অয়েলে এমডি নিয়োগে দিতে দুই সিবিএ নেতার সাত কোটি টাকার মিশন নারীদের বিশেষ বাত: লুপাস বা SLE সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন শ্রীলঙ্কায় বন্যার মধ্যেই বিপদ বাড়াচ্ছে বৃষ্টি শিক্ষার্থীদের শাহবাগ অবরোধ কেরাণীগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর মাদক ব্যবসায়ীর হামলা মালামাল আত্মসাৎ করার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন বসতবাড়ি উচ্ছেদ করে জোরপূর্বক দখল শিক্ষার উদ্দেশ্য শিশুকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় পোষ্য কোটা বাতিলের দাবি

রাজউকের শাহ আলমের কাছে জিম্মি ভবন মালিকরা

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার॥
রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান রাজউকের ৬/২ নম্বর জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমারত পরিদর্শক শাহ আলমের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ঘুষ বাণিজ্য, প্রতারণা, হয়রানি ও নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের মাত্রা ও বিস্তৃতি এতটাই গভীর যে, এটি নিছক একজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিচ্ছিন্ন কর্মকাণ্ড নয়—বরং রাজউকের অভ্যন্তরে গড়ে ওঠা একটি সংঘবদ্ধ দুর্নীতির চক্রের স্পষ্ট প্রতিফলন।

ঢাকায় সরকার অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ করেও মালিকরা আজ নিরাপদ নন। নকশা হুবহু অনুসরণ করেও রিপোর্ট আটকে রাখা, নানা টেকনিক্যাল অজুহাতে হয়রানি চালানো এবং অব্যাহত ঘুষ দাবির মাধ্যমে পরিদর্শক শাহ আলম ভবন মালিকদের নিত্যদিনের দুর্ভোগে ঠেলে দিয়েছেন। অসংখ্য অভিযোগের মধ্যে এক ভুক্তভোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান—নির্দিষ্ট নিয়মে কাজ করেও বারবার প্রতিবেদন আটকে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে শেষ পর্যন্ত তাকে “বিশেষ খরচ” পরিশোধে বাধ্য করা হয়।

এখানেই শেষ নয়। একাধিক অভিযোগে উঠে এসেছে, ঘুষ গ্রহণের সময় শাহ আলম প্রকাশ্যেই বলেন—“আমি একা খাই না, উপরে দিতেও হয়।” এমন স্বীকারোক্তিমূলক উক্তিই ইঙ্গিত দেয়, এই ঘুষ বাণিজ্য কোনো একক কর্মচারীর চাতুর্য নয়—বরং রাজউকের ভেতরে গেঁথে বসা দুর্নীতির একটি সুসংগঠিত চেইন-সিস্টেম। আরও চমকে দেওয়ার মতো তথ্য হলো—ঘুষ নেওয়ার সময় শাহ আলম কখনো কখনো ভবন মালিকদের কাছে ‘রশিদ’ পর্যন্ত প্রদান করেছেন। এটি স্পষ্ট করে দেয় যে, দুর্নীতিকে তিনি কেবল রেওয়াজ নয়, বরং এক প্রাতিষ্ঠানিক বাণিজ্যিক প্রক্রিয়া হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

তীব্র গণঅসন্তোষ ও গণমাধ্যমে বিষয়টি উঠে আসার পর রাজউক কর্তৃপক্ষ ‘আন্তঃবিভাগীয় তদন্ত কমিটি’ গঠন করতে বাধ্য হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তদন্ত কমিটি শাহ আলমের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলোর প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে। একাধিক ক্ষেত্রে ভিডিওচিত্রসহ অন্যান্য আলামতের ভিত্তিতে প্রমাণ মিলেছে যে, শাহ আলম বিভিন্ন ভবন মালিকের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছেন এবং তা রাজউকের অভ্যন্তরীণ কিছু প্রভাবশালী কর্মকর্তার কাছে নিয়মিত হস্তান্তর করেছেন।

তদন্তে উঠে এসেছে, ৬/২ নম্বর জোনে পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে ভবনপ্রতি ২০ হাজার থেকে শুরু করে কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায়ের নজির রয়েছে। শুধু শাহ আলম নয়, তদন্তে আরও কিছু কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার তথ্যও উঠে এসেছে, যা রাজউকের গাঢ় কালো দুর্নীতিচক্রের নির্মম বাস্তবতা তুলে ধরে।

চলবে…৷

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

কুড়ি বছর পর একি দেখলাম মাদক অধিদপ্তরে!

রুদ্র রাসেল: মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নতুন সরকারের মহাপরিচালক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, এনডিসি। অর্থাৎ গোটা দেশে মাদক নিয়ন্ত্রণের প্রধান ব্যক্তি তিনি। তাকে পাওয়া কি আতটা সহজ! আগে যারা ছিলেন তাদের বেশিরভাগের দেখা পাওয়া ছিল আমাবশ্যার চাঁদ কিংবা লটারিতে মার্কিন ভিসা জেতার মতো দুরুহ। আর কথা বলা সে অনেক সাংবাদিকের জন্যেও ছিল যেন সৌভাগ্য! আমি এক মহাপরিচালকের রুমে ঢুকে সরাসরি প্রটোকল ছাড়া বক্তব্য নিয়েছিলাম আট দিন ঘুরে, সাক্ষী ক্রাইম রিপোর্টার সুজন কৈরী। এরপরেও পিআরও কত কি বলে গেলো ফোনে, বক্তব্যের রেকর্ড পাঠাতে হলো, আরো কত মনকালাকালি। তবে নোবেলজয়ী সরকার প্রধান প্রফেসর ড ইউনূস নেতৃত্বাধীন নতুন স্বাধীনতার নতুন বাংলাদেশেও কি সেই হাইপ্রোফাইল অফিসার ডিজি- নাকি প্রজাতন্ত্রের সেবক চেয়ারে বসেছে, কতটুকু সাংবাদিকবান্ধব- তা দেখতে সরেজমিনে মঙ্গলবার বিকাল পাঁচটার দিকে ডিআরইউ থেকে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে

আরও পড়ুন
language Change