তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
স্বামীর গলাকাটা দেহের পাশে সন্তানদের নিয়ে রাত কাটালেন স্ত্রী কীভাবে হাম ছড়ায় এবং লক্ষণ কী? ফায়ার সার্ভিসে বিতর্কিত পদায়ন ও স্বাধীনতা দিবসের প্যারেড কেলেংকারি হিজবুল্লাহর সঙ্গে ভয়াবহ সংঘর্ষে ৪ ইসরায়েলি সেনা নিহত গোমস্তাপুরে ডিএনসির অভিযানে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২ অভিনেতা রাহুলের প্রয়াণে মুছে গেল সব তিক্ততা, যা বললেন অনন্যা গুহ সিরাজগঞ্জে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কটূক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ১০ বছরে পাচারের টাকায় ২৫টি পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব মোংলায় চিকিৎসকের ওপর হামলা ও ভাঙচুর মেসার্স এলেঙ্গা ফিলিং স্টেশনকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ হবে আজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাস নিয়ে নতুন পরিকল্পনা মোংলায় ওয়াইল্ডটিমের উদ্যোগে বনজীবীদের মাঝে প্রশিক্ষণের আয়োজন ছয় মাসে সরকারের ব্যাংকঋণ অর্ধলক্ষ কোটি টাকা ছাড়াল দীঘিনালায় তেলের তীব্র সংকট আর্জেন্টিনার শেষ হোম ম্যাচের সূচিতে পরিবর্তন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় লাখ লাখ জাল নোটসহ আটক ২ সিরাজগঞ্জে মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার মানহানির মামলা আরও বাড়ল স্বর্ণের দাম সুন্দরবনের ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে কোস্টগার্ড এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ অবৈধ মজুতবিরোধী অভিযানে ২৬ দিনে উদ্ধার ২ লাখ লিটার জ্বালানি দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ৬ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস কেশবপুরে ৪১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখন ভারপ্রাপ্ত দিয়েই পরিচালনা আওয়ামী লীগ নেতা মান্নান ভূঁইয়ার নির্যাতনে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ইউনাইটেড গ্রুপের কর্মকর্তা আফজাল নাছের গ্রেপ্তার মানি লন্ডারিং এনসিপি ও নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাসহ ৯ জনকে তলব ৩০ এপ্রিল সিলেট থেকে শুরু ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ : প্রধানমন্ত্রী ইরানের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করল আরব আমিরাত গোপালপুরে কলেজপড়ুয়া ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু রেলে বেলাল হোসেনকে ঘিরে দুর্নীতি ও প্রভাব বিস্তার খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে মাসুম-নান্নু পরিষদের পূর্ণ প্যানেল বিজয় যমুনার বালুচরে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত প্রসূতির মৃত্যু: অনুমোদনহীন ‘মায়ান জেনারেল হাসপাতাল’ সিলগালা এক মাসে শাহ আমানতে বাতিল ২১২ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ফের পুত্র সন্তানের মা হলেন সোনম কাপুর ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে চাটখিল সাংবাদিকদের পুনর্মিলনী জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশাসনের একাধিক নির্দেশনা জারি বাসডুবিতে বিআইডব্লিউটিসির ‘গাফিলতি’ মোংলায় জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের ৫০০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণ কাজের টেন্ডার কারসাজি ডায়াবেটিস হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ প্রিপেইড মিটারে মাসিক চার্জ থাকছে না মির্জাগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন জাতীয়তাবাদী বিপ্লবী দল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত ১১ পরিবর্তন নিয়ে কলম্বিয়াকে ৩-১ গোলে হারাল ফ্রান্স হাদি হত্যা নিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ফেসবুক পোস্ট হরমুজের পর এবার ওমান উপসাগরও ইরানের নিয়ন্ত্রণে

এক নারীকে বিয়ে করেছেন আপন দুই ভাই

পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টঃ বর্বব যুগের প্রথা ধরে রেখেছেন উত্তর ভারতের কিছু গোষ্ঠি।এক নারীকে বিয়ে করেছেন আপন দুই ভাই। এমন অসমাজিক এক বিয়ের কাহিনিই জানিয়েছেন ভারতীয় দৈনিক আনন্দ বাজার পত্রিকা।

একই বধূ। তাঁর সঙ্গে দাম্পত্য জীবন কাটাবেন দু’জন। সম্পর্কে তাঁরা দুই ভাই, বিয়ে করেছেন এক জন তরুণীকেই। প্রাচীন প্রথাকে আঁকড়ে ধরে সম্প্রতি ‘নিষিদ্ধ বিবাহ’বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন হিমাচলের নেগি পরিবারের দুই ভাই। আর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনও আক্ষেপ নেই দুই সহোদরের। এমনকি হাজার হাজার বছরের পুরনো এক রীতিকে মেনে নিয়ে দুই ভাইয়ের ঘরনি হতে আপত্তি তোলেননি নববধূও।

গত ১২ জুলাই হিমাচলের সিরমৌর জেলার শিলাই গ্রামে বসেছিল এই অদ্ভুত বিয়ের আসর। সাক্ষী ছিলেন বর ও কনের পরিবার, কয়েকশো গ্রামবাসী। কুনহাট গ্রামের তরুণী সুনীতা চৌহানের সঙ্গে রীতি মেনে সাত পাক ঘোরেন কপিল ও প্রদীপ নেগি। বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর সেই ছবি সমাজমাধ্যমে ছ়ড়িয়ে পড়তেই সে নিয়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়।

সমস্ত সমালোচনা ও চর্চায় জল ঢেলে প্রদীপ জানিয়ে দিয়েছেন, ‘‘আমরা আমাদের ঐতিহ্য সর্বসমক্ষে খোলাখুলি অনুসরণ করেছি কারণ আমরা আমাদের ইতিহাস নিয়ে গর্বিত।” দ্বিতীয় পাত্র কপিল বলেন, ‘‘আমরা সব সময় স্বচ্ছতায় বিশ্বাসী।’’

নববধূ সুনীতা বলেন, ‘‘অনেকেই হয়তো মনে করতে পারেন যে, চাপের কাছে নতিস্বীকার করেছি। সেটা ঠিক নয়। আমি নিজের সিদ্ধান্তে এই বিয়েতে রাজি হয়েছি। আমি এই ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন। আমাদের তিন জনের মধ্যে যে বন্ধন, তাকে সম্মান জানিয়ে এই সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যেতে আগ্রহী।’’

বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল ট্রান্স-গিরি এলাকায়। ধুমধাম করে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। নাচ, গান, সাজসজ্জায় চমক, নানা রীতি-রেওয়াজে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। বর-কনেকে প্রাণ ভরে আশীর্বাদ করেছেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। এই বিয়ে বিরল ও আইনের চোখে অনৈতিক। তবে হিমাচলের কিছু জেলা ও সম্প্রদায়ের কাছে এটি ঐতিহ্যমণ্ডিত।

সেই সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি হল হাট্টি সম্প্রদায়। বছর তিনেক আগে হাট্টি সম্প্রদায়কে তফসিলি জনজাতির অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই সম্প্রদায়টি হিমাচল-উত্তরাখণ্ডের সীমানায় থাকে। গত ছ’বছরে শুধু বাধানা গ্রামেই এ রকম পাঁচটি বিয়ে হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। ফলে এই ঘটনা সাম্প্রতিক অতীতে খুব একটা নতুন বিষয় নয় বলেও ওই সম্প্রদায়ের একাংশের দাবি।

এই ধরনের বিবাহ পদ্ধতি হল পলিঅ্যান্ড্রি বা পলিগ্যামি। অর্থাৎ, একই মহিলা বা পুরুষের একাধিক যৌন সম্পর্ক। ভারতেরই উত্তর অংশে বেশ কিছু এলাকা রয়েছে যেখানে পলিঅ্যান্ড্রি বা মহিলাদের বহুবিবাহের রীতিকে সামাজিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়ে থাকে। সেই রীতি পালন করতে ঘটা করে এক তরুণীর সঙ্গে একই পরিবারের একাধিক ভাইয়ের বিয়ে দেওয়া হয়।

আধুনিক যুগেও দ্রৌপদীর মতো একাধিক স্বামী নিয়ে সংসার করাকে মান্যতা দেওয়া হয় সেখানে। এই প্রথা চালুর কারণ খুঁজতে গেলে সময়সারণি ধরে ফিরে যেতে হবে মহাভারতের কালে। স্থানীয় জনগোষ্ঠীদের মধ্যে কেউ কেউ বিশ্বাস করেন, ১৩ বছরের জন্য রাজ্য থেকে নির্বাসিত হয়ে পাণ্ডবেরা এই কিন্নরেই লুকিয়ে ছিলেন। সেই থেকেই নাকি এই অঞ্চলে মহিলাদের বহুবিবাহের প্রচলন।

হাজার হাজার বছর ধরে এই রীতি প্রচলিত রয়েছে তাঁদের মধ্যে। একে বলে ‘জোড়িদার’। এই বিশেষ বিবাহ প্রথায় বর কনের বাড়িতে বিয়ে করতে যান না। উল্টে কনে আসেন বরের বাড়িতে। সেখানেই বসে বিয়ের আসর। সেখানে পুরোহিত স্থানীয় ভাষায় মন্ত্র পড়েন। এই রীতিকে বলে ‘সিঞ্জ’।

কিন্তু কেন এমন রীতি? এটা কি নিছকই মনগড়া? বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রীতি আত্মস্থ করার পিছনে প্রাচীন কিনৌরদের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি একটা বড় কারণ। জমির ভাগ পরিবারের মধ্যেই যাতে থাকে তাই এই সামাজিক প্রথার প্রচলন হয় হাট্টিদের মধ্যে।

পাহাড়ি এলাকায় পূর্বপুরুষের কৃষিজমি যাতে বেশি ভাগাভাগি না হয়ে যায়, সে কারণেই এই প্রথা শুরু করা হয়েছিল। পাহাড়ি, দুর্গম এলাকা হওয়ায় এখানকার বাসিন্দা পরিবারগুলির আর্থিক অবস্থা একেবারেই ভাল ছিল না। প্রতিটা পরিবারেরই সম্বল ছিল নামমাত্র জমি। তা এতটাই কম ছিল যে, ভাইদের মধ্যে পরবর্তী কালে ভাগাভাগি হলে সে ভাগের জমি থেকে যা আয় হবে তাতে সংসার চালানো কার্যত অসম্ভব।

এই প্রথার ফলে ভাইয়ে ভাইয়ে, এমনকি সৎভাইদের মধ্যেও ঐক্য বজায় থাকত। পরিবারে পুরুষের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেত। খুব বড় পরিবার হলে তাতে পুরুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে জনজাতি সমাজে সেই পরিবার আরও নিরাপদ হয়ে ওঠে। কোনও মহিলা যাতে বিধবা না থাকেন তা নিশ্চিত করার জন্য পরিবারে সমস্ত ভাইদের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয় এক তরুণীরই।

ছেলেদের বিয়ের পর জমি যাতে ভাগ না হয় সেই চিন্তাভাবনা থেকেই ‘দ্রৌপদী’ প্রথার প্রচলন হয় এই অঞ্চলে। বিয়ে করে আসার পর বধূ যত সন্তানের জন্ম দেবেন, তাদের প্রকৃত বাবার পরিচয় জানান সেই বধূই। গোটা পরিবার তাঁর কথাতেই ভরসা রাখে। তবে প্রকৃত বাবা যিনিই হন না কেন, প্রতি সন্তান বড় ভাইকেই বাবা সম্বোধন করে এবং বাকিদের কাকা।

শিক্ষার প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে হিমাচলে জনজাতি সম্প্রদায়ের মধ্যে এই প্রথা ক্রমে লোপ পাচ্ছে। যদিও নেগি পরিবারের দুই ভাই শিক্ষিত। বড় ভাই প্রদীপ সরকারি চাকরি করেন। আর কপিল বিদেশে কর্মরত। তবুও তাঁরা নিজেদের গোষ্ঠীর ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে উৎসুক। তাঁরা তিন জনেই জানিয়েছেন, পরস্পরকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি একটি পরিবার হিসাবেই থাকতে চান তাঁরা।

আনন্দ বাজার পত্রিকা

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

কারিগরি শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক: কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস এবং প্রকৌশল কর্মক্ষেত্র কুক্ষিগত করার অভিযোগ তুলে বিভিন্ন দাবিতে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন কারিগরি শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর তেজগাঁও সাতরাস্তা মোড় অবরোধ করে আন্দোলন শুরু করেন তারা। অবরোধের ফলে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে এবং আশপাশে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সারা দেশের সব পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে একযোগে ‘বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি’ পালন করা হবে। আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কারিগরি শিক্ষাকে অবহেলা করা হচ্ছে এবং প্রকৌশল কর্মক্ষেত্রে কারিগরি শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য অধিকার হরণ করা হচ্ছে। এর প্রতিবাদেই তারা রাস্তায় নেমেছেন। শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে– হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল হওয়া ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের পদোন্নতি ও

আরও পড়ুন
language Change