তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
উত্তরায় বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৩ শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম তদন্তে অভিযান চালাচ্ছে দুদক খালেদা জিয়ার স্মরণে রামগড় প্রবীণ বিএনপির দোয়া মাহফিল আজ পবিত্র শবে মেরাজ দখলের দাবিতে অনড় ট্রাম্প যেসব আসনে নির্বাচন করবে এনসিপি দুই বছরে পাঁচ ব্যাংকের আমানত ফেরত পাবে অতীতেও গণভোটে সরকার এক পক্ষে ছিল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল শুনানির সপ্তম দিন আজ কথিত প্রাচীন কয়েন ও সীমানা পিলার প্রতারণার মুলহোতা আহাদুল ইসলাম দুলাল গণভোটের প্রচারে অংশ নেওয়া সমাজসেবা কর্মকর্তাকে শোকজ টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসন ঝিনাইগাতীতে অবকাশ স্বপ্ন কৃষি সমবায় সমিতির বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত গুইমারায় বিভিন্ন দল থেকে শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান ফকিরবাজার আল-মদিনা নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসায় হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ী প্রদান ও বার্ষিক মাহফিল অনুষ্ঠি... শহীদ হাদি হত্যা মামলায় নতুন মোড় বিপিএল নিয়ে বিসিবির কড়া হুঁশিয়ারি মুক্তি প্রতিক্ষায় দৃশ্যম-৩ রাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু শুক্রবার আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু নির্বাচনে আ'লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন রিজওয়ানা হাসান খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা ইসির সীমানা অনুযায়ী পাবনার দুটি আসনে ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন ১১ দলীয় সমঝোতা নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের নতুন বার্তা ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইসরায়েল ইরানের পক্ষে কঠোর অবস্থান সৌদি আরবের সায়েন্সল্যাবে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ আজও বাংলাদেশে সমকামীরা ছড়াচ্ছে এইডসের জীবাণু শেখ হাসিনার আমৃত্যু কারাদণ্ডের মামলা আপিলের কার্যতালিকায় শিপিং করপোরেশনকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধরে রাখতে হবে শেরপুর-২ আসনে এবি পার্টির প্রার্থী আব্দুল্লাহ বাদশার মনোনয়ন জমা সাতক্ষীরায় সেনাবাহিনীর অভিযানে মাদক কারবারি আটক নালিতাবাড়ীতে সার দোকান মনিটরিং কার্যক্রম খাগড়াছড়িতে ইয়াকুব আলী চৌধুরীকে হত্যার চেষ্টায় সিএইচটির নিন্দা ঝিনাইগাতীতে বন বিভাগের অভিযানে অবৈধ যানবাহন আটক বিশিষ্টজনদের সঙ্গে মাওলানা আব্দুল খালেক এর সাক্ষাৎ খাগড়াছড়িতে নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গণভোটের প্রচারণা সোনাকাটায় পুনরায় চালু বন্ধ থাকা সেতুর কাজ এইডস’র কবলে হাজারো মানুষ ইমারত পরিদর্শক আল নাঈম মুরাদের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ স্থগিত ১১ দলের ‘আসন সমঝোতার’ সংবাদ সম্মেলন আমি চোখ ফেরাতে পারছি না : সাফা কবির ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন: প্রধান উপদেষ্টা সাবেক দুদক কমিশনার জহুরুল হক দম্পতিকে জিজ্ঞাসাবাদ গ্যাস সংকটের মধ্যেই ফের তিতাসের লাইনে লিকেজ ‘অপারেশন সিঁদুর এখনও চলমান’, পাকিস্তানকে ভারতের সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি লুটপাটের রাজা আফজাল হোসেন এখন রেলের দায়িত্বে রাজউকের ইমারত পরিদর্শক বিটুর নকশা-নোটিশের আড়ালে দুর্নীতি

একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্ট:

একটি গণতান্ত্রিক মানবিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রধান উপটদেষ্টা বলেন আজ আমরা কেবল অতীত স্মরণ করতে আসি নাই। আমরা একটি শপথগ্রহণ করতে এসেছি। শপথ এই, আমরা কোনো ধরনের নিপীড়নের কাছে মাথা নোয়াবো না। আমরা প্রতিষ্ঠা করব একটা জবাবদিহিমূলক মানবিক গণতান্ত্রিক এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র। তিনি বলেন এমন রাষ্ট্র যা সবসময় জনকল্যাণে কাজ করবে। জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ আমরা বৃথা যেতে দেব না। তাদের আত্মত্যাগই হবে আমাদের পথ চলার প্রেরণা। তাদের স্বপ্নই হবে আমাদের আগামী বাংলাদেশের নির্মাণ রাখা। আজকের এই দিনে এটাই হোক আমাদের শপথ। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেওয়া ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন আমরা পুরো জাতি একসঙ্গে স্মরণ করছি এমন একদিন, যা এদেশের ইতিহাসে গভীর ধাপ রেখে গেছে। ৫ আগস্ট শুধু একটি বিশেষ দিবস নয়, এটি একটি প্রতিজ্ঞা, গণজাগরণের উপাখ্যান এবং ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে জাতির পুনর্জন্মের দিন। আজ আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। যাদের আত্মত্যাগে আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালে সাম্য মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এদেশের জনগণ সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। লাখো প্রাণের বিনিময়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দীর পরেও এদেশের মানুষ সুবিচার ও গণতন্ত্র থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বৈষম্যের শিকার হয়েছে। ২০২৪ সালের উত্তাল জুলাই ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক সংকটময় অধ্যায়। ১৬ বছরের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

এদেশের এই বিপুল সংখ্যক তরুণ ১৬ বছর ধরে ক্রমাগত হতাশায় নিমজ্জিত ছিল। ভালো ফলাফল করেও চাকরির জন্য ক্ষমতাসীনদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরেছে। চাকরিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি আর তদবির বাণিজ্য। যে তরুণ ঘুষ দিতে পারেনি, এলাকার মাফিয়াদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলতে পারেনি, তার চাকরি হয়নি। সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি, যেটা মূলত ছিল দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির আরেকটা হাতিয়ার। এর বিরুদ্ধে তরুণ সমাজ দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করলেও ফ্যাসিবাদী শাসকের টনক নড়েনি।

প্রতিটি সেক্টরে মাফিয়াতন্ত্র কায়েম করে একটি সুবিধাভোগী শ্রেণি তৈরি করা হয়েছিল জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যারা আর্থিক অন্যান্য সুবিধার বিনিময়ে স্বৈরাচারের পক্ষে কথা বলবে, কাজ করবে, স্বৈরাচারের পক্ষের সঙ্গী হলেই তার চাকরি হবে। কাজ মিলবে। সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, এমনকি বিচার ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক মন্ডলেও এ ধরনের সুবিধাবাদী শ্রেণি তৈরি হয়েছিল। এদেশের গরীব মেহনতি মানুষের পয়সা লুট করে, পতিত ফ্যাসিবাদ ও তাদের সহযোগীরা একেকজন টাকার পাহাড় গড়ে তোলে। সীমাহীন দুর্নীতির কবলে পড়ে অর্থনীতি ভেঙে পড়ে। এই দেড়যুগে প্রতিটি ন্যায্য দাবি প্রতিবাদ বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের পাশাপাশি দলীয় সন্ত্রাসীরা অস্ত্র হাতে আন্দোলনকারীদের পিটিয়েছে।

গত ১৬ বছরে যারাই সরকারের সমালোচনা করেছে, নাগরিকদের অধিকারের পক্ষে কথা বলেছে, তাদের গ্রেপ্তার অথবা গুম করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, লাখ লাখ বিরোধীদলীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের নির্বিচারে আটক, গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে ২৪ জুলাই দেশের ছাত্রসমাজ, তরুণ প্রজন্ম, সাধারণ মানুষ সবাই একত্রিত হয় এক নতুন দিনের প্রত্যাশায়। সমস্বরে তারা বলে ওঠে, এবার ফ্যাসিবাদীদের যেতে হবে। তবু দেশের মানুষের বুকে গুলি চালিয়ে শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চেয়েছিল ফ্যাসিবাদ সরকার। তারা নির্বিচারে গুলি করেছে। গ্রেপ্তার করেছে। ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাকাণ্ডের তথ্য লুকাতে চেয়েছে। রাতের অন্ধকারে এলাকায় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছাত্রদের আটক করেছে। গুলিবিদ্ধ আহতদের তারা হাসপাতালের চিকিৎসা নিতে দেয়নি। হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যেন আহতদের ভর্তি না করা হয়। এ কারণে বহু মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে চিরতরে দৃষ্টি হারিয়েছে, পঙ্গু হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে জাতির সূর্য সন্তান জুলাই শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তিনি বলেন, তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। জুলাইয়ে যারা আহত হয়েছেন, চিরতরে পঙ্গু হয়েছেন, দৃষ্টি হারিয়েছেন, জাতির পক্ষ থেকে আমি তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এই জাতি আপনাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবে। গত বছর ডিসেম্বর মাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার, আহতদের কল্যাণ ও যাবতীয় বিষয় প্রশাসনিক দায়িত্ব মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওপর বিন্যস্ত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৮৩৬টি শহীদ পরিবারের মধ্যে ৭৭৫টি শহীদ পরিবারকে মোট ৯৮ কোটি ৪০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ও মাসিক ভাতা বাবদ ব্যাংক চেক দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট যারা আছেন তাদেরও কয়েকটি বিষয় নিষ্পত্তি সাপেক্ষে সঞ্চয়পত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এর পাশাপাশি আহত ১৩ হাজার ৮০০ জুলাই যোদ্ধাকে তিনটি ক্যাটাগরিতে নগদ টাকা ও চেক বাবদ মোট ১৫৩ কোটি ৪ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ৭৮ জন অতি গুরুতর আহত জুলাই যোদ্ধাকে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, তুরস্ক এবং রাশিয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বাবদ এ পর্যন্ত ৯৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। জেলা উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিক বা স্বাস্থ্য কেন্দ্র, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে সব শ্রেণির আহত জুলাই যোদ্ধাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গেছে। সরকারের পক্ষ থেকে জুলাই শহীদ ও আহতদের জন্য আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে জুলাইয়ের মহানায়কদের আত্মত্যাগ তখনই সার্থক হবে, যখন এ দেশকে আমরা একটি সত্যিকারের জন কল্যাণকর দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো।

আজ আমরা কেবল অতীত স্মরণ করতে আসি নাই। আমরা একটি শপথ গ্রহণ করতে এসেছি। শপথ এই আমরা কোনো ধরনের নিপীড়নের কাছে মাথা নোয়াবো না। আমরা প্রতিষ্ঠা করব, একটা জবাবদিহিমূলক, মানবিক, গণতান্ত্রিক এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র। এমন রাষ্ট্র যা সবসময় জনকল্যাণে কাজ করবে। জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ আমরা বৃথা যেতে দেব না। তাদের আত্মত্যাগই হবে আমাদের পথ চলার প্রেরণা। তাদের স্বপ্নই হবে আমাদের আগামী বাংলাদেশের নির্মাণ রাখা। আজকের এই দিনে এটাই হোক আমাদের শপথ।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি

ডেস্ক রিপোর্টঃ তারেক রহমান দেশে ফিরবেন এবং তার নেতৃত্বেই বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শনিবার দুপুরে রাজধানীর বনানীতে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এমনটি জানিয়েছেন তিনি। আমীর খসরু বলেন, ডা. জুবাইদা রহমান রাজনীতিতে আসবেন কি না- তা তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের ওপর নির্ভর করছে তার বিদেশ যাত্রা। চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তই এখানে চূড়ান্ত। খুব শিগগিরই জোটের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানান তিনি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আমীর খসরু বলেন, নির্বাচনী জোট ও আসন নিয়ে আলাপ আলোচনা এখনো শেষ হয়নি। সংলাপ-আলাপ আলোচনা সব সময়ই গণতন্ত্রের অংশ। আলোচনা, সংলাপ চলতে হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া চলমান আছে। নির্বাচনের দিকে পুরো জাতি যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বেগম জিয়া প্রথম ব্যক্তি যিনি

আরও পড়ুন
language Change