তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
হাসিনাকে কেন দিল্লিতে আশ্রয় দিয়ে রাখা হয়েছে বিকেলে শুরু যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা চিটাগং শপিং কমপ্লেক্সের আগুন নিয়ন্ত্রণে গোপনে ইরানে অস্ত্র পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন এনসিপির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দুই পক্ষের মারামারি ঢাকাসহ সারা দেশে বাড়বে গরম চট্টগ্রামে শপিং কমপ্লেক্সে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারীর মৃত্যুতে নিন্দা অনিয়মের অভিযোগ এনে শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থীর ভোট বর্জন পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী পেট্রোল-অকটেনে কতদিন চলবে, জানাল জ্বালানি বিভাগ জনস্বাস্থ্যের প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে নতুন বিতর্ক, এনএসআই রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাস কতদিন, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী সারা দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদ ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ঝিনাইগাতীতে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ ইরানের সঙ্গে ১০ দফা চুক্তির খবরকে ভুয়া বলে উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন সিন্দুকছড়িতে সাড়ে ৮ কেজি গাঁজাসহ এক যুবক আটক প্লাস্টিক হেলমেট ভাঙা কর্মসূচী”ট্রাফিক গুলশান ডিভিশন আয়োজনে বলিউডের প্রস্তাব পেয়েও কেন ফিরিয়েছিলেন অভিনেত্রী বিপাশা চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রশাসকের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য স্কাউট র‍্যালি অনুষ্ঠিত আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন ইউপিডিএফ সদস্যকে গুলি করে হত্যা মোংলায় তিন ব্যবসায়ীকে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ব্যাংকিং নাকি ভয়ের সংস্কৃতি ইবিএলে এমডির স্বৈরতন্ত্র পল্টনে সাংবাদিকের অফিসে হামলা, চাঁদাবাজি ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ বিমানের টয়লেটে ১৮ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার সদরে আসাদুজ্জামানের উন্নয়ন এখন কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ আজ সরাসরি সম্প্রচার হবে আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ভোলা পুলিশের অপরাধ ও আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় চুপ থাকুন, না হলে সমস্যায় পড়বেন: হাসনাত আবদুল্লাহ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু সখীপুর প্রশাসনের আয়োজনেজাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা ভোলা পুলিশের বিশেষ কল্যাণ সভায় ডিআইজি ভোলাহাটে বিনামূল্যে সার-বীজ বিতরণ উদ্বোধন রংপুরে বাকপ্রতিবন্ধী নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হবে মোংলায় আর্থস্কাউট স্কুল ক্যাম্পেইনে বক্তারা শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন, কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে ভোটগ্রহণের সরঞ্জামাদি নেত্রকোনায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু পাটোয়ারী বাবুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতালে আগুন ঝিনাইগাতীতে বিরল লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করল বন বিভাগ সিন্দুকছড়ি জোনে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার অগ্রণীতে ‘বাশার' মামলার আসামি তবু এমডি পদের দৌড়ে এগিয়ে? যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় তেলের দাম কত নামলো হাজির হননি নোরা ফাতেহি, সঞ্জয় দত্তকে তলব বেড়েই চলেছে হামের দাপট, ময়মনসিংহ হাসপাতালে একদিনে ভর্তি ২২ শিশু দুদকের জালে দুদক কমিশনার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন বিমান বাহিনী প্রধান

জলবায়ু পরিবর্তনের থাবায় হুমকিতে বাংলাদেশের চা শিল্প

পাঠক সংখ্যা
638

মুহাম্মদ রুহুল আমীন:
বাংলাদেশের চা শিল্প, যা একসময় সবুজ পাহাড়ে গড়ে ওঠা অর্থনীতির প্রতীক ছিল, আজ জলবায়ু পরিবর্তনের কড়াল ছোবলে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, দীর্ঘমেয়াদি খরা, তাপমাত্রার লাগাতার বৃদ্ধি এবং ছত্রাক ও পোকামাকড়ের আধিক্যে চা গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি গুণগত মানেও পড়েছে নেতিবাচক প্রভাব।

সিলেট, মৌলভীবাজার ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলের চা বাগানগুলোতে এখন আর আগের মতো সবুজ সমুদ্র দেখা যায় না। বদলে ধুলিময়, বিবর্ণ জমিতে রোগাক্রান্ত চা গাছ দাঁড়িয়ে থাকছে নিশ্চুপ প্রতিবাদে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের এমন অভিঘাত চলতে থাকলে দেশের চা শিল্পে স্থায়ী বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

চা বোর্ডের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪ সালে দেশের ১৬৯টি চা বাগানে মোট এক কোটি ৮০ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। অথচ প্রকৃত উৎপাদন হয়েছে মাত্র ৯ কোটি ৩০ লাখ কেজি—লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪৮.৩৩% কম। চলতি বছরের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১০ কোটি ৩০ লাখ কেজি, কিন্তু এপ্রিল পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে মাত্র ৩ কোটি ৯৫ লাখ কেজি। পরিস্থিতি দেখে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, এবারও লক্ষ্য পূরণ হবে না।

সিলেট অঞ্চলের এক অভিজ্ঞ চা শ্রমিক শ্যামলী দাস জানান, “আগে চা পাতার কুঁড়ি তুলতে দিনে ছয় ঝুড়ি লাগতো, এখন তিনটিও হয় না। গাছগুলো যেন ক্লান্ত হয়ে গেছে।” তাঁর কথায় স্পষ্ট হয়ে ওঠে মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা।

আবহাওয়া বিশ্লেষক ড. শাহ মো. সজিব হোসাইন জানিয়েছেন, “চলতি বছরের প্রথমার্ধে দেশে বৃষ্টিপাত কমেছে প্রায় ৪৯ শতাংশ। সেই সঙ্গে গড় তাপমাত্রাও বেড়েছে প্রায় ১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চায়ের মতো সংবেদনশীল ফসলের জন্য মারাত্মক।”

এই আবহাওয়া সংকটের সাথে যুক্ত হয়েছে নতুন শত্রু-ছত্রাক ও পোকামাকড়। তাপ ও আর্দ্রতার সমন্বয়ে ছড়িয়ে পড়া রোগে চা পাতায় দাগ পড়ছে, কিছু গাছ সম্পূর্ণভাবে মারা যাচ্ছে। ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং ও টি টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. ইফতেখার আহমদ মনে করেন, “জলবায়ু অভিযোজন ছাড়া চা শিল্পের ভবিষ্যৎ নেই। এখনই সময় সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বে সেচ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, মাটির মান রক্ষা এবং তাপ-সহনশীল জাত উদ্ভাবনে উদ্যোগ নেওয়ার।”

চা উৎপাদক প্রতিষ্ঠান ম্যাকসন ব্রাদার্স বাংলাদেশ লিমিটেড-এর পরিচালক মো. আজহারুজ্জামান সোহেল বলেন, “চা শিল্প শুধু অর্থনীতির অংশ নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। এই খাতকে টিকিয়ে রাখতে এখন প্রয়োজন সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা।”

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বাংলাদেশের মতো কৃষিনির্ভর দেশে গভীরভাবে অনুভূত হচ্ছে। চা শিল্প তার জ্বলন্ত প্রমাণ। এখন সময়, সরকার ও শিল্প সংশ্লিষ্ট সবাই মিলে এই সংকট মোকাবেলায় সুস্পষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে একটি টেকসই চা শিল্প গড়ার।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য : প্রধানমন্ত্রী

সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্টঃ সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নেরও আশ্বাস দেন তিনি। মঙ্গলবার ১০ মার্চ সকালে রাজধানীর বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে কড়াইল বস্তিসংলগ্ন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীদের স্বাবলম্বী ও ক্ষমতায়ন করতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে। সরকার পর্যায়ক্রমে চার কোটি পরিবারকে আগামী ৫ বছরে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবে। এ সময় তিনি আগামী মাসের মধ্যে কৃষক কার্ড কার্যক্রম শুরু করারও প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, প্রাথমিকভাবে ঢাকার কড়াইল ও ভাসানটেক বাগানবাড়ি বস্তি, রাজবাড়ীর পাংশা চট্টগ্রামের পটিয়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরসহ দেশের ১৪টি স্থানে এই প্রকল্প চালু হচ্ছে। এর আওতায় নির্বাচিত

আরও পড়ুন
language Change