তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা-২০২৫ এর বাস্তবায়ন স্থগিতের দাবি পঞ্চগড় সীমান্ত থেকে ১০ জনকে ফেরত নিলো বিএসএফ প্রবাসে থাকার সুযোগে পৈত্রিক সম্পত্তিতে মাটিদস্যুতা ভারতগামী কার্গো জাহাজে সশস্ত্র ডাকাতি ও গুলিবর্ষণ নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা টাঙ্গাইলে মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবাসহ মুদি দোকানদার গ্রফতার ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন মাদকবিরোধী অভিযানে স ইয়াবাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেফতার সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন শাহিন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ বেস ক্যাম্পের শহরে গোলাগুলি, আহত ৯ মস্কোয় বাংলাদেশ-রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন আজ মোংলা বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফার যোগদান নালিতাবাড়ী মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি নির্বাচন সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও শাকিলের জামিন স্থগিত মারা যাওয়া প্রত্যেক শিশুর পরিবার পাবে ৮০ লাখ টাকা : শিশির মনির যৌতুকের টাকা না পেয়ে নির্যাতন, গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু কেশবপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি ও লিফলেট বিতরণ বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান বাংলাদেশকে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর পালা : প্রধানমন্ত্রী চলছে বিসিবি নির্বাচন, ভোট দিলেন তামিম সরকারের সিদ্ধান্তে নিম্ন আয়ের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের স্বস্তি শ্রীবরদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযান: জব্দ ২টি ড্রেজার মেশিন মোংলায় মাদক দুর্নীতিবিরোধী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার আওয়ামীলীগ নেতা ও একাধিক মামলার আসামি কতৃক মৎস্য ঘেরের মাছ লুট, বিষ প্রয়োগের অভিযোগ মৎস্যজীবীদের বঞ্চিত করে বিল ভাতিয়া দখলের অভিযোগ, অবৈধ বাঁধের কারনে শঙ্কায় হাজারো কৃষক জুন মাসের শেষে সুন্দরবনে ফিরিয়ে দিচ্ছে ফাঁদে আটকা পড়া বাঘ শ্রীমঙ্গলে বাস-পিকআপভ্যানের সংঘর্ষে পিকআপ চালক নিহত ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রামিসা হত্যা মামলায় আসামি সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড রাশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি-ফারজানা রূপাসহ ৯ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির ২০ মিনিট বাড়ছে মেট্রোরেলের সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ইয়াবা-গাঁজা ও চোলাই মদসহ ২১ জন গ্রেফতার সরকারদলীয় এমপিদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী হাম ও হামের উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৩২ হাতের ছোঁয়ায় গড়ি ঐতিহ্য, শিল্পীর মর্যাদায় গড়ি সমৃদ্ধি মৃৎশিল্পী কারিগর সম্মাননা-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবু'র ক্যাশিয়ার কসাই লিটনসহ গ্রেফতার  পটুয়াখালীতে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে প্রতারণা, ফ্ল্যাট দখল ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ময়লা-আবর্জনার স্তূপে অতিষ্ঠ চাটখিল, প্রশাসনকে দুষছেন জনগণ মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ শ্রীবরদীতে র‌্যালি, পরিষ্কার অভিযান ও লার্ভিসাইড স্প্রে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ সাদাপাথর ভ্রমণে প্রশাসনের নতুন নির্দেশনা দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স তৈরির বিষয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় অভিযানে পিলার প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের গজনী পর্যটন কেন্দ্র পরিদর্শন বরগুনায় স্বপ্নযাত্রী একতা ফাউন্ডেশনের বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন আর্তেরআশার সম্পদ আত্মসাৎ ও বসতভিটা দখলের অভিযোগ, নিরাপত্তাহীনতায় ৪০ পরিবার চাঁনশিকারী বিজিবির অভিযান চোরাকারবারি আটক, ১২৪ বোতল মাদক ও ইজিবাইক জব্দ

জলবায়ু পরিবর্তনের থাবায় হুমকিতে বাংলাদেশের চা শিল্প

পাঠক সংখ্যা
638

মুহাম্মদ রুহুল আমীন:
বাংলাদেশের চা শিল্প, যা একসময় সবুজ পাহাড়ে গড়ে ওঠা অর্থনীতির প্রতীক ছিল, আজ জলবায়ু পরিবর্তনের কড়াল ছোবলে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, দীর্ঘমেয়াদি খরা, তাপমাত্রার লাগাতার বৃদ্ধি এবং ছত্রাক ও পোকামাকড়ের আধিক্যে চা গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি গুণগত মানেও পড়েছে নেতিবাচক প্রভাব।

সিলেট, মৌলভীবাজার ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলের চা বাগানগুলোতে এখন আর আগের মতো সবুজ সমুদ্র দেখা যায় না। বদলে ধুলিময়, বিবর্ণ জমিতে রোগাক্রান্ত চা গাছ দাঁড়িয়ে থাকছে নিশ্চুপ প্রতিবাদে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের এমন অভিঘাত চলতে থাকলে দেশের চা শিল্পে স্থায়ী বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

চা বোর্ডের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪ সালে দেশের ১৬৯টি চা বাগানে মোট এক কোটি ৮০ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। অথচ প্রকৃত উৎপাদন হয়েছে মাত্র ৯ কোটি ৩০ লাখ কেজি—লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪৮.৩৩% কম। চলতি বছরের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১০ কোটি ৩০ লাখ কেজি, কিন্তু এপ্রিল পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে মাত্র ৩ কোটি ৯৫ লাখ কেজি। পরিস্থিতি দেখে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, এবারও লক্ষ্য পূরণ হবে না।

সিলেট অঞ্চলের এক অভিজ্ঞ চা শ্রমিক শ্যামলী দাস জানান, “আগে চা পাতার কুঁড়ি তুলতে দিনে ছয় ঝুড়ি লাগতো, এখন তিনটিও হয় না। গাছগুলো যেন ক্লান্ত হয়ে গেছে।” তাঁর কথায় স্পষ্ট হয়ে ওঠে মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা।

আবহাওয়া বিশ্লেষক ড. শাহ মো. সজিব হোসাইন জানিয়েছেন, “চলতি বছরের প্রথমার্ধে দেশে বৃষ্টিপাত কমেছে প্রায় ৪৯ শতাংশ। সেই সঙ্গে গড় তাপমাত্রাও বেড়েছে প্রায় ১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চায়ের মতো সংবেদনশীল ফসলের জন্য মারাত্মক।”

এই আবহাওয়া সংকটের সাথে যুক্ত হয়েছে নতুন শত্রু-ছত্রাক ও পোকামাকড়। তাপ ও আর্দ্রতার সমন্বয়ে ছড়িয়ে পড়া রোগে চা পাতায় দাগ পড়ছে, কিছু গাছ সম্পূর্ণভাবে মারা যাচ্ছে। ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং ও টি টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. ইফতেখার আহমদ মনে করেন, “জলবায়ু অভিযোজন ছাড়া চা শিল্পের ভবিষ্যৎ নেই। এখনই সময় সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বে সেচ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, মাটির মান রক্ষা এবং তাপ-সহনশীল জাত উদ্ভাবনে উদ্যোগ নেওয়ার।”

চা উৎপাদক প্রতিষ্ঠান ম্যাকসন ব্রাদার্স বাংলাদেশ লিমিটেড-এর পরিচালক মো. আজহারুজ্জামান সোহেল বলেন, “চা শিল্প শুধু অর্থনীতির অংশ নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। এই খাতকে টিকিয়ে রাখতে এখন প্রয়োজন সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা।”

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বাংলাদেশের মতো কৃষিনির্ভর দেশে গভীরভাবে অনুভূত হচ্ছে। চা শিল্প তার জ্বলন্ত প্রমাণ। এখন সময়, সরকার ও শিল্প সংশ্লিষ্ট সবাই মিলে এই সংকট মোকাবেলায় সুস্পষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে একটি টেকসই চা শিল্প গড়ার।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

আগাম শীতকালীন সবজি চাষে বাম্পার ফলনের আশাবাদী কৃষক !

আগাম শীতকালীন সবজি চাষে বাম্পার ফলনের আশাবাদী কৃষক !

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতী গারো পাহাড়ে মৌসুমের আগেই বাজারে উঠতে শুরু করেছে নানা রকম শীতকালীন সবজি। ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার পাহাড়ি এলাকায় বেশ কয়েক বছর ধরেই আগাম সবজি উৎপাদন হচ্ছে, যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ করা হচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও এখানকার কৃষকরা আগাম সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। গারো কোনা ও হলদিগ্রাম এলাকার কৃষক মো. আনোয়ার হোসেন ও মো. আব্দুল কাদের জানান, ধানের আবাদে লোকসান হওয়ায় তাঁরা এখন সবজি চাষে ঝুঁকছেন। আগাম জাতের বিভিন্ন সবজি চাষ করে কৃষকরা ভালো লাভবান হচ্ছেন। ফলে দিন দিন বাড়ছে সবজি চাষের পরিমাণ ও কৃষকের আগ্রহ। সরেজমিনে ঝিনাইগাতীর সন্ধাকুড়া, গারোকোনা, হলদিগ্রাম, জারুলতলা ও মানিককুড়া গ্রামে দেখা গেছে— মাঠে মাঠে বেগুন, লাউ, সিম, বরবটি, মূলাসহ নানা শীতকালীন

আরও পড়ুন
language Change