তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
ঢাকা ১৮ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর এশিয়ান এক্সেলেন্স অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫ প্রদান সংবাদ প্রকাশের জেরে এভারকেয়ারের সামনে সাংবাদিক হেনস্তা ইসলামিক বিধানে ধনসম্পদ ব্যবহার জাতিসংঘ কর্মকর্তার সঙ্গে জামায়াত আমিরের বিদায়ী সাক্ষাৎ পুলিশকে ‘ঐতিহাসিক দায়িত্ব’ পালনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার সেনাবাহিনীর অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা আটক আগুনে দগ্ধ হলেন শুভ গাঁজা বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় খুন হন সাম্য রাষ্ট্রপতির সাক্ষাত চেয়ে চিঠি দিয়েছে ইসি বিজিবির অভিযানে চকো প্লাস সিরাপ জব্দ ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু দেশে আসছে জুবাইদা রহমান বেনাপোল বন্দর দিয়ে বন্ধ হলো চাল আমদানি পৃথক অভিযানে ২ মাদক কারবারি আটক ডিএমপির গুরুত্বপূর্ণ ১৪ ডিসি ও ৫০ থানার ওসি রদবদল চিকিৎসার জন্য আবারও লন্ডন যাচ্ছেন খালেদা জিয়া ঘর নির্মাণে বাধা, ৫ লাখ টাক চাঁদা দাবি বারবার ভূমিকম্পের কারণ জানা গেল জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি বাংলাদেশ পাকিস্তান ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি প্রতীকের নিবন্ধন সনদ পেল এনসিপি বিআইডব্লিউটিএ’র নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির অভিযোগ ঘোপালে অসহায় পরিবারের মাঝে পায়রার হুইল চেয়ার বিতরণ খালেদা জিয়ার জন্য সারা দেশে দোয়া চেয়েছে সরকার অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ বৈধ : আপিল বিভাগ গণতন্ত্রের মা এভারকেয়ারে সেনা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান বিজিবির ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত বুদ্ধিজীবী ও বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা ইমারত নির্মাণ আইন ভাঙতে সহযোগিতা করেন রাজউক ইমারত পরিদর্শক উজ্জ্বল বিজিবির অভিযানে বিশ কেজি গাঁজা জব্দ ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হবে উৎসবমুখর : প্রধান উপদেষ্টা বিমানবন্দরে রপ্তানি কার্গো হতে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার জাল এমপিও শিক্ষক চিহ্নিত শতাব্দীর সেরা নির্বাচন উপহার দিতে চাই বিমানের সিপাহীর আয় বহির্ভূত সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুদক বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ ও চোরাচালানী মাল জব্দ শিক্ষকদের কর্ম-বিরতি, স্থগিত বার্ষিক পরীক্ষা পোল্ট্রি খামারের বিষাক্ত বর্জ্যে বিপন্ন জনজীবন টোল প্লাজার চেকপোষ্ট থেকে পিস্তল ও গুলিসহ আটক-১ খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে তিন বাহিনী প্রধান সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কর্ম বিরতি শুরু জেলা পরিষদ সদস্য সাথোয়াই প্রুর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ লটারির মাধ্যমে ৫২৭ থানায় নতুন ওসি পরীক্ষার হলের দায়িত্বে অভিভাবকরা বরিশালে ভুয়া চিকিৎসক আটক কক্সবাজারের পর্যটন শৃঙ্খলা আনতে তৎপর ট্যুরিস্ট পুলিশ খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থা জানালেন ডা. জাহিদ দেশবাসীর সম্মিলিত সমর্থনই আমাদের শক্তি ও প্রেরণার উৎস : তারেক রহমান

৩০ কোটি বছর আগে মহাকাশ থেকে ছুটে এসেছিল একটি বিশাল পাথর

ওমর কায়সারঃ

পুরো পাহাড়টাই আস্ত একটা পাথর। প্রায় ৩০ কোটি বছর আগে মহাশূন্য থেকে ছুটে আসা অতিকায় পাথরখণ্ডটি ‘স্টোন মাউন্টেইন’ নামে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় বেড়াতে গিয়ে দেখে এসেছেন ওমর কায়সার। গাড়ি যত কাছে যাচ্ছে, তত ছায়ার মতো অতিকায় পাহাড়টি চোখের সামনে বড় হয়ে উঠছে। পাদদেশে নেমে দেখি নানা গাছপালা, ঘাসের প্রান্তর আর ছোট ছোট জলাশয়। চারদিক শান্ত ও নির্জন। একটা জায়গায় বেশ ঘন গাছপালা। সেখানে দুটো কৃশ হরিণ চরে বেড়াচ্ছে। আমাদের উপস্থিতি গ্রাহ্যই করল না। মানুষ দেখতে দেখতে তারা অভ্যস্ত নিশ্চয়ই।

স্টোন মাউন্টেইনের কথা আগে শুনেছিলাম। তখন থেকে মনে হয়েছিল পাথরের পর্বত মানে রুক্ষ, বৈচিত্র্যহীন ও বিষণ্ন একটা কিছু হবে। কিন্তু পাথরের বুকও যে এতটা লাবণ্য ধরে রাখে, আগে বুঝিনি। ফোবানা উৎসব যোগ দিতে আগস্টের শেষ সপ্তাহে আটলান্টা গিয়েছিলাম। কলেজ জীবনের সহপাঠী রাফি সৈয়দ আর সারোয়ার কামালের অতি আগ্রহ আমাকে চুম্বকের মতো স্টোন মাউন্টেইনে টেনে নিয়ে গেল। সারোয়ার বলল, পর্বতটাতে ওঠার আগে অনেকেই ভাবে সেখানে তারা অনেক পাথর দেখতে পাবে। আসলে তা না। এই পাহাড়টির পুরোটাই একটা বিশাল গ্রানাইট শিলা। অর্থাৎ একটা পাথর দিয়ে গঠিত একটা পাহাড়। পৃথিবীর বৃহত্তম একক গ্রানাইট গঠনগুলোর একটি স্টোন মাউন্টেইন।

প্রায় ৩০ কোটি বছর আগে মহাশূন্য থেকে ছুটে এসে এই অতিকায় পাথরখণ্ডটি পৃথিবীর বুকে আসন পেতেছিল। ভাবতে অবাক লাগল যে পাথরের ওপর আমি দাঁড়িয়ে আছি, সেটি মানবসভ্যতার বহু আগেই জন্ম নিয়েছিল। ঘুরতে ঘুরতে মনে হলো প্রকৃতি আর ইতিহাস যেন পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে। বিশাল ধূসর পাহাড়টা দূর থেকে কঠিন আর নীরব মনে হয়েছিল, অথচ কাছে এসে মনে হলো এটি জীবন্ত। সত্যিই স্টোন মাউন্টেইন পার্ক শুধু পাহাড় নয়, এটা এক বিশাল বিনোদন ও ঐতিহাসিক কেন্দ্র। পাহাড়ের গায়ে খোদাই করে বানানো হয়েছে জেফারসন ডেভিস, রবার্ট ই. লি আর স্টোনওয়াল জ্যাকসনের বিশাল ভাস্কর্য। এই তিনজনের নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমেরিকার গৃহযুদ্ধ আর দাসপ্রথার ইতিহাস। ১৮৬১ থেকে ১৮৬৫ সালে দাসপ্রথার পক্ষ-বিপক্ষে দুই ভাগ হয়ে গৃহযুদ্ধে লিপ্ত হয় আমেরিকা। উত্তরের রাজ্যগুলো চেয়েছিল দাসপ্রথা বন্ধ হোক। আর দক্ষিণের রাজ্যগুলো চেয়েছিল দাসপ্রথা থাকুক। এই নিয়ে গৃহযুদ্ধ। পরে দক্ষিণের ১১টি রাজ্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা হয়ে গঠন করে কনফেডারেট স্টেট অব আমেরিকা (কনফেডারেসি)। দাসপ্রথা চালু রাখার পক্ষের রাজ্যগুলোর নেতা ছিলেন এই তিনজন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধে ওরা জিততে পারেনি, জিতেছিল উত্তর। ফলে বিলুপ্ত হয় দাসপ্রথা। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার গৃহযুদ্ধের খলনায়কদের নাম ওরা ভোলেনি, পাথরের গায়ে তাদের ভাস্কর্য খোদিত করা হয়েছে।
Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

দূর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ পাহাড় গড়েছেন রাজউকের পরিকল্পনাবিদ নুর-ই খোদা

আলম শেখ: রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউকের নগর পরিকল্পনা বা উন্নয়ন যথাযথ না হলেও এক পরিকল্পনাবিদের পরিবারিক ও ব্যক্তিগত উন্নয়ন হয়েছে আকাশসম। দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত আয় বহির্ভূত সম্পদের পাহাড়ে আহরণ করছেন তিনি। গড়েছেন ফ্লাট, প্লট, বাগিয়েছেন একাধিক কোম্পানির শেয়ার, স্ত্রী’র নামে রয়েছে ইট ভাটা পরিবার ও আত্মীয় স্বজনের নামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ ও নগদ অর্থ। তিনি রাজউকের অঞ্চল-১ এর উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ মোহাম্মদ নুর ই খোদা। সুত্র মতে, মোহাম্মদ নুর ই খোদা একজন সরকারী কর্মকর্তা হয়ে আইন বহির্ভূত অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জন করেছেন। নামে বেনামে এসব সম্পদ আত্মীয়-স্বজন ও পরিবার পরিজনদের মাধ্যমে পরিচালনা করে আসছেন। কোটি কোটি টাকার এসব প্রতিষ্ঠান ও সম্পদ থেকে ব্যাট ট্যাক্স থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং চাকরিবি ধি অমান্য করে সরকারের চোখে ফাঁকি দিয়ে একাধিক

আরও পড়ুন
language Change