তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি দেড় যুগ পর ২০২৪ এর বিজয় দিবস ছিল ‘শৃঙ্খলমুক্ত’ তরুণদের ভাবনায় বিজয়ের মাস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা স্বামীসহ গৃহকর্মীর রিমান্ড মঞ্জুর ৪২ ফুট গভীরেও সন্ধান মেলেনি সাজিদের খাসজমি দখল করে চলাচলের পথ বন্ধের অভিযোগ জনগণকে হ্যাঁ-না ভোট বোঝানো বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্য সচিব মিডল্যান্ড ব্যাংকের শেয়ার কারসাজি ১৯৭১ সাল আমাদের অস্তিত্ব: মির্জা ফখরুল এই নির্বাচনের লড়াই, সবচেয়ে কঠিন লড়াই শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে ফার্মগেটে সড়ক অবরোধ হাজার কোটি টাকা পাচার বেক্সিমকোর হিউম্যান রাইটস্ পীস অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ পদক পেয়েছেন ইব্রাহিম হোসেন ট্রাম্প গোল্ড ভিসা চালু করল যুক্তরাষ্ট্র এনসিপির মনোনয়ন পেলেন জাতীয় পার্টির উপদেষ্টা সংসদ ও গণভোটের তপশিল ঘোষণা আজ বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় চোরাইমাল জব্দ ডিবির এসআইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মাহফুজ ও আসিফ শহীদ নগরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত বাংলা একাডেমিতে আজ থেকে শুরু ‘বিজয় বইমেলা খালেদা জিয়ার আসনে এনসিপির প্রার্থী মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যায় গৃহকর্মী গ্রেফতার কুমিল্লায় এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী দোসরদের সাথে পারলেন না ! রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সিইসির সাক্ষাৎ শেষে, যেকোনো সময় তফসিল ঘোষণা এনসিপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা আরাধ্যাকে নিয়ে টানাটানি শাকিব নির্ভরতা 'সুসংবাদ নয়': অপু বিশ্বাস বিপিএল কাঁপাতে আসছেন দুই সুন্দরী আ.লীগকে কত শতাংশ মানুষ নির্বাচনে চান না,জানা গেল জরিপে বিএনপির আসন বণ্টন শিগগিরই তফসিলের পরে সমাবেশ–আন্দোলন করতে হবে অনুমতি নিয়ে বরুড়ায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালিত ঝিনাইগাতীতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত রামগড়ে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত তথ্য জালিয়াতি করে ভুয়া ঠিকানায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি ইমারত পরিদর্শক সাত্তারের বিরুদ্ধে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ বিজিবির উদ্যোগে লাশ দেখতে পেল ভারতীয়রা বুধবার সন্ধ্যায় বা বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণা আজকের স্বর্ণের দাম আইপিএলের নিলামে ৭ বাংলাদেশি ক্রিকেটার মোহাম্মদপুরে মা মেয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশ যা জানালো ভারত কানাডার ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ২০২৬ফুটবল বিশ্বকাপে নতুন নিয়ম বিএনপি বেশি আসনে জিতবে বলে মনে করছে ৬৬ শতাংশ মানুষ আবারো ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ আজ বেগম রোকেয়া দিবস হাসিনাসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গুমের মামলায় শুনানি আজ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় আজ সাক্ষ্য দেবেন হাসনাত আবদুল্লাহ

৩০ কোটি বছর আগে মহাকাশ থেকে ছুটে এসেছিল একটি বিশাল পাথর

পাঠক সংখ্যা
638

ওমর কায়সারঃ

পুরো পাহাড়টাই আস্ত একটা পাথর। প্রায় ৩০ কোটি বছর আগে মহাশূন্য থেকে ছুটে আসা অতিকায় পাথরখণ্ডটি ‘স্টোন মাউন্টেইন’ নামে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় বেড়াতে গিয়ে দেখে এসেছেন ওমর কায়সার। গাড়ি যত কাছে যাচ্ছে, তত ছায়ার মতো অতিকায় পাহাড়টি চোখের সামনে বড় হয়ে উঠছে। পাদদেশে নেমে দেখি নানা গাছপালা, ঘাসের প্রান্তর আর ছোট ছোট জলাশয়। চারদিক শান্ত ও নির্জন। একটা জায়গায় বেশ ঘন গাছপালা। সেখানে দুটো কৃশ হরিণ চরে বেড়াচ্ছে। আমাদের উপস্থিতি গ্রাহ্যই করল না। মানুষ দেখতে দেখতে তারা অভ্যস্ত নিশ্চয়ই।

স্টোন মাউন্টেইনের কথা আগে শুনেছিলাম। তখন থেকে মনে হয়েছিল পাথরের পর্বত মানে রুক্ষ, বৈচিত্র্যহীন ও বিষণ্ন একটা কিছু হবে। কিন্তু পাথরের বুকও যে এতটা লাবণ্য ধরে রাখে, আগে বুঝিনি। ফোবানা উৎসব যোগ দিতে আগস্টের শেষ সপ্তাহে আটলান্টা গিয়েছিলাম। কলেজ জীবনের সহপাঠী রাফি সৈয়দ আর সারোয়ার কামালের অতি আগ্রহ আমাকে চুম্বকের মতো স্টোন মাউন্টেইনে টেনে নিয়ে গেল। সারোয়ার বলল, পর্বতটাতে ওঠার আগে অনেকেই ভাবে সেখানে তারা অনেক পাথর দেখতে পাবে। আসলে তা না। এই পাহাড়টির পুরোটাই একটা বিশাল গ্রানাইট শিলা। অর্থাৎ একটা পাথর দিয়ে গঠিত একটা পাহাড়। পৃথিবীর বৃহত্তম একক গ্রানাইট গঠনগুলোর একটি স্টোন মাউন্টেইন।

প্রায় ৩০ কোটি বছর আগে মহাশূন্য থেকে ছুটে এসে এই অতিকায় পাথরখণ্ডটি পৃথিবীর বুকে আসন পেতেছিল। ভাবতে অবাক লাগল যে পাথরের ওপর আমি দাঁড়িয়ে আছি, সেটি মানবসভ্যতার বহু আগেই জন্ম নিয়েছিল। ঘুরতে ঘুরতে মনে হলো প্রকৃতি আর ইতিহাস যেন পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে। বিশাল ধূসর পাহাড়টা দূর থেকে কঠিন আর নীরব মনে হয়েছিল, অথচ কাছে এসে মনে হলো এটি জীবন্ত। সত্যিই স্টোন মাউন্টেইন পার্ক শুধু পাহাড় নয়, এটা এক বিশাল বিনোদন ও ঐতিহাসিক কেন্দ্র। পাহাড়ের গায়ে খোদাই করে বানানো হয়েছে জেফারসন ডেভিস, রবার্ট ই. লি আর স্টোনওয়াল জ্যাকসনের বিশাল ভাস্কর্য। এই তিনজনের নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমেরিকার গৃহযুদ্ধ আর দাসপ্রথার ইতিহাস। ১৮৬১ থেকে ১৮৬৫ সালে দাসপ্রথার পক্ষ-বিপক্ষে দুই ভাগ হয়ে গৃহযুদ্ধে লিপ্ত হয় আমেরিকা। উত্তরের রাজ্যগুলো চেয়েছিল দাসপ্রথা বন্ধ হোক। আর দক্ষিণের রাজ্যগুলো চেয়েছিল দাসপ্রথা থাকুক। এই নিয়ে গৃহযুদ্ধ। পরে দক্ষিণের ১১টি রাজ্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা হয়ে গঠন করে কনফেডারেট স্টেট অব আমেরিকা (কনফেডারেসি)। দাসপ্রথা চালু রাখার পক্ষের রাজ্যগুলোর নেতা ছিলেন এই তিনজন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধে ওরা জিততে পারেনি, জিতেছিল উত্তর। ফলে বিলুপ্ত হয় দাসপ্রথা। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার গৃহযুদ্ধের খলনায়কদের নাম ওরা ভোলেনি, পাথরের গায়ে তাদের ভাস্কর্য খোদিত করা হয়েছে।
Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

অবশেষে ডিআইজি হচ্ছেন হারুন উর রশিদ হাযারী

স্টাফ রিপোর্টার: পুলিশের ১৭ ব্যাচের মেধাবী হারুন উর রশিদ হাযারী দীর্ঘদিন পদোন্নতি বঞ্চিত থাকার পর অবশেষে ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পেতে চলেছেন। রবিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের (এসএসবি) (২০২৪ সালের ২০তম) সভায় হারুন উর রশিদসহ পুলিশ ক্যাডারের ৭৪ কর্মকর্তাকে ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতির সুপারিশ করা হয়। এখন এই পুলিশ কর্মকর্তাদের পদোন্নতির সুপারিশ অনুমোদনের জন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাঠানো হবে। প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনের পর যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। হারুন উর রশিদ হাযারী সৎ, দক্ষ ও মেধাবী পুলিশ কর্মকর্তা হলেও আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মূল্যায়িত হননি। রাজনৈতিক বিবেচনার কারণে যোগ্যতা থাকার পরও দীর্ঘকাল তার পদোন্নতি আটকে রাখা হয়। হারুন উর রশিদ হাযারী ১৯৯৮ সালে পুলিশে যোগদান করেন। পুলিশের ১৭ ব্যাচের মেধা তালিকায় তার অবস্থান তৃতীয়। তার ব্যাচের অনেক কর্মকর্তা অতিরিক্ত

আরও পড়ুন
language Change