তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
হিউম্যান রাইটস্ পীস অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ অর্জন করলেন তরুণ সাংবাদিক ইব্রাহিম হোসেন যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প গোল্ড ভিসা চালু করল এনসিপির মনোনয়ন পেলেন জাতীয় পার্টির উপদেষ্টা সংসদ ও গণভোটের তপশিল ঘোষণা আজ উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মাহফুজ ও আসিফ বাংলা একাডেমিতে আজ থেকে শুরু ‘বিজয় বইমেলা খালেদা জিয়ার আসনে এনসিপির প্রার্থী মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যায় গৃহকর্মী গ্রেফতার কুমিল্লায় এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী দোসরদের সাথে পারলেন না ! রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সিইসির সাক্ষাৎ শেষে, যেকোনো সময় তফসিল ঘোষণা এনসিপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা আরাধ্যাকে নিয়ে টানাটানি শাকিব নির্ভরতা 'সুসংবাদ নয়': অপু বিশ্বাস বিপিএল কাঁপাতে আসছেন দুই সুন্দরী আ.লীগকে কত শতাংশ মানুষ নির্বাচনে চান না,জানা গেল জরিপে বিএনপির আসন বণ্টন শিগগিরই তফসিলের পরে সমাবেশ–আন্দোলন করতে হবে অনুমতি নিয়ে তথ্য জালিয়াতি করে ভুয়া ঠিকানায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি ইমারত পরিদর্শক সাত্তারের বিরুদ্ধে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ বিজিবির উদ্যোগে লাশ দেখতে পেল ভারতীয়রা বুধবার সন্ধ্যায় বা বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণা আজকের স্বর্ণের দাম আইপিএলের নিলামে ৭ বাংলাদেশি ক্রিকেটার মোহাম্মদপুরে মা মেয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশ যা জানালো ভারত কানাডার ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ২০২৬ফুটবল বিশ্বকাপে নতুন নিয়ম বিএনপি বেশি আসনে জিতবে বলে মনে করছে ৬৬ শতাংশ মানুষ আবারো ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ আজ বেগম রোকেয়া দিবস হাসিনাসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গুমের মামলায় শুনানি আজ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় আজ সাক্ষ্য দেবেন হাসনাত আবদুল্লাহ রামগড়ে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত বরুড়ায় হানাদার মুক্ত দিবস পালিত ভারতীয় চোরাই মোবাইলসহ আটক - ১ প্রতারনার ফাঁদে ফেলে কোটি টাকা আত্মসাৎ সব অপরাধ বন্ধের ম্যাজিক আমার কাছে নেই রাজনৈতিক চাহিদা থাকলে অবৈধ আয় বন্ধ হবে না এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন ইসির সঙ্গে বৈঠকে জামায়াতে ইসলামী আত্মপ্রকাশ করল নতুন রাজনৈতিক জোট আন্দোলনের ঘোষণা ৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের থাইল্যান্ড কম্বোডিয়া সীমান্তে ফের উত্তেজনা ‘বিগ বস ১৯’শেষ হলো,কত টাকা পেলেন বিজয়ী? আজকের স্বর্ণের দাম চাঁদাবাজদের নির্মূল না করা পর্যন্ত লড়াই চলবে: হাসনাত নির্বাচনে বাড়ল ভোট গ্রহনের সময় এক সপ্তাহে ১৯ হাজারের বেশি প্রবাসী গ্রেফতার নিজ বাড়ি থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার নির্বাচনের তফসিল ডিসেম্বরের যেকোনো দিন

পিআর পদ্ধতি ছাড়া জামায়াত ৪-৫টা আসনও পাবে না: আবু হেনা রাজ্জাকী

পাঠক সংখ্যা
638
ডেস্ক রিপোর্ট :
সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আবু হেনা রাজ্জাকী বলেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রতিনিধিত্বমূলক অনুপাত (পিআর) পদ্ধতি ছাড়া জামায়াতে ইসলামী চার থেকে পাঁচটির বেশি আসন পাওয়ার কোনো বাস্তব সম্ভাবনা নেই। সাম্প্রতিক একটি বেসরকারি টেলিভিশনে সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
আবু হেনা রাজ্জাকী বলেন,জামায়াতে ইসলামী পিআর ছাড়া নির্বাচনে গেলে,সর্বোচ্চ হিসেবেও দলটি ১০টির বেশি আসন পেতে পারে না, যা সংসদীয় রাজনীতিতে বিরোধী দলের শক্ত অবস্থান গঠনের জন্য যথেষ্ট নয়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুটি বড় দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।কিন্তু এই দ্বিদলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঝখানে অনেক সময় জামায়াত  নির্ধারক ভূমিকায় উঠে এসেছে। তার ভাষায় রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। প্রয়োজনে শত্রুর শত্রুই মিত্রে পরিণত হয় বাংলাদেশের রাজনীতিতে এর উদাহরণ অসংখ্য।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ভোট ব্যাংক মূলত স্থির। জামায়াতেরও একটি নির্দিষ্ট ভোটার শ্রেণি আছে। কিন্তু নতুন শক্তি যেমন এনসিপি কিংবা কিছু ফ্লোটিং ভোটার তাদের ভোট যদি ছিটকে যায়, তবুও পিআর পদ্ধতি না থাকলে জামায়াতের সম্ভাবনা সীমিতই থেকে যাবে।রাজ্জাকীর মতে, পিআর পদ্ধতি জামায়াতের জন্য ছিল এক ধরনের আশীর্বাদ, কারণ এতে সরাসরি ভোটে পরাজিত হলেও জনপ্রিয়তার অনুপাতে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব হতো। কিন্তু সেই পদ্ধতি বাস্তবায়ন না হলে সংগঠনগত শক্তি থাকা সত্ত্বেও দলটির পক্ষে বড় সাফল্য পাওয়া কঠিন হবে।
তিনি বলেন, জামায়াত একটি অত্যন্ত সংগঠিত দল এক ধরনের  রেজিমেন্টেড ফোর্স । তবে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় বড় দলের সমর্থন ছাড়া তাদের পক্ষে উল্লেখযোগ্য আসন পাওয়া সম্ভব নয়।আবু হেনা রাজ্জাকী মনে করেন, রাজনৈতিক অচলাবস্থা বা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পরিস্থিতিতে শাসক দল কৌশলগত কারণে ছোট দলগুলোকে পাশে রাখতে পারে। তার ভাষায়, যদি আওয়ামী লীগ মনে করে যে রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় জামায়ত বা অনুরূপ কোনো দলকে আংশিকভাবে মাঠে রাখা দরকার, তাহলে সেটিও তারা করতে পারে।
Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

মিটার না দেখেই বিল, হয়রানির শিকার গ্রাহক

মিটার না দেখেই বিল, হয়রানির শিকার গ্রাহক

মির্জাগঞ্জ সংবাদদাতা: অতিরিক্ত বিলের কারণে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। গ্রাহকদের অভিযোগ মিটার রিডিং না দেখে বিল করায় প্রায় প্রতি মাসেই এ সমস্যা হয়। ইউনিট কমবেশি হলেও গ্রাহকদের গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা। পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অনেকেই এ অভিযোগ করেছেন। ভুতুড়ে বিল আসা মাধবখালী ইউনিয়নের শিশুর বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী সখনাথ রায়ের বিলের কাগজে দেখা যায়, গত ছয় মাসে গড়ে ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন তিনি। কিন্তু আগস্ট মাসে তার বিল কাগজে ১১৫ ইউনিট এবং সেপ্টেম্বর মাসে ১০০ ইউনিট আসে। মিটারের সাথে বিল কাগজ মিলিয়ে বিলে গরমিল পাওয়া যায়। বিল কাগজে তার মোট বিদ্যুৎ ব্যবহার দেখানো হয়েছে ১০০০ ইউনিট। কিন্তু মিটারে দেখা যায় মোট ব্যবহার হয়েছে ৮২৬ ইউনিট। ১৭৪ ইউনিটের বিল বেশি করা হয়েছে। এভাবে উপজেলায় প্রতি মাসে কোনো

আরও পড়ুন
language Change