স্টাফ রিপোর্টার॥
কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না চট্টগ্রাম বনবিভাগের কর্মরত ফরেস্টার মোজাম্মেলের অনিয়ম ,দুর্নীতি , চাঁদাবাজি । চাঁদাবাজিতে বহু ধাপ এগিয়ে এই ফরেস্টার মোজাম্মেল । মোজাম্মেলের চেকপোষ্টে (চকরিয়া)আপনি গাছ অথবা গাছ থেকে তৈরিকৃত কোন মালামাল নিয়ে যদি রওনা দেন আর যদি তিনি ঘুমিয়েও থাকেন তবুও চাঁদাবাজিতে কিন্তু ঠিকই মাঠে নেমে যান । গত ২৭ আগস্ট ২০২৫ ৩ তারিখে মোজাম্মেল সাহেব একটি পণ্যবাহী (কাঠ) ছোট পিকআপ ভ্যান যার রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ঢাকা মেট্রো নং ১৮ _৬১৫৬ ।
ঢাকা নবাবপুরের একটি দোকান থেকে কক্সবাজার আরেকটি দোকানে মালামাল পৌঁছে দেবার লক্ষ্যে রওনা দেন চালক মোহাম্মদ মিরাজ ,পুরো ঢাকা ভালোভাবে পার হলেও চট্টগ্রামে ঢুকেই চকরিয়ার চেক পোস্টে পড়তে হয় বলিষ্ঠ চাঁদাবাজ ফরেস্টার মোজাম্মেলের থাবায় ! আপনার লিকুইড মানি নেই সমস্যা নেই ! বিকাশ নগদ ,রকেট একটা থাকলেই চলবে তাই গত ২৭শে আগস্ট চকরিয়া চেক পোস্টে ঢাকা মেট্রো ন -১৮ ৬১৫৬ পিকআপ ভ্যানটি পণ্যবাহী মালামালসহ চালক মিরাজের পথ রুদ্ধ করে দাঁড়ায় । এবং চালকের ব্যক্তিগত বিকাশ নাম্বার থেকে চাঁদাবাজ মোজাম্মেলের র বিকাশ নাম্বারে ( ০১৩০৬৬৯৩৯৯৯ ) সাড়ে চার হাজার টাকা নেয় এই মর্মে যে, আপাতত যা আছে সেটাই দে পরে কক্সবাজার যেয়ে মালামাল পৌঁছে দিয়ে বাকি টাকা পয়সা দিবি । কিন্তু তাতেও রেহাই মিলল কই ! এবার কক্সবাজার যাওয়ার পর ঢাকা মেট্রো ন - ১৮ ৬১৫৬ এর চালক কে পন্যবাহী গাড়িসহ জব্দ করে নিয়ে যাওয়া হয় কক্সবাজার মালুম ঘাটের রেঞ্জ কার্যালয়ের অফিসে এবং তারপর শুরু হয় চাঁদাবাজির দড কসকষি এবং উক্ত গাড়িটি আটকে রাখা হয় ৩দিন । যদি ও বনবিভাগের কাজ উক্ত গাড়িতে থাকা জব্দকৃত অবৈধ পণ্য ( বন বিভাগের আইন অনুসারে ) তল্লাশি পর্যন্তই কিন্তু জব্দকৃত মালের চালান কপি ,মূসক ইত্যাদি যাচাই বাছাই করে দেখে যেয়ে সবই ঠিকঠাক এমতাবস্থায় কক্সবাজারের মালুম ঘাট রেঞ্জ অফিসারগন গাড়িতে থাকা মালামাল কার্যালয় থেকেই খালাস করে মোটা টাকা আদায়ের লক্ষ্যে গাড়ির মালিক ও চালক কে দেখাতে থাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি । ৫ ই আগস্ট ২০২৪ ইং ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন হবার পর থেকে এ পর্যন্ত দেশের বেশ কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত যাচ্ছে চট্টগ্রাম বনবিভাগের চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন দুর্নীতির সংবাদ ! কিন্তূ কোন শক্তি বা কাদের জোরে। ? এখনও তারা করেই চলেছে একই দুর্নীতি ।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বন বিভাগ নিয়ে বহু দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ হলেও কোন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত নেয়া হয়নি কোনো পদক্ষেপ ফলে দিনে দিনে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে এসব কর্মকর্তারা ।
বিভিন্ন অভিযোগের পর মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধানের পর দেখা যায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক (সি এফ) মোল্লা রেজাউল করিমের অধীনে মোট ১৫ টি চেক পোস্ট চলে এবং চকরিয়া চেকপোষ্ট থেকে মাসে ৪থেকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে দেন ফরেস্টার মোজাম্মেল ।
পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা , মন্ত্রণালয়ের সচিব , দুর্নীতি দমন কমিশন ও প্রধান বন সংরক্ষক এর কাছে এসব অভিযোগ করা হলেও নেয়া হয়নি এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ ।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত