তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
সরকারকে আল্টিমেটাম দিল সাদিক কায়েম সোনালী লাইফ ছাড়ছেন গ্রাহকরা, ৬৪ হাজার পলিসি বন্ধ ডিবির হেফাজতে আনিস আলমগীর, চলছে জিজ্ঞাসাবাদ এস আলমের পেটে জনতা ব্যাংকের ২ হাজার কোটি টাকা মেসিই একমাত্র গোট আমিনুলের ‘সাম্রাজ্য’: ১২ বছরে নিম্নবিত্ত থেকে শতকোটিপতি হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সিঙ্গাপুরের পথে আনিস আলমগীর ও অভিনেত্রী শাওনসহ চারজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড চেয়ে প্রসিকিউশনের আপিল আজ পেয়াজের সরবরাহ বাড়াতে আমদানির অনুমতি আরও বাড়ালো ডলারসহ বৈদেশিক মুদ্রার আজকের বিনিময় হার এশিয়ার জন্য ট্রাম্পের নতুন নীতি  ঢাকায় পৌঁছেছে হাদিকে নিতে আসা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রস্তুত প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে এনজিও কর্মকর্তার চাঁদাবাজি উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রামগড়ে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে আলোচনা সভা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত বিসিবির আচরণে তামিমের ক্ষোভ নিরাপদ মা ও সুস্থ শিশুর জন্য গর্ভকালীন পরিচর্যা আবহাওয়া অফিসের শীত নিয়ে নতুন বার্তা তারেক রহমানকে যেভাবে সংবর্ধনা জানাবে বিএনপি হাদিকে হামলায় আরো ২ জন গ্রেফতার ইসলাম ধর্মে বুদ্ধিজীবীদের যে সম্মান দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে পুলিশ এআইইউবির ২৩ তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত সংস্কৃতি মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে: কাদের গনি চৌধুরী শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ কম্বোডিয়ায় নতুন করে হামলা থাইল্যান্ডের বিদ্যা সিনহা মিম নতুন সিনেমায় ১৪ ডিসেম্বর: স্বর্ণের ভরি কত? শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন শাহজাদপুরে হাজী রফিকুলের MMH ও MNH অবৈধ ইট ভাটা চলছে ২০ বছর সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুরে নলুয়াতে তাঁবুর ঘরে মাদক ও জুয়ার আঁধারী আসর মেসির সাথে কারিনার সাক্ষাৎ ঘিরে তুমুল আলোচনা রোনালদোকে দেখা যেতে পারে হলিউডের সিনেমায় জাতিসংঘ মহাসচিবের কড়া বার্তা ট্রাইব্যুনালে হাজির ১৫ সেনা কর্মকর্তা বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে সাংবাদিকের ওপর হামলা পোস্টাল ব্যালটে ভোট শান্তিরক্ষীদের নিহতের ঘটনায় জামায়াত আমিরের শোক ট্রাকের ধাক্কায় হোটেল কর্মচারী নিহত দেশকে নেতৃত্বহীন করতে হাদির ওপর হামলা সামনে আরও হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে হাদির ওপর হামলায় মোটরসাইকেল মালিক গ্রেফতার শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা ১৪ ডিসেম্বর: বুদ্ধিজীবী হত্যার শোকাবহ দিবস আগামীকাল প্রধান বিচারপতির বিদায়ি অভিভাষণ

ভারতীয় মাফিয়া সিন্ডিকেটের কবলে বাংলাদেশের টেলিকম সেক্টর

পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
পাবলিক রেকর্ড ও ব্যবসায়িক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সম্প্রতি বিটিআরসি তাদের নীতিমালা NEIR (National Equipment Identity Register) প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছে, যা আগামী ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। ২৯ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে বিটিআরসি এমন ঘোষণাটি দিয়েছে বলে ব্যবসায়ী সূত্র ও সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, কিন্তু সেটি আগাম কোনো পরামর্শ বা বিস্তারিত সমাজস্বীকৃত সংলাপ ছাড়া নেয়া হয়েছে, এমনটাই দাবি করছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা এবং বাজার পর্যবেক্ষকরা।

ঘোষণাটির মূল প্রতিশ্রুতি হলো, ১৬ ডিসেম্বর থেকে নতুন অ-নিবন্ধিত ডিভাইসগুলো জাতীয় নেটওয়ার্কে সংযোগ পাবে না। সরকারি নিরাপত্তা ও রাজস্ব রক্ষার কথা বলে এ ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণের যুক্তি থাকলেও, নীতিটি সংক্ষিপ্ত সময়ে একপক্ষীয়ভাবে বাস্তবায়িত হলে তার বাজারগত প্রভাব কী হবে, সেই নিয়ে অনেকে উদ্বিগ্ন।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ:

বিভিন্ন স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত মন্তব্য অনুযায়ী, দেশের মোবাইল খাতে বর্তমানে প্রায় ২০ হাজারের বেশি ব্যবসায়ী সরাসরি ব্যবসা করেন, এবং এই খাতে জড়িত শ্রমিক, পরিবহন ও সার্ভিসিং ইত্যাদি যোগ করে প্রায় ২০ লাখের বেশি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। এই পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা বলছেন, তারা এই NEIR সিস্টেমকে স্বাগত জানান কিন্তু  NEIR প্রয়োগের বর্তমান রূপরেখা অনুযায়ী হলে অনেক ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আর ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবে না, ফলে বড় নির্মাতারা বা কিছু নির্দিষ্ট আমদানিকারকের আধিপত্য বাড়তে পারে।
 
কীভাবে এ সিদ্ধান্ত বাজারে সংকট সৃষ্টি করতে পারে — ব্যবসায়ীদের ব্যাখ্যা:

বিটিআরসির নিয়ম অনুযায়ী, ইমপোর্ট লাইসেন্স থাকলেও, কেউ যদি কোনো ব্র্যান্ডের পণ্য আনতে চায়, তাহলে ঐ ব্র্যান্ড বা তাদের স্থানীয় ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিটের ‘অনুমতি’ (NOC) প্রদানের শর্ত রয়েছে, এমন দাবি করেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, বাস্তবে ঐ অনুমতি পাওয়া খুব কঠিন, এবং ফলে অনেক পাইকারি বা খুচরা ব্যবসায়ী বাজার থেকে হারিয়ে যাবে। এই সীমাবদ্ধতা অনুসরণে বাজার কনসেন্ট্রেট হয়ে ছোট একটি সিন্ডিকেট গোষ্ঠীর মধ্যে চলে আসতে পারে,এমন আশঙ্কা তারা ব্যক্ত করেছেন।

একাধিক ব্যবসায়ী ও পর্যবেক্ষকের বক্তব্যে বলা হয়েছে, এই বিষয়ে দুইটি বড় প্রশ্ন উঠেছে — প্রথম, NOC ধারাটি কীভাবে প্রয়োগযোগ্য ও স্বচ্ছ হবে; দ্বিতীয়, যদি কেবল কিছু ব্র্যান্ড ও আমদানিকারককেই সুবিধা হয়, তাহলে বাজারে প্রতিযোগিতা কোথায় থাকবে?

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ:

নীতিনির্মাতা ও অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষকে (BTRC) নীতিমালা প্রণয়নের আগে বিস্তৃত স্টেকহোল্ডার পরামর্শ ও বাস্তবভিত্তিক পর্যবেক্ষণ করা উচিত ছিল। তারা আরও বলেন, যে কোনো নীতি যদি বাজারে কয়েকটি বড় প্লেয়ারকে সুবিধা দেয় এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের বাজার থেকে উচ্ছেদ করে, তা দীর্ঘমেয়াদে ভোক্তা ও দেশের সার্বিক অর্থনীতির ক্ষতি করবে।

একজন বাজার বিশ্লেষক পর্যবেক্ষণ করে বলেন, “নিরাপত্তা ও রাজস্ব রক্ষার উদ্দেশ্য যাচাইযোগ্য, কিন্তু প্রয়োগপ্রক্রিয়া যদি স্বচ্ছ না হয় এবং ওপেন মার্কেট সুরক্ষা না দেয়, তাহলে এটি নতুন প্রকার বাজারকেন্দ্রিক প্রবণতা তৈরি করবে।

প্রশাসনিক ভাবনা ও চাপও আছে

কয়েকজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও প্রশাসক-পরামর্শক জানান, নির্বাচনের আগে বড় ধরনের নিয়ন্ত্রক পরিবর্তন দ্রুত প্রয়োগ করা হলে তা নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে, এবং এমন সিদ্ধান্তগুলোকে রাজনৈতিক প্রসঙ্গে বিশ্লেষণ করা স্বাভাবিক। তারা মনে করিয়ে দেন, নীতিনির্মাণে সময়সীমা, ট্রায়াল-পিরিয়ড ও পর্যায়ক্রমিক প্রয়োগ রাখা হলে বাজার ও নাগরিকদের উপর নেতিবাচক প্রভাব অনেকটাই কমানো সম্ভব।

সম্ভাব্য সমাধানগত ধাপ (বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীদের প্রস্তাব)
* BTRCর এনওসি (NOC) নীতির পরিবর্তে একটি স্বচ্ছ অনুমোদন মেকানিজম চালু করা
* আমদানি শুল্ক ও কর কাঠামো পর্যালোচনা করে প্রতিবেশী দেশ ও স্থানীয় উৎপাদনকারীদের  অনুরুপ প্রতিযোগিতামূলক হার নিশ্চিত করা।
* একটি অন্তর্বর্তী সময়ে, দেশের সকল মোবাইল ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা  ও পাবলিক অবজারভেশন পিরিয়ড রাখা।
* ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য বিটিআরসি ইমপোর্ট লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসা।

উপসংহার:

নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের অবস্থান অনুযায়ী, NEIR বাস্তবায়নের লক্ষ্য অ-নিবন্ধিত ও ক্লোন ডিভাইসগুলোর বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং ব্যবহারকারীর ডাটা সুরক্ষা নিশ্চিত করা। কিন্তু নীতির প্রয়োগপদ্ধতি ও সময়নির্ধারণের ওপর যদি প্রয়োজনীয় স্টেকহোল্ডার পরামর্শ না নেয়া হয়, তাহলে তা বাজারে অনিশ্চয়তা এবং আর্থিক ক্ষতির কারণে বৃহৎ সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলতে পারে।

বর্তমান সময়েই সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে (বিটিআরসি, এনবিআর, বণিক-সমিতি ও ব্যবসায়ী সংগঠন) আন্তঃকর্মযোগ করে দ্রুত আলোচনা আয়োজন করা অনিবার্য মনে করছেন বিশ্লেষকগণ।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

উত্তরায় বিমান বিধ্বস্তে নিহত বেড়ে-৩১

উত্তরায় বিমান বিধ্বস্তে নিহত বেড়ে-৩১

ডেস্ক রিপোর্ট: উত্তরায় বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ জনে। বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতের বিষয়ে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে : উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুপুরে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিমান বিধ্বস্তে নিহত বেড়ে ৩১    

আরও পড়ুন
language Change