তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
মানিকছড়িতে ভুমি দখলের অভিযোগে মামলা চোরাকারবারির বিরুদ্ধে সক্রিয় ভুমিকা রাখছে বিজিবি শেরপুরে ৩ ইটভাটায় ৯ লাখ টাকা জরিমানা হাদিকে গুলির ঘটনায় তারেক রহমানের নিন্দা ওসমান হাদির অস্ত্রোপচারের সময় প্রচুর রক্তক্ষরণ ওসমান হাদির অবস্থা আশঙ্কাজনক মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব এর ২০২৫-২৬ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি দেড় যুগ পর ২০২৪ এর বিজয় দিবস ছিল ‘শৃঙ্খলমুক্ত’ তরুণদের ভাবনায় বিজয়ের মাস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা স্বামীসহ গৃহকর্মীর রিমান্ড মঞ্জুর ৪২ ফুট গভীরেও সন্ধান মেলেনি সাজিদের খাসজমি দখল করে চলাচলের পথ বন্ধের অভিযোগ জনগণকে হ্যাঁ-না ভোট বোঝানো বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্য সচিব মিডল্যান্ড ব্যাংকের শেয়ার কারসাজি ১৯৭১ সাল আমাদের অস্তিত্ব: মির্জা ফখরুল এই নির্বাচনের লড়াই, সবচেয়ে কঠিন লড়াই শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে ফার্মগেটে সড়ক অবরোধ হাজার কোটি টাকা পাচার বেক্সিমকোর হিউম্যান রাইটস্ পীস অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ পদক পেয়েছেন ইব্রাহিম হোসেন ট্রাম্প গোল্ড ভিসা চালু করল যুক্তরাষ্ট্র এনসিপির মনোনয়ন পেলেন জাতীয় পার্টির উপদেষ্টা সংসদ ও গণভোটের তপশিল ঘোষণা আজ বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় চোরাইমাল জব্দ ডিবির এসআইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মাহফুজ ও আসিফ শহীদ নগরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত বাংলা একাডেমিতে আজ থেকে শুরু ‘বিজয় বইমেলা খালেদা জিয়ার আসনে এনসিপির প্রার্থী মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যায় গৃহকর্মী গ্রেফতার কুমিল্লায় এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী দোসরদের সাথে পারলেন না ! রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সিইসির সাক্ষাৎ শেষে, যেকোনো সময় তফসিল ঘোষণা এনসিপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা আরাধ্যাকে নিয়ে টানাটানি শাকিব নির্ভরতা 'সুসংবাদ নয়': অপু বিশ্বাস বিপিএল কাঁপাতে আসছেন দুই সুন্দরী আ.লীগকে কত শতাংশ মানুষ নির্বাচনে চান না,জানা গেল জরিপে বিএনপির আসন বণ্টন শিগগিরই তফসিলের পরে সমাবেশ–আন্দোলন করতে হবে অনুমতি নিয়ে বরুড়ায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালিত ঝিনাইগাতীতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত রামগড়ে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত তথ্য জালিয়াতি করে ভুয়া ঠিকানায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি ইমারত পরিদর্শক সাত্তারের বিরুদ্ধে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ বিজিবির উদ্যোগে লাশ দেখতে পেল ভারতীয়রা বুধবার সন্ধ্যায় বা বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণা আজকের স্বর্ণের দাম আইপিএলের নিলামে ৭ বাংলাদেশি ক্রিকেটার মোহাম্মদপুরে মা মেয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশ যা জানালো

জাল এমপিও শিক্ষক চিহ্নিত

জাল এমপিও শিক্ষক চিহ্নিত
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টঃ

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) আরো ১১৮৬ জন ভুয়া সনদধারী শিক্ষককে শনাক্ত করেছে। এর মধ্যে চার শতাধিক শিক্ষকের সনদ জাল ও ভুয়া এবং তিন শতাধিক শিক্ষকের সনদ অগ্রহণযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব শিক্ষকের কাছ থেকে বেতন-ভাতা হিসেবে তাদের নেওয়া ২৫৩ কোটি টাকা আদায় করতে সুপারিশ করেছে অধিদপ্তর। এ ছাড়া সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেহাত হওয়া ৭৯৩ একর জমি উদ্ধারেও ডিআইএ সুপারিশ করেছে।

ডিআইএ ও মাউশি অধিদপ্তর সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, জাল সনদ ধরা হলেও ঘুষের বিনিময়ে মন্ত্র্রণালয় থেকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ডিআইএ গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাল সনদ বিরোধী অভিযানে ১ হাজার ১৮৬ জনকে চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে রাজশাহী বিভাগে রয়েছে ৭৭৯ জন, খুলনা বিভাগে ১৭৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৪ জন ও ঢাকা বিভাগে ৭০ জন। পুলিশের সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ আরও ১৩৪ জন জাল সনদধারী শিক্ষকের তালিকা পাঠিয়েছে। এ ছাড়া মাদ্রাসা অধিদপ্তর আলাদা তদন্ত করে ১২০ জন শিক্ষকের জাল সনদ বাতিল করে তাদের ইনডেক্স কর্তন করেছে। ধরা পড়া জাল সনদের মধ্যে রয়েছে এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধন, জাতীয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, রয়েল, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদ, যেটাকে নেকটার সনদ বলা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন একাডেমিক সনদও রয়েছে। চিহ্নিত হওয়া জাল সনদের মধ্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদ রয়েছে ১৪৮টি ও শিক্ষক নিবন্ধন বা এনটিআরসিএ সনদ ১২০টি। বাকিগুলো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক সনদ।

ডিআইএর প্রধান কাজ স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর বা সংস্থায় পরিদর্শন ও নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা। পরিদর্শন শেষে প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা তুলে ধরার পাশাপাশি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। এর ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিয়ে থাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংস্থাটি গত এক বছরে চার শতাধিক শিক্ষকের জাল ও ভুয়া সনদ চিহ্নিত করে তাদের তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। আরও তিন শতাধিক শিক্ষকের সনদ অগ্রহণযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেহাত হওয়া ৭৯৩ একর জমি উদ্ধারে সুপারিশ, ভুয়া নিয়োগ, অর্থ আত্মসাৎ এবং ভ্যাট, আইটিসহ বিভিন্ন ধরনের আর্থিক অনিয়মের কারণে প্রায় ২৫৩ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরতের সুপারিশ করেছ সংস্থাটি।

ডিআইএ পরিচালক অধ্যাপক এম এম সহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, আমি যোগদান করেই জাল সনদ ধরতে একটি সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছি। সেই অভিযানে চার শতাধিক ভুয়া সনদ, তিন শতাধিক অগ্রহণযোগ্য সনদ চিহ্নিত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। সামনে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি জানান, সুপারিশে এসব শিক্ষকের এমপিও বাবদ নেওয়া অর্থ (বেতন-ভাতা) ফেরত নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এখন নিয়মানুযায়ী চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করার আগে শিক্ষাগত সব সনদ যথাযথভাবে যাচাই করার কথা। কিন্তু জাল সনদ জানার পরও অবৈধ সুবিধা নিয়ে বিষয়টি চেপে যান মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তা। ফলে সনদ জাল হওয়ার পরও তারা এমপিওভুক্ত হয়ে যান। পেতে থাকেন বেতন-ভাতা বাবদ সরকারি অর্থও। তবে এনটিআরসিএর মাধ্যমে অনলাইনে সনদ যাচাইয়ের ব্যবস্থা করার পর জাল সনদের হার কিছুটা কমেছে।

ঘুষ নিয়ে জাল সনদ ছাড় বাণিজ্য: ডিআইএতে জাল সনদধারী শিক্ষকদের ফাইল আটকে রেখে এক ধরনের বাণিজ্যে হতো। কয়েকজন পরিদর্শক সিন্ডিকেট করে জাল সনদের নামে এই জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সূত্র বলছে, এই সিন্ডিকেটের প্রধান ছিলেন ২৪তম বিসিএসের কর্মকর্তা সাবেক পরিদর্শক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম মাসুম। সিন্ডিকেটে আরও ছিলেন পরিদর্শক মনকিউল হাসানাত, ডিডি আবুল কালাম আজাদ, আবদুস সালাম আজাদ, ও আবুল কালাম আজাদ, সাদিয়া সুলতানা, আশরাফুল রহমান খান, বদরুল আলম, শ্যামাপ্রসাদ সাহা, আবদুল্লাহ আল মামুন ও হাবিবুর রবহমান। তারা হাজার হাজার ফাইল আটকে রেখেছিলেন, যার বেশিরভাগই ছিল ভুয়া সনদধারী শিক্ষকদের ফাইল। এসব ফাইল নতুন করে যাচাই-বাছাই করতে গিয়েই বেরিয়ে এসেছে জালিয়াতির ভয়াবহ চিত্র।

এ বিষয়ে ডিআইএ পরিচালক সহিদুল ইসলাম বলেন, কয়েক হাজার ফাইল অনিষ্পত্তি অবস্থায় ছিল। এখন সেই ফাইল যাচাই করতে গিয়ে দেখি বেশিরভাগ ফাইল জাল সনদ-সংক্রান্ত। এসব ফাইলে কী হয়েছিল তা বুঝে নেন।

ডিআইএর কড়া সতর্কতা, অভিযোগ জানালে পরিচয় গোপন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) পরিদর্শনের নামে যে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন থেকে সবাইকে কঠোরভাবে সতর্ক থাকতে বলেছে। দৈনিক আমাদের বার্তার প্রিন্ট ভার্সনে ৩ ডিসেম্বর প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে অধিদপ্তর জানিয়েছে, তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অফিস আদেশ ছাড়া কোনো পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না এবং এই কাজের জন্য অর্থ লেনদেন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।

ডিআইএ বলেছে, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে তারা সব সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পরিদর্শন ও নিরীক্ষা পরিচালনা করে। এই অডিট চলাকালীন যদি কোনো প্রতিষ্ঠান প্রধান অথবা অন্য কোনো ব্যক্তি পরিদর্শন ও নিরীক্ষার নামে কোনো ধরনের টাকা দাবি করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে অধিদপ্তরকে মোবাইল বা ইমেইলে অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছে। অভিযোগ তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় কঠোরভাবে গোপন রাখা হবে বলেও জানানো হয়।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

নিষিদ্ধ ক্রিপ্টো বাণিজ্যে ‘ধনকুবের’ জায়েদ, পেছনে পলকের ছায়া!

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ অনুমোদন ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার (ফরেক্স) ট্রেডিং, ক্রিপ্টোকারেন্সি ও লাইসেন্সবিহীন ডিজিটাল অর্থ (ভার্চুয়াল মানি) তৈরি-লেনদেন দেশের প্রচলিত আইনে নিষিদ্ধ। অথচ এমন অবৈধ কারবারের মাধ্যমে বিপুল অর্থসম্পদের মালিক হয়েছেন ‘নেক্সট ভেঞ্চার’ ও ‘ফান্ডেড নেক্সট’-এর প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ জায়েদ। স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুবাদে সেসময় নির্বিঘ্নে অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যান তিনি। তবে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরও ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে গেছেন জায়েদ। অভিযোগ উঠেছে, পলকসহ দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতসংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকজনের হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে জায়েদের হাতে। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হত্যা মামলাও রয়েছে। ঢাকার বিজ্ঞ মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলাটি করেন টাঙ্গাইলের আশরাফ আলী নামে এক ব্যক্তি। একটি গোয়েন্দা সূত্র থেকে পাওয়া এ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য রয়েছে রয়েছে আমাদের প্রতিবেদকের কাছে। গোয়েন্দা সূত্র জানায়,

আরও পড়ুন
language Change