আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
গাজা উপত্যকায় সাময়িকভাবে দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি কমলেও পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত নাজুক বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি জানান, গাজার মোট জনসংখ্যার ৭৫ শতাংশেরও বেশি এখনও তীব্র খাদ্য সংকট ও পুষ্টিহীনতার হুমকির মুখে রয়েছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন,গাজার অর্ধেকেরও বেশি অঞ্চল এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে। ফলে সেখানে কৃষিজমি ও বসতিগুলো দুর্গম হয়ে পড়েছে। হামলা ও সংঘর্ষ অব্যাহত থাকায় বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে এবং মানবিক কর্মীরা জীবন ঝুঁকির মধ্যে কাজ করছেন।
পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব। তিনি বলেন,ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীর হামলা,জমি দখল,ঘরবাড়ি ধ্বংস এবং চলাচলে বিধিনিষেধের কারণে দখলকৃত এলাকায় পরিস্থিতি দ্রুত বিপর্যস্ত হচ্ছে। উত্তরের পশ্চিম তীর থেকে সেনা অভিযানের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছে হাজার হাজার মানুষ।
গাজায় গত অক্টোবরের যুদ্ধবিরতির পর দুর্ভিক্ষের পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও এখনো মারাত্মক খাদ্য সংকটে রয়েছে অধিকাংশ মানুষ। শুক্রবার (১৯ডিসেম্বর) জাতিসংঘ এ তথ্য জানিয়েছে। রোমভিত্তিক ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (আইপিসি) জানায়,খাদ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতিতে কিছু উন্নতি হলেও গাজার পুরো এলাকা এখনো জরুরি পর্যায়ের খাদ্য সংকটে রয়েছে। বর্তমানে ১৬লাখের বেশি মানুষ তীব্র খাদ্য অনিশ্চয়তায় ভুগছে,যার মধ্যে এক লাখের বেশি মানুষ চরম বিপর্যস্ত অবস্থায় আছে।
আইপিসি সতর্ক করে বলেছে,এই উন্নতি খুবই নাজুক। সহায়তা বন্ধ হলে বা নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হলে পরিস্থিতি আবার ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী,অপুষ্টি ও অনাহারে এখন পর্যন্ত ৪৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে,যার মধ্যে ১৫৪জন শিশু। এর মধ্যে ৩৯শিশুসহ ১৮২জন আগস্টে গাজায় দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করার পর মারা যান।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত