তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
ঘরোয়া যে ৪ উপায়ে টনসিলের ব্যথা দ্রুত কমে ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে দমাতে পারবে না: তারেক রহমান কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, জামায়াত যা বলল ডাচবাংলা ব্যাংকের নাম ভাঙিয়ে কেরানীগঞ্জে ভয়াবহ প্রতারণা খালেদা জিয়ার সমাধিতে মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধা সিলেট ওসমানী হাসপাতালে হামলা গুমের শিকার পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় ঐক্যের ডাক দিয়ে গণমাধ্যম সম্মিলন শুরু লাখ লাখ অনুমোদনহীন ভবন নিয়ে বিপাকে রাজউক! সালমানকে ‘শাহরুখ’ ভেবে ফাঁসিতে ঝোলাতে চাইলেন বিজেপি নেতা চট্টগ্রামে গ্যাসের নৈরাজ্য বাড়তি দরে বিক্রি নিখোঁজ ছাত্রী ও মায়ের লাশ মিলল শিক্ষিকার বাসায় রাজধানীতে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রুমিন ফারহানার উঠান বৈঠকে দুপক্ষের সংঘর্ষ পুরান ঢাকায় অবৈধ পলিথিনের সাম্রাজ্য ছক কষেন শেখ হাসিনা, বাস্তবায়ন করেন জেনারেল আব্দুল মুবীন প্রশাসনের লাল নিশান সরিয়ে ১৫০ একর সরকারি চর দখল স্টলের জন্য আবেদন ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত চলন্ত বাসে কলেজছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আসামির স্বীকারোক্তি শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেই ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানি চলছে রাজধানীতে পরিত্যক্ত মার্কেটে যুবকের মরদেহ ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ ও গণজমায়েতের ঘোষণা শিক্ষার্থীদের শত কোটির টাকার অবৈধ সম্পদ মাস্টারমাইন্ড বাপ্পির চটকদার বিজ্ঞাপনের আড়ালে ছুটি গ্রুপের প্রতারণার ফাঁদ! ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প অনিয়ম আর দুর্নীতির আখড়া বিএমইটি আজ জরুরি বৈঠকে জামায়াত তিনি সত্যিই মানুষ ও দেশের নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন উত্তরায় বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৩ শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম তদন্তে অভিযান চালাচ্ছে দুদক খালেদা জিয়ার স্মরণে রামগড় প্রবীণ বিএনপির দোয়া মাহফিল আজ পবিত্র শবে মেরাজ দখলের দাবিতে অনড় ট্রাম্প যেসব আসনে নির্বাচন করবে এনসিপি দুই বছরে পাঁচ ব্যাংকের আমানত ফেরত পাবে অতীতেও গণভোটে সরকার এক পক্ষে ছিল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল শুনানির সপ্তম দিন আজ কথিত প্রাচীন কয়েন ও সীমানা পিলার প্রতারণার মুলহোতা আহাদুল ইসলাম দুলাল গণভোটের প্রচারে অংশ নেওয়া সমাজসেবা কর্মকর্তাকে শোকজ টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসন ঝিনাইগাতীতে অবকাশ স্বপ্ন কৃষি সমবায় সমিতির বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত গুইমারায় বিভিন্ন দল থেকে শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান ফকিরবাজার আল-মদিনা নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসায় হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ী প্রদান ও বার্ষিক মাহফিল অনুষ্ঠি... শহীদ হাদি হত্যা মামলায় নতুন মোড় বিপিএল নিয়ে বিসিবির কড়া হুঁশিয়ারি মুক্তি প্রতিক্ষায় দৃশ্যম-৩ রাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু শুক্রবার আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু

হাদির খুনিকে পালানোর ব্যবস্থা করেন কারা?

হাদির খুনিকে পালানোর ব্যবস্থা করেন কারা?
পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার॥
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে গুলির পরপরই খুনিদের নিরাপদে সীমান্ত পার করে দেওয়ার একটি সুপরিকল্পিত নেটওয়ার্কের তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

তদন্তে উঠে এসেছে, পালানোর ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিরপুর এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে বাপ্পী। তাকে সহযোগিতা করেন ভগ্নিপতি আমিনুল ইসলাম।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ইতোমধ্যে আমিনুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে। এ নিয়ে হাদি হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত পুলিশ ও র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন মোট ১১ জন।

পালানোর নেপথ্য ব্যবস্থাপনা:

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাদি হত্যাকাণ্ডের পরপরই প্রধান শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর শেখকে সীমান্ত পার করার বিষয়টি আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল। ফয়সাল ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা এবং আলমগীর আদাবর থানা যুবলীগের কর্মী।

এখন পর্যন্ত তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য হচ্ছে, ঘটনার রাতেই ফয়সাল ও আলমগীর ঢাকা ছাড়েন এবং একাধিক যানবাহন পরিবর্তন করে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্তে পৌঁছান। সেখান থেকেই তারা অবৈধভাবে ভারতে পালিয়ে যান। এই সীমান্ত পারাপারের পুরো ব্যবস্থাটি সমন্বয় করেন যুবলীগ নেতা তাইজুল। তিনি তখন নিজে ভারতে অবস্থান করলেও দূর থেকেই নির্দেশনা দেন।

ফোনকল, টাকা ও দালাল:

হালুয়াঘাট সীমান্ত এলাকায় টাকার বিনিময়ে অবৈধ পারাপারের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন দালালের সক্রিয়তা রয়েছে। তাদের একজন ফিলিপ স্নাল। তার বাড়ি সীমান্তসংলগ্ন ভুটিয়াপাড়া গ্রামে।

তদন্তে পাওয়া তথ্যমতে, শহীদ হাদিকে গুলি করার কিছুক্ষণ পর তাইজুল তার ভগ্নিপতি আমিনুলকে ফোন করে জানান, তিনি ভারত থেকে ফিলিপের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না। তখন আমিনুলকে নির্দেশ দেওয়া হয়, যেন দ্রুত ফিলিপের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানানো হয়, ওই রাতেই দুই ব্যক্তিকে সীমান্ত পার করাতে হবে।

আমিনুল ফিলিপের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে বার্তাটি পৌঁছে দেন এবং পরে বিষয়টি তাইজুলকে নিশ্চিত করেন। এরপর তাইজুলের নির্দেশে আমিনুল তাৎক্ষণিকভাবে ফিলিপকে ৫ হাজার টাকা পাঠান। সেই অর্থের বিনিময়েই ফয়সাল ও আলমগীরকে সীমান্ত পার করানো হয়।

প্রযুক্তির সহায়তায় সূত্রের খোঁজ:

হত্যাকাণ্ডের পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ফয়সাল ও আলমগীরের অবস্থান শনাক্ত করে গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের শেষ অবস্থান হালুয়াঘাট সীমান্তের আশপাশে পাওয়া যায়। পরবর্তী সময়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে ফিলিপের দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, যাদের সীমান্ত পার করানো হয়েছে, তারা ঢাকায় বড় ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে এসেছে—এ বিষয়টি তারা পরে টেলিভিশনের সংবাদ দেখে বুঝতে পারেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে ফিলিপ আত্মগোপনে চলে যান।

গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, ফিলিপের সঙ্গে ঘটনার দিন কারা যোগাযোগ করেছিলেন, সেটি অনুসন্ধান করতে গিয়ে ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা আমিনুল ইসলামের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার ও রিমান্ড:

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ফয়সাল ও আলমগীরকে পালাতে সহায়তার অভিযোগে আমিনুল ইসলামকে মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আমিনুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

তদন্তে আরও জানা গেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তথ্যপ্রযুক্তিগত বিশ্লেষণে ঘটনার দিন আমিনুলের সঙ্গে ফিলিপ ও তাইজুলের একাধিক ফোনালাপের তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, আমিনুল চোরাই মুঠোফোন কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত।

পরিবারের বক্তব্য:

আমিনুল ইসলামের স্ত্রী নাজমা বলেন, তার স্বামী আগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। চাকরি ছেড়ে গত ছয় মাস ধরে তিনি মোবাইলের ব্যবসা করছেন। কেন তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।

হত্যাকাণ্ডের পটভূমি:

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে আসছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে রিকশায় থাকা অবস্থায় তার মাথায় গুলি করা হয়। হামলার পর আততায়ীরা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়।

আহত অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে সেখানে ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। গত রোববার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ-সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিস্থলের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বৈঠকটি ছিল ঐতিহাসিক, জাতিকে দিকনির্দেশনা দেবেন খালেদা জিয়া ও ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠককে ঐতিহাসিক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ড. ইউনূস জাতিকে দিকনির্দেশনা দেবেন বলেও জানান তিনি। লন্ডনের পার্ক লেনের হোটেল ডোরচেস্টারে বৈঠক শেষে বের হয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। চার দিনের সফরে এই হোটেলেই অবস্থান করছেন প্রধান উপদেষ্টা। এর আগে ওই হোটেলে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে একান্তে বৈঠকে বসেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। একান্তে বৈঠক শুরুর আগে সেখানে উপস্থিত ছিলেন দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ূন কবীর। আরও উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার বেলা পৌনে ৪টার দিকে

আরও পড়ুন
language Change