তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
নলডাঙ্গায় দুর্বৃত্তের হামলায় আহত আওয়ামী লীগ নেতা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ নলডাঙ্গা পৌরসভার কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা বৃষ্টি হলেই হাঁটু সমান কাদা, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী চাঁদপাই স্কুলে জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতামূলক কর্মসুচি পালন রাজবাড়ীতে গৃহবধূ নির্যাতন অভিযোগের নতুন মোড় দেশের ১১ ভাগ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে: মির্জা ফখরুল প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ ওরিয়েন্টেশন ও বার্ষিক পিকনিক অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বন্দরে ১৯৮ কোটি টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স পেল চসিক ম্যাচ শেষে স্টেডিয়াম পরিষ্কার করলেন জাপানি সমর্থকরা সিন্ধু নদীর পানিবণ্টন ইস্যুতে ভারতের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি পাকিস্তান কাতারে নিহত পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ পৌঁছাল সিলেটে শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী: আপিল বিভাগ পরিবেশ রক্ষায় লংগদুতে ৩ হাজার ৫০০ গাছের চারা বিতরণ সুনামগঞ্জ পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাজেট ঘোষণা ব্র্যাকের মতামতের অপেক্ষায় জমি বিরোধ সিরাজগঞ্জে ২০১২ সালের মাদক মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন কালীগঞ্জে তিন কর্মসূচি: ভিক্ষুক পুনর্বাসন, কৃষি প্রণোদনা বিতরণ ও শিশুশ্রমবিরোধী র‍্যালি সাতক্ষীরা দিবা নৈশ ডিগ্রী কলেজের সামনে অবৈধ স্থাপনার দাবিতে মানববন্ধন ভুজপুরে ভুল বোঝাবুঝির জেরে মাদ্রাসায় অতর্কিত হামলা ভুয়া তথ্য ও অপপ্রচার রোধে রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা রাঙ্গামাটিতে জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত বর্ষার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে সওজের সংস্কার অভিযান ফরিদপুর ভাঙ্গা ব্লেড দিয়ে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন স্ত্রী রাউজানে জেঠাতো ভাইয়ের গাছের টুকরোর আঘাতে চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু চরপাড়া মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মাছ ধরার জালে ধরা পড়ল ৮ ফুটের বার্মিজ অজগর আর্জেন্টিনা ভক্ত আজাদ মেম্বারের শেষ ঠিকানা কারাগার সাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি পাওনা টাকা আদায়ে অটোরিকশা চালককে বেঁধে নির্যাতন দেশের অর্থনীতিকে তিন ধাপে সাজাতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী ৪৭তম বিসিএসে ২ হাজারের বেশি ক্যাডার পদ শূন্য হামলা বন্ধ করে আলোচনায় বসতে রাজি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সচিবালয়ের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে, সাংবাদিকতার আড়ালে ‘গুপ্তচরবৃত্তির’ চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রসারিত হচ্ছে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি গোসাইরহাটে সিএনজি ও অটোরিকশায় বেপরোয়া চাঁদাবাজি, অতিষ্ঠ চালকেরা দেশজুড়ে বজ্রবৃষ্টি ও ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই গ্রুপ পর্বের ঝড় শেষে নকআউটে নতুন সমীকরণ গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নকল নবীশ গিয়াসের বিরুদ্ধে অভিযোগ মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অভিযোগের পাহাড় কাদির ও সহকারী হারিসের বিরুদ্ধে আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের বিরুদ্ধে ঋণ, অনিয়ম, প্রশাসনিক ধীরগতির অভিযোগ কফিশপে টেবিল পরিষ্কার করতেন, এখন তিনি বলিউড তারকা অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি জরুরি ইতালিতে ট্রিপল মার্ডার: এখনো মা জানেন না তার একমাত্র ছেলে বেঁচে নেই হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সিরাজগঞ্জে আপত্তিকর অবস্থায় ইমাম আটক কামরাঙ্গীরচরে ১১ বছরের শিশুর আত্মহত্যার অভিযোগ হাদি হত্যা মামলা: পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ফের পেছাল রাঙামাটির ছোটহরিনা বিজিবির অভিযান; নৌকাভর্তি সার জব্দ

আইনি লড়াইয়ে নির্দোষ প্রমাণিত হন খালেদা জিয়া

আইনি লড়াইয়ে নির্দোষ প্রমাণিত হন খালেদা জিয়া
পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বেগম খালেদা জিয়ার (জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট) মামলার সাত বছরের দণ্ড এবং (জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট) মামলার ১০ বছরের দণ্ড রাষ্ট্রপতি মওকুফ করেছিলেন। কিন্তু বিএনপি চেয়ারপার্সন রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্ত থাকতে রাজি হননি। তিনি আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের সিদ্ধান্ত নেন। শেষ পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ আদালতে দীর্ঘ আইনি লড়াই চালিয়ে দুটি মামলাতেই নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে বেকসুর খালাস পান তিনি।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, রাষ্ট্রপতির মওকুফের পরও তারা কেন আপিল শুনানি করেছেন, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ছিল। তারা বলেন, বেগম জিয়া আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। রাষ্ট্রপতির মওকুফে ক্ষমার বিষয়টি যুক্ত থাকে, কিন্তু খালেদা জিয়া বিশ্বাস করেন তিনি কোনো অপরাধ করেননি। তাই তিনি ক্ষমা চাননি এবং আইনজীবীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন আইনি পথেই এটি মোকাবিলা করতে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাঃ

২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করা হয়। ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্ত শেষে ২০১২ সালে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ২০১৮ সালের ১৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেন।

একই সাজা দেওয়া হয় মামলার অপর তিন আসামি হারিছ চৌধুরী (প্রয়াত), জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খানকে। দণ্ডপ্রাপ্তরা হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল শুনানি শেষে খালেদা জিয়াসহ সবাইকে খালাস দেন।পরে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদক আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করলে ২০২৫ সালের ৩ মার্চ সেটি খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাঃ

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়া আপিল করেন এবং অন্যদিকে দুদক সাজা বাড়ানোর আবেদন জানায়। ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্ট খালেদা জিয়ার সাজা ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২৪ সালের ১১ নভেম্বর আপিল বিভাগ হাইকোর্টের সাজার কার্যকারিতা স্থগিত করেন।

২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ সর্বসম্মতিক্রমে খালেদা জিয়াকে খালাস প্রদান করেন। রায়ের পর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, পুরো মামলাটিই ছিল একটি ম্যালিসাস প্রসিকিউশন বা বিদ্বেষমূলক বিচার প্রক্রিয়া। আদালত রায়ে বিচারিক ও হাইকোর্ট বিভাগের পূর্বের রায় বাতিল করে দিয়েছেন। যারা আপিল করতে পারেননি (তারেক রহমান ও কামাল সিদ্দিকী), আদালত তাদেরও খালাস দিয়েছেন।

যে মামলায় কিছুই ছিল না, সেই মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ সাজা ৫ বছর থেকে ১০ বছর করেছেন। এটা খুবই দুঃখজনক। মামলার মধ্যে কোনো সারবত্তাই ছিল না। অর্থাৎ বিচার ব্যবস্থা বলে কিছু ছিল না। ফ্যাসিস্ট সরকার যেভাবে বলতো সেভাবে রায় হতো। আজ মনে হয়েছে বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করেছে। দুদকের আইনজীবী আসিফ হাসানও নিশ্চিত করেন যে, আদালত মামলাটিকে প্রতিহিংসামূলক হিসেবে গণ্য করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে খালাস দিয়েছেন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

মেধা ও বিজ্ঞান চর্চায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কালীগঞ্জে দিনব্যাপী শিক্ষা ও উদ্ভাবনী প্রদর্শনী

মেধা ও বিজ্ঞান চর্চায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কালীগঞ্জে দিনব্যাপী শিক্ষা ও উদ্ভাবনী প্রদর্শনী

পঙ্কজ সরকার নয়ন, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ মেধা, বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে গাজীপুরের কালীগঞ্জে উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী শিক্ষা ও উদ্ভাবনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টা থেকে উপজেলা পরিষদ মাঠ প্রাঙ্গণে এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (SEDS)-এর উদ্যোগে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক একেএম ফজলুল হক মিলন। তিনি প্রদর্শনী পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্প ও বৈজ্ঞানিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। প্রদর্শনীতে উপজেলার বালীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়, রাঙ্গামাটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, সাওরাইদ উচ্চ বিদ্যালয়, তুমুলিয়া বালক উচ্চ বিদ্যালয়, বেরুয়া আব্দুর রাফে খান উচ্চ বিদ্যালয়, বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন ঢালী

আরও পড়ুন
language Change