তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
জামায়াত বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষ সাংবাদিকদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় সকল উদ্যোগ নেবে সরকার - সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞায় যে ৫ দেশ ২৫ তারিখে দেশে যাচ্ছি : তারেক রহমান নির্বাচনের আগেই পলাতক শক্তি ফিরতে মরিয়া বরুড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা সকলের জন্য উদ্বেগের বিষয়: প্রধান উপদেষ্টা মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মতিঝিল উচ্চ বিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি স্কুলে যাওয়ার পথে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী নিখোঁজ বিজয় দিবসে পেশাজীবি সাংবাদিক সোসাইটির শ্রদ্ধা নিবেদন স্বর্ণপদক জয়ী চৈতীকে সংবর্ধনা শেরপুরে মহান বিজয় দিবস উদযাপন দীঘিনালায় বিজয় দিবসে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি মালয়েশিয়ায় মহান বিজয় দিবস পালিত নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপি প্রার্থী মা-মেয়ে হত্যায় গৃহকর্মীর স্বামীর দায় স্বীকার এয়ার শো দেখতে লাখো মানুষের ঢল বিজয় উদযাপনে মুসলিমদের রীতি জামায়াত স্বাধীনতাবিরোধী ছিল - মির্জা আব্বাস দেশের নতুন রাজনীতি হবে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে ৭১ এবং ২৪ এর দালালদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আছি স্বাধীনতার শত্রুরা আবার মাথাচাড়া দিতে চায় মোদির পোস্টে নেই বাংলাদেশের নাম পুলিশ স্মৃতিস্তম্ভে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও আইজিপির শ্রদ্ধা ওয়ান–ইলেভেনের সেই কর্নেল আফজালকে নিয়ে নতুন বিতর্ক জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন চার লাখ ছাড়াল জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন আজ গৌরবোজ্জ্বল মহান বিজয় দিবস মহান বিজয় দিবস আজ বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আলোচনা সভা বিজিবির অভিযানে অস্ত্রসহ বিপুল গোলাবারুদ জব্দ সেনাবাহিনীর মানবিক কার্যক্রম আইনশৃঙ্খলার অবনতি হলো কোথায় - সিইসি সরকারকে আল্টিমেটাম দিল সাদিক কায়েম সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ভারতকে হাসনাতের হুঁশিয়ারি সোনালী লাইফ ছাড়ছেন গ্রাহকরা, ৬৪ হাজার পলিসি বন্ধ ডিবির হেফাজতে আনিস আলমগীর, চলছে জিজ্ঞাসাবাদ এস আলমের পেটে জনতা ব্যাংকের ২ হাজার কোটি টাকা মেসিই একমাত্র গোট আমিনুলের ‘সাম্রাজ্য’: ১২ বছরে নিম্নবিত্ত থেকে শতকোটিপতি হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সিঙ্গাপুরের পথে আনিস আলমগীর ও অভিনেত্রী শাওনসহ চারজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড চেয়ে প্রসিকিউশনের আপিল আজ পেয়াজের সরবরাহ বাড়াতে আমদানির অনুমতি আরও বাড়ালো ডলারসহ বৈদেশিক মুদ্রার আজকের বিনিময় হার এশিয়ার জন্য ট্রাম্পের নতুন নীতি  ঢাকায় পৌঁছেছে হাদিকে নিতে আসা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রস্তুত প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে এনজিও কর্মকর্তার চাঁদাবাজি

ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার

পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক॥

অবশেষে দুবছরের বেশি সময় পর প্রত্যাহার হচ্ছে ছাত্রদলের সাবেক সেই ১২ নেতার বহিস্কার। শিগগিরই তাদের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হবে। শনিবার বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বহিস্কারের কারণে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ কোনো অঙ্গসংগঠনে তারা এখনো কোনো পদ পাননি। ২০১৯ সালের ২২ জুন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তাদের বহিস্কার করা হয়েছিল। এতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিস্কৃতরা হলেন, ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট, ইকতিয়ার কবির, জয়দেব জয়, মামুন বিল্লাহ, সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, বায়েজিদ আরেফিন, সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক দবির উদ্দিন তুষার, সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আজম সৈকত, আব্দুল মালেক, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য আজীম পাটোয়ারী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ওই সময়ের সাধারণ সম্পাদক বাশার সিদ্দিকী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদল তখনকার সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন।

২০১৯ সালে ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের কারণে তাদের বহিস্কার করা হয়। ওই সময় ২০০০ সালের এসএসসি পাস শিক্ষার্থীরাই ছাত্রদলের কমিটিতে পদ পাবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়। এরপর হঠাৎ করে ভেঙ্গে দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় কমিটি।

কিন্ত নতুন কমিটিতে তখন যারা পদ প্রত্যাশী ছিলেন তাদের বেশিরভাগ বয়সের সীমারেখায় বাদ পড়েন। তাই বয়সসীমা প্রত্যাহার করে ধারাবাহিক কমিটির দাবিতে ছাত্রদলের একটি অংশ বিদ্রোহ করে। এ নিয়ে দুগ্রুপের মধ্যে কয়েকদফা সংঘর্ষ হয়। ভাংচুর করা হয় নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ও।

এমন পরিস্থিতিতে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সমঝোতায় দলের সিনিয়র নেতারা কয়েক দফা বৈঠক করেও ব্যর্থ হন। দাবি না মানা পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। পরে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ১২ জনকে বহিষ্কার করা হয়।

এরপর বহিস্কার প্রত্যাহারে নানাভাবে চেষ্টা করেন তারা। আর বিদ্রোহ করবে না, দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নেবে বলে হাইকমান্ডের কাছে লিখিত প্রতিশ্রুতিও দেন বহিস্কৃতরা। কিন্ত অজানা কারণে ঝুলে থাকে তাদের বহিস্কার প্রত্যাহার। অবশেষে হাইকমান্ড তাদের বহিস্কার প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিলেন।

 

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামীর বাড়িতে বিক্ষুব্ধ জনতার আগুন

স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামীর বাড়িতে বিক্ষুব্ধ জনতার আগুন

গাজীপুর সংবাদদাতা: গাজীপুরের শ্রীপুরে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে বিক্ষুব্ধ জনতা স্বামীর দুটি বাড়িতে আগুন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) ভোরে বরমী মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নারী সুইটি আক্তার নিশি (২০) ময়মনসিংহ জেলার পাগলা থানার চাকুয়া গ্রামের আফসারুল ইসলামের মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী নুরুল ইসলাম (৩৫) বরমী গ্রামের মো. শাহজাহান মৃধার ছেলে। নিহতের স্বজনরা জানান, দেড় বছর আগে সুইটি আক্তার নিশির সঙ্গে নুরুল ইসলামের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে চার মাস বয়সি একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বিয়ের কিছুদিন পরই সুইটি জানতে পারেন, তার স্বামী মাদকাসক্ত এবং এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। এরপর থেকেই তাকে প্রায়ই নির্যাতনের শিকার হতে হতো। পারিবারিক কলহও লেগেই থাকত। বুধবার রাত ১০টার দিকে বিয়ের ঘটক নাজমুল মোবাইল ফোনে সুইটির মৃত্যুর খবর দেন। পরে পরিবারের সদস্যরা নুরুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে সুইটির

আরও পড়ুন
language Change