তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
ময়মনসিংহ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদক কার্যালয় অভিযোগ ভোলাহাটে সরকারী রাস্তার ড্রেন পরিষ্কার করলেন যুব উন্নয়ন ক্লাব ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ অ্যালামনাইয়ের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা ঝালকাঠি সাংবাদিক সমিতির দ্বি-বার্ষিক কমিটি গঠিত রামগড়ে সৌ‌দি’র খেজুর বিতরণ সমপন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন রংপুরে ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ কেশবপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিদেশী মদ সহ আটক ১ আপন ভাই-বোনকে যাকাতের টাকা দেয়া যাবে কি? পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে নৌপথে সার্বিক নিরাপত্তায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ১ মাসের অবকাশকালীন চেম্বার কোর্ট গঠন পুঁজিবাজারে লেনদেন কমেছে ২৪ শতাংশ বরগুনায় শ্রমজীবী মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ খুলনায় চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার আসামি সায়মন গ্রেফতার সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে স্বনির্ভর দেশ গড়ে তুলতে পারব: প্রধানমন্ত্রী খুলনার চাঞ্চল্যকর রাজীব হত্যা মামলার প্রধান আসামি শিপন গ্রেফতার হত্যা মামলায় মা-বাবাসহ ছেলে গ্রেফতার রামগড়ে জ্বালানি তেলের সংকট, তেল দোকানে উপচে পড়া ভিড় সাদাকাতুল ফিতরের আলোচনা: মাওলানা শাহ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ভারতে ধনী তারকাদের শীর্ষে শাহরুখ খান আমতলীতে খাস জমি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত-৭ মালদ্বীপে ৫ বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় জামায়াতের শোক মোংলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের দাফন সম্পুর্ন পাশে থাকার আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া চাইলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী কুয়াকাটায় রাতের আঁধারে কেটে ফেলা হলো দুই শতাধিক গাছ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সোনামসজিদ আইসিপিতে স্বর্ণসহ আটক ১ বিএনপি প্রতিশ্রুতি পূরণের রাজনীতি করে চাটমোহরে কৃষকের জমির তরমুজের গাছ উপড়ে ফেলার অভিযোগ  শ্রমিকদের বেতন-বোনাস ঈদের আগে পরিশোধ বাধ্যতামূলক যুক্তরাষ্ট্রকেই বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার দাবি ইরানের রামগড়ে ভিজিএফের চাল বিতরণ শেরপুরের নকলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মহাসড়কে বেলাই ব্রিজ এলাকায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় নিহত ১২ রাজধানীর কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু মঠবাড়িয়ায় ব্যবসায়ীকে আটকে ভিডিও ধারণ ও মুক্তিপণ দাবি তিন দিন স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের প্রবেশ বন্ধ ঈদের পরে নতুনরুপে আসছে মোহনা টিভির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান “সাড়া দাও বাংলাদেশ” বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৩ উল্লাপাড়ার ঘাটিনা রেল ব্রিজে ট্রেনের ধাক্কায় খালাতো দুই ভাই নিহত কুয়াকাটায় দুর্বৃত্তদের আগুনে জেলের জাল ও নৌকা পুড়ে ছাই সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে চিকিৎসা ও বিনামূল্যে ঔষধ বিতরন অস্ত্র-গোলাবারুদসহ সুন্দরবনের সদস্য আটক কুয়াকাটায় শ্রমিক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ ঝিনাইগাতী-নকলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ও বাজার মনিটরিং ঝিনাইগাতীতে ভিজিএফের চাল পেল ১২ হাজার ৬৩০ পরিবার ঝিনাইগাতীর মেধাবী ছাত্র হৃদয় চক্রবর্তী ৪৫ তম বিসিএস ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত কেশবপুর শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে শিশুর মৃত্যুতে ভাঙচুর খুলনায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নিয়োগে লঙ্কাকাণ্ড

আদর্শিক সংঘাত ॥ জোটের ভোটের রাজনীতি

আদর্শিক সংঘাত ॥ জোটের ভোটের রাজনীতি
পাঠক সংখ্যা
638

মোহাম্মদ মাসুদ॥
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশের রাজনীতিতে হঠাৎই নতুন করে মেরূকরণ শুরু হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে’ চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শেষ মুহূর্তে এসে যুক্ত না থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ভোটের সমীকরণ গেছে অনেকটাই বদলে গেছে। অর্থাৎ এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামপন্থি দলগুলোর মধ্যে যে ‘বৃহত্তর ঐক্য’ বা ‘এক বাক্স নীতি’ কার্যকরের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তাতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে, আর উসলামী দলগুলো যে এক হতে পারেনা এটাই তার বড় প্রমাণ, শুধু তাই নয়, এই নির্বাচনী ঐক্যে থাকা বাকি দশটি দলকে এখন নতুনভাবে ছক কষতে হচ্ছে।
স্বৈরাচার হাসিনার সহযোগি গল দীর্ঘ আলোচনা ও দরকষাকষির পরও জামায়াত নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী ঐক্যে শেষ পর্যন্ত যোগ দেয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বরং ২৬৮টি আসনে এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে তারা রাজনীতির ময়দানে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে যে, ইসলামপন্থিদের ঐক্যে চিড় ধরল কেন? যদিও ইসলামী আন্দোলনের এই সিদ্ধান্ত রাজনীতির মাঠে কাকে লাভবান করবে, তা নির্ভর করছে নির্বাচনের প্রচার ও জনমতের ওপর। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটা স্পষ্ট যে ইসলামপন্থিদের দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত ঐক্যের যে ‘সোনালি সুযোগ’ এসেছিল, তা আপাতত হাতছাড়া হয়ে গেল। ইসলামী আন্দোলন জোটে না থাকায় সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হতে পারে বিএনপি। যদিও ‘১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে’ থাকা দলগুলোর শীর্ষ নেতারা বলছেন, চরমোনাই পীরের দল তাদের জোটে না থাকা ভোটের সমীকরণে খুব একটা প্রভাব ফেলবে না। আর রাজনীতিতে শেষ বলে কথা নেই।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ১১ দলীয় জোটে না থাকার সিদ্ধান্তটি দেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং রাজনীতিতে একটি নতুন মেরূকরণের ইঙ্গিত। দলটির এমন সিদ্ধান্ত মূলত আদর্শিক এবং কৌশলগত—উভয় দিক থেকেই ব্যাখ্যা করা যায়। তবে বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে এটি বাংলাদেশের ‘ইসলামিক পলিটিক্যাল ব্লক’ বা ইসলামপন্থি রাজনৈতিক শিবিরের ঐক্যে একটি বড় ফাটল হিসেবেই দৃশ্যমান।
অন্যদিকে ‘ইসলামী আন্দোলনের নেতারা মনে করছেন যে, তারা এখন আর কোনো ছোট দল নয়। বিগত কয়েকটি স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে তারা যে পরিমাণ ভোট পেয়েছে, তাতে তারা নিজেদের একটি তৃতীয় শক্তি বা কিংমেকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। জামায়াতের অধীনে ১১ দলীয় জোটে যুক্ত হওয়া মানে হলো তাদের স্বকীয়তা ও প্রতীক (হাতপাখা) কিছুটা হলেও ম্লান হয়ে যাওয়া। তারা হয়তো মনে করছে, ২৬৮ আসনে এককভাবে লড়লে তারা তাদের সাংগঠনিক শক্তির যে প্রদর্শনী করতে পারবে, তা জোটে থেকে সম্ভব হতো না।’

ভোটের মাঠে ইসলামপন্থিদের মধ্যে বিভাজনের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী বিএনপি হবে বলে কারন। এরা বেহেস্তের টিকেট বিক্রিকরা সহ র্ধমের নামে ব্যবসা করা দল দেশে ৫-১০ শতাংশ ভোট সরাসরি ডানপন্থি বা ধর্মীয় দলগুলোর অনুকূলে থাকে। এখন যদি জামায়াত জোট এবং ইসলামী আন্দোলন আলাদাভাবে লড়ে, তবে এই ভোটগুলো ভাগ হয়ে যাবে। এতে করে তাদের এককভাবে আসন জেতার সম্ভাবনা নাটকীয়ভাবে কমে গেল। এই বিভাজনের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী বিএনপি হবে, তাতে সন্দেহ নেই। পাশাপাশি তাৎক্ষণিক নির্বাচনী ফলাফলে এই অনৈক্য ইসলামপন্থি রাজনীতির জন্য একটি বড় ধাক্কা হতে পারে।

কয়েকদিন ধরেই রাজনীতির মাঠে আলোচনার শীর্ষে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন এই নির্বাচনী ঐক্য। সর্বশেষ এই জোটে যুক্ত হয় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি। গত সেপ্টেম্বর থেকে অভিন্ন কয়েকটি দাবিতে যুগপতভাবে আন্দোলন শুরু করে জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা ৮টি দল। জামায়াত ছাড়া অন্য দলগুলো হলো— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এবং খেলাফত মজলিস। সর্বশেষ এবি পার্টিসহ নতুন তিনটি দল সম্পৃক্ত হওয়ায় এই জোটে দলের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছিল ১১টিতে। তবে গত শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন করে জোটে না থাকার কথা তুলে ধরে এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দেয় ইসলামী আন্দোলন। ফলে এখন ১০টি দল রয়েছে এই নির্বাচনী ঐক্যে।

ইসলামী আন্দোলন না থাকলেও জামায়াত এখন ১০টি ছোট-বড় দলকে নিয়ে এগোচ্ছে (যাকে অনেকে ১১ দলীয় জোট বলছেন)। তবে জোটের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ ছিল চরমোনাই পীরের দলটি। তাদের অনুপস্থিতিতে জোটের ‘জনভিত্তি’ ও ‘মাঠ পর্যায়ের প্রভাব’ কতটা অটুট থাকে, তা এখন বড় প্রশ্ন। জোটের নেতারা যদিও বলছেন, তারা ২৫৩টি আসনে সমঝোতা করেছেন। তবে ইসলামী আন্দোলনের বিশাল কর্মী বাহিনী ও ভোট ব্যাংক জোটের বাইরে থাকাটা নির্বাচনী লড়াইয়ে তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের’ কয়েকটি দলের দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোটে না থাকার পেছনে মূলত দুটি বড় কারণ সামনে এসেছে। সেগুলো হচ্ছে—আসন বণ্টন নিয়ে অসন্তোষ এবং আদর্শিক সংঘাত। ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১০০-১২০টি আসনে নির্বাচনের কথা জানিয়েছিল। কিন্তু সে বিষয়ে সমঝোতা না হওয়ায় অন্তত ৫০টি আসন দাবি করেছিল। যদিও জামায়াত ৪৫টির বেশি আসন ছাড় দিতে রাজি হয়নি। বাকি আসনগুলো ‘উন্মুক্ত’ রাখার বিষয়েও দুই দলের মধ্যে সমঝোতা হয়নি। অন্যদিকে জামায়াত ক্ষমতায় গেলে শরিয়াহ আইন প্রণয়ন করা হবে না বলে যে ঘোষণা দিয়েছে সেই আদর্শিক সংঘাতও সমঝোতায় না পৌঁছাতে পারার নেপথ্যে ভূমিকা রেখেছে। এ প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান শুক্রবারের সংবাদ সম্মেলনে বলেন, জামায়াত আমির ‘শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন করবেন না’ মর্মে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা তাদের আদর্শের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তারা মনে করছেন, জামায়াত কৌশলী হয়ে আল্লাহর আইন থেকে সরে গেছে।

রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন পর ইসলামপন্থি দলগুলোর ভোট একটি বাক্সে পড়ার যে সুযোগ তৈরি হয়েছিল, তা হাতছাড়া হয়ে গেল। ইসলামী আন্দোলন আলাদাভাবে ২৬৮ আসনে প্রার্থী দেওয়ায় ইসলামপন্থি দলগুলোর সমর্থক ভোটারদের ভোট বিভক্ত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শক্তি যেমন কমবে, তেমনি এককভাবে বড় বিজয় ছিনিয়ে আনা দলগুলোর জন্য কঠিন হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইসলামী আন্দোলন জোটে না থাকায় এর সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হতে পারে বিএনপি। কেননা, জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট ও ইসলামী আন্দোলন পৃথকভাবে নির্বাচন করলে ইসলামপন্থি ও ডানপন্থি ভোটগুলো ভাগ হয়ে যাবে। বহু আসনে এখন বিএনপি, জামায়াত জোট এবং ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই হবে। এই বিভাজনের ফলে বিএনপি অনেক আসনে তুলনামূলক কম ভোটেও জয়ী হওয়ার সুযোগ পাবে। বিএনপি দল হিসেবে নিজেদের ‘উদার গণতান্ত্রিক’ শক্তির ধারায় পরিচিত করতে চাইছে। ইসলামপন্থিদের অনৈক্য তাদের এই অবস্থানকে আরও মজবুত করবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোটে না আসায় ফাঁকা থাকা ৪৭টি আসন সমঝোতার আলোকেই বণ্টন হবে। সমঝোতা হওয়া আসনগুলোতে যে দলের প্রার্থী থাকবে, তিনি বাদে বাকিরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেবেন। ঐক্যবদ্ধভাবে সেটি প্রত্যাহার করা হবে। ফলে ১৯ জানুয়ারির আগে অন্য কোনো কিছুর সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

মামুনুল হক বলেন, ‘এই মুহূর্তে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে আসন সমঝোতার আর কোনো সুযোগ নেই। তবে রাজনৈতিক সমঝোতা হতে পারে আসলে কি তাই এমন প্রশ্ন জনমনে।

শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলন তাদের জোটে না থাকার নেপথ্যে কোনো ষড়যন্ত্র কাজ করেছে কি না ‘ষড়যন্ত্র আছে, এমনটা মনে হচ্ছে না মনে করেন অনেক নেতা। শেষ পর্যন্ত সবাই মিলে একসঙ্গে নির্বাচন করতে না পারাকে নিজেদের ব্যর্থতা বলেই ধরে নেওয়া যায়।

ইসলামী আন্দোলন সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় তার প্রভাব নির্বাচনে পড়বে কি না—খেলাফত মজলিস , সম্মিলিতভাবে ঐক্যের প্রতি মানুষকে আহ্বান জানানো হয়েছিল। সেই অঙ্গীকার থেকে সরে যায়নি দলগুলো। তাই খুব বেশি প্রভাব পড়বে বলে মনে হয় না তারা ।

শেষ মুহূর্তে এসে নির্বাচনী সমঝোতায় ইসলামী আন্দোলনের না থাকার বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর নেতারা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জোট বর্জনের সিদ্ধান্তকে মূল্যায়ন করে শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করবে নাকি জামায়াতে ইসলামী। বলেন, ‘আমরা ১১ দল এখন ১০ দল। উনাদের (ইসলামী আন্দোলন) জন্য তো আমরা আসন ও চেয়ার রেখেছিলাম। আসনও আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম যে এতটা আসন আছে। এখনো সময় আছে। আসলে কি তাই আদর্শিক সংঘাতের কারনে জোটের ভোটের রাজনীতির আজ বেহাল দশা আর এই ইসলামী দলগুলোর উপর সাধারন মানুষ কতটা ভরসা রাখে তাই দেখার বিষয়।
লেখক:
সম্পাদক ও প্রকাশক
দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

শিবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার- ১

শিবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার- ১

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে র‌্যাব-৫ সদস্যরা অভিযান চালিয়ে মোটরসাইকেলের সিটের নীচ থেকে ৩৯ বোতল কাফ রিলিফ নামক সিরাপসহ রফিকুল ইসলামকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে। গত বৃহস্পতিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের খড়িয়াল শেখপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব সদস্যরা। গ্রেফতারকৃত রফিকুল ইসলাম শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের তারাপুর-মুন্নাপাড়ার আব্দুল কাদেরের ছেলে। শুক্রবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ র‌্যাব-৫ ক্যাম্প প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে শিবগঞ্জ থানাধীন মনাকষা ইউনিয়নের খড়িয়াল শেখপাড়ার আমবাগানে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করা হচ্ছে। এ তথ্য পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার র‌্যাব-৫, সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি দল খড়িয়াল শেখপাড়াস্থ জনৈক সামেদের আমবাগান থেকে রফিকুল ইসলামকে আটক করে এবং তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের সিটের নীচে অভিনব কায়দায় রক্ষিত ৩৯ বোতল কাফ রিলিফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন
language Change