তারিখ লোড হচ্ছে...

কদমতলী থানা অধীনস্থ রায়েরবাগে ১২ বছরের মাদ্রাসা ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু ‎ নোয়াখালীতে পুকুর থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার সিলেটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে নাসীরুদ্দীন ও সার্জিসের কটুক্তির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জের বিক্ষ... এমপি মিলনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: দীর্ঘদিন পর চালু হলো কালীগঞ্জ-গুলিস্তান KTL বাস সার্ভিস রামুতে নূর ডেন্টাল পয়েন্ট নিয়ে প্রশ্ন,বিএসসি (ডেন্টাল) ডিগ্রি দিয়ে রুট ক্যানাল-সার্জারির অভিযোগ ব্রেন টিউমার সারেনি ইলিয়াস কাঞ্চনের, তবুও কেন দেশে ফেরা হাইকোর্টে জামিন পেলেন অভিনেতা জাহের আলভীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ: আলোচনায় সহকারী পরিচালক ডা. শফিউল আজম রাজউকের নির্দেশ অমান্য করে নির্মাণে আল-আকসা-৩ ভবন কর্তৃপক্ষ নলডাঙ্গায় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা সদর এসিল্যান্ড অফিসে সেবার মান বৃদ্ধি-খুশি সেবা প্রত্যাশিরা বৃষ্টির পানি আর চোখের জল-একই ঘরে অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির জীবনযুদ্ধ মোংলায় প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষর জাল করে তদবির বাণিজ্য, গ্রেফতার ১ পানছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে জনকল্যাণমূলক সামগ্রী বিতরণ সুন্দরবন রক্ষায় ৪ হাজার কোটি টাকা দেবে জাতিসংঘ নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন জোরদারে আইওএমের আরও সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ আবারও আলোচনায় চট্টগ্রামের এস এম মিজানুল্লাহ সমরকন্দী ওরফে চশমা মিজান দুদক কমিশনার হতে শতকোটি টাকার লবিং: সাবেক কাস্টমস কমিশনার হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পুর্ব সুন্দরবনে বন বিভাগের অভিযানে শুটকি তৈরির আস্তানা ধংস আটক হয়নি কেউ নিরাপত্তাহীনতায় সিরাজগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও তাঁর পরিবার সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলা ২০২৬ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সাংবাদিক নিবন্ধনের আগে সংবাদমাধ্যমের জবাবদিহি নিশ্চিত হোক ১৩ মাসের ডেলিভারি: প্রতিশ্রুতি নয়, প্রমাণ চান সংশ্লিষ্টরা পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন ডিএজি-এএজিদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ৮৬ রানের লক্ষ্য দিয়েও চ্যাম্পিয়ন প্রাথমিক শিক্ষকদের যোগদানের তারিখ জানাল মন্ত্রণালয় পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৩ ডিএমপির বিশেষ অভিযানে, গুলশান ও যাত্রাবাড়ীতে গ্রেফতার ৩৭ গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ চতুর্থ পেড়িয়ে পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ করল উদ্যোক্তা জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১-এ অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী সাতক্ষীরায় জনস্বার্থে কথা বলায় চটে গেলেন সদর উপজেলা সমাজসেবা ও সমবায় কর্মকর্তা পানির দাম ৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব চট্টগ্রাম ওয়াসার পূষ্পধারা হাউজিং এর নতুন জালিয়াতির ফাঁদ, পা দিলেই সর্বনাশ জুলাইকে বিতর্কিত করার অপচেস্টা চলছে:জাহাঙ্গীর শিকদার জগন্নাথপুরে ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার পথে হাওরে নৌকা ডুবে ৪জন নিখোঁজ,১ জনের লাশ উদ্ধার রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষনা কেন্দ্রে শ্রমিক আনসারের নিরাপত্তার মাঝেও সেগুনগাছ চুরি কামরাঙ্গীরচরে মাদক, সন্ত্রাস, কিশোরগ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা মোংলায় তুষার রায়কে জড়িয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে মাতৃদুগ্ধদানে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান ১৫৯ গ্যাংয়ে কাঁপছে ঢাকা কিছুতেই দমানো যাচ্ছে না কিশোর গ্যাং কালচার স্বামীর সম্পত্তির অধিকার চান শারিরীক প্রতিবন্ধী বিধবা রহিমা রাঙামাটিতে কৃষকের পেঁপে বাগান ধ্বংসের অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন  এম এ রশিদের রংপুর ডায়েরি এখন মানুষের কণ্ঠস্বর কদমতলী থানা প্রেসক্লাব ঢাকা নির্বাচন ২০২৬: যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী এইচএম হাকিম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর হাত থেকে ভিওডি বাংলার ডিএমডির সম্মাননা গ্রহণ সংসদের চেয়ে রাজপথকে প্রাধান্য দেওয়ার প্রবণতা গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়: তথ্যমন্ত্রী কেরাণীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির কারখানায় র‌্যাবের অভিযান, আটক ৪ ফটিকছড়ি ছেঁড়া বিদ্যুতের তারে প্রাণ গেল কৃষি শ্রমিকের

ওরিয়ন গ্রুপের প্রতিষ্ঠানে অর্ধশত কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন ইসলামী ব্যাংকের

ওরিয়ন গ্রুপের প্রতিষ্ঠানে অর্ধশত কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন ইসলামী ব্যাংকের
পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার॥
প্রথম দফায় ওরিয়ন গ্রুপের পলাতক চেয়ারম্যান ওবায়দুল করিমের মালিকানাধীন ওরিয়ন নিট টেক্সটাইলকে অর্ধশত কোটি টাকার ঋণ অনুমোদনের তথ্য প্রকাশের পর ব্যাংকিং খাতে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে- প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ থাকা, মালিক পলাতক এবং ঋণসমূহ কুঋণে পরিণত হওয়ার পরও ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রভাবশালী মহল পরিকল্পিতভাবে নতুন অর্থ ছাড়ের উদ্যোগ নেয়।

অনুসন্ধানে পাওয়া অভ্যন্তরীণ ব্যাংক নথি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি শুধুমাত্র ইসলামী ব্যাংকের ফার্মগেট শাখা থেকেই আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ঋণ স্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ওরিয়ন নিট টেক্সটাইলের এইচপিএসএম (ফান্ডেড ও নন-ফান্ডেড) ঋণ ৮৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ঋণ ১০৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা এবং স্পেশাল ঋণ ৪০ কোটি ২ লাখ টাকা- সব মিলিয়ে মোট ঋণ স্থিতি দাঁড়ায় ২৩০ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এছাড়া ফোর্স ইনভেস্টমেন্ট বাবদ ওভারডিউ রয়েছে ৩০ লাখ টাকা। এইচপিএসএম ঋণের লিমিটের মেয়াদ শেষ হয় ৩০ অক্টোবর ২০২৩ এবং স্পেশাল ঋণের মেয়াদ শেষ হয় অক্টোবর ২০২৪ সালে। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধিমালা অনুযায়ী এসব ঋণ ইতোমধ্যে মন্দ ও কুঋণে পরিণত হয়েছে।

ওরিয়ন নিট টেক্সটাইলের এইচপিএসএম ও স্পেশাল ঋণের লিমিট মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কারণে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ ব্যাংকের সংজ্ঞা অনুযায়ী ‘ডিফল্টার ও নন-অপারেশনাল ইউনিট’ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার কথা। তবুও ওই প্রতিষ্ঠানের নামে নতুন করে ঋণ অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে প্রধান কার্যালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়। নথিতে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ ফ্যাক্টরি ভিজিট রিপোর্টে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকার বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও তা গোপন রেখে ঋণ প্রস্তাব অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়। প্রশ্ন উঠেছে- এই ভিজিট রিপোর্ট ও ঝুঁকি মূল্যায়ন কারা পরিবর্তন বা উপেক্ষা করেছে?

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, বিগত বছরগুলোতে ওরিয়ন নিট টেক্সটাইলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিআরপিডি সার্কুলার নম্বর ১০ ও ১৩ লঙ্ঘন করে বিপুল পরিমাণ ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি একসেপ্টেন্স দেওয়া হয়েছে। সরেজমিনে পণ্য যাচাই, রপ্তানি আদেশ ও বাস্তব উৎপাদন সক্ষমতা মূল্যায়ন ছাড়াই এসব এলসি অনুমোদন করা হয়। ফলে রপ্তানি না থাকায় পরবর্তীতে ব্যাংককে ফোর্স লোন সৃষ্টি করে বিল পরিশোধ করতে হয়- যার দায় শেষ পর্যন্ত এসে পড়ে ব্যাংকের ওপর।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ওরিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান ওবায়দুল করিমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলমান থাকায় তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা ছিল। তা সত্ত্বেও তিনি দেশ ছাড়েন। অনুসন্ধানে জানা যায়, দেশ ছাড়ার পরও ব্যাংকের সঙ্গে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়নি। অনলাইন ও তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে তিনি সংশ্লিষ্ট ঋণ নিষ্পত্তি ও নতুন অর্থ ছাড়ের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ব্যাংকিং আইন অনুযায়ী, পলাতক ও অভিযুক্ত কোনো ঋণগ্রহীতার সঙ্গে এ ধরনের লেনদেন গুরুতর অপরাধের শামিল।

সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় হলো, নতুন ঋণের অর্থ ছাড়ের সময় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ একসেপ্টেন্সপ্রাপ্ত সাপ্লায়ারদের কাছ থেকে প্রায় ১.৫ শতাংশ কমিশন কেটে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এই কমিশন মূলত ওরিয়ন নিট টেক্সটাইলের বহন করার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটির অ্যাকাউন্টে কোনো অর্থ না থাকায় তা সাপ্লায়ারদের কাছ থেকেই আদায় করা হচ্ছে। সাপ্লায়ারদের অভিযোগ, কমিশনে রাজি না হলে তাদের বিল আটকে রাখার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তারা কার্যত জিম্মি অবস্থায় পড়ে ডিসকাউন্টে পেমেন্ট গ্রহণে বাধ্য হচ্ছেন।

এ বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ফার্মগেট শাখার ব্যবস্থাপক ফারুক আল মামুন বলেন, “কিছু পেমেন্ট করা হয়েছে ঠিক, তবে সবকিছু ব্যাংকিং নিয়ম অনুযায়ী করা হচ্ছে।” তবে বন্ধ প্রতিষ্ঠানে ঋণ অনুমোদন, পলাতক মালিকের ভূমিকা এবং সাপ্লায়ারদের কাছ থেকে কমিশন কেটে নেওয়ার বিষয়ে তিনি কোনো নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

ওরিয়ন গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট আশরাফুল আলমের কাছে বন্ধ প্রতিষ্ঠানের অনুকুলে নতুন ঋন মঞ্জুরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কিছুই জানেননা বলে জানান। তিনি বলেন, নতুন ঋন মঞ্জুর হয়ে থাকলে তা ইসলামী ব্যাংক ফার্মগেট শাখার ম্যানেজারই বলতে পারবেন কিভাবে ঋন মঞ্জুর হয়েছে। এছাড়া ঋন মঞ্জুর করতে চার্জ ফরমসহ অন্যান্য কাগজপত্র ওবায়দুল করিম কিভাবে স্বাক্ষর করেছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ওবায়দুল করিম বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন। ওরিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান ওবায়দুল করিম পলাতক থাকায় তার মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম নয়; বরং একটি সংঘবদ্ধ ব্যাংকিং সিন্ডিকেটের ইঙ্গিত দেয়। বন্ধ প্রতিষ্ঠান, পলাতক মালিক ও কুঋণ থাকা সত্ত্বেও নতুন ঋণ অনুমোদন হলে তা স্পষ্টতই মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ব্যাংক কোম্পানি আইন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার পরিপন্থী। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংক, দুদক ও আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট এর স্বতন্ত্র তদন্ত দাবি করেছেন সুশীল সমাজ ও ব্যাংকিং খাতের সংশ্লিষ্টরা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

গাজায় ইসরায়েলি হামলা, শিশুসহ ২৬ ফিলিস্তিনি নিহত

স্টাফ রিপোর্টার: ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গৃহহীন ফিলিস্তিনিদের ওপর একের পর এক হামলায় অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৮ শিশুও রয়েছে। চিকিৎসা সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইসরায়েলি ড্রোন হামলা ও বিমান হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল মূলত বেসামরিক ও আশ্রয়প্রার্থী জনগণ। রোববার (১১ মে) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু। বার্তাসংস্থাটি বলছে, মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ শহরে একদল সাধারণ মানুষের ওপর ড্রোন হামলায় দুজন নিহত এবং অনেকে আহত হন। একই শহরে আরও একজন ড্রোন হামলায় এবং অপর একজন আগের হামলায় আহত হয়ে মারা যান। গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস শহরে আশ্রয়প্রার্থীদের একটি তাঁবু লক্ষ্য করে চালানো হামলায় একজন ফিলিস্তিনি এবং তার ছেলে নিহত হন। একই শহরের পশ্চিমাংশে আরেকটি তাঁবুতে ড্রোন হামলায় দুই শিশুসহ চারজন নিহত হন এবং অনেকে আহত হন। খান

আরও পড়ুন
language Change