তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
নাহিদ ইসলামকে অভিনন্দন বার্তা প্রধান উপদেষ্টার বিআরটিএ’র মাহবুবুর রহমান আজ কোটি টাকার মালিক ! এখনো ধরাছোয়ার বাহিরে উমেদার বাবু হাওলাদার জামায়াতপন্থিদের দাপট প্রশাসনে এবার দেশ গড়ার পালা বিজয়ের পর তারেক রহমানের ঐক্যের আহ্বান দুর্বলের ওপর আক্রমণ আমরা মেনে নেব না: তারেক রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরবাগডাঙ্গায় বোমা বিস্ফোরণ আবারও হ্যান্ডশেক বিতর্কে ভারত পাকিস্তান রামগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু পুরান ঢাকার গ্যাস সমস্যার সমাধানের অঙ্গীকার নবনির্বাচিত এমপি হামিদুর রহমানের ইবাদত ও নম্রতার গুরুত্ব: হাদিসের সতর্কবার্তা রুমিন ফারহানাকে অভিনন্দন জানালেন অপু বিশ্বাস রামগড়ে ওয়াদুদ ভূইয়া সমর্থক পরিষদের উদ্যোগে মোনাজাত ও মিষ্টি বিতরণ বিশ্বাসযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক’ নির্বাচন হয়েছে: ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে পরাজয়ের পরও উন্নয়নের অঙ্গীকার হারুনুর রশীদের চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি আসনেই জামায়াত প্রার্থীর বাজিমাত  নিজ দলের ৫ কর্মীকে পুলিশে দিলেন বিএমপি নবাগত এমপি আমিনুল হকেকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ বিজয়কে প্রতিরোধ করা হয়েছে শপথ ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই প্রেস সচিব খাগড়াছড়ি আসনে এমপি হলেন আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া তারেক রহমানকে ফোন করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর অভিযানে ফটিকছড়িতে বিদেশী অস্ত্র সহ হৃদয় কর্মকার গ্রেফতার শেরপুর-২ এ ধানের শীষের জয়, বাজিতে মিলল মহিষ ইতিহাসের প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন শেরপুর-১ আসনে জামায়াতের রাশেদ ও শেরপুর-২ আসনে বিএনপির ফাহিম বিজয়ী সিএইচটি সম্প্রীতি জোটেরর, তিন পার্বত্য জেলাসহ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অভিনন্দন তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমান থেকে শফিকুর, এবারের সংসদের অর্ধেকই নতুন মুখ চূড়ান্ত ফলে যত আসন পেল জামায়াত ১৮ তারিখ গঠিত হবে নতুন সরকার? ঢাকা-৮ আসনে সত্যের জয় পেলো মির্জা আব্বাস বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় কিশোরগঞ্জে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে কারাদণ্ড ও জরিমানা মুন্সীগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ আমি যাকে ভোট দিই, সেই জেতে: মিষ্টি জান্নাত সারা দেশের ভোটদানের চিত্র পর্যবেক্ষণ প্রধান উপদেষ্টার শেরপুরে চলছে ভোটগ্রহণ জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি শেরপুরে সিলসহ শতাধিক ব্যালট উদ্ধার জয়লাভ করলে আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে প্রাধান্য : তারেক রহমান পোলিং এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ তাসনিম জারার ভোট কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ভোটকেন্দ্রে বিএনপি নেতার মৃত্যু ঈদের মতো উৎসব চলছে : প্রধান উপদেষ্টা শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রিজাইডিং অফিসার সহ ২ জনের মৃত্যু ভান্ডারিয়ায় ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ রাজধানীতে নির্বাচন ঘিরে সেনাবাহিনীর তল্লাশি অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাব-৫ এর ক্যাম্প কমান্ডারের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন

এখনো ধরাছোয়ার বাহিরে উমেদার বাবু হাওলাদার

এখনো ধরাছোয়ার বাহিরে উমেদার বাবু হাওলাদার
পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত ঢাকা রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ মানুষের কাছে ভোগান্তি, ঘুষ ও দুর্নীতির সমার্থক নাম হয়ে উঠেছে—এমন অভিযোগ উঠেছে ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট মহলের কাছ থেকে। জমি রেজিস্ট্রেশন, দলিল সম্পাদন, নকল উত্তোলন, রেকর্ড তলাশি, সংশোধন এমনকি জমির শ্রেণি পরিবর্তনের মতো সরকারি সেবাগুলোতে নিয়মিতভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির কেন্দ্রে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যার অন্যতম প্রধান ব্যক্তি হিসেবে উঠে এসেছে উমেদার বাবু হাওলাদার নামের একজন কর্মচারীর নাম।

ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে কার্যত কোনো দলিল নিবন্ধনই ঘুষ ছাড়া সম্পন্ন হয় না। অভিযোগ অনুযায়ী, এই ঘুষ ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তার করে আসছেন বাবু হাওলাদার। তার মাধ্যমে দলিল লেখক, উমেদার ও কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সমন্বয়ে একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে, যা সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের জিম্মি করে রাখে। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, নির্ধারিত ঘুষ না দিলে ফাইল আটকে রাখা, অকারণে ত্রুটি দেখানো কিংবা দিনের পর দিন ঘুরানো হয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বাবু হাওলাদারের কর্মজীবনের শুরু ছিল অত্যন্ত সাধারণ পর্যায় থেকে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এক সময় তিনি রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের গেটের সামনে বাদাম বিক্রি করতেন। পরে এক উমেদারের সহকারী হিসেবে চা-পানি দেওয়া ও দাপ্তরিক খুচরা কাজ করার সুযোগ পান। কোনো নিয়োগপত্র ছাড়াই মৌখিক অনুমতির ভিত্তিতে তিনি কাজ শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার প্রভাব ও ক্ষমতা দ্রুত বাড়তে থাকে।

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের প্রশাসনিক পরিস্থিতি কঠোর হলে সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী সরাসরি ঘুষ লেনদেনে সতর্ক হয়ে ওঠেন—এমন দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র। ওই সময় বাবু হাওলাদারকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। কারণ, তিনি তখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন না। গ্রেপ্তারের ঝুঁকি তৈরি হলে তাকে “কর্মকর্তাদের কেউ নন” বলে অস্বীকার করার সুযোগ ছিল। এই অবস্থান থেকেই বাবু হাওলাদার সব ঘুষের লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ।

সূত্রগুলোর দাবি, দলিলভেদে সাব-রেজিস্ট্রারদের নাম ব্যবহার করে তিনি লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করতেন। এর একটি অংশ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেওয়া হলেও বড় অংশ আত্মসাৎ করা হতো। ওই দুই বছরে তার আর্থিক অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় ভাষায় বলা হচ্ছে, “আঙুল ফুলে কলাগাছ” হয়ে ওঠেন তিনি।

পরবর্তী সময়ে তিনি রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের উমেদারদের মধ্যে প্রভাবশালী এক ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। অভিযোগ অনুযায়ী, অফিসের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীই তার প্রভাব ও ক্ষমতার কারণে তাকে এড়িয়ে চলেন কিংবা প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পান না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন, অফিসের ভূমি সংক্রান্ত বহু কার্যক্রম বাস্তবে বাবু হাওলাদারের নিয়ন্ত্রণেই পরিচালিত হয়।

তার বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কখনো অস্তিত্বহীন ব্যক্তিকে মালিক সাজিয়ে, কখনো ভুয়া কমিশনের মাধ্যমে দলিল সম্পাদন করে সাধারণ মানুষের জমি প্রভাবশালীদের নামে লিখে দেওয়া হয়েছে। এসব কার্যক্রম দিনের বেলায় অফিস চলাকালীন সময়েই নয়, রাতের বেলাতেও সংঘটিত হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাবু হাওলাদারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঘনিষ্ঠজনের দাবি, সাব-রেজিস্ট্রারদের অবৈধ অর্থ তিনি হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাঠান এবং সেখান থেকে তা বৈধ পথে দেশে ফিরিয়ে আনেন। অভিযোগ রয়েছে, ঢাকার বাড্ডা এলাকায় তার একাধিক বাড়ি ও ফ্ল্যাট রয়েছে এবং গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পাঙ্গাশিয়া গ্রামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিক তিনি। বিলাসবহুল ব্যক্তিগত গাড়িতে চলাফেরা করাও তার নিয়মিত অভ্যাস বলে স্থানীয়দের দাবি।

২০১৭ সালে এসে তিনি মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উমেদার হিসেবে নিয়োগ পান—এমন অভিযোগ রয়েছে। এরপর থেকেই তার অপকর্মের মাত্রা আরও বেড়ে যায় বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন। মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে কর্মরত অবস্থায় তাকে ঘুষ না দিলে কোনো দলিল নিবন্ধন সম্ভব নয়—এমন অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকজন দলিল লেখক ও ভুক্তভোগী।

এদিকে বাবু হাওলাদারের বিরুদ্ধে একটি আলোচিত ফৌজদারি মামলার তথ্যও পাওয়া গেছে। মামলার নথি ও পুলিশ সূত্র অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১১ মার্চ রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বারে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন ব্যক্তি মারা যান। ওই ঘটনায় বাবু হাওলাদারের বিরুদ্ধে মারধরের মাধ্যমে মৃত্যুর অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ওই রাতে হোটেল বিল পরিশোধকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডা ও মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে ভুক্তভোগী ব্যক্তি গুরুতর আহত হন এবং তার মৃত্যু হয়।

মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ বাবু হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে এবং রিমান্ডে নেয়। তদন্ত শেষে পুলিশ ওই বছরের অক্টোবরে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। নথি অনুযায়ী, তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন বলে উল্লেখ রয়েছে। তবে পরে তিনি জামিনে মুক্ত হন।

এই মামলার পরও তার বিরুদ্ধে দাপ্তরিকভাবে কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রশ্ন, একটি গুরুতর ফৌজদারি মামলার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে তিনি একই দপ্তরে বহাল তবিয়তে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, অর্থ ও প্রভাব ব্যবহার করে তিনি তদন্ত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করেছেন।

আইজিআর অফিস, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর নিষ্পত্তি এখনো দৃশ্যমান নয়—এমন দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা।

এই বিষয়ে বাবু হাওলাদারের বক্তব্য জানার জন্য তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিভ হয়নি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের দাবি, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত হলে তেজগাঁও ও মোহাম্মদপুর রেজিস্ট্রেশন অফিসে চলমান দুর্নীতির প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে। তারা দুর্নীতি দমন কমিশনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

জন্মসনদ পেল যৌনপল্লীর শিশুরা

জন্মসনদ পেল যৌনপল্লীর শিশুরা

ফরিদপুর সংবাদদাতা: ফরিদপুরে যৌনপল্লীর যৌনকর্মীদের সন্তানদের মধ্যে জন্মসনদ দেওয়া শুরু করেছে ফরিদপুর পৌরসভা। এ উপলক্ষে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুর পৌরসভার মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান শাপলা মহিলা সংস্থার উদ্যোগে। ওই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ফরিদপুর শহরের রথখোলা ও ফরিদপুর সদরের ডিক্রিরচর ইউনিয়নের সিএন্ডবি ঘাট এলাকায় অবস্থিত দুটি যৌনপল্লীর যৌনকর্মীদের ৩৫ জন শিশুর হাতে জন্মসনদ তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সোহরাব হোসেন। শাপলা মহিলা সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুরের এ দুটি যৌনপল্লীতে ৩৮৯ জন যৌনকর্মী রয়েছে। তাদের শিশু সন্তান রয়েছে ২৯৬ জন। এদের মধ্যে অনেকেই জন্ম নিবন্ধন করতে না পারায় স্কুলে ভর্তি জটিলতায় ভুগছিল। এই জন্মসনদ বিতরণের মাধ্যমে

আরও পড়ুন
language Change