স্পোর্টস ডেস্কঃ
কলম্বোতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে ৬১ রানের বড় ব্যবধানে হারের পর হতাশা প্রকাশ করেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলি আগা। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, পরিকল্পনার যথাযথ বাস্তবায়নে ব্যর্থতাই দলের পরাজয়ের প্রধান কারণ। রোববার ১৫ ফেব্রুয়ারি টসে জিতে আগে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নরা। কন্ডিশন বিবেচনায় চার স্পিনার নিয়ে একাদশ সাজায় পাকিস্তান। তবে সেই কৌশল কাজে আসেনি।
ভারতের হয়ে ওপেনার ইশান কিষান ঝোড়ো হাফসেঞ্চুরি করে পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণকে নিষ্ক্রিয় করে দেন। তার ইনিংসের ওপর ভর করে ভারত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৫ রানের শক্ত ভিত গড়ে তোলে। পাকিস্তানের স্পিন বিভাগে আবরার আহমেদ তিন ওভারে ৩৮ রান খরচ করেন। আর অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার শাদাব খান এক ওভারে দেন ১৭ রান। দুজনেই ছিলেন উইকেটশূন্য। এ প্রসঙ্গে আগা বলেন, আমরা চার স্পিনার নিয়ে খেলেছি, কিন্তু তাদের দিনটা ভালো ছিল না। কিছু জায়গায় এক্সিকিউশনের ঘাটতি ছিল। ব্যাট হাতেও ব্যর্থ হয় পাকিস্তান। ১৮ ওভারে ১১৪ রানে অলআউট হয়ে যায় দলটি। অধিনায়ক স্বীকার করেন, পাওয়ারপ্লেতে দ্রুত উইকেট হারানোই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। শুরুটা ভালো হয়নি। পাওয়ারপ্লেতে ৩-৪ উইকেট হারালে ম্যাচে ফেরা কঠিন হয়ে যায়, বলেন তিনি। আগা আরও জানান, প্রথম ইনিংসে উইকেট ধীর ছিল এবং বল গ্রিপ করছিল। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে পিচ তুলনামূলক ভালো হলেও পরিস্থিতি অনুযায়ী বোলিং ও ব্যাটিং দুই বিভাগেই নিজেদের সামর্থ্য কাজে লাগাতে পারেনি পাকিস্তান।
ভারতের মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ম্যাচে আবেগের চাপ সামলানোর বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি। তবে এখন দলের লক্ষ্য বুধবার নামিবিয়ার বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে সুপার এইটে জায়গা নিশ্চিত করা। এ ধরনের ম্যাচে আবেগ থাকবেই। আমাদের তা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সামনে আরেকটি ম্যাচ আছে সেটিতেই এখন পুরো মনোযোগ। জিততে হবে, কোয়ালিফাই করতে হবে। এরপর নতুন করে টুর্নামেন্ট শুরু হবে, যোগ করেন পাকিস্তান অধিনায়ক।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত