মো: মাসুম বিল্লাহ, খুলনাঃ
গত ১৭ই মার্চ থেকে ২৬শে মার্চ পর্যন্ত দেশের সড়ক, নৌ ও রেলপথের চিত্র ছিল অনেকটা রণক্ষেত্রের মতো। সরকারি পরিসংখ্যানে এবারের ঈদযাত্রাকে ‘ইতিহাসের সেরা’ হিসেবে অভিহিত করা হলেও, এর আড়ালে লুকিয়ে থাকা ২৭৪টি তাজা প্রাণ হারানোর ক্ষত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। রক্তাক্ত ঈদযাত্রার খতিয়ান এবারের ঈদে আমরা এমন কিছু মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী হয়েছি যা আগে কখনো দেখা যায়নি:মাত্র ১০ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৭৪ জন মানুষ।
এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ১২ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। নিভে গেছে একজন প্রথিতযশা আলেম ও তার পরিবারের প্রদীপ। লঞ্চে উঠতে গিয়ে মানুষের পিষ্ট হওয়া, ট্রেন ও বাসের সংঘর্ষ এবং যাত্রীবাহী বাসে প্রায় অর্ধশত লোক পদ্মার পানিতে নিমজ্জিত হয়ে করুন মৃত্যু মতো ভয়াবহ ঘটনা এবারের ঈদযাত্রার আনন্দকে বিষাদে পরিণত করেছে।
সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রীরা এবারের ঈদকে ইতিহাসের সেরা ঈদ হিসেবে দাবি করেছেন। সচেতন নাগরিকদের মতে, এই 'সেরা' হওয়ার সংজ্ঞায় হয়তো যোগ হয়েছে অভাবনীয় সব দুর্ঘটনা আর অব্যবস্থাপনা। বাসের ওপর ট্রেনের উঠে যাওয়া কিংবা মন্ত্রীদের অদ্ভুত ও কান্ডজ্ঞানহীন মন্তব্য-সব মিলিয়ে এবারের ঈদ সত্যিই এক ভিন্নধর্মী এবং তিক্ত অভিজ্ঞতার জন্ম দিয়েছে। ধন্যবাদ সেই সকল নীতিনির্ধারকদের, যাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সাধারণ মানুষ এমন এক 'স্মরণীয়' ঈদ উপহার পেল।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত