রুস্তম ফারাজী, কেশবপুরঃ
যশোরের কেশবপুর উপজেলায় ৪১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখন চলছে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক দিয়ে। ভারপ্রাপ্তের হারে উপজেলার ২০টি স্কুল ১৪টি মাদ্রাসা ও সাতটি কলেজ চলায় লেখাপড়া ব্যহত হচ্ছে। এবং ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব ও অরজিনাল দায়িত্ব দুটি ভিন্ন বিষয় বরং ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের মাঝে একপ্রকার অনীহার সৃষ্টি দেখা গেছে । সর্বোপরি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ৭২টি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৫২টি মাদ্রাসা ও ১৩টি কলেজ রয়েছে।
এর মধ্যে ২০টি স্কুল, ১৪টি মাদ্রাসা ও ৭টি কলেজ চলছে ভারপ্রাপ্ত দিয়ে। প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ শুরু না হওয়ায় অমিভাবকদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক, সুপার ও অধ্যক্ষ না থাকায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ভারপ্রাপ্তদের নিয়ে সাধারণ শিক্ষকরা সমালোচনা শুরু করায় প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কাজকর্মের ধারাবাহিকতাও যেতে পড়ার উপক্রম হয়েছে। উপজেলার গড়ভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র রায়মান জনি বলেন, স্কুলটিতে দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মান ধরে রাখতে হলে দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ জরুরি হয়ে পড়েছে।
উপজেলার আড়ূয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সনজিৎ কুমার সরকার বলেন, প্রতিষ্ঠান প্রধান না থাকলে অনেক সময় সাধারণ শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্তদের নিয়ে নানামুখি আলোচনায় জড়িয়ে পড়েন। এখন তাদেরও কিছু বলার থাকে না। বেগমপুর ইসলামিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মানছুর আলী বলেন, 'অফিসিয়াল কোনো কাজে বের হলে সিনিয়র একজন শিক্ষকের উপর দায়িত্ব দিয়ে যেতে হয়। প্রতিষ্ঠান প্রধান থাকলে সুন্দরভাবে চালিয়ে নিতে পারেন । উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শেখ ফিরোজ আহমেদ বলেন, প্রতিষ্ঠান প্রধানদের শুন্য পদের বিষয়ে এনটিআরসিএসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য পাঠানো হয়েছে। শূন্য শদে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ হয়ে গেলে সমস্যা থাকবে না।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত