তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
লালবাগে নারীসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক ঝিনাইগাতীতে পানি নিষ্কাশন বন্ধ, চরম দুর্ভোগে গ্রামবাসী আমতলীতে জমি বিরোধে বৃদ্ধা নিহত, অভিযুক্তরা পলাতক অনিয়ম ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: চাটখিলে দুই হাসপাতালকে অর্থদণ্ড শেরপুরে টাঙ্কে ভরা অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার শ্রীমঙ্গলের কিশোর হত্যা মামলায় দুই আসামি গ্রেফতার কয়রায় পৈতৃক সম্পত্তি দখলের অপচেষ্টা ও হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন সুন্দরবনে আজ থেকে শুরু হলো মৌয়ালরা টাঙ্গাইলে অনুমোদনহীন ৪ ইট ভাটায় সাড়ে ১২ লাখ টাকা জরিমানা কেশবপুরে কৃষকের মাঝে বীজ বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী পথসভা ও লিফলেট বিতরণ বটিয়াঘাটায় অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত চায়ের দোকান চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুলের চুরি হওয়া ৩টি টিভি উদ্ধার, গ্রেফতার ২ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনে  বিএসটিআই কর্মকর্তারা সিরাজগঞ্জে ফিটনেসবিহীন ও অননুমোদিত যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ভোলাহাটে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে কফি চাষে আশার আলো দেখাচ্ছেন উদ্যোক্তা রংপুরে জাল ব্যান্ডরোল উদ্ধারের ঘটনায় ২ জনের ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড সুন্দরবনের ডাকাত জোনাব বাহিনীর হাতে জিম্মি থাকা ১ জেলে উদ্ধার পাইকার সংকটে তরমুজ বাজার, চাষির চোখে লোকসানের শঙ্কা ইউকে চিং নামে পাড়ার নাম করণের দাবি সিএইচটির দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত খাগড়াছড়িতে তেল সংকটে পাম্পে দীর্ঘ লাইন উন্নয়নের মানচিত্রে যেন এক ‘বিচ্ছিন্ন দ্বীপ’ আজহারির ভিসা বাতিল, অস্ট্রেলিয়া ত্যাগের নির্দেশ বিদেশগামী কর্মীদের জন্য সুখবর রাজ এগ্রো (রাজ সীডস) তরমুজের বীজ চাষ করে বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষক বাজিমাত! মুক্তিযোদ্ধার হাত-পা ভেঙে দিলেন ছাত্রলীগ নেতা সময় পেলে প্রিন্স নিয়ে ফাটিয়ে দিতাম: শাকিব ব্যাংক খাতে বিশৃঙ্খলা বাড়ার আশংকা আটকেপড়া বাংলাদেশি জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পার হওয়ার অনুম‌তি ইরানের দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়-বৃষ্টির আভাস আমিরাতে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি নিহত জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে রাজপথে থাকবে ছাত্রশিবির ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযানে নামছে ডিএমপি আজ যেসব এলাকায় ৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না জ্বালানি সংকটের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ সখীপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু খুলনায় ইজিবাইকের ধাক্কায় খুবি ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে প্রকল্পের অর্থ গিলে খাচ্ছে ‘জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনকারী’ সিন্ডিকেট রেশমের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার-বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো: শরীফুল আলম জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে সুখবর গণপূর্তের অজেয় সিন্ডিকেট প্রধান লতিফুল ইমামের পেছনে নামাজ পড়লে কি কোনো সুরা পড়তে হবে? শ্রীমঙ্গলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিন এবং গুরুতর আহত এক বিরোধীদলীয় নেতার এপিএস হলেন মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় ৭ হাজার লিটার পেট্রোলসহ তেলবাহী ট্রাক জব্দ-আটক ৪ সাগরের তল পাওয়া গেলেও অতীত সরকারের দুর্নীতির সীমানা বের করা যায় না রোগীকে জাল সনদ প্রদান, চিকিৎসক কারাগারে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: ট্রাইব্যুনালে সাবেক ডিআইজি জলিল

শেরপুরে কফি চাষে আশার আলো দেখাচ্ছেন উদ্যোক্তা

শেরপুরে কফি চাষে আশার আলো দেখাচ্ছেন উদ্যোক্তা
পাঠক সংখ্যা
638

মিজানুর রহমান, শেরপুরঃ

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পাহাড়ি এলাকায় কফি চাষে তৈরি হয়েছে নতুন সম্ভাবনার দ্বার। অনুকূল আবহাওয়া, উর্বর মাটি এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে এ অঞ্চলে কফি চাষে সাফল্যের আশা দেখছেন স্থানীয় কৃষক ও কৃষি উদ্যোক্তারা। সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা, সহজ প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং কার্যকর বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা গড়ে উঠলে এই সম্ভাবনা আরও বিস্তৃত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, তিন বছর পর প্রতিটি কফি গাছে ফলন শুরু হয় এবং প্রতি গাছ থেকে গড়ে ৬ থেকে ৭ কেজি কফি পাওয়া যায়। বর্তমানে প্রতি কেজি কফির বাজারমূল্য ৮০ থেকে ১০০ টাকা। প্রতি একর জমিতে প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০টি গাছ লাগানো সম্ভব, যার মাধ্যমে বছরে ৩ থেকে ৫ হাজার কেজি কফি উৎপাদন হয়। এতে এক একর জমি থেকে বছরে প্রায় ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব।

নালিতাবাড়ী উপজেলার কৃষি উদ্যোক্তা সাজ্জাদ হোসেন তুলিপ কফি চাষে সফলতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। চার বছর আগে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করা কফি চাষ এখন তার জন্য বাণিজ্যিক সাফল্য বয়ে এনেছে। বর্তমানে তিনি নিজে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কফির চারা বিতরণ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছেন।
জানা যায়, বান্দরবানের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির সময় পাহাড়ি এলাকায় কফি চাষ দেখে অনুপ্রাণিত হন তুলিপ। পরে ২০২১ সালে চাকরি ছেড়ে নিজ এলাকায় কফি চাষ শুরু করেন। মাত্র পাঁচ কেজি চারা দিয়ে শুরু করা তার উদ্যোগ আজ বিস্তৃত হয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তার উৎপাদিত কফি বর্তমানে ময়মনসিংহ, ঢাকা ও কক্সবাজারের বিভিন্ন কফিশপে সরবরাহ করা হচ্ছে।

সাজ্জাদ হোসেন তুলিপ বলেন, স্থানীয়ভাবে কফির উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা গেলে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলা সম্ভব। শেরপুরের পাহাড়ি এলাকায় আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতি একরে ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। কৃষি অফিস জানায়, বাণিজ্যিকভাবে চাষের জন্য ‘অ্যারাবিকা’ ও ‘রোবাস্টা’ জাতের কফি চাষ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে রোবাস্টা জাতটি বাংলাদেশের পাহাড়ি এলাকার জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। মার্চ-এপ্রিল মাসে গাছে ফুল আসে, মে-জুনে ফলের গুটি তৈরি হয় এবং আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফল পরিপক্ব হয়। সংগ্রহের পর রোদে শুকিয়ে প্রক্রিয়াজাত করে কফিবীজ প্রস্তুত করা হয়, যা পরে মেশিনে গুঁড়া করে পানযোগ্য করা হয়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, কফি চাষ সফল হলে স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ভূমিকা রাখবে। এতে পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকদের আয় বাড়বে এবং জীবনমানের উন্নয়ন ঘটবে। তিনি আরও জানান, কৃষি বিভাগের উদ্যোগে ইতোমধ্যে শতাধিক আগ্রহী কৃষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি কফির চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে। সব মিলিয়ে, শেরপুরের নালিতাবাড়ীর পাহাড়ি এলাকায় কফি চাষ নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন করেছে, যা দেশের কৃষি খাতে বৈচিত্র্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

আমি এমনই মা যে গামছা দিয়ে ছেলের হাত-পা বাঁধি

স্টাফ রিপোর্টার:  নতুন নতুন গামছা কিনে রেখেছেন রিনা আকতার। মাঝেমধ্যেই গামছাগুলো দিয়ে তিনি তাঁর অটিস্টিক ছেলে রাইসুল ইসলাম দিনারের হাত-পা বেঁধে রাখেন। তা না হলে ছেলে হঠাৎ রেগে গিয়ে অন্যদের মারধর করে। তখন ওই ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই দিনারকে পাল্টা মারেন। আর সে দৃশ্য সহ্য করতে পারেন না মা। রিনা আকতার বলেন, ‘আমার ছেলে আমাকে মারে, তা আমি মেনে নিই। কিন্তু যখন ছেলেকে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, তখন সে হাসপাতালের চিকিৎসক, আনসার সদস্য বা অন্য রোগীদের স্বজন বা সামনে থাকা অন্যদের গায়েও হাত তোলে। মা হয়ে ছেলেকে গামছা দিয়ে যেদিন প্রথম বাঁধি, সেদিন রাতে ঘুমাতে পারিনি। তারপরও মনে হয়, হাত-পা বাঁধা থাকলে ছেলে কাউকে মারবে না, অন্যরাও আমার ছেলেকে মারতে পারবে না। অন্যরা ছেলেকে মারছে, তা আমি সহ্য করতে পারি

আরও পড়ুন
language Change