তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
সাতক্ষীরায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার, পলাতক স্বামী বাংলাদেশ টি এস্টেট স্টাফ এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ঝিনাইগাতীতে বিজিবির অভিযানে ৩৯৩ বোতল ভারতীয় অবৈধ মদ জব্দ সুনামগঞ্জের নদীর তীর কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন খুলনা প্রেসক্লাবের নব-নির্বাচিত নেতৃবৃন্দের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত নতুন করের প্রস্তাব এনবিআরের সামনে বাইকারদের বিক্ষোভ হাদি হত্যা: সিআইডির অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন ৭ জুন মেঘনার ভাঙন রোধে আগামী অর্থবছরেই স্থায়ী ব্যবস্থা সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু করিম শরিফ বাহিনীর ২ সদস্য অস্ত্র সহ আটক লডাঙ্গায় জমি নিয়ে বিরোধ- চাচাতো ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ১ জন নিহত বিলভাতিয়া বিজিবির অভিযান ১৯৮ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ আটক কেশবপুরে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে প্রশাসনের অভিযান দীঘিনালায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চাকমার বসতঘর পুড়ে ছাই ময়মনসিংহে সরকারি কর্মচারীদের ‘বেগম পাড়া’ শরণখোলায় আওয়ামিলীগ বাড়িতে চুরির চেষ্টা রামগড়ের বিসিবির সাধারন পরিষদের কাউন্সিলর মনোনীত মন্দিরের দেয়াল ভাঙাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ সেনাবাহিনীর অভিযানে ইউপিডিএফ’র ৩ সন্ত্রাসী আটক নাটোরে ঘুমন্ত স্বামীকে হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে হত্যা, স্ত্রী আটক ঘরে বসেই নিতে পারবেন ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ কো-অর্ডিনেটর শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া এক নিবেদিতপ্রাণ - মুশফিকুর সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ঢাকাসহ চার বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস ড. ইউনূসসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা সৌদি পৌঁছালেন ৫৯ হাজারের বেশি হজযাত্রী রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির ডিসেম্বরের মধ্যেই জলাবদ্ধতা কমবে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ভারতে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ আগুন দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই জোড়া আঘাত তাসকিনের যেভাবে কার্যকর হতে পারে নতুন পে-স্কেল রাজধানী জুড়ে পুলিশের কড়া সতর্কতা কুমিল্লা নামে বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী দুই দিনে অভিযানে শতাধিক গ্রেফেতার লিটনের শতকে সম্মানজনক সংগ্রহ বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সুপারের পানছড়ি থানা ও খুনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন সাংবাদিকবৃন্দের সাথে নবাগত পুলিশ সুপার পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিস্ফোরক ও হেরোইনসহ ৩ জন গ্রেফতার ঝিনাইগাতীতে কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৭তম বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত মোংলায় মাদকের বিরুদ্ধে সাহসী লড়াইয়ে সাংবাদিক মাসুদ কেশবপুরে সাবেক খেলোয়াড় কেসমত আলীর মৃত্যু সুন্দরবনে বনদস্যুদের সঙ্গে কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধ, আটক ৩ হামলা হলে দায়ী থাকবেন আওয়ামী লীগ নেতা সাত্তারসহ ৩ জন: সাংবাদিক ইন্নার অভিযোগ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থীর ঘোষণা দিলেন আবু সাইদ সুইট পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মচারীর সম্পদের পাহাড় রংপুর সদরে ধান কাটায় ব্যস্ত কৃষক, উৎপাদন ভালো হলেও লাভ নিয়ে শঙ্কা পাকিস্তানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুমকি চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ করাত-কলের বিরুদ্ধে অভিযান শেরপুরের কোরবানির পশুর হাটে মূল আকর্ষণ বাংলার ডন! কুমিল্লায় পথসভায় প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের কৃতি সন্তান ড. এমডি মাহফুজুর রহমান পিএইচ ডি ডিগ্রি অর্জন করলেন

নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার ৫ উপায়

নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার ৫ উপায়
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ঈমানের পরই একজন মুসলিমের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো নিয়মিত নামাজ আদায় করা। নামাজের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার সঙ্গে সম্পর্ক গভীর হয়। তবে নিয়মিত নামাজ আদায় অনেকের জন্যই চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়।

যারা নতুন নামাজ শুরু করেন তাদের অনেকেই ঠিকমতো নামাজের নিয়ম কানুন পারেন না আবার অনেকেই আরবি ভাষা পারেন না, তাদের জন্য নামাজের সুরা, কেরাত সঠিকভাবে উচ্চারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে নামাজ অনেক সময় শুধু কিছু যান্ত্রিক নড়াচড়া আর মুখস্থ বুলি আউড়ানোর মতো মনে হয়। তবে এই জড়তা কাটিয়ে কীভাবে নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে গভীর ও প্রাণবন্ত সম্পর্ক গড়ে তোলা যায়, সে বিষয়ে ৫টি পরামর্শ তুলে ধরা হলো—

১. জামাতে নামাজ পড়ার অভ্যাস
একা নামাজ আদায় করলেও নামাজ হয়ে যায়। তবে ইসলামে জামাতে নামাজের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সবসময়। একা নামাজ আদায় করলে আধ্যাত্মিক প্রশান্তি পাওয়া যায় না সহজে। তবে জামাতে নামাজ আদায় করলে এক অদ্ভুত মানসিক শক্তি ও শান্তি পাওয়া যায়। জামাতে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে উম্মাহর ঐক্য এবং সবার সঙ্গে একই সময়ে সেজদায় যাওয়ার যে দৃশ্য, তা মনে প্রশান্তি দেয় এবং নামাজের প্রতি একাগ্রতা বাড়ায়।

২. কাবার লাইভ নামাজ দেখা
নামাজে যাওয়ার আগে মক্কার কাবা শরীফের সরাসরি সম্প্রচারিত নামাজের দৃশ্য দেখা যেতে পারে। হাজার হাজার মানুষ যখন এক ইমামের পেছনে একইভাবে রুকু ও সেজদা করছেন, এই দৃশ্যটি যে কাউকে আবেগপ্রবণ করে তোলে। এটি নিজেকে সেই বিশাল মুসলিম বিশ্বের একটি অংশ হিসেবে ভাবতে সাহায্য করে এবং নামাজের আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়।

৩. পবিত্র ও নিরিবিলি পরিবেশ নির্বাচন
কাজের ব্যস্ততা বা চারপাশের কোলাহলে নামাজের সময় আমরা অনেক সময় মনোযোগ হারিয়ে ফেলি। তাই নামাজের জন্য এমন একটি জায়গা বেছে নিন যা শান্ত, পরিষ্কার এবং নিরাপদ। নামাজ শুরুর আগে নিজের মনকে প্রশান্ত করে মনে মনে ভাবুন-আপনি কার সামনে দাঁড়াতে যাচ্ছেন। যখন মাথায় এই চিন্তা থাকবে যে আপনি মহান আল্লাহর সঙ্গে কথা বলছেন, তখন নামাজ আর যান্ত্রিক মনে হবে না। আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও ভক্তি নিয়ে কথা বললে আত্মিক প্রশান্তি আসবেই।

৪. সিজদায় আল্লাহর কাছে মনের আকুতি প্রকাশ
নামাজের কিয়াম, কেরাত, রুকু, বৈঠকের সিজদা হলো এমন একটি মুহূর্ত যখন বান্দা তার রবের সবচেয়ে কাছে থাকে। এই সময়টি ররেব সঙ্গে মন খুলে নিজের সব কথা বলার সেরা মুহূর্ত। আপনার জীবনের সমস্যা, কষ্ট কিংবা কোনো চাওয়া সিজদায় পড়ে সব আল্লাহর কাছে বলতে পারেন। এই একান্ত আলাপ আপনার মনের বোঝা হালকা করে দেবে এবং নামাজের প্রতি এক গভীর ভালোবাসা তৈরি করবে।

৫. ওয়াক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নামাজ পড়া
নামাজ পড়তে দেরি করলে মনের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা ও দুশ্চিন্তা কাজ করে। তাড়াহুড়ো করে নামাজ পড়তে গিয়ে আমরা এর মূল নির্যাসটাই হারিয়ে ফেলি। ফলে নামাজ তখন শুধু নিয়ম রক্ষার কাজ হয়ে দাঁড়ায়। তাই যথাসম্ভব নামাজের ওয়াক্ত হওয়ার শুরুতেই তা আদায়ের চেষ্টা করুন। এতে হাতে যথেষ্ট সময় থাকে এবং ধীরস্থিরভাবে প্রতিটি রুকু-সিজদা আদায় করা যায়, এটি আল্লাহর সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে বড় ভূমিকা রাখে। নামাজ শুধু শারীরিক কসরত নয়, এর মাধ্যমে পরম করুণাময় আল্লাহর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সেতুবন্ধন তৈরি হয়। এই ছোট ছোট বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে যে কেউ নামাজের মাধ্যমে মানসিক ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তি খুঁজে পাবেন। আল্লাহ আমাদের সবার জন্য নামাজকে সহজ ও আনন্দময় করে দিন। আমীন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

প্রবাসী কোটিপতির নির্দেশে হামলার অভিযোগ

প্রবাসী কোটিপতির নির্দেশে হামলার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: লৌহজং উপজেলা এর খিদিরপাড়া ইউনিয়ন এর দাস্তিরবাগ গ্রামে চাঞ্চল্যকর এক হামলার অভিযোগ উঠেছে সৌদি প্রবাসী কোটিপতি শাহ আলম বেপারীর বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের হুমকি দিয়ে প্রতিপক্ষকে গুরুতরভাবে আঘাত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রবাসে অবস্থানরত শাহ আলম বেপারী তার আপন ভাই সেকান্দরকে নির্দেশ দেন আলমগীর নামের এক ব্যক্তির হাত-পা ভেঙে দিতে। ঘটনার সূত্রপাত হয় পূর্ববর্তী আর্থিক ও ব্যক্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে, যা সময়ের সঙ্গে সংঘর্ষে রূপ নেয়। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, একপর্যায়ে সেকান্দর, মোর্শেদা বেগম (শাহ আলমের বোন), এসহাক বেপারীসহ আরো কয়েকজন সংঘবদ্ধ হয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে আলমগীরের বাড়িতে প্রবেশ করেন। এসময় তারা অতর্কিত হামলা চালিয়ে আলমগীর ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর করেন। হামলার তীব্রতায় পরিবারটির সদস্যরা চরম আতঙ্কে দিন

আরও পড়ুন
language Change