তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন নারীদের নাগরিক মর্যাদা ও বৈষম্যহীনতার দাবিতে মানববন্ধন খুলনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলি সহ এক নারী আটক লাহিড়ীহাটে শহীদ জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার অনুষ্ঠিত খাগড়াছড়িতে বন মুরগি নিয়ে নাটক সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে আইডিয়াল ক্রিকেট গার্ডের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল খাগড়াছড়ি প্রতিভা নিকেতনে ১৭ তম গীতাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল ইছামতীতে টেকসই বাঁধ না থাকায় গিলে খাচ্ছে বাংলাদেশের ভূখন্ড ডিএনসির উদ্যোগে জনসাধারণের মাঝে মাদকবিরোধী লিফলেট বিতরণ সাউথ লন্ডন ফাউন্ডেশন'র উদ্যোগে তিন রোগীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান ঢাকা দোহারে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে লাপাত্তা স্ত্রী পায়েল দীঘিনালায় জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে যৌথ অভিযান গারো পাহাড়ে উজাড় হচ্ছে শালবাগান পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা আমলীগোলা পার্কে বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল মানুষের নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিতে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় আলভীর নারী আসক্তি ফাঁস করলেন রিমু কামারখন্দ উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল রেলের টিকিট জালিয়াতি অনলাইনে ১ মিনিটে উধাও আমতলীতে জামায়াতে ইসলামীর দোয়া ও ইফতার মাহফিল বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিল ইসরায়েলকে ২০ হাজারের বেশি বোমা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র কালিগঞ্জে ক্লিনিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা আদায় ঝিনাইগাতীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট বিশ্বকাপ মাতানো তারকা থাকবেন টি-টোয়েন্টির ফাইনালে ঝিনাইগাতীতে বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট আজ তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দি দিবস ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শেরপুর -১ আসনের এমপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে 'আব্দুস সাত্তার ফাউন্ডেশন'-এর উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে চাল বিতরণ দুই পথশিশুর মধ্যে মাদক নিয়ে ঝগড়া, ১ জন নিহত কেশবপুরে প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিয়ে মাটি কাটায় অর্থদণ্ড যে ভুলে বন্ধ হবে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পথ, সতর্কতা জারি সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে মাদক সহ আটক এক ঝিনাইদহ সীমান্তে ৭ ভারতীয় আটক ঢাবি নিয়ে কটাক্ষ করলেন রাকসুর জিএস খুলনা বাইপাস সড়কে বেপরোয়া ডাম্প ট্রাক চলাচল বন্ধে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের দাবি ৬ বছরের শিশুকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ প্রধানমন্ত্রীর আলোকচিত্রী হলেন খালেদ হোসেন পরাগ জ্বালানির মজুত শেষ হলে কী করবে বাংলাদেশ? নৌযান চলাচল নিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা ইরানে ‘বৃহত্তম বোমাবর্ষণ’, সময় জানালেন মার্কিন মন্ত্রী ইসরাইলে তৃতীয় দফায় মিসাইল ছুড়ল ইরান চাঁপাইনবাবগঞ্জে জোরপূর্বক জমি দখল ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে মানববন্ধন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার মন্ত্রিসভা বৈঠকে স্বচ্ছতা ও জনসেবা নিশ্চিতে কঠোর নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর হত্যাচেষ্টা মামলায় বৈষম্যবিরোধী নেতা রিয়াদ রিমান্ডে ফুরিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মিসাইল, ইরানে কতদিন যুদ্ধ চালাতে পারবে অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায় মাওলানা ফয়জুল হাসান

রিজেন্ট সাহেদের অভিযোগ ও তদন্ত রিপোর্ট সাংঘর্ষিক

পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৈশ্বিক মহামারি করোনা কালীন সময়ে দেশের সবচেয়ে আলোচিত ও অন্যতম ঘটনা রিজেন্ট সাহেবের গ্রেফতার। কিন্তু সময় গড়িয়েছে দেশে ঘটেছে অসংখ্য চটকদার ঘটনা। এসব ঘটনা ও অঘটনের খবরের মাঝে সেই সময়ের সর্বাধিক আলোচিত বিষয়টি যেন হারিয়ে গিয়েছে।

রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মোহাম্মদ শাহেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত রিপোর্টের বর্তমান নিয়ে মোঃ শাহেদের পরিবারের দাবি পুরোটাই ভিন্ন রকম। সাহেবের পরিবারের দাবি অপরাধ না করেও অপরাধী তিনি। পরিবারের দাবি ও তদন্ত রিপোর্ট-নিরীক্ষে আজকের স্পেশাল মোহাম্মদ শাহেদ এর অভিযোগ বনাম তদন্ত রিপোর্ট:
নিজস্ব প্রতিবেদক:

অভিযোগ করা হয়েছে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মোহাম্মাদ শাহেদ করোনা রোগী পরীক্ষা করা বাবদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বিপুল পরিমনা টাকা নিয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে শাহেদ কোন টাকা নিয়েছে ওই সংক্রান্ত দায়ের করা মামলার চার্জশীটে উল্লেখ নেই। সেখানে বলা হয়েছে, বলা হয়েছে শাহেদ কোন টাকা গ্রহন করেননি। চার্জশীটে বলা হয়েছে শাহেদ একটি বিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জমা দিয়েছিলেন। খুঁজে পাওয়া গেছে শাহেদ কোন বিলও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জমা দেননি। শাহেদের স্ত্রীর নামে একটি এফডিআর রয়েছে কিন্তু জানা গেছে যায় শাহেদের স্ত্রী ওই এফডিআর এর অর্থ পেয়েছেন অনেক বছর আগে এবং তার সরকারী কর্মকর্তা বাবার কাছ থেকে, এ বিষয়ে তার ট্রাক্স ফাইলও রয়েছে। ফাইলে যাবতীয় তথ্য উলে­খ করা হয়েছে। শাহেদের পিতা সাতক্ষিরা শহরের একজন স্বানমধন্য মানুষ ছিলেন। শহরের তাদের একাধিক বিপনী বিতান নির্মিত হয়েছে শাহেদের জন্মেরও আগে। শাহেদের পিতা তার নিজ নামে ব্যাংকে একাউন্ট খুলে অর্থ জমা রেখেছেন এবং নিজে সে ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করেন। এখন পিতার ব্যাংক হিসেবের দায় ছেলের ওপর চাপিয়ে শাহেদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্য কোন একজন লোকের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা জাল টাকার দায় শাহেদের ওপর চাপিয়ে মামলা করা হয়েছে। শাহেদের বিরুদ্ধে যে অস্ত্র মামলা দায়ের করা হয়েছে ওই অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে ঢাকা শহরের জনবহুল এলাকার একটি সড়কে পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে তাকা একটি গাড়ীর ছাদ থেকে। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন আসে জনবহুল ঢাকা শহরের সড়কে পড়ে থাকা একটি গাড়ীর ছাদে কি ভাবে পনের দিন ধরে একটি অস্ত্র পড়ে থাকে। এটা কি করে সম্ভব? এমনি নানা অসঙ্গতিপূর্ন একাধিক মামলা দায়ের করে আওয়ামী পরিবারের সন্তান শাহেদের জীবনকে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। সামাজিক ভাবে তাকে হেয় করতে তিলকে তাল বানিয়ে প্রচার করা হয়েছে। শাহেদের এক নিকট আÍীয় বলেন, শাহেদের যদি অপরাধ হয়ে থাকে তা হলো বিভিন্ন টকশোতে আওয়ামীলীগের পক্ষে কথা বলা এবং বিএনপির তীব্র সমালোচনা করা এবং প্রধানমন্ত্রীসহ সমাজের বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যাক্তির সঙ্গে চলাফেরা করা। এছাড়া আমি শাহেদের কোন অপরাধ দেখি না।
দেশের আলোচিত মামলাগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক শাহেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা একাধিক মামলা। তবে মামলায় দায়ের করা অভিযোগ পত্রের সঙ্গে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ও প্রচারের সঙ্গে বিস্তর ফারাক রয়েছে,দায়ের করা অভিযোগপত্র বিশ্লেষন করলে এমনটাই দেখা যায়। এ নিয়ে শাহেদের পরিবারের পক্ষ থেকে একাধিকবার সংবাদ সম্মেলন করে ন্যায় বিচার পাওয়ার দাবী করা হয়েছে।
কভিড-১৯ অর্থাৎ করানোকালে বিশ্বের অন্যদেশগুলোর মতই মহাবিপর্যয়ের মুখে পড়ে বাংলাএদশ, তখোন দেশের বেসরকারী মালিকানার প্রায় সব হাসপাতাল মুখ ফিরিয়ে নেয়।কোন হাসপাতাল করোনা রোগী ভর্তি করেনি।
তবে সেই দুর্যোগের সময়ে প্রথমদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সরকারের একাধিক মন্ত্রীর মৌখিক অনুরোধে রিজেন্ট হাসপাতাল সরকারকে সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসে। রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় করোনা রোগী রাখার সিদ্ধান্ত হয় এবং রিজেন্ট হাসপাতালই প্রথম করোনা রোগী ভর্তি করে। ২১/৩/২০২০ তারিখে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মো.শাহেদ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচক আবুল কালাম আজাদের মধ্যে লিখিত চুক্তি হয়। সে চুক্তি বলেই রিজেন্ট হাসপাতাল করোনা রোগী গ্রহন করে। ওই সময়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বলা হয় পরবর্তী যে কোন সময়ে হাসপাতালের লাইসেন্স নবায়ন করে নিতে। সে অনুসারে হাসপাতাল কতৃপক্ষ লাইসেন্স নবায়ন করতে সোনালী ব্যাংকে টাকা জমা দেন। উলে­খ্য লাইসেন্স নবায়ন বিহীন অবস্থায়ই স্বাস্থ্য অধিপ্তর রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে লিখিত চুক্তি করে এবং করোনা রোগীর চিকিৎসা শুরু হয়।
পরবর্তীতে রিজেনট হাসপাতালের মালিক শাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বলা হয় তিনি করোনা রোগীর ভুয়া টেস্ট রিপোর্টে দিয়েছেন এবং রোগীদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। ভ‚য়া টেস্ট রিপোর্ট হিসেবে দশজন রোগীর নাম মামলার অভিযোগ পত্রে উলে­খ করা হয় তবে যে দশজনের নাম উলে­খ করা হয়েছে তাদের সবার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে নিপসনের মেসেজ থেকে । নিপসনের ওয়েবসাইট ঘেটে দেখা যায় রিপোর্টগুলো রয়েছে। এ ক্ষেত্রে শাহেদেরে বিরুদ্ধে দেওয়া অভিযোগটি সম্পূর্ন মিথ্যা তার প্রমান সরকারী ওয়েব সাইট।
করোনা পরীক্ষা করার জন্য শাহেদ কোন রোগীর কাছ থেকে অর্থ নিয়েছে এমন অভিযোগ কোন ব্যাক্তি করেনি এবং মামলার অভিযোগ পত্রে ও এমন কোন লোকের কথা উলে­খ নেই। এছাড়া সে সময়ে মনগড়া প্রচার করা হয় মোহাম্মাদ শাহেদ করোনা পরীক্ষার জন্য সরকারী কোষাগার থেকে প্রচুর টাকা নিয়েছেন,বাস্তবতা হলো রিজেন্ট হাসপাতাল করোনার জন্য সরকার থেকে একটি টাকাও গ্রহন করেননি। তিনি টাকা নিয়েছেন এমন কথা মামলার অভিযোগ পত্রেও বলা হয়নি। মামলার চার্জশীটে বলা হয়েছে মোহাম্মাদ শাহেদ কোন টাকা নেননি তবে এক কোটি ছিয়ানব্বই লাখ কুড়ি হাজার টাকার একটি বিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠিয়েছিলেন। বাস্তবে সেটাও সত্য নয়। স্বাস্খ্য বিভাগে কোন বিলও রিজেন্ট হাসপাতাল পাঠায়নি।
মোহাম্মদ শাহেদ যদি দোষ করে থাকেন তা হলে সেটা হচ্ছে করোনা রোগীদের আশ্রয় দিয়ে,সে বিষয়ে তার বিচার হতে পারে কিন্ত তার নামে রড সিমেন্ট বাকী নেওয়ার মামলাও দেয়া হয়েছ যার সিংহভাগ পাওনা তিনি পরিশোধ করেছেন এতে বোঝা যায় তাকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে হয়রানী করতে এ সব মামলা দায়ের করা হয়েছে। বাস্তবতা হলো বিনা পারিশ্রমিকে করোনা রোগীদের চিকিৎসা ও সেবা প্রদানই তার জন্য কাল হয়ে দাড়াঁয় যা ছিলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তৎকালীন কতিপয় কর্মকর্তার কার্যকলাপ বিরোধী। এছাড়া শাহেদের বিরুদ্ধে যে অস্ত্র মামলা দায়ের করা হয়েছে অস্ত্রটি উদ্ধার দেখানো হয়েছে পরত্যাক্ত অবস্থায় সড়কে পড়ে থাকা একটি গাড়ী থেকে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে প্রায় পনের দিন সড়কে পরত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা একটি গাড়ীর ছাদে কি ভাবে অস্ত্রটি অরক্ষিত অবস্থায় থাকলো? এভাবেই শাহেদের বিরুদ্ধে গোজাঁ মিল দিয়ে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। অথচ প্রচার করা হয়েছে ভিন্ন কথা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কতিপয় প্রভাবশালী কর্মকর্তার পরিকল্পনা অনুসারে সরকারী টাকা আত্মসাতে সহায়তা করতে রাজী না হওয়ার কারনেই মূলত শাহেদকে ফাসিঁয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার তিলকে তাল করে অপ্রচার করা হয়েছে।
তাই শাহিদের পরিবারের দাবি প্রতিটি নাগরিকের জামিনে মুক্তি পাওয়ার অধিকার রয়েছে। যেহেতু তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সমূহ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত রিপোর্ট সাংঘর্ষিক। তাই নাগরিক অধিকার হিসেবে এসব মিথ্যা মামলা হতে মোহাম্মদ শাহেদের দ্রুত মুক্তি দাবি করেন তারা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

চাঁদাবাজির মামলায় প্রতারক সিকদার লিটন ফরিদপুরে ডিবির হাতে গ্রেপ্তার

চাঁদাবাজির মামলায় প্রতারক সিকদার লিটন ফরিদপুরে ডিবির হাতে গ্রেপ্তার

ফরিদপুর প্রতিনিধি: হত্যা, চাঁদাবাজিসহ কয়েক ডজন প্রতারণা মামলার আসামী ভন্ড, প্রতারক, চাঁদাবাজ সিকদার লিটন গ্রেপ্তার হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুর শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মামুনুর রশিদ ও উপপরিদর্শক (এসআই) আজিজের নেতৃত্বে একটি দল সিকদার লিটনকে গ্রেপ্তার করে। এবিষয়ে মামুনুর রশিদ বলেন, ‘চাঁদাবাজির অভিযোগে সিকদার লিটনের বিরুদ্ধে কোতায়ালি থানায় একটি মামলা হয়েছিল। সেই মামলায় আজ শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। একটু পর আমরা তাকে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করবো।’ সিকদার লিটন ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুর হোসেন বুলবুলের পিএস ছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তৎকালীন এমপির ছত্রছায়ায় নানা অপকর্মে জড়িত ছিল সিকদার লিটন। তার বিরুদ্ধে ঢাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে একাধিক হত্যা, হত্যাচেষ্টা মামলা রয়েছে। এছাড়া শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ভাঙচুর ও

আরও পড়ুন
language Change