তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
কিশোরগঞ্জে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে কারাদণ্ড ও জরিমানা মুন্সীগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ আমি যাকে ভোট দিই, সেই জেতে: মিষ্টি জান্নাত সারা দেশের ভোটদানের চিত্র পর্যবেক্ষণ প্রধান উপদেষ্টার শেরপুরে চলছে ভোটগ্রহণ জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি শেরপুরে সিলসহ শতাধিক ব্যালট উদ্ধার জয়লাভ করলে আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে প্রাধান্য : তারেক রহমান পোলিং এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ তাসনিম জারার ভোট কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ভোটকেন্দ্রে বিএনপি নেতার মৃত্যু ঈদের মতো উৎসব চলছে : প্রধান উপদেষ্টা শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রিজাইডিং অফিসার সহ ২ জনের মৃত্যু ভান্ডারিয়ায় ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ রাজধানীতে নির্বাচন ঘিরে সেনাবাহিনীর তল্লাশি অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাব-৫ এর ক্যাম্প কমান্ডারের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন উপদেষ্টারা কে কোথায় ভোট দেবেন? রাজশাহীতে মধ্যরাতে একাধিক বোমা উদ্ধার নির্বাচনে নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখের বেশি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অস্ত্রসহ আটক বিমানবন্দরে বিপুল টাকাসহ জেলা জামায়াতের আমির আটক ঢাকার নদী বাঁচাতে ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক রাজবাড়ীতে ড্রোনের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র মনিটরিং করা হবে ভোটকেন্দ্রগুলোতে কখন পৌঁছাবে ব্যালট, জানাল ইসি পদোন্নতির জন্য পরীক্ষা দিতে হচ্ছে দুদক কর্মকর্তাদের জয়ের প্রত্যাশায় বিএনপি আজ থেকে চারদিন সরকারি ছুটি বিজিবি'র অভিযানে বিদেশী পিস্তল ও ম্যাগজিন , গুলি জব্দ নিশ্চিত পরাজয়ের মুখে সারাদেশে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে জামায়াত: মাহদী আমিন সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা শাকিব শুভ হাজির হতে পারছেন না ভোটকেন্দ্রে অসুস্থ হয়ে আদালত ছাড়লেন পরীমনি, পেছাল জেরা পুলিশ নামাচ্ছে বিশ্বকাপে নিরাপত্তায় রোবট কুকুর পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি নেত্রকোনায় পাঁচ ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাটের দলিল হস্তান্তর করলেন প্রধান উপদেষ্টা দুর্নীতির সূচকে বাংলাদেশের আরও অবনতি জামায়াত আমিরের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সাক্ষাৎ নির্বাচনে যে ফল থাইল্যান্ডের কেউ কল্পনাও করেনি ভোট কেন্দ্রের শৃঙ্খলা-রক্ষার্থে কর্মকর্তা দের মাঝে মেগাফোন বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে যৌথ বাহিনীর মহড়া অনুষ্ঠিত বিএনপি জনগণের আস্থা অর্জন করেছে - হারুনুর রশীদ জাতীয় প্রেস ক্লাবের টয়লেট থেকে সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার টানা ছুটিতে হঠাৎ টাকার দরকার হলে সামাল দেবেন যেভাবে পুড়িয়ে দেওয়া হলো মধ্যরাতে ভিপি নুরের অস্থায়ী নির্বাচনি কার্যালয় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের ছুটি ভোটারদের যেসব বিষয় আগে থেকেই জানা জরুরি রাজপথের লড়াকু সৈনিক থেকে‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী: এস এম জাহাঙ্গীরের উত্থান ও ত্যাগের গল্প

জাগৃকএর চার কর্মচারীর সিন্ডিকেটে জিম্মি প্লট ফ্ল্যাট মালিকরা

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার॥
দিনদিন বেরেই চলছে অনিয়ম আর র্দূনীতি, সকল অনিয়ম যেন নিয়মে পরিনত হয়েছে। জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের (জাগৃক) চার কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্লট ও ফ্ল্যাট মালিকদের জিম্মি করে বখরাবাজির নির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে। তারা ফাইল থেকে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র গায়েব এবং আটকে রেখে প্লট ও ফ্ল্যাট মালিকদের জিম্মি করে রাখেন। পরে অবৈধ বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন। সংস্থাটির ভূমি ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা শাখায় বছরের পর বছর দায়িত্বে থাকায় তারা এসব অপকর্ম করেন।

সংস্থাটির উচ্চমান সহকারী দেলোয়ার হোসেন জাল সার্টিফিকেটে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বর্তমানে তিনি জেলহাজতে রয়েছেন। অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়গুলো সংস্থাটির নিরীক্ষা প্রতিবেদন এবং জাল সনদধারী দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে। একই এজাহারে উচ্চমান সহকারী মো. আশরাফুল ও মালিকিন নাসিরের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর শওকত আহমেদকে নিয়োগের শর্তপূরণ না করা সত্ত্বেও চাকরি দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) মামলা হয়েছে এবং সে বর্তমানে জামিনে আছেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রবিধিমালা পাশ কাটিয়ে একজন কর্মচারীর পদের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জাগৃক চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. মুনিম হাসান  বলেন, তারা সবাই অপরাধী। ইতোমধ্যে একজনকে মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছে। আশরাফুল এবং মালিকিন নাসিরকে ঢাকার বাইরে বদলি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। শওকত আহমেদকে বরখাস্ত করা হবে। তার বিরুদ্ধে দুদকেও মামলা রয়েছে। জাগৃক-এ কোনো সিন্ডিকেট থাকবে না। এক প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, তাদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের হাজারও অভিযোগ। তদন্ত শেষে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

সূত্র জানায়, জাগৃক এর উচ্চমান সহকারী দেলোয়ার হোসেন সংস্থাটির মোহাম্মদপুর অফিসে ৭-৮ বছর পাম্প অপারেটর হিসাবে দৈনিক ভিত্তিতে কাজ করতেন। ২০০৭ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি হিসাব সহকারী হিসাবে স্থায়ীভাবে চাকরিতে যোগদান করেন। সূত্র জানায়, ২০০৯ সালে সাবেক এক চেয়ারম্যানের সহায়তায় তিনি জাগৃক এর ভূমি ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা শাখায় অফিস সহকারী হিসাবে বদলি হন। তিনি জাগৃক এর রাজধানীর মোহাম্মদপুর, মিরপুর এবং চট্টগ্রাম এলাকার ভূমি ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা শাখায় এককভাবে দায়িত্ব পালন করেন। অন্য সহকর্মীদের চেয়ে ১৫-২০ গুণ বেশি দায়িত্ব পালন করেন। অফিস আদেশ জারি করে তাকে ১৫-২০ গুণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার সহকর্মী সংস্থাটির হিসাব সহকারী মো. আশরাফুল দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর লালমাটিয়া এলাকা এবং দেশের সব বাণিজ্যিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্লটের দায়িত্ব পালন করেন। তার আরেক সহকর্মী মালিকিন নাসির দেশের সব পুনর্বাসন প্লটের দায়িত্বে ছিলেন টানা ১৬ বছর।

সূত্র জানায়, দেলোয়ার হোসেন, মো. আশরাফুল, মালিকিন নাসির এবং শওকত আহমেদ এই চারজন একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। তারা সবাই হিসাব সহকারী এবং নিয়ম অনুযায়ী তারা সংস্থাটির হিসাব শাখায় দায়িত্ব পালন করার কথা। কিন্তু তাদের প্রায় দেড় যুগ ধরে ভূমি ব্যবস্থাপনা শাখায় দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির সাবেক দুই চেয়ারম্যানের মেয়াদে তারা অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। জাগৃক এর প্লটে ভবন নির্মাণ করতে হলে বা ভাঙতে হলে আগাম অনুমতি নিতে হয়। প্রতিটি ভাঙা-গড়া কাজের অনুমতির জন্য ২-৫ লাখ টাকা করে বখরাবাজি করা হয়েছে। নতুন ভবন নির্মাণের পর ভবনের ফ্ল্যাটগুলোর মালিকের নামে নাম জারির সময় মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করা হতো।

কোনো প্লট মালিক যদি তার সম্পত্তি বিক্রি করতে চান তাহলে জাগৃক এর পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। প্রতিটি সেলস পারমিশন বা বিক্রয় অনুমতি কেইস থেকে নেওয়া হয় ৬-৭ লাখ টাকা। কেউ টাকা দিতে না চাইলেই তার ফাইল গায়েব, ফাইল থেকে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র গায়েব করে তাকে জিম্মি করা হয়। তাদের খুশি করতে না পারলে অথবা তাদের সম্মতির বাইরে গিয়ে কোনো কাজই করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় প্লট কিংবা ফ্ল্যাট মালিকরা তাদের চাহিদা পূরণ করতে বাধ্য হয়েছেন।

সূত্র জানায়, নামে-বেনামে তারা বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক। দেলোয়ার রাজধানীর লালমাটিয়ায় ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন। একই সঙ্গে তিনি একটি সরকারি কোয়ার্টার বরাদ্দ নিয়ে ভাড়া দিচ্ছেন। তিনি এইচআই টেকনোলজি নামে একটি ডেভেলপার কোম্পানি গড়ে তুলেছেন। মোহাম্মদপুর এলাকার জাগৃক এর যেসব প্লটের কাগজপত্রের কিছু ত্রুটি ছিল, সেসব প্লট মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফিফটি ফিফটি শেয়ারে এইচআই টেকনোলজি ডেভেলপার কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করতে বাধ্য করে। দেলোয়ার হোসেনের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির পর রাতারাতি প্লটের কাগজপত্র ঠিক হয়ে যায়। এভাবে দেলোয়ার এবং তার দুই সহযোগী আশরাফুল এবং মালিকিন নাসির শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে মালিকিন নাসির  বলেন, আমি কোনো অন্যায় করিনি। তদন্তে দোষী হলে শাস্তি হবে।

সূত্র জানায়, সংস্থাটির অফিস সহকারী কাম ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে ২০০৯ সালে নিয়োগ পান শওকত আহমেদ। চাকরিতে প্রবেশকালে তিনি ১৯৯৪ সালে মাদ্রাসা বোর্ড থেকে তৃতীয় বিভাগে আলিম পাশের সনদ জমা দেন। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ কারও আবেদন করার সুযোগই ছিল না। সম্প্রতি এক নিরীক্ষা প্রতিবেদনে শওকত আহমেদকে দেওয়া বেতন ভাতার ২৩ লাখ ২৭ হাজার ৩৯৭ টাকা আর্থিক ক্ষতি হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শওকত আহমেদ  বলেন, আমি বিভাগীয় প্রার্থী। নিয়োগের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এমন একটি ক্লোজ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ছিল। দুর্নীতির বিষয়ে শওকত আহমেদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। আমি কোনো দোষ করিনি।

সংস্থাটির অপর এক কর্মচারী মোস্তফা কামালের পদনাম পরিবর্তন করা হয়েছে। তাকে হিসাব সহকারী থেকে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে পদায়ন করা হয়েছে। সংস্থাটির চাকরি প্রবিধিমালার ২৭ ধারা মোতাবেক তার পদের নাম পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই। ২০১৬ সালের ১৯ জুলাই তার পদের নাম পরিবর্তন করা হয়। মোস্তফা কামালের সঙ্গে ২০০৯ সালে সংস্থাটিতে ২০ জনের হিসাব সহকারী হিসাবে নিয়োগ হয়েছে। শুধু মোস্তফা কামালের পদনাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এ বিষয়ে মোস্তফা কামাল  বলেন, একই বেতনে এবং স্কেলে পদনাম পরিবর্তনে কোনো সমস্যা নেই। কোনো অনিয়ম হয়নি। অন্যদের পদনাম পরিবর্তন কেন হলো না জানতে চাইলে মোস্তফা কামাল বলেন, বিষয়টি কর্তৃপক্ষ ভালো বলতে পারবে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম-১৪ আসনে নির্বাচন সম্পন্ন, গাড়ী ভাংচুর সহ আহত ১৫

  এস.এ.এম. মুনতাসির, চট্টগ্রাম ব্যাূরো: চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনার মধ্য দিয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। চন্দনাইশ উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়ন এবং সাতকানিয়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসনে ১০০টি কেন্দ্রের মধ্যে বেশিরভাগ কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিলো খুবই কম। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটগ্রহণ চলাকালে চন্দনাইশ পৌরসভার হাজী বশরত আলী উত্তর গাছবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর অনুসারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। এসময় পুলিশের গাড়ি ভাংচুরের ঘটনাও ঘটেছে। সরেজমিনে ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে দেখা গেছে কয়েকটি কেন্দ্রে কিছু কিছু মহিলা ভোটার দেখা গেলেও অধিকাংশ কেন্দ্রে দুপুর একটা পর্যন্ত ভোটারদের উপস্থিতি ছিলো খুবই কম। সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রগুলোতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও বেলা বাড়ার

আরও পড়ুন
language Change